Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET

Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET This is the official page of the "Department of Building Engineering & Construction Management (BECM), RUET."

Graduates from Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET have published several research papers...
27/12/2022

Graduates from Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET have published several research papers at 6th International Conference on Advances in Civil Engineering (ICACE-2022).

Congratulations to Md. Rejoan Chowdhury Dipto Mondal Riyad Salehin Md. Shakibur Rahman Jobaer Al Mahmud Sajib Hossain and few others who achieved the feat.

Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET encourages and wishes best of luck to them.

[N.B: Details will be found in Proceedings of 6th International Conference on Advances in Civil Engineering (ICACE-2022)]

07/09/2022

ইট, সিমেন্ট, রড এর যত হিসাব
---------------------------------------------------
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের জন্যে খুবই ইম্পরট্যান্ট
শেয়ার করে রাখুন।
#ইটঃ
-----------
মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২” x ৪ ১/২” x ২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০” x ৫” x ৩”)

#খোয়ার_হিসাবঃ
১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
১ m3 ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন 320 টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য 300 টি।
১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
ছলিং এর জন্য প্রতি 1sft এর জন্য 3 টি ইট প্রয়োজন।
1cft খোজার জন্য 9টি ইট লাগে। পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
10” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি 1sft গাথুনীতে 10 টি ইট লাগে।
5” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি 1sft গাথুনীতে 5 টি ইট লাগে।
1m3 ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন 410 টি।
1cft ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন 11.76 = 12 টি
1m3 ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন 500 টি।
1cft ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন 14.28 টি।
1m2 জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন 31 টি।
1m2 সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন 0.015m3
1m2 জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন 52 টি।
1m2 হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন 0.03m3
1 Reining miter দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=1/.127=8 টি।
ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ 35%
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটি
#বালি
-----------------
বালির হিসাবঃ-
109 f = 12.25cft
100sft 5” গাথুনীতে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 2 ব্যাগ।

* 100 sft 10” গাথুনীতে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 4 ব্যাগ। বালু লাগে 24 cft।

* গাথুনী এবং প্লাস্টারে 1 বস্তা সিমেন্টে 04 বস্তা বালি (সিমেন্টর বস্তায় হিসাব করতে হবে), তবে 05 বস্তাও দেওয়া যায়।

*নির্মান কাজে বালির হিসাব cft ধরে করা হয়। গাড়ি থেকে বালি নামানোর পূর্বে যেখানে বালি রাখা হয় তার চার পাশে ফিতা দিয়ে মাপ দিতে হবে। সে সময় গাড়ির ডালার উপরি অংশের বালি সমান করতে হবে।

#সিমেন্ট
-----------------
1m3 সিমেন্ট 30 ব্যাগ
1m2 নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন= 2.7 – 3 kg
DPC এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের 5% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য 2.5 কেজি।
1 ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন 40kg
এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন 50kg এবং আয়তন= 0.034 m3
1 ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে 21 L.
100sft প্লাষ্টারে 1:4 অনুপাতে সিমেন্ট লাগে 2 ব্যাগ।
গাথুনীর প্লাষ্টারে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে 1:5 অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
প্রতি sft নিট ফিনিশিং করতে 0.0235 kg সিমেন্ট লাগে।
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটি
#রড
-----------
প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র = d2/162.2 কেজি। (যখন রড ডায়া মিলিমিটারে)

**প্রতি ফুট এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র D^2/532 কেজি।

**প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র D^2/162.2 কেজি।

**প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র = 162.2/d2 (m)

**প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র = 532/d2 ft

নিচে কিছু রডের কেজি/মিটার এবং কেজি/ফুট দেখান হলোঃ
08 mm = 0.395 kg/m = 0.120 = 2.5 suta
10 mm = 0.616 kg/m = 0.188 = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 0.271 = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 0.482 = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 0.7518 = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 0.909 = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 1.175 = 8 suta
ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
1m3 MS রডের ওজন = 7850 kg or 78.50 কুইন্টাল

এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন= 0.00785A কেজি।
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটি
#নির্মানের_ক্ষেত্রে_ট্রান্সপোর্টেশন
-------------------------------------------------
**একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে 20 ব্যাগ

**একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি

** একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে 13.33 ব্যাগ।

Design Integrity

07/09/2022

ফ্লাট প্লেট স্লাব এবং এর ব্যবহারে ঝুকি সমূহ:
বাংলাদেশে বহুতালা ভবন নির্মাণে দুই ধরনের কংক্রিট স্লাব সিস্টেম ব্যবহিত হচ্ছে ।
০১. বীম কলাম স্লাব সিস্টেম ।
০২. ফ্লাট প্লেট স্লাব সিস্টেম ।
বীম কলাম স্লাব সিস্টেমে মেঝে বা স্লাব এর সাথে বীম থাকে । তখন লোডের ট্রান্সফার ঘটে স্লাব থেকে বিমে তারপর বীম থেকে কলামে।
কিন্তু ফ্লাট প্লেট স্লাব সিস্টেমে স্লাব সাধারণত সরাসরি কলামের উপরে বসানো থাকে সেখানে বিমের ব্যবহার করা হয় না ।
স্ট্রাকচারাল দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এটি কোন নতুন আইডিয়া নয় । অতীতে সাধারণত কিছু বিল্ডিং এ ফ্লাট প্লেট স্লাব সিস্টেম ব্যবহার করা হত। কিন্তু বর্তমানে এই সিস্টেম টি কন্সট্রাকশন ফার্ম এবং ক্রেতাদের মধ্যেও দারুন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ।
কাস্টমারের এই সিস্টেমে আকর্ষণ করার পিছনে কারন লক্ষ্য করা গিয়েছেঃ
⬛ স্লাব এর ভিতরের পৃষ্ঠ অনেক মসৃণ কারন ভিতরের দিকে বীম থাকে না
⬛ আর্কিটেকচারাল ভিউ
এসব কারনে বর্তমানে এই স্লাব সিস্টেমের ব্যবসাহিক চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । এই জন্যও কন্সট্রাকশন কোম্পানিও ক্রেতা দের চাহিদার সাথে তাল মিলাচ্ছে। কিন্তু এটা আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে ভুমিকম্পের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি ও ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা বীম স্লাব সিস্টেমের তুলনায় ফ্লাট প্লেট স্লাব সিস্টেমে অনেক বেশি।
বাংলাদেশে ছয় থেকে দশতালা এপার্টমেন্ট বিল্ডিং ঢাকা এবং অন্য বড় শহরে সাধারন ঘটনা। এই বিল্ডিং গুলোতে বীম কলাম স্লাব সিস্টেমে স্লাবের থিকনেস সাধারণত ১০০ মিমি থেকে ১২৫মিমি(৪”-৫”) হয়।
আবার ফ্লাট প্লেট স্লাব সিস্টেমে একই জাতীয় নির্মাণের ক্ষেত্রে স্লাব এর থিকনেস সাধারণত ১৭৫মিমি থেকে ২২৫মিমি বা তার থেকে বেশি হবে ।
সাধারণত বীম কলাম স্লাব সিস্টেমে বিল্ডিং এর ৭০ % ওজন আসে স্লাব থেকে । যেহেতু ফ্লাট প্লেট এর পুরুত অনেক বেশি থাকে তাই এই স্লাব এর ওজন তার থেকেও বেশি আসবে। কোন স্ট্রাকচারের ওজন যত বেশি হবে ভুমিকম্পের সময় ততবেশি এনার্জি উৎপন্ন হবে। এটা আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে কেন জাপান যেখানে ভুমিকম্পের হার সবচেয়ে বেশি সেখানে বাড়ি নির্মাণে অনেক হালকা বস্তু যেমন বাশ, কাঠ , কাগজ ইত্যাদি ব্যবহার করে।
আসলে ফ্লাট প্লেটের ক্ষেত্রে বিল্ডিং ভেঙ্গে পরার সম্ভাবনার কারন হচ্ছে স্ট্রাকচারের উপর আগত সিসমিক লোডের বৃদ্ধি। যখন বিল্ডিং ভুমিকম্পের সময় দোলতে শুরু করে তখন ইনারশিয়া বলের কারনে সিসমিক লোডকে বিল্ডিং এর পার্শ্বিক বল (লেটারাল লোড) হিসাবে বিবেচনা করা হয় । এর কারনে বিল্ডিং এ সর্বচ্চো পীড়ন উৎপন্ন হয় কলাম ও স্লাব এর জয়েন্টে । তাই এই জয়েন্ট এর জন্য সঠিক স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের প্রয়োজন । ইঙ্গিনিয়াররা ভুমিকম্প প্রতিরোধী বিল্ডিং ডিজাইনের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নীতি মেনে চলে। এটি “ স্ট্রং কলাম উইক বীম” নামে পরিচিত । “এটি একটি ধারনা যে আশা করা হয় যে ভুমি কম্পের ফলে কলাম কে বাদ রেখে বিমের ইয়েল্ডিং এবং ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে আগত এনার্জি ছড়িয়ে দেওয়া হবে” ।
তারমানে কলামকে ডিজাইন করতে হবে অধিক শক্তিশালী করে। আসলে সম্পূর্ণ স্ট্রাকচারের শক্তি ও স্থায়িত্ব আসলে নির্ভর করে কলামের উপরে। তাই কলাম ব্যতিত বিমের এর ক্ষয়ক্ষতি হলে সেক্ষেত্রে উল্লেখ যোগ্য ভাবে সম্পূর্ণ কাঠামোর ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা কমিয়ে ফেলে। সাথে সাথে মানুষের মৃত্যু ঝুকিও কমিয়ে ফেলে।
এর পাশাপাশি এর উল্টো ঘটলে অর্থাৎ কলাম ফেইল করলে আসলে বিল্ডিং এর ওজনকে সাপোর্ট করার মত কিছুই থাকে না । সেক্ষেত্রে বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ে এবং সম্পদ এর ক্ষয়ক্ষতি হয় ও মানুষের জীবনের বিনাশ ঘটে।
এই “ স্ট্রং কলাম উইক বীম” ধারনা বিল্ডিং এ প্রয়োগ করা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অনেক সহজ বীম কলাম স্লাব সিস্টেমে। ফ্লাট প্লেট সিস্টেম ডিজাইনে ইঞ্জিনিয়ারদের একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়। এই ক্ষেত্রে যেহেতু বীম থাকে না তখন কলাম বরাবর স্লাব এর একটি অংশকে বীম হিসাবে মনে করা হয় । এই ধরনের সমস্যার জটিলতার কারনে বিএস সি লেভেলে এটি এড়িয়ে যাওয়া হয়। এর সাথে সাথে আরও আশ্চর্যের বিষয় যে বেশির ভাগ ডিজাইন কোডও এই ব্যাপারে বিস্তারিত ভাবে বলা থাকে না ।
যদি কলাম খুবই শক্তিশালী ভাবে ডিজাইন করা হয় তখন কলামের চারিদেকে স্লাব ক্ষতি গ্রস্থ হয়। এর কারনে কলামের কাছে উচ্চ পীড়নের সৃষ্টি হয় যা পাঞ্ছিং শেয়ার ফেইলর এ নিয়ে যায়। তখন স্লাব কলাম থেকে ভেঙ্গে পরে এবং পরবর্তীতে যার ফলে কাস্কেডিং এফেক্ট শুরু হয় এবং সম্পূর্ণ বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ে। ফ্লাট প্লেট স্লাব এর জয়েন্ট এর স্লাব থিকনেস নির্ধারণে এই ফেইলরটি সবচেয়ে ক্রিটিকাল। যদি স্লাব থিকনেস অনেক বেশি হয় তবে কলাম দুর্বল হয়ে পড়বে যেটা কাম্য নয়। বীম স্লাব সিস্টেম এ এমন ধরনের কোন সমস্যা নেই। এমনকি যদি কখনও বীম ফেইল করে তারপরও স্লাব এর সহজাত বৈশিষ্টের কারনে স্লাব ফেইল করার সম্ভাবনা অনেক কম।
ফ্লাট প্লেট স্লাব এর ডিজাইন অনেক জটিল এবং এটি নির্মাণে অধিক পরিমানে কারিগরি জ্ঞান ও অত্যধিক তদারকির প্রয়োজন।আমাদের দেশে অতীতে যে সকল বিল্ডিং এ ভুমিকম্প ও নির্মাণ ত্রুটির কারনে স্ট্রাকচারাল ফেইলর হয়েছে তা বেশির ক্ষেত্রেই ফ্লাট প্লেট সিস্টেমে দেখা গিয়েছে। তাই সহজেই বলা যায় বীম কলাম স্লাব সিস্টেম ফ্লাট প্লেট সিস্টেমের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ। এই সিস্টেমের আরেকটা বড় বিষয় হল এটি নির্মাণে অধিক পরিমানে কন্সট্রাকশন ম্যাটেরিয়ালস প্রয়োজন হওয়ার নির্মাণ খরচ অনেক বেড়ে যায়।
তবে এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করতে হবে যে এই আলোচনা সাধারনভাবে প্রযোজ্য হবে ওই সকল ফ্লাট প্লেট সিস্টেম বিশিষ্ট বহুতালা বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যেখানে লোড কলামের মাধ্যমে সরাসরি ফাউন্ডেশনে যায়। যেখানে কলাম প্রধান লোড ট্রান্সফারের কাজ করে । অনেক সময় বিল্ডিং নির্মাণে বাইরের ওয়াল থেকে লেটারাল লোড ও ফ্লোর থেকে আগত লোড ট্রান্সফার করার জন্য রেইনফোসড কংক্রিট ওয়াল কলামের দিকে ব্যবহার করা হয় । এই ধরনের টেকনিকাল ওয়ালকে “শিয়ার ওয়াল” বলে। যেসব বিল্ডিং এ শেয়ার ওয়াল এর সাথে সাথে পাইল অথবা ম্যাট ফাউন্ডেশন থাকে সেসব বিল্ডিং ভুমিকম্পের সময় অধিক প্রতিরোধী হয়। এই ক্ষেত্রে ক্ষয় ক্ষতির ঝুকি অনেকাংশে কমে যদি এটি ফ্লাট প্লেট স্লাব হয় তবুও।
তবে এটা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে এক্ষেত্রে অবশ্যই যেন পাইল, ম্যাট বা একই রকমের ডিপ ফাউনডেশন যেন এই সকল বিল্ডিং এর নিচে থাকে। শুধু মাত্র যদি শিয়ার ওয়াল যদি ব্যবহার করা হয় সাথে যদি প্রত্যেক কলামে অগভীর ফাউন্ডেশনে ব্যবহার করা হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু ঝুকি কমবে না।
বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে এই বিষয় নিয়ে বিস্তর গবেষনা হয়েছে এবং প্রমানিত হয়েছে এই বিল্ডিং ভুমিকম্পের সময় কম শক্তিশালী হিসাবে কাজ করে।
লিখেছেনঃ Dr. Khan Mahmud Amanat Sir
Professor, Department of Civil Engineering, BUET

28/02/2022

সিড়ির ড্রয়িং থেকে ম্যাটেরিয়ালস এর পরিমান বের করাঃ
================================
একটি সিড়ির ম্যাটেরিয়ালস এর পরিমান নির্নয় করতে কয়েকটি ধাপ অনুসরন করতে হয় কারন সিড়ির কম্পোনেন্ট গুলো সব ই ভিন্ন ভিন্ন সাইজের।তাই সব গুলো জিনিস আলাদা আলাদা ভাবে হিসেব করতে হবে।
ধাপ গুলো হলোঃ
১/ বেড বা Waist slab
২/ ল্যানডিং এরিয়া
৩/লবি
৪/ ট্রেড ও রাইস

Waist slab Estimation:
==================
Data,
ট্রেডের লেনথ = 3.5’
ট্রেডের উইডথ (Width/চওড়া) = 10”
রাইসারের উচ্চতা = 6”
ট্রেডের সংখ্যা = 11
রাইসের সংখ্যা=12
ওয়েস্ট স্ল্যাব এর লেনথ = √(〖(10x11)〗^2+〖(6x12)〗^2 ) =10.92’
কনক্রিট ভলিউম=10.92x3.5x0.5x2
=38.22cft
.
ল্যান্ডিংঃ
=======
ল্যান্ডিং এর কনক্রিট ভলিউম= Length x Breadth x Depth
= 7.5x4x0.5
= 15cft
লবি
=======
লবির এর কনক্রিট ভলিউম = Length x Breadth x Depth
= 7.5x3’10”x0.5 x2
= 28.72cft
Trade & Rise :
==============
প্রতিটি স্টেপ এর ভলিউম = 1/2 x Base x Height x Depth (যেহেতু স্টেপ গুলো ত্রিভুজাকার)
=0.5x10”x6” x3.5'
=0.729 cft
মোট স্টেপ্স = 22 টি

স্টেপ এর মোট কনক্রিট ভলিউম = 22 x 0.729=16.04 cft
সুতরাং মোট কনক্রিট = 38.22cft +15cft +28.72cft +16.04 cft
=97.98 cft
ওয়েট ভলিউম = 1.5x 97.98 =146.97 cft
৫ তলা বিল্ডিং এর জন্য =146.97 cft x 5 story
=734.860cft
Let,Ratio= 1:1.5:3
Total materials quantity,
Cement= 1/5.5x734.860 cft =146.97 cft =118 bag
Sand= 1.5/5.5x734.860 cft =2240.45 cft
Brick Chips Volume=3/58x734.860 cft=440.91 cft =3970 nos brick
Design integrity

Subject Review: Building Engineering & Construction Management(BECM), RUETকেমন হতো, যদি তুমি এমন একটি স্থাপনার ডিজাইন তৈ...
24/11/2021

Subject Review: Building Engineering & Construction Management(BECM), RUET

কেমন হতো, যদি তুমি এমন একটি স্থাপনার ডিজাইন তৈরি করলে যে স্থাপনাটি প্রয়োজনীয় বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ যত ধরনের শক্তি যেমন তাপ শক্তি, আলোক শক্তি, যান্ত্রিক শক্তি, বিদ্যুৎ শক্তি -নিজেই নিজের প্রয়োজনে যোগান দিতে পারে? অথবা মনে কর, তুমি এমন একটি ভবন বানালে যেটি একাধারে দীর্ঘস্থায়ী, পরিবেশ বান্ধব, পরিকল্পিত বসবাস উপযোগী, বাহ্যিক ভাবে সুন্দর এবং একক ভাবে পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরূপ গ্রিন হাউজ নিঃসরণ রোধে প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে? কিন্তু এত কিছু এক সাথে করার জন্য নিশ্চয়ই যেমন তোমার স্থাপনার নকশা প্রস্তুত তথা structural design সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান প্রয়োজন তেমনি energy efficient materials, building materials, mechanical & electrical & plumbing system এবং Architectural design সম্পর্কেও জ্ঞান প্রয়োজন। Building Engineering & Construction Management (BECM) হলো Structural Engineering, Architectural Engineering & Engineering Construction Management এর সুগভীর সহযোজন।

সহজ ভাষায় বললে বিল্ডিং তথা কোনো স্থাপনা বানাতে কয়েকটি ধাপ অবলম্বন করতে হয়। শুরুতে ফিজিবিলিটি স্টাডি এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে একজন আর্কিটেক্ট বাহ্যিক কাঠামোর ডিজাইন করে থাকে। তারপর সেই কাঠামোর Cost Estimation থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ ভিত্তি ডিজাইন করে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং সব শেষে একজন কন্সট্রাকশন প্রজেক্ট ম্যানেজার সেটি বাস্তবে রুপ দেয়।

এখানেই আসলে একজন বিইসিএম ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন হয়। এমন একজন প্রফেশনালস যিনি একাধারে আর্কিটেকচারাল দিক থেকে এ্যাস্থেটিকালি বাহ্যিক কাঠামো ডিজাইন, Cost Estimation থেকে অভ্যন্তরীণ ভিত্তি ডিজাইন এবং পুরো কন্সট্রাকশন প্রজেক্ট ম্যানেজ করতে পারে তিনিই আসলে সোজা কথায় বিইসিএম ইঞ্জিনিয়ার। তাই কাজের দীর্ঘসূত্রীতা দমন এবং ব্যয় পরিসীমিত করার জন্যই ২০১৩ সালে কুয়েটে এবং ২০১৬ সালে রুয়েটে Building Engineering and Construction Management বিভাগের উৎপত্তি।

Prospects of BECM:
1. Architecturally & Structurally Building Design
2. 5D BIM সফটওয়্যার সিম্যুলেশনের মাধ্যমে কাজ শুরুর পূর্বেই ডিজাইনে ত্রুটি নির্ধারণ এবং সমন্বয় সাধন।
3. ব্যয় নির্ধারণ, ব্যয়ের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্টকরণ এবং Work Schedule প্রদান।
4. যেকোনো কন্সট্রাকশনের বিভিন্ন কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন।
5. কাজের সুষ্ঠু বন্টন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজের সমাধান।
6. প্রজেক্টের functional requirements সুনির্দিষ্ট করা।
7. কন্সট্রাকশনের ঝুঁকি নির্ণয় ও এর সমাধান।
8. নির্মাণের জন্য উৎকৃষ্ট উপকরণ নির্ধারণ।

BECM এর মেজর শাখা গুলো:
1. Structural Engineering: কোনো স্থাপনার ভিত্তি, লোড অ্যানালাইসিস, ভূমিকম্প সহনশীল এবং টেকসই করে তৈরি করতে অভ্যন্তরীণ ডিজাইন করা হয় যে শাখায়।

2. Geotechnical Engineering: প্রায় সকল স্থাপনাই মাটির উপরে অবস্থিত হয়। মাটির উপর স্থাপনার প্রভাব এবং বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয় যে শাখায়।

3. Architectural Engineering: একটা স্থাপনায় Maximum Human Comfort, আবহাওয়া, এ্যাস্থেটিক আউটলুক, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, একোস্টিক্স এন্ড লাইটিং, স্থাপনার বাইরের ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন, তথা বাহ্যিক ডিজাইন করা হয় যে শাখায়।

4. Construction Management: যখন কোনো স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হয় তখন পুরো নির্মাতাদলকে ম্যানেজ করা, ক্লায়েন্ট হান্ডেল করা তথা ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করা, টেন্ডার, সাপ্লাই-চেইন, Bill of Quantity, বাজেট ইত্যাদি অর্থাৎ একটা পুরো মেগা প্রজেক্ট ম্যানেজ করা শেখানো হয় যে শাখায়।

5. Basic Environmental Engineering: পরিবেশ তথা বাতাস, পানি দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নিয়ে পড়াশোনা হয় এখানে।

6. Basic Transportation Engineering: কোনো সমাজে যোগাযোগ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। স্থল যোগাযোগ তথা রাস্তাঘাট, ব্রিজ, টানেল ইত্যাদি নিয়ে ব্যাসিক আলোচনা করা হয় এখানে। একজন বিইসিএম ইঞ্জিনিয়ার যেন সকল ধরণের কন্সট্রাকশন প্রজেক্ট যেমন দেশের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল ইত্যাদি মেগা প্রজেক্টে কাজ করার মত ক্যালিবার রাখে এর জন্যই শুধু রুয়েট বিইসিএম এর সিলেবাসে ব্যাসিক ট্রান্সপোর্টেসন ইঞ্জিনিয়ারিংও যুক্ত আছে।

BECM এর কোর্স গুলো অর্থাৎ যা যা পড়ানো হয়:
Basic Civil Engineering হিসাবে পড়ানো হয়:
1. Practical & Theoretical Land Surveying
2. Building and Construction Materials
3. Construction Estimating, Techniques, and Equipment
4. Engineering Mechanics
5. Mechanics of Materials
6. Building Engineering Systems

Structural Engineering পড়ানো হয়:
1. Structural Analysis and Design
2. Reinforce Concrete Structures
3. Analysis and Design of Tall Building
4. Design of Steel Structure and Prestressed Concrete
5. Structural Fire Safety Engineering (Optional)
6. Structural Health Monitoring (Optional)
7. Earthquake Analysis and Design (Optional)
8. Advanced Foundation Engineering (Optional)

Geotechnical Engineering কোর্সে পড়ানো হয়:
1. Geotechnical Engineering (2 theory courses & 1 sessional)

Architectural Engineering কোর্সে পড়ানো হয়:
1. Graphics and Engineering Drawing
2. Aesthetics & Design
3. Architectural Design
4. Climate & Architecture
5. Architectural Design of High-Rise Building
6. Acoustics and Lightning
7. Architectural Working Drawing
8. Landscape Design
9. Interior Design
10. Sustainable Building Design
11. Contemporary Building Design (Optional)
12. Climate Resilient Buildings (Optional)
13. Building Environment (Optional)

Engineering Construction Management কোর্সে পড়ানো হয়:
1. Engineering Construction Management
2. Construction & Project Management
3. Construction Contract and Law
4. Project and Seminar
5. Project Financing and Construction Marketing
6. Health and Safety in Construction
7. Sustainable Materials & Green Building
8. Building Project Management
9. Quality Management in Construction
10. Building Information Modeling
11. Professional Practice & Communication
12. Real Estate Development (Optional)
13. Fundamentals of Facility Management (Optional)
14. Information Technology in Construction (Optional)
15. Intelligent Building (Optional)
16. Energy Management in Building (Optional)
17. Application of Project Planning Software (Optional)

Environmental Engineering কোর্সে পড়ানো হয়:
1. Basic Environmental Engineering

Transportation Engineering কোর্সে পড়ানো হয়:
1. Transportation Engineering in Construction

CSE এবং EEE এর ব্যাসিক কোর্স হিসাবে পড়ানো হয়:
1. Basic Electrical Engineering
2. Numerical Analysis & Computer Programming
3. Computer Application & Computer Programming

নন-ডিপার্টমেন্টাল কোর্স হিসাবে:
1. Physics (Theory + Practical)
2. Chemistry
3. Mathematics
4. English (Theory + Practical)
5. Financial Accounting & Engineering Economics
6. Sociology

Professional Training:
একটি চলমান কন্সটাকশন প্রজেক্ট ঘুরে প্রফেশনাল ট্রেইনিং করতে হয়, যার ফলে প্রজেক্ট হ্যান্ডেলিং এর practical knowledge অর্জন করতে পারে। এটি বিশেষত রুয়েট বিইসিএমে করানো হয় এবং আলাদা কোর্স ক্রেডিট রয়েছে।

ল্যাব সুবিধা:
রুয়েট বিইসিএম এর ল্যাব সুবিধা গুলো নিচে দেওয়া হলো:
1. Strength of Materials Lab
2. Concrete Lab
3. Geotechnical Engineering Lab
4. Building Information Modeling Lab
5. Architectural Design Studio

Research (গবেষণা):
রুয়েট বিইসিএম এ ডেডিকেটেড Research Methodology কোর্স পড়ানো হয় তৃতীয় বর্ষ বিজোড় সেমিস্টারে, যা দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি গুলোর হাতে গোনা কয়েকটা ডিপার্টমেন্টেই আছে। এই কোর্সেই তোমার অফিসিয়ালি গবেষণায় হাতেখড়ি হবে এবং তুমি শিখতে পারবে কিভাবে গবেষণা, ডাটা কালেকশন, এ্যানালাইসিস, লিটারেচার, রিসার্চ এক্সপেরিমেন্ট করতে হয়। এছাড়াও চতুর্থ বর্ষে গিয়ে তোমাকে বাধ্যতামূলক থিসিস করতেই হবে। তাছাড়া রুয়েট বিইসিএম এর টিচারদের রয়েছে দারুণ সব গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং জনপ্রিয় সব জার্নালে প্রকাশনা। আবার রুয়েট বিইসিএম এর স্টুডেন্টদের ভিতরেও গবেষণার একটা সংস্কৃতি তৈরি হয়ে গেছে। অনেক স্টুডেন্টেরই ইতিমধ্যে দেশি-বিদেশি সব জার্নাল এবং কনফারেন্সে রিসার্চ পেপার পাবলিশ হয়ে গেছে। এই সংস্কৃতি থেকে তোমার ভিতর যেমন তৈরি হবে গবেষণা ধর্মী মনোভাব যা তোমার বিদেশে ফুল ফান্ডিং এবং স্কলারশিপ সহ উচ্চ শিক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

Opportunities in Higher Education:
1. Structural Engineering
2. Architectural Engineering
3. Environmental Engineering
4. Construction Management
5. Construction Materials
6. Geotechnical Engineering
7. Foundation Engineering
8. Building Management
9. Construction Project Management
10. Sustainable Management
11. Construction Law and Management

Masters প্রোগ্রামে USA, Australia, Canada তে কোর্স গুলো গড়ে ২ বছরের এবং UK তে গড়ে এক বছরের এবং অন্যান্য দেশে তারতম্য রয়েছে। Masters এর পর প্রতিটি বিষয়ে PhD এবং Post-Doctoral ডিগ্রি এর সুযোগ রয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় বিনা খরচে পড়ার জন্য scholarship এবং ফুল ফান্ডিং এর প্রচুর সুবিধা রয়েছে। কুয়েট বিইসিএম থেকে পড়াশোনা করে প্রায় ৮-১০ জন এখন শুধু USA তেই M.Sc ক্লাসে পড়াশোনা করছেন এবং অনেকে ইতোমধ্যে পিএইচডি করছেন।

Job Sector:

সরকারী –
1. পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক
2. DPHE- Department of Public Health Engineering
3. LGED- Local Government Engineering Department
4. রাজউক- রাজধানী উন্নয়ন কর্পোরেশন
5. নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ইত্যাদি।

Private –

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ছাড়াও যেকোনো রিয়েল এস্টেড এবং ডেভেলপার কম্পানিতেই চাকরি সুযোগ রয়েছে। এবং যেকোনো প্রাইভেট ন্যাশনাল অথবা মাল্টিন্যাশনাল কম্পানির হয়ে দেশে সব মেগা প্রজেক্ট যেমন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল ইত্যাদিতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে প্রসিদ্ধ বেশকিছু রিয়েল এস্টেট কোম্পানি রয়েছে। এদের মধ্যে-

1. আনন্দ গ্রুপ
2. বসুন্ধরা গ্রুপ
3. ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড
4. নাভানা গ্রুপ
5. শেলটেক উল্লেখযোগ্য।

এগুলোতে Design Engineer, Project Director, Project manager, Site Engineer হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত কুয়েট বিইসিএম থেকে ৩টি সিরিজ বের হয়েছে (2k13, 2k14, 2k15) । অনেক গ্র্যাজুয়েট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) সহ সরকারী চাকুরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। বেশির ভাগই বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট কোম্পানীতে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার, BIM ডিজাইনার, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার, কিউ এস ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ান্টিটি সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার), প্রোজেক্ট ম্যানেজার সহ উচ্চতর পদে জব করছেন, যাদের অনেকের স্যালারিই ইতোমধ্যে ৬ অঙ্কে পৌঁছেছে! চলমান বিভিন্ন মেগা প্রজেক্ট, রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ অনেক মেগা প্রজেক্টে কাজ করছে অসংখ্য বিইসিএমিয়ান!

বিদেশে:
USA তে একজন Project Manager গড়ে $89000/year বেতন পায়। UK, Australia, Canada বা অন্যান্য উন্নত দেশে একজন site engineer সর্বোচ্চ বেতন পেয়ে থাকে। সুতরাং কাজ আর salary দুটো নিয়ে দেশের বাইরে নিশ্চিত হওয়াই যায়।

একজন Building Engineer এর Structural Engineering আর Construction Management একই সাথে দক্ষতা থাকায় এসব job field এ অবশ্যই এগিয়ে থাকবে। নিজের department নিয়ে যদি পড়াশোনা আর চাকরীর বাইরে কিছু বলতে হয় তাহলে বলব, শুষ্ক প্রকৌশল বিদ্যা আর রাজশাহীর সুতীব্র গরমে আমার department একটুকরো প্রাণ।" ছোট পরিবার, সুখী পরিবার" বাণীটি শুধু কথায় না, গত কয়েক বছরে আমরা কাজে পরিণত করেছি।

সর্বোপরি বলব কেউ যদি Civil Engineering আর Architecture এর স্বাদ একসাথে পেতে চায়, তার জন্য BECM হবে সর্বোত্তম।

Content by:
1. Md. Rabiul Hasan & Md. Tafsirul Islam Rohan (RUET BECM ‘18 series)
2. Muntasir Rubayet (RUET BECM ‘17 series)

Edited & coordinated by:
Rakibul Hasan
Lecturer, Dept. of BECM, RUET
B.Sc. Engg. (BECM) from KUET (2k14)
Ex Lecturer, Dept. of Civil Engineering, City University, Dhaka.

রমজান মাস আত্মশুদ্ধির মাস, পবিত্রতার মাস। প্রতি বছর বান্দার অন্তরের যাবতীয় কলুষতা দূর করতে মাহে রমজান আমাদের সামনে আলোর ...
13/04/2021

রমজান মাস আত্মশুদ্ধির মাস, পবিত্রতার মাস। প্রতি বছর বান্দার অন্তরের যাবতীয় কলুষতা দূর করতে মাহে রমজান আমাদের সামনে আলোর মহিমা নিয়ে হাজির হয়। মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনায় এবারের মাহে রমজান সকলের জন্য সুন্দর ও ইবাদাত মুখর হোক। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং প্রয়োজনীয় কাজে বাহিরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করুন।

'৫২র ভাষা আন্দোলনে শহীদ সকল অকুতোভয় বীরযোদ্ধার প্রতি আজকের এই দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা। শোক হোক শক্তি। ২১ শে ফেব্রুয়ারীর বাঙা...
20/02/2021

'৫২র ভাষা আন্দোলনে শহীদ সকল অকুতোভয় বীরযোদ্ধার প্রতি আজকের এই দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা। শোক হোক শক্তি। ২১ শে ফেব্রুয়ারীর বাঙালি জাতীয়তাবোধ প্রতিটি বাঙালিকে দেশপ্রেমে করুক চির ভাস্বর।

24/12/2020

The Dept. of Building Engineering & Construction Management, RUET have arranged a webinar on Green Building Technology at 23 December, 2020 where our guest was Ar. Md. Nafizur Rahman, Senior Research Architect & Head, Housing Division, HBRI. The program was presidented by Prof. Dr. Md. Robiul Awall Sir, Head, Dept. of Building Engineering & Construction Management, RUET.
We BECM family, RUET are very thankful to Ar. Md. Nafizur Rahman for sharing his valuable knowledge on Green Building Technology with us.
The video record of the full session is attached below.

নদী তীর ভাঙন থেকে রক্ষা করতে নতুন কৌশল উদ্ভাবন করেছেন প্রকৌশলী সৈয়দ এমদাদুল হক।সৈয়দ এমদাদুল হক পানির সর্বনিম্ন লেভেল থেক...
17/12/2020

নদী তীর ভাঙন থেকে রক্ষা করতে নতুন কৌশল উদ্ভাবন করেছেন প্রকৌশলী সৈয়দ এমদাদুল হক।
সৈয়দ এমদাদুল হক পানির সর্বনিম্ন লেভেল থেকে উপরিভাগের ঢালে ছিদ্রযুক্ত কংক্রিটের ব্লকের গালিচা এবং প্লাস্টিকের প্রলেপযুক্ত মোটা তার দিয়ে গালিচা তৈরির কৌশল উদ্ভাবন করেন। তার প্রযুক্তিকে পানি বিশেষজ্ঞরাও কার্যকর বলে মত দিয়েছেন।
জানা গেছে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত পরস্পর সংযুক্ত কংক্রিট ব্লকের গালিচা প্রয়োগ করে একটা পাইলট প্রকল্প সম্পাদনে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং এবং মানব হিতৈষী সংস্থাকে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে এ গবেষণাকে এগিয়ে নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। তারা সহযোগিতা করলেই গবেষণাটি সফলতার মুখ দেখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ হাজার কিলোমিটার। আর পোল্ডার, হাওড়, নদী ও উপসাগর তীরবর্তী এলাকায় রয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার দৈর্ঘের বাঁধ। এই তীরভূমি এবং বাঁধে প্রতি বছর বিশেষ করে বর্ষাকালে পানির প্রবল স্রোতে এবং বর্ষার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড ভাঙন দেখা দেয়। এই ভাঙনে বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তীরভূমি রক্ষার জন্য সারা পৃথিবীতে যেসব রক্ষামূলক কাজ চলছে, তাকে দুটো শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। ১. গালিচার মতো আচ্ছাদন বা কভার ও ২. অসংখ্য ক্ষুদ্র বস্তুর আচ্ছাদন বা কভার। বাংলাদেশে নদী, হাওর ও সাগর তীরবর্তী ভূমিকে পানির প্রবল ঢেউ থেকে রক্ষার জন্য দ্বিতীয় ধরনের আচ্ছাদন প্রয়োগ করা হয়। এজন্য প্রচুর পাথর, কংক্রিটের ব্লক ও বালিভর্তি জিও ব্যাগ দেওয়া হয়। প্রথম ধরনের আচ্ছাদন প্রয়োগ করার চেয়ে দ্বিতীয় ধরনের আচ্ছাদন প্রয়োগ করা সহজ। কিন্তু সহজ কাজ থেকে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
সেই পাকিস্তান আমল থেকেই নদীভাঙন রোধে কংক্রিটের ব্লক ও বালুভর্তি ব্যাগ নদীতে ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা হয়ে আসছে। এই কৌশল সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকালেও তা দীর্ঘমেয়াদি সুফল দিচ্ছে না। বরং বারবার ভাঙন রোধে এই ব্লক ও বালুভর্তি ব্যাগ ফেলায় নদীর তলদেশ ভরে উঠে নাব্যসংকট সৃষ্টি করছে।
প্রকৌশলী সৈয়দ এমদাদুল হক জানান, প্রচুর সামগ্রী নিক্ষেপের কারণে ঢালের কাছে পলি জমে গেলে পরে বালুভর্তি ব্যাগ ফেলতে না হলেও নদীর গভীরতা কমে যায় আর নদীর ওপরের ঢালে পানির প্রবল ঢেউ আঘাত করতে থাকে। এরকম পরিবেশবিরোধী নদীশাসনের দ্বারা দেশের পানিসম্পদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিণামে অনেক নদী শুকিয়ে গেছে এবং এখনো শুকাচ্ছে, নাব্য হ্রাস পাচ্ছে ও নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে, জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রকোপ বাড়ছে, তীরবর্তী গাছপালা ধ্বংস হচ্ছে, তীরবর্তী এলাকায় আধুনিকায়ন কঠিন হচ্ছে, ড্রেজিং করে নদীর নাব্য দীর্ঘস্থায়ী করা যাচ্ছে না, প্রয়োগকৃত রক্ষামূলক কাজের জন্য প্রতি বছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, শহরাঞ্চলে উদ্বাস্তু মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ইমদাদুল হক ১৯৮৮ সাল থেকে গবেষণা শুরু করেন। তিনি মানব হিতৈষী সংস্থা স্থাপন করে সেই সংস্থার নামে ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় জাতীয় জাদুঘরে পরস্পর সংযুক্ত কংক্রিট ব্লকের গালিচা প্রয়োগ-সংক্রান্ত প্রদর্শনী উপস্থাপন করেন। সেই বছরেই এলজিইডি মিলনায়তনে প্রস্তাবিত কৌশল সম্পর্কে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি উদ্ভাবিত কৌশলের কার্যকারিতা তুলে ধরেন।
এরপর তিনি ২০১০ সালে পানির সর্বনিম্ন লেভেল থেকে নদীর তলদেশ পর্যন্ত ঢালে পরস্পর সংযুক্ত কংক্রিট ব্লকের গালিচা স্থাপনের কৌশল উদ্ভাবন করেন। এ নিয়ে ২০১২ সালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সেমিনারে নদীভাঙন প্রতিরোধে পানির সর্বনিম্ন লেভেল থেকে উপরিভাগে একধরনের গালিচা এবং তলদেশে আরেক ধরনের গালিচা সম্পর্কে উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন।
নদীভাঙন প্রতিরোধে পরস্পর সংযুক্ত কংক্রিট ব্লকের গালিচা ব্যবহার সম্পর্কে মৌলিক গবেষণায় সন্তুষ্ট হয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৩ সালে একটা ছোট নদীতে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি দেয়। নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট নতুন এ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙন রক্ষায় ২০১৮ সালে মডেল টেস্ট সম্পন্ন করে। মডেল টেস্টে নতুন প্রযুক্তি কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী প্রমাণিত হয়েছে এবং তূলনামূলক খরচের হিসেবে সাশ্রয়ী পরিলক্ষিত হয়।
ইমদাদুল হক জানান, সরকারের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং থেকে এ কাজ এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিবিদগণও এ ব্যাপারে সহযোগিতায় আগ্রহী।
-দৈনিক ইত্তেফাক

11/12/2020

Address

Talaimari, Motihar
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dept. of Building Engineering & Construction Management-BECM, RUET:

Share