29/06/2025
https://www.facebook.com/share/1C2LX3kCA4/?mibextid=xfxF2i
কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিএআরআই এর অবদান” শীর্ষক সেমিনার ও প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত রুয়েটে
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) যৌথ উদ্যোগে “কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিএআরআই এর অবদান” শীর্ষক সেমিনার ও কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ জুন (রোববার) রুয়েটে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল বিএআরআই-এর ফার্ম মেশিনারি অ্যান্ড পোস্টহার্ভেস্ট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীন “কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা” প্রকল্প।
সকাল ১০টায় প্রদর্শনী মেলা উদ্বোধনের পর শুরু হয় সেমিনার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম.আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, “গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তোলে। বিএআরআই বাংলাদেশের কৃষি খাতে যে অবদান রাখছে, তা প্রশংসনীয়।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল ইসলাম সরকার এবং বিএআরআই-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ নুরুল আমিন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ এরশাদুল হক। সভাপতিত্ব করেন বিএআরআই ঈশ্বরদীর ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোঃ মাজহারুল আনোয়ার।
সেমিনারে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ অংশ নেন। এছাড়া বিএআরআই-এর একাধিক বিজ্ঞানীবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে “ফার্ম মেকানাইজেশন আইডিয়া কম্পিটিশন” অনুষ্ঠিত হয়। এতে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ কৃষির আধুনিকায়ন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে ২৯টি ইনোভেটিভ আইডিয়া পোস্টার আকারে উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে ৩টি সেরা আইডিয়াকে পুরস্কৃত করা হয় যথাক্রমে ১৫,০০০, ১০,০০০ ও ৫,০০০ টাকা এবং সম্মাননা সনদ দিয়ে।
সভাপতির বক্তব্যে ড. মাজহারুল আনোয়ার বলেন, “বিএআরআই উদ্ভাবিত ৫৫টি কৃষি যন্ত্র দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পৌঁছে দিতে রুয়েটের শিক্ষার্থীরা বড় ভূমিকা রাখতে পারে।” তিনি শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান।
প্রসঙ্গত, আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, কৃষির আধুনিকায়ন এবং কৃষি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেমিনার ও প্রদর্শনী আয়োজন অব্যাহত থাকবে।