Tanvir Electronics

Tanvir Electronics We are electronics equipment wholesaler and retailer .All kind of electronics goods services are done by experienced engineer.

সোলার সিস্টেম ips কারো প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন -01711-588177 01613679011
11/03/2026

সোলার সিস্টেম ips কারো প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন -01711-588177
01613679011

18/09/2024
18/09/2024

যে কোনো এলইডি টিভির প্যানেল রিপেয়ার করা হয় আমাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা কাশিমপুর জিতার মোড় তানভীর ইলেকট্রনিক্স। অগ্রণী ব্যাংকের তিন তালা।. 01711588177

20/03/2022
1000VA TANVIR IPS
28/05/2021

1000VA TANVIR IPS

29/04/2021

01711588177

29/04/2021

কিস্তি! কিস্তি!! কিস্তি!!!
এখন মাএ ৫১৩০ টাকা জমা দিয়ে পাচ্ছেন ।
1000va ips +HPD 200AH Hamko battery
যোগায়োগঃ তানভির ইলেকট্রনি্ক কাশিম পুর জিতার মোড়
মোবাইলঃ01711588177......01613679011

03/11/2018

ভূমিকাঃ

ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে বহুল ব্যবহৃত একটি পার্টস হল রেজিস্টর । রেজিস্টরের মত অন্য কোন ডিভাইস এত বেশী ব্যবহার হয়না। এটি বিদ্যুৎ প্রবাহে/ কারেন্ট প্রবাহে বাধা প্রদান করে। কতটুকু বাধা প্রদান করবে তা নির্ভির করে এর রেজিস্টিভিটি এর উপর। রেজিস্ট্যান্সের একক ওহম (Ohm) যাকে গ্রীক অক্ষর Ω দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যে পরিমান রেজিস্ট্যান্সের কারণে কোন রেজিস্টরের আড়াআড়িতে ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্যে উক্ত রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে ১ এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাকে ১ ওহম বলে। কালার কোড ব্যবহার করে আমরা রেজিস্টরের মান নির্ণয় করতে পারি।

রেজিস্টর ও রেজিস্ট্যান্সঃ

এটি ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস বা সার্কিট ইলিমেন্ট যা এর সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যূৎ প্রবাহকে বাধা দিতে পারে। এর বৈশিষ্ট্যকে রেজিস্ট্যান্স বলা হয়। অর্থাৎ রেজিস্টর হলো ডিভাইসের নাম এবং রেজিস্ট্যান্স হলো ঐ ডিভাইসের গুণ বা বৈশিষ্ট। আরো সহজভাবে বলতে গেলে, রেজিস্টর যে কাজটা করে থাকে তাকে রেজিস্ট্যান্স বলে।

প্রতীকঃ

রেজিস্টরকে প্রকাশ করার জন্য নিম্নের প্রতীকগুলি ব্যবহার করা হয়



বৈদ্যূতিক বৈশিষ্টঃ

১। রেজিস্টর একটি দুই টার্মিনাল বিশিষ্ট ডিভাইস

২। ইহা নন–পোলার ডিভাইস

৩। ইহা লিনিয়ার ডিভাইস

৪। ইহা প্যাসিভ ডিভাইস

সাধারণত রেজিস্টর ২ প্রান্ত বিশিষ্ট ডিভাইস।তবে পরিবর্তনশীল মানের রেজিস্টর সাধারণত ৩প্রান্ত বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এর কোনো পোলারিটি(ধণাত্বক বা ঋণাত্বক প্রান্ত) নেই। আর লিনিয়ারডিভাইস বলতে এমন ডিভাইস বুঝায় যার(Across) আড়াআড়িতে প্রযুক্ত ভোল্টেজ এবংউক্ত ভোল্টেজ সাপেক্ষে প্রবাহিত কারেন্টের মধ্যেসম্পর্ক সর্বদা সরল রৈখিক হয়।



প্রকারভেদঃ

রেজিস্টর আছে অনেক প্রকারের ।যথাঃ-

Fixed Resistors:

1.1. Carbon Resistors :

Carbon Fila Resistors Solid Resistors

1.2. Metal Resistors:

Metal Fila Metal Oxide Fila

1.3. Metal Glazed Type Resistors:

Chip Resistors Chip Network Resistors Network Resistors

1.4. Other:

Wire Wound Resistors Theraistors Varistors2. Variable Resistors:

2.1. Metal Glazed Type Resistors

Chip Variable Resistors

2.2. Carbon based Type Variable Resistors:

Carbon based Turning Type Variable Resistors

2.3. Wire Wound Type Variable Resistors



রেজিস্টরের পাওয়ার রেটিং কি?

যখন কোন রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহ ঘটে তখন রেজিস্টরে তাপ আকারে কিছু পাওয়ার অপচয় হয় এবং রেজিস্টরটি গরম হয়। উৎপন্ন তাপমাত্রা প্রবাহিত কারেন্টের উপর নির্ভর করে। কারেন্ট বেশী হলে উৎপন্ন তাপ বেশী হয় এবং কম হলে তাপ কম হয় এমনকি বেশী তাপমাত্রার কারনে রেজিস্টরটি পুড়ে যেতে পারে। সর্বোচ্চ যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহ করলে অথবা যে পরিমান পাওয়ার অপচয় হলে একটি রেজিস্টর পূর্ণ দক্ষতার সাথে দীর্ঘ দিন কাজ করতে পারে তাকে ঐ রেজিস্টরের পাওয়ার রেটিং বলে একে ওয়াট এককে প্রকাশ করা হয়। যেমন একটি ১ ওয়াট রেটিং এর ১০০ ওহম রেজিস্টর বলতে যা বুঝায় তা গাণিতিক ভাবে বুঝার চেষ্ট করি।



অর্থাত একটি ১ ওয়াট রেটিং এর ১০০ ওহম রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ ০.১ এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহ করলে তা নিরাপদ থাকবে এর বেশী কারেন্ট প্রবাহ করলে রেজিস্টরটি পুড়ে যাবে।

রেজিস্টরের মান প্রকাশ করা বা লিপিবদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। যেমন ওয়্যারউন্ড রেজিস্টরগুলিতে এর গায়ে ওহমিক মান ও পাওয়ার রেটিং লিখে প্রকাশ করা হয়। ছোট আকৃতির রেজিস্টর যেমন- কার্বন কম্পোজিশন, কার্বন ফিল্ম টাইপ, মেটাল ফিল্ম ইত্যাদিতে মান লিখার মত যথেষ্ট যায়গা থাকেনা বলে কালার কোডের মাধ্যমে মান লিপিবদ্ধ করা হয়। চীপ রেজিস্টরে বিশেষ কোডিং পদ্ধতিতে মান প্রকাশ করা হয়। কালার কোড পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।

কালার কোড পদ্ধতিঃ

কালার কোড দ্বারা খুব সহজেই আমারা মিটার ছাড়ায় যে কোন রেজিস্টরের মান নির্ণয় করতে পারি। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কালার কোড কি? উত্তর হল, প্রতিটা রেজিস্টরের গায়ে বিভিন্ন প্রকার রঙ দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে এগুলোকে কালার কোড বলে। কালার কোডের প্রতিটি প্যাচকে ব্যান্ড বলে। রেজিস্টর সাধারনত ৪(চার) ব্যান্ডের বেশি হয়ে থাকে, এছাড়াও ৫ ও ৬ ব্যান্ডের রেজিস্টরও পাওয়া যায়। এখানে সাধারনত ১২ প্রকার কালার ব্যবহার করা হয়। যেগুলো হলঃ কালো, বাদামী, লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি, ধূষর, সাদা এছাড়াও টলারেন্স এর জন্য সোনালী ও রুপালী কালার ব্যবহার করা হয়। সংক্ষেপে এই কালার গুলোকে বলা হয়ঃ কা, বা, লা, ক, হ, স, নী, বে, ধূ, সা। প্রতিটি বিভিন্ন ব্যান্ডে বিভিন্ন মান রয়েছে তা নিচে একটি চার্টের মাধ্যমে দেখানো হল।



এই চার্টটা আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে।এখন কাজে আসা যাক। কিভাবে আমারারেজিস্টর মাপব? মনে করি আমার কাছে এইরেজিস্টরটা আছে।



এখানে প্রথম, ২য় ও ৩য় ব্যান্ডের কালারযথাক্রমে বাদামী, লাল এবং কমলা। চার্টআনুযায়ী আমারা হিসাব করি। বাদামীর ১ম মান‘১’ লালের ২য় মান ‘২’ এবং কমলার দ্বিতীয় মান‘×১০০০’। তাহলে হিসাব নিকাশ দাঁড়ায়১২×১০০০=১২০০০Ω = ১২KΩ[ যেহেতু ১০০০Ω = ১KΩ।]
৫ ব্যান্ড কালার কোড প্রায় একই রকম। এখানে১ম, ২য় ও ৩য় মান একত্রে(পাশাপাশি) বসবে ৪র্থব্যান্ডের মান গুণিতক হিসাবে বসবে। ৫ম ব্যান্ডরেজিস্টরের টলারেন্স নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। যখনরেজিস্টর কারখানায় তৈরী হয় তখন কারখানারযান্ত্রিক ত্রুটি এবং রেজিস্টভ উপাদানের মিশ্রনেরতারতম্যের কারনে ১০০ ভাগ সঠিক মান পাওয়াযায়না বরং প্রকৃত মান হতে কিছুটা বিচ্যূতি ঘটেএই বিচ্যূতিকে টলারেন্স বলে।

অনেক সময় কাংখিত মানের রেজিস্টর বাজারেকিনতে পাওয়া যায়না বা প্রয়োজনীয় মানেররেজিস্টরটি স্ট্যান্ডার্ড মানের অন্তর্ভূক্ত থাকে না।তখন এটিকে সমবায় করে ব্যবহার করতে হয়।প্যারালাল অথবা সিরিজ সমবায়ের মাধ্যমেকাংখিত মানটি তৈরী করা হয়। যেমন আপনারযদি ১K ওহমের রেজিস্টর প্রয়োজন হয় কিন্তুআপনার আছে ২K ওহমের রেজিস্টর তাহলেদুটি ২K ওহমের রেজিস্টর প্যারালাল সমবায়ে১K ওহমের রেজিস্টর তৈরী করতে পারেন।

পোস্টটি হয়ত আপনার উপকারে আসবে। ভাললাগলে, কোনো পরামর্শ থাকলে অথবা কোনোঅংশ না বুঝলে প্লিজ কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ

আমরা সবাই মোটামুটি ইনভার্টার সার্কিট সম্পর্কে পরিচিত। যে ইলেকট্রনিক সার্কিট ডিসি পাওয়ারকে এসি পাওয়ার এ কনভার্ট করে তাকে ...
27/10/2018

আমরা সবাই মোটামুটি ইনভার্টার সার্কিট সম্পর্কে পরিচিত। যে ইলেকট্রনিক সার্কিট ডিসি পাওয়ারকে এসি পাওয়ার এ কনভার্ট করে তাকে ইনভার্টার সার্কিট বলে।

এটি বিভিন্ন মানের, বিভিন্ন পাওয়ারের হতে পারে। আমরা এখানে 12 ভোল্ট ডিসি টু 220 ভোল্ট এসি ইনভার্টার সার্কিট নিয়ে আলোচনা করবো। এটি 35 ওয়াট পাওয়ার আউটপুট দিবে। আমরা আরো বেশি পাওয়ারের আউটপুট পেতে সার্কিটে আরো মসফেট যুক্ত করবো।

প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট সমূহঃ
12V ব্যাটারি – 1 টি
মসফেট IRF 630 – 2 টি
2N2222 ট্রানজিস্টর – 2 টি
2.2uf ক্যাপাসিটর – 2টি
রেজিস্টর
680 ওহম – 2 টি
12K – 2টি
12 ভোল্ট টু 220 ভোল্ট সেন্টার টেপ স্টেপআপ ট্রান্সফরমার
সার্কিট ডায়াগ্রামঃ
ইনভার্টার সার্কিট ডায়াগ্রাম
চিত্রঃ ইনভার্টার সার্কিট ডায়াগ্রাম

সার্কিটের বৈশিষ্ট্যঃ
সার্কিটে যে ইনভার্টার ইপ্লিমেন্ট করা হয়েছে তা মূলত স্কয়ার ওয়েভ ইনভার্টার। এটি পিউর সাইন ওয়েভ এসি নয়।
এটি মোটামুটি 35 ওয়াট পাওয়ারের লোড অপারেটিং করতে পারবে।
কার্যকারিতাঃ
সার্কিটটিকে আমরা তিনটি ব্লকে ভাগ করতে পারি –

অসিলেটর
অ্যামপ্লিফায়ার
ট্রান্সফরমার


50 Hz অসিলেটর বলতে বুঝায় যা 50 Hz ফ্রিকুয়েন্সির এসি সাপ্লাই দিবে।

আমরা সার্কিটে একটি স্টাবল মাল্টিভাইব্রেটর স্থাপন করে এটি পেতে পারি। যা আমাদেরকে 50 Hz স্কয়ার ওয়েভ এসি সরবরাহ করবে।

এই সার্কিটের R1, R2, R3, R4, C1, C2, T2 এবং T3 এর সমন্নয়ে আমরা অসিলেশন পাবো।

এখানে প্রতিটি ট্রানজিস্টরই ইনভার্টিং স্কয়ার ওয়েভ সরবরাহ করে। আর ফ্রিকুয়েন্সির মান নির্ভর করে R1, R2 এবং C1 এর মানের উপর।

মাল্টিভাইব্রেটর যে স্কয়ার ওয়েভ অসিলেশন উৎপন্ন করে তার ফ্রিকুয়েন্সির মান নির্ণয়ের সূত্র –

F= 1 / (1.38*R2*C1)

অসিলেটর হতে পাওয়া ইনভার্টিং সিগন্যালকে আমরা মসফেট T1 এবং T2 এর সাহায্যে অ্যামপ্লিফাই করবো।

এই অ্যামপ্লিফাইকৃত (বর্ধিত) সিগন্যালকে আমরা স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি সাইট (সেন্টার টেপ 12 ভোল্ট) এ সংযোগ করবো ডায়াগ্রাম অনুযায়ি। ব্যাস হয়ে গেল ….

কিছু নিজস্ব পরিবর্তনঃ (যদি চান)
12 ভোল্ট ব্যাটারির পরিবর্তে আপনি চাইলে 24 ভোল্ট ব্যাটারি ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে লোড 85 ওয়াট হবে। কিন্তু এই সার্কিটটি এর জন্য উপোযুক্ত নয়। ইনভার্টারের ক্যাপাসিটি বাড়াতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই মসফেটের পরিমান বাড়াতে হবে।

ব্যাস, হয়ে গেল আপনার ফায়ার এলার্ম প্রজেক্ট। আশা করি সবাই খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন।

আমরা খুব শিগ্রই 100 ওয়াট ইনভার্টার প্রজেক্ট তৈরি নিয়ে পোস্ট করবো। সাথেই থাকুন। চাইলে www.electronicshub.org/simple-100w-inverter/ লিংকে ক্লিক করে জেনে নিন।

তাহলে দেরি কেন? আজই তৈরি করে ফেলুন প্রজেক্টটি।

প্রজেক্টটি তৈরি করতে যদি কোন প্রবলেম হয় বা বুঝতে না পারেন তবে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ভাল লাগলে শেয়ার করে অন্যকে পড়ার জন্য উৎসাহিত করুন। কোন পরামর্শ থাকলে মন্তব্য করুন ।

ইলেক্ট্রনিক্স দোকানদার ভাইদের জন্য সুখবর আর নয় ঢাকা আর নয় কোনাবাড়ি।  এখন কাশিমপুর জিতার মোড়   তানভীর  ইলেক্ট্রনিক্স  এই ...
26/10/2018

ইলেক্ট্রনিক্স দোকানদার ভাইদের জন্য সুখবর আর নয় ঢাকা আর নয় কোনাবাড়ি। এখন কাশিমপুর জিতার মোড় তানভীর ইলেক্ট্রনিক্স এই সর্ব প্রকার প্রারচ পাইকারি ও খুচরা পাওয়া যাচ্ছে। যোগাযোগঃ০১৭১১৫৮৮১৭৭--০১৬১৩৬৭৯০১১--০১৭১২৬৭৯০১১

Address

Kashimpur Jitarmur
Gazipur
1346

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 22:00
Friday 08:00 - 22:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 22:00

Telephone

+8801711588177

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanvir Electronics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share