05/04/2026
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশ্বের নতুন মাইলফলক!
বিশ্ব আবারও প্রমাণ করলো—টেকসই ভবিষ্যতের পথে এগোনোর একমাত্র উপায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি। আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থা (ইরেনা)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে রেকর্ড ৬৯২ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা যুক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৫.৫% বেশি।
🔆 সৌরশক্তিই এগিয়ে — মোট নতুন সক্ষমতার ৭৫% এসেছে সৌরবিদ্যুৎ থেকে (৫১১ গিগাওয়াট), আর বায়ুশক্তি যোগ করেছে ১৫৯ গিগাওয়াট।
🌬️ সৌর ও বায়ু মিলিয়ে প্রবৃদ্ধির ৯৬.৮% দখল করে আছে!
🔥 মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো গত বছর নজিরবিহীন অগ্রগতি দেখিয়েছে—মাত্র এক বছরে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ১২.৭ গিগাওয়াট। সৌদি আরব একাই যোগ করেছে ৫.৭ গিগাওয়াট, যা তাদের আগের সক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ।
🌏 এশিয়া এখনও শীর্ষে, মোট সক্ষমতা ২,৮৯১ গিগাওয়াট। এরপর ইউরোপ ৯৩৪ গিগাওয়াট নিয়ে দ্বিতীয়। তবে মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল বেশ পিছিয়ে।
⚠️ বৈষম্য রয়ে গেছে — নতুন সক্ষমতার ৮০% এসেছে তিনটি অঞ্চল থেকে: চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র। উন্নয়নশীল দেশগুলো এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে।
💬 ইরেনার মহাপরিচালক ফ্রান্সিসকো লা ক্যামেরা বলেন, অনিশ্চয়তার সময়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিই সবচেয়ে স্থিতিশীল পথ। স্থানীয়ভাবে উৎপাদনযোগ্য হওয়ায় এটি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে, আমদানিনির্ভরতা কমায়।
💰 শুধু ২০২৪ সালেই এ খাতে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ হয়েছিল প্রায় ৮০ হাজার কোটি ডলার, যুক্ত হয়েছিল ৫৮২ গিগাওয়াট নতুন সক্ষমতা।
🌱 জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিনিয়োগ বাড়ানো এখন আর বিকল্প নয়—অপরিহার্য। বিশ্ব যে গতি ধরেছে, সেটিকে আরও দ্রুততর করাই ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ।