22/06/2026
মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার ইহুদী বাদী যায়োনিষ্টরা!!!আরব বিশ্বের টিউমার এই যায়োনিষ্টরা!!!
পৃথিবীর ক্যান্সার যায়োনিষ্টদের পতন ঘন্টা বেজে গেছে!!!
সরে গেছে আমেরিকা তলা ফেটে চৌচির ইসরায়েলের!!!
এখন শুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা!!!
নেতানিয়াহু তার লাইফে এরকম সিচুয়েশনে আগে আর কখনোই পড়েনি। ইরানের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমঝোতা চুক্তি ভার্চুয়ালি সাক্ষরিত হওয়ার পর, এটা যদি মেনে নিয়ে নেতানিয়াহু যদি লেবানন থেকে ট্রুপস উইথড্র করে, তাহলে তার পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার শেষ।
ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় পরাজিত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে।
আর যদি সে ট্রাম্পের চুক্তি না মেনে, লেবাননে হামলা চালাতে থাকে, তাহলে ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়াতে হবে একা। আমেরিকা ইনভলভ হবে না।
যদিও এটা ম্যাটার না। ম্যাটার হচ্ছে আমেরিকায় একটা খুব খারাপ মেসেজ যাবে। আমেরিকানরা মনে করবে, নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলিদের কাছে ট্রাম্পের কোনো মূল্যায়ন নেই। তারা দু’পয়সারও দাম দেয় না আমেরিকানদের। বিশেষ করে আমেরিকার নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে। তখন সম্পর্ক সরাসরি খারাপ হবে। আমেরিকার সাহায্যে দাঁড়িয়ে থাকা ইসরায়েলের ইকোনমি তো ভেঙে পড়বেই, সাথে মিলিটারি শক্তিও কমে যাবে।
ইসরায়েলের কোনো ক্যাপাসিটিই নেই আনলিমিটেড অস্ত্র তৈরি করার। অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাবে তারা।
আইপ্যাকের মাধ্যমে আমেরিকান পলিটিশিয়ানদের দ্বারা গোপনে অনেক কিছু পেলেও, সরাসরি আমেরিকান পলিটিশিয়ানরা আর ইসরায়েলের জন্যে কিছু করতে পারবে না। কারণ পৃথিবীর সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেজ্জত হয়েছে। এটা পরবর্তী সবার জন্যেই বরাদ্দ।
এছাড়াও আমেরিকার এই যুদ্ধে জড়ানোটাই অনর্থক হয়ে যাবে। কারণ এটা স্পষ্ট আমেরিকার জন্যে ইরান কোনো থ্রেট নয়।
আমেরিকা-ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং চুক্তির পর ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি অলরেডি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নেতানিয়াহু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চুক্তির সরাসরি সমালোচনাও করতে পারছে না। সে বলেছে— চুক্তি হোক বা না হোক, ইরান কখনো নিউক্লিয়ার অস্ত্র পাবে না। যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, এবং ইসরায়েলকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।
নেতানিয়াহু স্বীকার করেছে যে, সে চুক্তির পূর্ণ বিস্তারিত জানে না, এবং ট্রাম্পের সাথে সবসময় একমত নয়। তবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় স্বাধীনভাবে কাজ করবে। লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না, এবং “অনির্দিষ্টকালের জন্য” সিকিউরিটি জোন বজায় রাখবে।
কিন্তু তার বক্তব্য ট্রাম্পের চুক্তির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এটা করতে গেলে কী হবে উপরে বলেছি।
এছাড়াও ইসরায়েলের ডিফেন্স মিনিস্টার কার্টজ ও একই সুরে বলেছে যে, আইডিএফ লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় অনির্দিষ্টকাল থাকবে, এবং ইরান আক্রমণ করলে পূর্ণ শক্তিতে প্রত্যাঘাত করা হবে।
ন্যাশনাল সিকিউরিটি মিনিস্টার ইতামার বেন-গভির এবং ফাইন্যান্স মিনিস্টার স্মোট্রিচ চুক্তিকে “খারাপ” বলে অভিহিত করে বলেছে— এটি ইসরায়েলকে বাঁধে না, ইসরায়েল স্বাধীন সার্বভৌম দেশ এবং লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত।
বেন-গাভির ও কার্টজ এরা পরবর্তীতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট হওয়ার সম্ভাবনা আছে৷ যুদ্ধবাজ জাতিকে, যুদ্ধ গুলিয়ে খাওয়ানোর এখনো চেষ্টা করছে, তারা।
অন্যদিকে স্মোট্রিচের বলার কারণও আছে, তার ছেলের ফুসফুসে ফুটা করে দিয়েছে হিজবুল্লাহ। তার জ্বালা তো থাকবেই।
এছাড়াও বিরোধী নেতারা চুক্তিকে “ডিপ্লোম্যাটিক ডিজাস্টার” এবং “ঐতিহাসিক ব্যর্থতা” বলে তীব্র সমালোচনা করছে।
ইয়ার লাপিদ বলেছে যে, ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না, এবং নেতানিয়াহু রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেছে— “নেতানিয়াহু সরকারের মেয়াদ শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ দিয়ে, অক্টোবর ৭-এর গণহত্যা দিয়ে, এবং এখন ইরানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ব্যর্থতা দিয়ে শেষ হচ্ছে।
ইরানের রেজিম পরিবর্তন না হওয়ায় যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। নেতানিয়াহু সরকার পতনের পর ইরান রেজিম পরিবর্তনের “কাউন্টডাউন” শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।
সহজ ভাষায় নাফতালি বেনেট, নেতানিয়াহুর পতনের কথা বলছে।
শুধু একা তিনিই বলছেন না সারা বিশ্বই বুঝে গেছে পতন আসন্ন!!!
অনিবার্য পতন ঠেকাতে মরিয়া নেতানিয়াহুর সরকার কিন্তু এইবার বিধিবাম কিছুতেই পেরে উঠছে না ইরানের হরমুজ পারমানবিক বোমার সাথে!!!