Darad Varieties Machineries Company

Darad  Varieties  Machineries Company আমরা চাই একটি সুখী সুন্দর দেশ।যেখানে অন্তত তিন বেলা খেয়ে মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। www.machinelagbe.com

লজ্জা শরমহীন ভারতকে পাকিস্তান স্পষ্ট যুদ্ধের হুমকি দিলো!!!পানি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজ...
22/06/2026

লজ্জা শরমহীন ভারতকে পাকিস্তান স্পষ্ট যুদ্ধের হুমকি দিলো!!!
পানি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ভারতকে যুদ্ধের হুমকি দিলেন এর আগে ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র ত্রিবেদী পাকিস্তান কে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুশিয়ারির পর এই প্রথম পাকিস্তানের খাজা আসিফ ভারতকে যুদ্ধের হুমকি দিলেন!!!
আসলে পাকিস্তান এখন বিশ্ব খেলোয়ার কারন ইরান যুদ্ধ থামিয়েছে বলা যায় পাকিস্তান তাহলে মেলোডি চকলেটের ভারত কিভাবে এত শক্তি প্রদর্শন করছে আল্লাহ্ ভালো জানেন!!!ঐ দিকে শোনা যায় চীন পাকিস্তান বাংলাদেশ কে দিচ্ছে J-10C ও JF-17 যুদ্ধ বিমান আবার বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তান তাদের হাঙ্গার ক্লাস সাবমেরিন নামাচ্ছে আবার মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে তাই পরিস্থিতি দেখে যা বুঝা যাচ্ছে ইরান যুদ্ধের পর পরবর্তী যুদ্ধ সম্ভবত এই রিজিয়নেই হবে!!!

ইরান চাইলে মধ‍্যপ্রাচ‍্য তামা তামা করে দিতে পারে!!!সেই শক্তি সেই মিসাইল পাওয়ার ইরানের আছে আর এই ভয় থেকেই আমিরাত শত কোটি ...
22/06/2026

ইরান চাইলে মধ‍্যপ্রাচ‍্য তামা তামা করে দিতে পারে!!!
সেই শক্তি সেই মিসাইল পাওয়ার ইরানের আছে আর এই ভয় থেকেই আমিরাত শত কোটি ডলার ইরানের ছেড়ে দিয়েছে সৌদি মানিয়ে চলছে কাতার কুয়েত জর্দান আব্বা আব্বা ডাকছে আর ওমান ভাই ভাই বলে ইরানের সাথে একেবারে আমে ধুধে মিশে গেছে!!!
আস্তে আস্তে মার্কিন ঘাটি এই অন্চল ত‍্যাগ করবে সেই প্রিপারেশান তারা নেয়া শুরু করেছে এরপর মধ‍্যপ্রাচ‍্যের একমাত্র বস হবে ইরান আর ঐদিকে ইসরাইল নিদারুন একা হয়ে যাবে হমাস হিজবুল্লাহ হুতি আর ইরান মিলে ইসরাইলকে মাঝে মধ‍্যেই থাপর চোপর দিয়ে সোজা করে রাখবে আর বিশ্ব এখন চায়নার দিকে ঝুকবে আর ১৫-২০ বছরের মধ‍্যেই বিশ্ব চায়না রাশিয়া ইরান বলয়ে পুরোপুরি ঢুকে যাবে!!!এই দিকে ভারত পাকিস্তান আরেকটা ফাটাফাটি হবে তাতে ভারতের অঙ্গরাজ‍্য হানি হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ আর যদি নাও হয় তাহলেও পাকিস্তান কে সারাজীবন শ্রদ্ধার চোখে দেখবে ভারত কারন এর মুল নিদর্শন হবে পাকিস্তান সৌদি কাতার তুরস্ক ইরান মিশর মিলে হবে মুসলিম সামরিক জোট!!!
যদি ভুল না বলি আগামী ৫০ বছরের মধ‍্যেই বিশ্ব আবার মুসলিমরাই শাষন করবে ইনশাআল্লাহ!!!

যুদ্ধ ধংস আগুনের লেলিহান শিখা হামলা পাল্টা হামলা এগুলো বোধ হয় খুব শীগ্রই আবার শুরু হবে কারন এই যুদ্ধ বিরতি ইরান মানলেও ই...
22/06/2026

যুদ্ধ ধংস আগুনের লেলিহান শিখা হামলা পাল্টা হামলা এগুলো বোধ হয় খুব শীগ্রই আবার শুরু হবে কারন এই যুদ্ধ বিরতি ইরান মানলেও ইসরাইল জীবনেও মানবে না!!!
যুদ্ধ শুরু হবে?? হবে, হয়ত 2-1 দিনের মধ্যেই। 60 দিনের চুক্তি হয়েছে। 60 দিন পর পারমানেন্ট চুক্তি হবে। কিন্তু 60 এই চুক্তি কি 60 দিন চলবে?? না। ইরান চুক্তি ভেঙে হরমুজ বন্ধ করে দিয়েছে। কেন?? কারণ আমেরিকা চুক্তি আগে ভঙ্গ করে‌ছে। কিভাবে?? 60 দিনের চুক্তি‌তে ছিল- “ইসরাইল লেবাননে আক্রমণ করবে না, উপরন্তু ইসরাইল লেবাননে‌র যতটা অবৈধ ভাবে দখল করেছে, সেই দখল ছাড়বে”।

কিন্তু ইসরাইল তা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। তাই ইরান এটাকে চুক্তি ভঙ্গ বলে গণ‍্য করেছে। কী হতে চলেছে?? হয়ত খুব শীঘ্রই ইরান ইসরাইলে আক্রমণ করবে। যুদ্ধ আবার শুরু হবে। এখন আমেরিকা নতুন করে যুদ্ধে জড়াবে কিনা, সেটা দেখার। সম্ভবত না। কারণ বহুকষ্টে আমেরিকা যুদ্ধ থেকে সরে গিয়েছে। হয়ত আর যুদ্ধে জড়াবে না!!!
বিশ্ব মোড়ল এটা বুঝে গেছে ইসরাইলকে সাপোর্ট করা আর নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা একই😅😅😅

ফটোশুট মারাও ইরানিয়ান ডেলিগেটদের সাথে ফটোশুট মারাইতে গেছিলো!!!সোজা মুখ ভোঁতা করে দিলো রে ভাই !!এই হলো বীরের জাতি ইরান । ...
22/06/2026

ফটোশুট মারাও ইরানিয়ান ডেলিগেটদের সাথে ফটোশুট মারাইতে গেছিলো!!!
সোজা মুখ ভোঁতা করে দিলো রে ভাই !!
এই হলো বীরের জাতি ইরান । আমেরিকাকে
পাত্তাই দিচ্ছে না। ইরান গনহত্যাকারীদের পালস্
ধরে ফেলেছে। সুইজারল্যান্ডে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত
হচ্ছে তার জন্য উভয়পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। স্বাক্ষাতের সময় সৌজন্যমূলক করমর্দন ও ফটোশুটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল কিন্তু ইরান একদম
না করে দিয়েছে। কোন সাংবাদিক বৈঠক ও করে নি।
দেশের সুপ্রিম লিডার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের, দেশের বড় বড় লিডার দের , সাধারণ নাগরিকদের
ও ১৬৮ জন বাচ্চা শিশু দের হত্যাকারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সৌজন্যতা বোধ দেখাবে এমন জাতি নয় এই ইরানিরা।
এখান থেকেই ইরান বিশ্বকে একটা ক্লিয়ার মেসেজ দিয়েছে যে জাতিগত ভাবে বিভেদ থাকতেই পারে তবে ঐক‍্যের প্রশ্নে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন!!!

একরোখা মারমুখী আয়াতুল্লাহ খামেনীর যোগ‍্য সন্তান মুজতবা খামেনী!!!একেই বোধ হয় বলেবাপ কা বেটা মুজতবা খামেনি!!!মুজতবা খামেনি...
22/06/2026

একরোখা মারমুখী আয়াতুল্লাহ খামেনীর যোগ‍্য সন্তান মুজতবা খামেনী!!!
একেই বোধ হয় বলে
বাপ কা বেটা মুজতবা খামেনি!!!
মুজতবা খামেনির এক চালেই ট্রাম্প নেতানিয়াহুর মধুর সম্পর্কে ফাটল!!!
কতটা দুরদর্শি নেতা হলে বিশ্ব মোড়লকে নি:শর্ত আত্মসমর্পণ করতে একপ্রকার বাধ‍্য করে!!!
১৪ টি দফা রয়েছে চুক্তিতে ১ টি ছাড়া সবগুলোতেই ইরান জয়ী আর ১টি দফায় বলা হয়েছে আমেরিকা ৩০০ বিলিয়ন ডলার ইরানে বিনিয়োগ করবে তেল ও অন‍্যান‍্য ক্ষেত্রে সুতরাং এখানে তাদের উদ্দেশ্য পরিস্কার যে ইরানের তেলের উপর তারা নিয়ন্ত্রণ চায়!!!
মুজতবা খামেনীয় কম যান না তিনি সম্মতি দিয়েছেন কারন তিনি ভালোই জানেন ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র জীবনেও নিতে পারবে না কারন ইরান সান্ডার তেল বিরিয়ানি খাওয়া জাতি নয় একটু এদিক সেদিক হলেই এফোড় ওফোড় হয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র আর এইদিকে ৩০০ বিলিয়ন বিনিয়োগে ইরানের অর্থনৈতিক অবস্থা আমুলে পরিবর্তন হয়ে যাবে!!!
তাই কোন কিছুই সাময়িক বা কারও সংগেই তুলনাযোগ‍্য নয় ইরান তার পজিশনে আলহামদুলিল্লাহ্ বেষ্ট!!!
সৃষ্টিকর্তা র ইশারা বোধ হয় এটাই ছিলো বুজলে ভালো না বুজলে সব গেলো!!!

মধ‍্যপ্রাচ‍্যের ক‍্যান্সার ইহুদী বাদী যায়োনিষ্টরা!!!আরব বিশ্বের টিউমার এই যায়োনিষ্টরা!!!পৃথিবীর ক‍্যান্সার যায়োনিষ্টদের ...
22/06/2026

মধ‍্যপ্রাচ‍্যের ক‍্যান্সার ইহুদী বাদী যায়োনিষ্টরা!!!আরব বিশ্বের টিউমার এই যায়োনিষ্টরা!!!
পৃথিবীর ক‍্যান্সার যায়োনিষ্টদের পতন ঘন্টা বেজে গেছে!!!
সরে গেছে আমেরিকা তলা ফেটে চৌচির ইসরায়েলের!!!
এখন শুধু কিছু সময়ের অপেক্ষা!!!
নেতানিয়াহু তার লাইফে এরকম সিচুয়েশনে আগে আর কখনোই পড়েনি। ইরানের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমঝোতা চুক্তি ভার্চুয়ালি সাক্ষরিত হওয়ার পর, এটা যদি মেনে নিয়ে নেতানিয়াহু যদি লেবানন থেকে ট্রুপস উইথড্র করে, তাহলে তার পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার শেষ।

ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় পরাজিত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার নাম ইতিহাসে লেখা থাকবে।

আর যদি সে ট্রাম্পের চুক্তি না মেনে, লেবাননে হামলা চালাতে থাকে, তাহলে ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়াতে হবে একা। আমেরিকা ইনভলভ হবে না।

যদিও এটা ম্যাটার না। ম্যাটার হচ্ছে আমেরিকায় একটা খুব খারাপ মেসেজ যাবে। আমেরিকানরা মনে করবে, নেতানিয়াহু বা ইসরায়েলিদের কাছে ট্রাম্পের কোনো মূল্যায়ন নেই। তারা দু’পয়সারও দাম দেয় না আমেরিকানদের। বিশেষ করে আমেরিকার নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে। তখন সম্পর্ক সরাসরি খারাপ হবে। আমেরিকার সাহায্যে দাঁড়িয়ে থাকা ইসরায়েলের ইকোনমি তো ভেঙে পড়বেই, সাথে মিলিটারি শক্তিও কমে যাবে।

ইসরায়েলের কোনো ক্যাপাসিটিই নেই আনলিমিটেড অস্ত্র তৈরি করার। অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাবে তারা।

আইপ্যাকের মাধ্যমে আমেরিকান পলিটিশিয়ানদের দ্বারা গোপনে অনেক কিছু পেলেও, সরাসরি আমেরিকান পলিটিশিয়ানরা আর ইসরায়েলের জন্যে কিছু করতে পারবে না। কারণ পৃথিবীর সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেজ্জত হয়েছে। এটা পরবর্তী সবার জন্যেই বরাদ্দ।

এছাড়াও আমেরিকার এই যুদ্ধে জড়ানোটাই অনর্থক হয়ে যাবে। কারণ এটা স্পষ্ট আমেরিকার জন্যে ইরান কোনো থ্রেট নয়।

আমেরিকা-ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং চুক্তির পর ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি অলরেডি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নেতানিয়াহু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চুক্তির সরাসরি সমালোচনাও করতে পারছে না। সে বলেছে— চুক্তি হোক বা না হোক, ইরান কখনো নিউক্লিয়ার অস্ত্র পাবে না। যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, এবং ইসরায়েলকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানো হয়েছে বলে দাবি করেছে।

নেতানিয়াহু স্বীকার করেছে যে, সে চুক্তির পূর্ণ বিস্তারিত জানে না, এবং ট্রাম্পের সাথে সবসময় একমত নয়। তবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় স্বাধীনভাবে কাজ করবে। লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না, এবং “অনির্দিষ্টকালের জন্য” সিকিউরিটি জোন বজায় রাখবে।

কিন্তু তার বক্তব্য ট্রাম্পের চুক্তির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এটা করতে গেলে কী হবে উপরে বলেছি।

এছাড়াও ইসরায়েলের ডিফেন্স মিনিস্টার কার্টজ ও একই সুরে বলেছে যে, আইডিএফ লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় অনির্দিষ্টকাল থাকবে, এবং ইরান আক্রমণ করলে পূর্ণ শক্তিতে প্রত্যাঘাত করা হবে।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি মিনিস্টার ইতামার বেন-গভির এবং ফাইন্যান্স মিনিস্টার স্মোট্রিচ চুক্তিকে “খারাপ” বলে অভিহিত করে বলেছে— এটি ইসরায়েলকে বাঁধে না, ইসরায়েল স্বাধীন সার্বভৌম দেশ এবং লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত।

বেন-গাভির ও কার্টজ এরা পরবর্তীতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ক্যান্ডিডেট হওয়ার সম্ভাবনা আছে৷ যুদ্ধবাজ জাতিকে, যুদ্ধ গুলিয়ে খাওয়ানোর এখনো চেষ্টা করছে, তারা।

অন্যদিকে স্মোট্রিচের বলার কারণও আছে, তার ছেলের ফুসফুসে ফুটা করে দিয়েছে হিজবুল্লাহ। তার জ্বালা তো থাকবেই।

এছাড়াও বিরোধী নেতারা চুক্তিকে “ডিপ্লোম্যাটিক ডিজাস্টার” এবং “ঐতিহাসিক ব্যর্থতা” বলে তীব্র সমালোচনা করছে।

ইয়ার লাপিদ বলেছে যে, ইসরায়েল আলোচনার টেবিলেই ছিল না, এবং নেতানিয়াহু রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেছে— “নেতানিয়াহু সরকারের মেয়াদ শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ দিয়ে, অক্টোবর ৭-এর গণহত্যা দিয়ে, এবং এখন ইরানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ব্যর্থতা দিয়ে শেষ হচ্ছে।

ইরানের রেজিম পরিবর্তন না হওয়ায় যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। নেতানিয়াহু সরকার পতনের পর ইরান রেজিম পরিবর্তনের “কাউন্টডাউন” শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে।

সহজ ভাষায় নাফতালি বেনেট, নেতানিয়াহুর পতনের কথা বলছে।

শুধু একা তিনিই বলছেন না সারা বিশ্বই বুঝে গেছে পতন আসন্ন!!!
অনিবার্য পতন ঠেকাতে মরিয়া নেতানিয়াহুর সরকার কিন্তু এইবার বিধিবাম কিছুতেই পেরে উঠছে না ইরানের হরমুজ পারমানবিক বোমার সাথে!!!

আকাশ প্রতিরক্ষায় বিন্দুমাত্র ছাড় সম্ভবত ইরান আর দিতে চাইছে না!!!মিসাইল সুপার পাওয়ার হবার পর এবার আকাশে মক ফাইট করার প্রস...
22/06/2026

আকাশ প্রতিরক্ষায় বিন্দুমাত্র ছাড় সম্ভবত ইরান আর দিতে চাইছে না!!!
মিসাইল সুপার পাওয়ার হবার পর এবার আকাশে মক ফাইট করার প্রস্তুতি হিসেবে চীনের তৈরি J-10c কমব‍্যাট বিমান কেনার কথা ভাবছে যেটা অবশ‍্য বাংলাদেশ ও ভাবছে আলহামদুলিল্লাহ্!!!
ইরান আবারও চীনা J-10 যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে
অতীতে আলোচনা এগোলেও চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের অভিজ্ঞতার পর ইরান আবারও চীনের তৈরি সেকেন্ড-হ্যান্ড J-10B যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি মূল্যায়ন করছে বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম এনতেখাব।
দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান বাহিনী আধুনিক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে বড় ধরনের সংকটে রয়েছে। দেশটির বহরে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি F-14 Tomcat, F-4 Phantom এবং পুরোনো মিগ সিরিজের যুদ্ধবিমান রয়েছে। এসব বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও স্থানীয় প্রযুক্তির সহায়তায় সচল রাখা হলেও আধুনিক আকাশযুদ্ধে এগুলোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বিশেষ করে উন্নত রাডার প্রযুক্তি, দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা এবং আধুনিক নেটওয়ার্কভিত্তিক যুদ্ধ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ইরানের বিমান বাহিনী অনেক পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।
সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তেহরান উপলব্ধি করেছে যে, শুধু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ মিসাইল এবং ড্রোননির্ভর কৌশল দিয়ে আধুনিক বিমান শক্তির মোকাবিলা সবসময় সম্ভব নয়। আকাশসীমা রক্ষা, শত্রু যুদ্ধবিমান প্রতিরোধ এবং দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার জেট প্রয়োজন।
এর আগে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে Su-35 যুদ্ধবিমান পাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ বিলম্ব হওয়ায় তেহরান বিকল্প উৎসের দিকে নজর দিতে শুরু করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে চীনের J-10 সিরিজের যুদ্ধবিমান আবারও ইরানের আগ্রহের কেন্দ্রে এসেছে।
চীনা J-10B ও J-10C সিরিজকে আধুনিক চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল ফাইটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসব বিমানে আধুনিক অ্যাভিওনিক্স, উন্নত রাডার ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা এবং দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। J-10C সংস্করণে AESA রাডার ব্যবহারের কথাও বিভিন্ন সামরিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের জন্য J-10 প্ল্যাটফর্ম আকর্ষণীয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত বিমান বহর আধুনিকায়নের সুযোগ। সেকেন্ড-হ্যান্ড J-10B সংগ্রহ করা গেলে ইরান স্বল্প সময়ে পুরোনো বিমানগুলোর বিকল্প তৈরি করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি চীনা J-10 যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর আধুনিক বিমান বাহিনীর বিপরীতে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে।
তবে সম্ভাব্য এই চুক্তির বাস্তবায়ন নির্ভর করবে চীন-ইরান কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধবিমান সরবরাহের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। এখন দেখার বিষয়, তেহরান কি সত্যিই J-10B বা J-10C সংগ্রহের মাধ্যমে তার দীর্ঘদিনের দুর্বল বিমান বহর আধুনিকায়নের পথে এগোতে পারে!!!!
যদি সত‍্যিই চায়নার সহযোগিতায় ইরান এইসব অত‍্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান পায় তাহলে মধ‍্যপ্রাচ‍্যে একচ্ছত্র আধিপত‍্যের নাম হবে কেবলই ইরান!ইরান!! আর ইরান ইনশাআল্লাহ!!!

ইউক্রেনের কমান্ড সেন্টার উড়িয়ে দিলো রাশিয়া!!!তিনদিন আগে রাশিয়ার মস্কোতে শোনা যায় ৫৫৫ টি ড্রোন দিয়ে আঘাত হানে ইউক্রেন!!!য...
21/06/2026

ইউক্রেনের কমান্ড সেন্টার উড়িয়ে দিলো রাশিয়া!!!
তিনদিন আগে রাশিয়ার মস্কোতে শোনা যায় ৫৫৫ টি ড্রোন দিয়ে আঘাত হানে ইউক্রেন!!!
যুদ্ধ চলছে অথবা বলতে হবে একটা অসম লড়াই চলছে যাতে সবাই ভাবছি রাশিয়ার নিশ্চিত বিজয়!!!!রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে অবশ‍্যই ইউক্রেন জিতবে!!!
এখানে অবাক হবার কিছু নাই কারন ইউক্রেন যে এখন আর কোন কিছুই মানছে না সেটাতো দেখতে পেলেন একদম ডাইরেক্ট মস্কোতে ভয়াবহ হামলা করে বসেছে!!!
একসময় ইউক্রেনের কাছে ৪০০০ পরমানু অস্র ছিলো সেটা পশ্চিমারা ভুজুং ভাজুং বুঝিয়ে ইউক্রেন থেকে নিয়ে নেয়!!!
এখানে কথা হচ্ছে ইউক্রেন একটা স্বাধীন দেশ তারা ন‍্যাটোতে যাবে না প‍্যাটোতে যাবে এটা সম্পূর্নই তাদের ব‍্যাক্তিগত ব‍্যাপার সেই খানে প্রতিবেশী দেশ রাশিয়ার কেনো মাথা ব‍্যাথা!!!ও তাইলে এখানে পারক্রমশালী দেশের দাদাগিরি যে আমার মতের বাইরে যাইতে পারবা না কিন্তু কি দিয়ে যুদ্ধ করছে রাশিয়া কিছু উত্তর কোরিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভাড়াটে সৈন‍্য দিয়ে কি যুদ্ধে জেতা যাবে অথচ ইউক্রেন তাদের মাতৃভুমি রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ!!!ইরানের জয় তো দেখলেন সবাই এবার দেখবেন ইউক্রেনের জয় কারন ইরানের মতই ইউক্রেনও মরণ কামড় দিচ্ছে রাশিয়াকে আর তাতেই দিশেহারা রাশিয়া!!!যদি ভুল না হয় তবে খুব দ্রুতই রাশিয়া মাথা নত করে ইউক্রেনের সাথে একটা চুক্তি করবে কারন কোন যুদ্ধই অনির্দিষ্ট কালের জন‍্য চলতে পারে না!!!!
এখন যদি পশ্চিমা বিশ্ব আপনার পেছনে কোমর বেধে নামে তো আপনাকেও তো অন্তত হাটু পিঠ বেধেই নামতে হবে তবে শেষে দেখা যাবে একটা অমিমাংসিত অজুহাত দিয়ে দুই পক্ষই সরে গেছে অর্জন শুন‍্য!!!!

ইরান তো ভাই লালে লাল হয়ে গেলো!!!শুধুমাত্র পরমানু অস্র না বানানোর শর্তেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচ্ছে!!!এক ঐতিহাসিক বিজয়ের প...
21/06/2026

ইরান তো ভাই লালে লাল হয়ে গেলো!!!
শুধুমাত্র পরমানু অস্র না বানানোর শর্তেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচ্ছে!!!
এক ঐতিহাসিক বিজয়ের পথে ইরান।

‘ইসলামাবাদ ফ্রেমওয়ার্ক’ এর অধীনে জেনেভায় যে চুক্তি সই হইতে পারে, তা মূলত তেহরানের শিরদাঁড়া সোজা রাখার ফল।

এই চুক্তির সবচেয়ে বড় সাফল্য হইলো ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টারে আলোচনার বাইরে রাখতে আমেরিকাকে বাধ্য করছে।

শুধু পরমাণু অস্ত্র না বানানোর স্বাভাবিক প্রতিশ্রুতি দিয়েই ওয়াশিংটনের কাছ থাইকা বিশাল অর্থনৈতিক সুবিধাও আদায় করবে।

​ইরানি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী চূড়ান্ত আলোচনার শর্ত হিসাবেই ইরান তাদের আটকে থাকা ২৪ বিলিয়ন ডলারের অর্ধেক অগ্রিম ছাড় দিতে আমেরিকাকে বাধ্য করছে। যা না দিলে তারা আলোচনাতেই বসবে না।

শুধু তাই নয়, ইরানের অর্থনীতি পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট দিতে হচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হলেও তার পুরো নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকবে।

​তবে এই চুক্তির আসল পরীক্ষা এখন লেবানন সীমান্তে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়ে দিছেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দায়িত্ব আমেরিকারই, তা না হইলে এই চুক্তি টিকবে না!
এগুলো সবই আসলে সৃষ্টিকর্তার ইশারা বুজলে ভালো না বুজলে সবই গেলো!!!

সকল রথী মহারথীরা সুইজারল্যান্ড এ!!!দেখা যাক কি হয় তবে এর মধ‍্যেই ইসরাইল যদি আবার কিছু করে বসে তাহলেই হইছে কাম😅😅😅😅
21/06/2026

সকল রথী মহারথীরা সুইজারল্যান্ড এ!!!
দেখা যাক কি হয় তবে এর মধ‍্যেই ইসরাইল যদি আবার কিছু করে বসে তাহলেই হইছে কাম😅😅😅😅

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

01749853786

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darad Varieties Machineries Company posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Darad Varieties Machineries Company:

Share