Takwa Design and Consultant

Takwa Design and Consultant দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় এবং আপোষহীন সততায় আপনার স্বপ্ন পূরনের বাস্তবায়নে আমরা আছি ১৯৯৪ সাল থেকে... Allah Is Almighty

16/11/2025

★★★ শীতকাল, তোমাকে স্বাগত★★★

শীতকাল আসলে আমাদের প্রস্তুতি শুরু হয় শীতের পোশাক কেনা কিংবা শীতের পিঠা পুলি খাওয়াকে কেন্দ্র করে।
কিন্তু রাসুল (সাঃ) এবং সাহাবাগন রাঃ শীতকাল এলে অন্য রকম প্রস্তুতি নিতেন!
➤ হজরত ওমর (রা.) বলেছেন, ‘শীতকাল হলো ইবাদত কারীদের জন্য গনিমত স্বরূপ।’ শীত তো এমন গনিমত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ), যা কোনো রক্তপাত কিংবা চেষ্টা ও কষ্ট ছাড়াই অর্জিত হয়। সবাই কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এ গনিমত স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাভ করে এবং কোনো প্রচেষ্টা বা পরিশ্রম ব্যতিরেকে তা ভোগ করে।
➤ আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেন, ‘শীতকাল হচ্ছে মুমিনের বসন্তকাল।’
(মুসনাদে আহমাদ)।
➤বায়হাকির বর্ণনায় রয়েছে, ‘শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমিন রাত্রিকালীন নফল নামাজ আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখতে পারে।’
➤শীতকাল এলে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলতেন, ‘হে শীতকাল! তোমাকে স্বাগত! শীতকালে বরকত নাজিল হয়; শীত কালে রাত দীর্ঘ হওয়ায় নামাজ আদায় করা যায় এবং দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখা যায়।’
➤হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.)–এর মৃত্যুর সময় তাঁকে তাঁর কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি মৃত্যুর ভয়ে কাঁদছি না; বরং (রোজা রেখে) গ্রীষ্মের দুপুরের তৃষ্ণা, শীতের রাতের নফল নামাজ এবং ইলমের আসরগুলোতে হাজির হয়ে আলেমদের সোহবত হারানোর জন্য
আমি কাঁদছি।’
➤আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ‘নবী করিম (সা.) বলেছেন: যদি কোনো তীব্র ঠান্ডার দিন আল্লাহর কোনো বান্দা বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু (আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই), আজকের দিনটি কতই না শীতল! হে আল্লাহ! জাহান্নামের জামহারি থেকে আমাকে মুক্তি দিন।” তখন আল্লাহ জাহান্নামকে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমার এক বান্দা আমার কাছে তোমার জামহারি থেকে আশ্রয় চেয়েছে। আমি তোমাকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাকে আশ্রয় দিলাম।’
সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, জামহারি কী? নবীজি (সা.) বললেন, ‘জামহারি এমন একটি ঘর যাতে অবিশ্বাসী, অকৃতজ্ঞ দের নিক্ষেপ করা হবে এবং এর ভেতরে তীব্র ঠান্ডার কারণে তারা বিবর্ণ হয়ে যাবে।’ (আমালুল ইয়াওম ওয়াল লাইল: ৩০৬)।
➤রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিনটি আমল পাপ মোচন করে—সংকটকালীন দান, গ্রীষ্মের রোজা ও শীতের অজু।’ (আদ দোয়া লিত তাবরানি: ১৪১৪)।
➤রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জানাব না কিসে তোমাদের পাপ মোচন হবে এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে?’
সাহাবায়ে কিরাম বললেন, ‘অবশ্যই! হে আল্লাহর রাসুল (সা.)!’ তিনি বললেন, ‘শীতের কষ্ট সত্ত্বেও ঠিকভাবে অজু করা।’ (মুসলিম: ২৫১; তাফসিরে কুরতুবি)।
➤শীতকাল আগমন করলে উবাঈদ বিন উমাঈর (রা.) বলতেন, ‘হে কুরআনের ধারক! তোমাদের রাতগুলো তিলাওয়াতের জন্য প্রলম্বিত করা হয়েছে, অতএব তা পড়তে থাকো। আর রোজা রাখার জন্য তোমাদের দিনগুলো সংক্ষেপিত করা হয়েছে, তাই বেশি বেশি রোজা রাখো।’
➤হজরত ওমর (রা.) তাঁর ছেলের উদ্দেশে বলেন, ‘শীতের দিনে ভালোভাবে অজু করা বড় গুরুত্বপূর্ণ ও সওয়াবের কাজ।
আল্লাহ তাআলা এবারের শীতকালটিকে ইবাদাত দ্বারা পুর্ণ করার তৌফিক দান করেন।

14/11/2025

হযরত রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.)-এর বিনয়।
একদিন দারুল উলুম দেওবন্দেরমসজিদে হাদীসের দরস চলছিল। শিক্ষক ছিলেন যুগের আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ,ফকিহুন নাফস হযরত রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রহ.। দরস চলাকালীন হঠাৎ ভারী বৃষ্টি নামল। শিক্ষার্থী ছেলেরা তাড়াহুড়ো করে তাদের কিতাব পত্র গুছিয়ে নিয়ে দৌড়ে মাদরাসার কামরার দিকে চলে গেল। ভেজা মাঠ, তীব্র বাতাস। কেউ তাড়াহুড়োয় নিজের জুতা পর্যন্ত ফেলে রেখে চলে গেছে। এমন সময় হযরত গাঙ্গুহী (রহ.) কী করলেন? নিজের রুমাল খুলে মাটিতে বিছালেন। ছাত্রদের ফেলে যাওয়া জুতাগুলো একে একে তুলে এনে রুমালের উপর রাখলেন। সব জুতা একত্র করে রুমাল দিয়ে গুছিয়ে পোটলা বানালেন। কাজ শেষ হলে নিজ হাতে সেই পোটলা মাথায় তুলে ছাত্রদের কামরায় পৌঁছে দিলেন।
ছাত্ররা যখন দেখল, তারা বলে উঠল, হযরত! আপনি এমন করলেন?! কেউ ভয়ে চিৎকার করে উঠল। বলল, হযরত, আমরা তো পরে এসে নিয়ে আসতাম কেন কষ্ট করলেন?
তখন হযরত গাঙ্গুহী (রহ.) মাথা নিচু করে বিনয়ের সঙ্গে বললেন, যে ছেলেরা قال الله و قال الرسول ﷺ (আল্লাহর বাণী আর রাসূলের কথা) শিখছে, তাদের জুতা যদি রশীদ আহমদ না তোলে, তাহলে আর কে তুলবে?
মালেক ইবনু দীনার(রহ.)-এর বিনয়। জগৎবিখ্যাত বুজুর্গ মালেক ইবনু দীনার (রহ.)। একবার তিনি নিজের জীবনের এক অপূর্ব ঘটনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর পর্যন্ত আমার অন্তর এই দাবী করে আসছিল, যে আমার মাঝে ইখলাস রয়েছে। আমার আমল খাঁটি, এতে কোনো রিয়া লোক দেখানোর বিষয় নেই। কিন্তু যতবার এই চিন্তা আমার অন্তরে এসেছে, ততবারই আমি নিজের মনকে তিরস্কার করে বলেছি—হে মালেক! তুই মিথ্যা বলছিস। এই দাবী সত্য নয়।
এরই মধ্যে একদিন বসরার একটি গলি দিয়ে আমি হাঁটছিলাম। হঠাৎ শুনতে পেলাম, এক মহিলা আরেক মহিলাকে দেখিয়ে বলছে, যদি রিয়াকার তথা লোক দেখানো ভণ্ড কাউকে দেখতে চাও, তাহলে ওই যে মালেক ইবনু দীনারকে দেখো! মনে হতে পারে, এমন কথা শুনে কোনো মানুষের মন ভেঙে যেতে পারে। কিন্তু না। মালেক ইবনু দীনার (রহ.) বলেন, এই কথা শুনে আমি খুশি হয়ে গেলাম। নিজের মনকে তিরস্কার করে বললাম, ‘দেখো মালেক, আল্লাহর এক নেক বান্দী তোকে কী নামে ডাকছে!’
মালেক ইবনু দীনার (রহ.) এভাবে নিজের অহংকারের শিকড় উপড়ে ফেলেছিলেন। নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন বিনয়ের দরজায় ।
এরপর থেকে তিনি সবসময় বলতেন "কেউ যদি ভণ্ড, রিয়াকার মানুষ দেখতে চায়, তাহলে আমাকে দেখুক"। [মাওয়ায়িয মালেক ইবন দীনার : ৬৮]
এমনকি আরও কঠিন কথা বলতেন "আল্লাহর কসম! যদি গুনাহগারের গুনাহের দুর্গন্ধ বের হতো, তাহলে তোমাদের কেউ-ই আমার কাছে বসতে পারতে না আমার দুর্গন্ধের কারণে। [মাওয়ায়িয মালেক ইবন দীনার : ৬২]
এটাই হলো আল্লাহ ওয়ালাদের মানসিকতা। বড় বড় আমল করেও তারা নিজেদের গুনাহগার, অপদার্থ মনে করতেন।
আর আমরা? পাঁচ মিনিটের ইবাদত, একদিনের রোজা, এক ওয়াক্ত জামাতে নামাজ পড়ে নিজেদের জান্নাতি ভাবতে শুরু করি। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন—
আমীন।

04/11/2025

সাইলেন্ট দাওয়াতের কাজ আপনিও করতে পারেন। যেমন—

১. নিয়মিত নামাজি ব্যক্তির সামান্য মুসাফাহা একজন বেনামাজিকে মসজিদে নিয়ে আসতে পারে।

২. পর্দাশীলা নারীর মুচকি হাসি এবং মিষ্টি কথায়, একজন পর্দাহীনা নারীও হিজাব-নিকাবের পথে পা বাড়াতে পারে।

৩. সৎ ব্যবসায়ীর এক টুকরো সততা—সামনের লোকটির হৃদয়ে ইসলামের প্রতি আস্থা জাগাতে পারে।

৪. রাস্তায় কাঁটা সরিয়ে রাখা—কারো মনে নবীজির শিক্ষা জীবন্ত করে তুলতে পারে।

৫. অসুস্থ প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া—অন্তরে মমতা ছড়িয়ে দেয়, বলে দেয় ইসলাম কত মানবিক।

৬. শিশুর মাথায় স্নেহের হাত—দেখে যে কেউ বলে ওঠেতে কী কোমল ধর্ম!

৭. স্নিগ্ধ ভঙ্গিতে দিক দেখানো পথচারী-গাফেল মানুষকেও ভাবিয়ে তুলতে পারে—এই সৌন্দর্য তো ইসলাম থেকেই এসেছে।

৮. প্র্যাকটিসিং মুসলিমের মেহমানদারী দেখে অতিথি মুগ্ধ হয়ে বলতে পারে, যদি এটাই ইসলাম হয়, তবে এ জীবনযাপন কত সুন্দর!

৯. এক মুসলিম যদি হাসিমুখে বৃদ্ধ বা নারীকে আসন ছেড়ে দেয়,পাশের লোক ভাবতে পারে—ধর্ম মানুষকে সত্যিই ভদ্রতা শেখায়।

১০. বিসমিল্লাহ বা আলহামদুলিল্লাহ উচ্চারণ—পাশের মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, আল্লাহ আমাদের কত কাছে।

আসল কথা হলো, আমরা বুঝিই না, কত ক্ষুদ্র কাজ, একটি হাসি, বা কোমল শব্দ—কারো জীবনে আলো জ্বালিয়ে দিতে পারে।
পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে নাও আসতে পারে, কিন্তু মনে রাখুন, আপনার প্রতিটি আন্তরিক দাওয়াত আল্লাহর খাতায় সওয়াব হয়ে লিখে রাখা হয়। আল্লাহ আমাল করার তাওফিক দিন

04/11/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। "হাফেয ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, সমস্ত পাপের উৎস হ’ল তিনটি :

(১) অহংকার, যা ইবলীসের পতন ঘটিয়েছিল।
(২) লোভ, যা জান্নাত থেকে আদম-কে বের করে দিয়েছিল।
(৩) হিংসা, যা আদম (আঃ)-এর এক সন্তানের বিরুদ্ধে অপর সন্তানকে প্রতিশোধপরায়ণ করে তুলেছিল।

যে ব্যক্তি উক্ত তিনটি বস্ত্তর অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকতে পারবে সে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকতে পারবে। কেননা কুফরীর মূল উৎস হ’ল ‘অহংকার’। পাপকর্মের উৎস হ’ল ‘লোভ’। আর বিদ্রোহ ও সীমালংঘনের উৎস হ’ল ‘হিংসা’।

[ইবনুল ক্বাইয়িম, আল-ফাওয়ায়েদ (বৈরূত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়াহ, ১৩৯৩/১৯৭৩) ৫৮ পৃঃ।]

04/11/2025
15/09/2025

★★★দুনিয়ার মহব্বত ও তার প্রতিকার★★★

প্রাচুর্য ও দারিদ্রের মধ্যে আল্লাহর হিকমত(০১)
এক মালফুযে হযরত থানবী (রহ.)বলেন- "দুনিয়া যে চিন্তা নিন্দিত তা হল দুনিয়াকে আসল মাকসাদ মনে করে অর্জনের চিন্তা করা। যদি আসল মাকসাদ মনে না করা হয় তাহলে সেই চিন্তা নিন্দিত নয়, জায়েয। কেননা, হাদীস শরীফে এসেছে হালালরিযিক অন্বেষণ করা ফরয। সাথে সাথে দুনিয়া সম্পর্কে চিন্তা যদি দুনিয়া পরিহারের জন্য হয় তবে তা-ও প্রশংসনীয়। অর্থাৎ, দুনিয়া ও আখেরাতের মধ্যে তুলনা করার জন্য চিন্তা করা যে, দুটোর মধ্যে কোনটা গ্রহণীয় আর কোনটা বর্জনীয় এই চিন্তা কাম্য।"
(আনফাসে ঈসা, পৃষ্ঠা ১৭৬)
অর্থাৎ, দুনিয়ার চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া নিন্দনীয়। হাদীস শরীফে তা থেকে পানাহ চাওয়ার শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করেছেন যে- "হে আল্লাহ! দুনিয়াকে আমাদের চিন্তার মূল বিষয় বানিয়ে দিবেন না"।
দুনিয়াকে আসল মাকসাদ মনে করে সর্বদা মন-মস্তিষ্ক এই চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকলে তা নিন্দনীয়। কিন্তু যদি দুনিয়াকে আসল মাকসাদ মনে করা না হয়, তাহলে এ নিয়ে চিন্তা করা মন্দ নয়। যেমন এই চিন্তা করা যে, আল্লাহ আমার যিম্মায় কিছু দায়িত্ব দিয়েছেন যেমন, নিজের দায়িত্ব, স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব ইত্যাদি।
এই দায়িত্ব আদায় করতে হলে দুনিয়া অর্জনও জরুরি। তাই দুনিয়া উপার্জন করছি। এ রকম চিন্তা করা খারাপ নয়।
এক মালফুযে হযরত থানভী (রহ.) বলেন: "সম্পদ জমা করা সর্বক্ষেত্রে 'যুহদ' পরিপন্থী নয়। তবে তাকে গোনাহের হাতিয়ার বানানো যুহদ পরিপন্থী। কারো জন্য সম্পদশালী হওয়াই ভালো। আল্লাহ তাআলা জানেন যে, কার প্রাচুর্য দ্বারা নৈকট্য হাসিল হবে আর কার দারিদ্র্য দ্বারা হবে। এজন্য তিনি কাউকে সম্পদ দেন, কাউকে দরিদ্র রাখেন।' (আনফাসে ঈসা, পৃষ্ঠা ১৭৬)

15/09/2025

★★★ঝিনুক থেকে শিক্ষা★★★

(১) মুরগী ডিম দেয়। একটি ডিমের দাম মাত্র দশ টাকা। কিন্তু ডিম দিয়েই 'খকখক' আওয়াজ করে সারা বাড়ির লোকদের জানিয়ে দেয় সে 'ডিম' প্রসব করেছে। অথচ ঝিনুক। লক্ষ টাকার মুক্তো প্রসব করে। নিরবে, নিভৃতে থাকে। তুমি ঝিনুকের মত দামি হতে চাও? ক্ষুদ্র আমল করে মানুষকে জানিয়ে দেয়ার ঘৃণ্য মানসিকতা পরিহার কর।
(২) বৃষ্টির পানি দিয়ে ঝিনুকের পেটে তৈরি হয় মুক্তো। আর এই পানি গ্রহণের জন্য সে সময় বাছাই করে আমাবশ্যার রজনী। যখন চারিদিকে বিরাজ করে ঘুটঘুটে অন্ধকার। তুমি মালিকের নৈকট্য চাও? ওঠে যাও শেষ রাতে। যখন দুনিয়ার তামাম মাখলুকাত ঘুমের ঘোরে আচ্ছন্ন। লুটে পড়ে যাও সিজদায়।
(৩) ঝিনুক মাত্র এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য দিনের পর দিন, মাসের পর মাস অপেক্ষা করে। কখনো সে বিরক্ত হয়না। ধৈর্য্যহারা হয় না। তুমি জীবনে উন্নতি করতে চাও? 'সবর' কে গলার মালা হিসেবে গ্রহণ কর।কখনো কোন কাজে বিরক্তির কোন ভাব যেন তোমার চেহারায় ফোটে না ওঠে।
(৪) ঝিনুক একফোঁটা বৃষ্টির পানি নিয়েই সে তৃপ্ত থাকে। তার হাজার ফোঁটার দরকার হয়না। তুমি জীবনে সুখী হতে চাও? 'কানাআত' তথা অল্পে তুষ্ট থাকো। কখনও হা-হুতাশ কর না। যে কোন অবস্থায় থাকোনা কেন,সদা সর্বদা আলহামদুলিল্লাহ্ বলো।শান্তির জিন্দেগী লাভ করবে ইনশা আল্লাহ্।
আল্লাহ তা'য়ালা সকলকে উপদেশ গুলো বুঝা এবং মেনেচলার তাওফীক দান করুন। আমীন।

Jamia Ibrahimia Ishakia Kazlarpar Boro Madrasha. Design By Takwa Design And Consultant.
15/09/2025

Jamia Ibrahimia Ishakia Kazlarpar Boro Madrasha. Design By Takwa Design And Consultant.

Address

77/B, Takwa Bhaban, 1st Floor, Kajlarpar, Jatrabari
Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Takwa Design and Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Takwa Design and Consultant:

Share