Elegance Builders & Consultants Ltd.

Elegance Builders & Consultants Ltd. Elegance Builders & Consultants Limited, a member of Elegance Group has started its journey since 2002 to be a part of a glorious future of Bangladesh.

Elegance Builders & Consultants Limited is a premier builder & consultant of real estate in Bangladesh. The company has made significant gains and achieved its short team goals and objectives. Looking towards the future, EBCL has decided to target a large and more diversified market segments with newer and more of urban development in the residential and commercial sectors. Elegance Builders & C

onsultants Limited started its journey in the field of Construction Industry through strong commitment and eventually occupied a coveted position in the forefront of Construction Industry of Bangladesh through dedicated and concerted efforts of its technical personnel and professionals with overwhelming cooperation and goodwill from all our business friends at home and abroad. We hope that our friendly relationship with all our business associates will grow further and will contribute to our mutual benefit in the days to come. The company wishes to move ahead, experiment with new ideas and challenge new frontiers. EBCL will endeavor to achieve excellence in all their undertaking and intend to provide customer satisfaction by being efficient and competitive. To be the leaders in the construction industry by providing Top Quality Service with a very reasonable price and innovating new products and services based on the needs of our customers’ and market demand. We constantly strive to meet or exceed our customer needs and expectations on the services that we offer, to build happy and populous Bangladesh. In the emerging shape of New Dhaka urban outlook & life style, Elegance Builders & Consultants Limited is a promising name that has already marked its success as one of the distinct construction companies. Established in 2002, the company has steered successfully through scrupulous management & effective satisfaction of its client up to the present. Keeping steady standard with careful attention to greatest comfort and impeccable service, Elegance Builders & Consultants Limited has initiated and already handed over several projects in Dhaka city.

06/08/2024

বিশ্ববিদ্যালয় খুললে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ১৯৭২-৭৫ সালের সকল পত্রিকা, ম্যাগাজিন সব স্টুডেন্টের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের মুখস্থ ইতিহাস বাদ দিয়ে এবার সত্যটা জানার সময় এসেছে। স্বৈরাচার মুজিবের দুঃশাসন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে পুরোপুরি অন্ধকারে রাখার ফলে তাদের মধ্যে স্বৈরাচার মুজিবের প্রতি একটা "অন্ধ ভক্তি" আছে। যেটা অতিদ্রুত দূর করতে হবে।

25/06/2024

একটি জানালার কথা
মদিনায় নবীজির (সা.) রওজা শরিফের দক্ষিণ পাশে একটি খোলা জানালা রয়েছে । মসজিদে নববির সালাম গেট দিয়ে সামনে এগোতে থাকলে হাতের ডান পাশে চোখে পড়ে এই জানালা।
দীর্ঘ ১৪০০ বছর যাবৎ জানালাটি খোলা রয়েছে। এটা ভালোবাসার খোলা জানালা। এটা হজরত হাফসা (রা.) এর জানালা। এ জানালা বন্ধ হয়নি কখনো। এই জানালার একটি ইতিহাস রয়েছে। যার জন্য এই জানালাটি প্রায় দেড় হাজার বছর যাবৎ খোলা। নবীজির (সা.) রওজা মোবারককে সালাম দেওয়ার জন্য পশ্চিম দিক থেকে প্রবেশ করে পূর্ব দিকে বের হতে হয়। রওজা শরিফ বরাবর এসে হাতের বামে উত্তর মুখী হয়ে সালাম প্রদান করতে হয়। নবীজি (সা.) যেখানে শুয়ে আছেন সেটি হলো আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) ঘর । বর্তমানে যেটি রওজা মোবারক। ঠিক তার বিপরীত দিকে দক্ষিণ পাশের দেয়ালে জানালাটি অবস্থিত। সেটি হলো ওমররের (রা.) মেয়ে হাফসা (রা.) বাসস্থান।
মসজিদে নববির পূর্ব পাশে সারিবদ্ধভাবে নবীজির(সা.) স্ত্রীদের ঘর ছিল। হজরত আয়েশা (রা.) এবং হজরৈ হাফসা (রা.) ঘর দুটি মুখোমুখি ছিল। মাঝে ছিল একটি গলিপথ। যে গলিপথ দিয়ে সবাই রওজায় সালাম করতেন।
নবীজির (সা.) ইন্তেকালের পর আবু বকর সিদ্দিক (রা.) যুগ শেষ হয় । হজরত ওমর (রা.) খেলাফতে ১৭ হিজরিতে মসজিদে নববি সম্প্রসারণের প্রয়োজন দেখা দেয়। বিশেষ করে রওজায় সালাম দেওয়ার সুবিধার্থে হাফসা (রা.) ঘরটি সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন দেখা দিল। সেই ঘরে তখনো তিনি অবস্থান করছিলেন। চোখের সামনে নবীজির (সা.) রওজা। রওজার পাশেই এই ঘরে তিনি বসবাস করতেন।
হজরত ওমর (রা.) চিন্তায় পড়ে গেলেন। কীভাবে তিনি মেয়ে হাফসাকে (রা.) বলবেন এই ঘরটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।
একদিন মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। মেয়ে হাফসার (রা.) হুজরা বা ঘরের প্রতিটি কোনায় নবীজির (সা.) স্পর্শ ও স্মৃতি মেখে রয়েছে। এটিও তাঁকে ছাড়তে হবে। বিষয়টি তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। তিনি হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন। তাঁর কান্না দেখে সেদিন মতো ওমর (রা.) ফিরে গেলেন।
পরদিন আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)কে তাঁর কাছে পাঠালেন। আরো অনেকে তাঁকে অনুরোধ করল। কিন্তু তিনি অনড়। তাঁকে বলা হলো, এই হুজরার(ঘরের) বিনিময়ে মদিনার সবচেয়ে বড় বাড়িটি তাকে উপহার স্বরূপ দেওয়া হবে। তাতেও তিনি রাজি হলেন না। কিছুদিন পর ওমর (রা.) পুত্র আবদুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে আবার তাঁর কাছে এলেন। এবার ভাই আবদুল্লাহ বোনের কাছে আবেদন রাখলেন যেন তিনি উম্মতে মুসলিমের স্বার্থে এ হুজরাটি ছেড়ে দেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বাড়িও হাফসার (রা.) হুজরার সঙ্গেই লাগোয়া ছিল। তিনি বোনকে অনুরোধ করলেন তার বাড়িতে এসে ওঠার জন্য। তিনি বোনের জন্য এই বাড়ি ছেড়ে অন্যখানে চলে যাবেন। আর এ বাড়িটিও তো তাঁর হুজরার সঙ্গেই। সুতরাং তিনি নবীজির(সা,) কাছেই অবস্থান করবেন।
এবার হাফসার (রা.) মন নরম হলো। তিনি তার হুজরা ভেঙে পথ সম্প্রসারণের অনুমতি দিলেন। তবে তিনি শর্ত রাখলেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওমরের যে বাড়িতে তিনি উঠছেন রওজা শরিফ বরাবর তার দেয়ালে একটি জানালা খুলতে হবে। আর এই জানালাটি কখনো বন্ধ করা যাবে না। যেন মন চাইলেই তিনি এই জানালা দিয়ে রওজার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারেন। হজরত ওমর (রা.) বলেন যে, কখনোই এ জানালাটি বন্ধ করা হবে না।
হাফসা(রা.) ও ইন্তেকাল করলেন। বহুবার মসজিদে নববির পুনঃ নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা হয় । কিন্তু কেউই হজরত ওমর (রা.) সেই ওয়াদা ভঙ্গ করলেন না। ১৪০০ বছর যাবৎ স্মৃতি হয়ে থাকল এই খোলা জানালাটি একটি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এবং ওয়াদা রক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্বরূপ।

05/06/2024

চিল্লা নিয়ে এক আরবের তর্কবিতর্ক!
-আল্লামা তারিক জামিল (দা.বা.)
===========================
এক আরব জিজ্ঞেস করল,আপনারা চিল্লা কোথায় পেয়েছেন? আমি বললাম ঠিক আছে আপনি আগে পঁয়তাল্লিশ দিনের জন্য বের হোন, তবু বিতর্ক থেকে বিরত থাকুন। এটি বিবাদ করার মতো কোনো বিষয় নয়। তরবিয়তের জন্য সময় দরকার। চিল্লা সময়ের একটি ব্যবস্থাপনা মাত্র।

আসল হলো তরবিয়ত।
আর চিল্লার কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। আমরা তরবিয়তের জন্য চিল্লা, তথা ৪০ দিন ঠিক করে নিয়েছি। আরব জিজ্ঞেস করল,চিল্লা কোথায় পেলে?

আদম (আ:)এর দেহ বানানোর পর ৪০ বছর পড়ে ছিল, তারপর আল্লাহ তাকে রূহ দান করেন। নিষিদ্ধ ফল খাবার কারনে জান্নাত থেকে বের করে দীর্ঘ চল্লিশ বছর কাঁদার পর তার তাওবা কবুল হয়।

হযরত ইব্রাহিম (আ:) কে আগুনের কুণ্ডে বসিয়ে রাখেন ৪০ দিন।

হযরত মূসা(আ:) কে তুর পাহাড়ে বসিয়ে রাখেন ৪০ দিন।

হযরত ইউনুস (আ:) কে মাছের পেটে রাখেন ৪০ দিন।

সুতরাং
ইব্রাহিম (আ:) এর একচিল্লা।
মূসা (আ:) এর তুর পর্বতের এক চিল্লা।
ইউনুস (আ:) এর মাছের পেটে এক চিল্লা।
আমরা তিনটিকে একত্রিত করে বলে দিলাম, যাও ভাই তিন চিল্লা।

তা ছাড়া হাদীসে আছে আল্লার রাসূল (সা) বলেছেন ; যে ব্যক্তি লাগাতার ৪০ দিন তাকবীরে উলার সাথে নামায আদায় করবে, সে জাহান্নাম ও নেফাক থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

আরও বলেছেন : যে ব্যক্তি আমার মসজীদে ৪০ ওয়াক্ত নামায আদায় করবে, তার জন্য আমার সুপারিশ জরুরী হয়ে যায়।

আল্লাহর রাসূল (সা:) ৪০ বলেছেন ৫০বলেননি। তা হলে এর বৈশিষ্ট্য কিছু আছে নিশ্চয়।
হযরত উমর (রাযি:)-এর আমলে এক ব্যক্তি জিহাদ থেকে ফিরে এলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কতদিন পরে ফিরেছ,বলল,একমাস পর।
হযরত উমর (রাযি:) বললেন, ৪০ দিন পুরা করলে না কেন।।

আমাদের এই চিল্লা বিত্তিহীন নয়।
এক হাদিসে রাসূল (সা:) বলেছেন,
যে ব্যক্তি ৪০টি সকাল একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ কে দিয়ে দেবে, আল্লাহ তার অন্তরকে জ্ঞান দ্বারা ভরে দেবেন। এত ভরে দেবেন যে, তা ঝর্না হয়ে তার মুখ দ্বারা বের হতে থাকবে। এওতো চিল্লা।

আত্মশুদ্ধি অর্জন ও অভ্যন্তরীণ অবস্থার সংশোধনের ক্ষেত্রে ৪০ দিনের একটা বিশেষ তাৎপর্য আছে। এক হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি ৪০ দিন নিরলসভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে, আল্লাহ তাআলা তার অন্তর থেকে জ্ঞান ও হিকমতের ঝরনাধারা প্রবাহিত করে দেবেন। (রুহুল বয়ান)। এ ছাড়া ৪০ দিন প্রথম তাকবিরের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করলে কপটতা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়ার কথা।

05/06/2024

আলাউদ্দিন খিলজির সাহস এমন ছিল যে একবার মঙ্গোল প্রধান ওলজেতু খান একদল মঙ্গোলকে আলাউদ্দিন খিলজির দরবারে পাঠান এবং তাদের দাবি ছিল যে আলাউদ্দিন খিলজি তার রাজকন্যাকে তাদের হাতে তুলে দেবেন, কারণ মঙ্গোল প্রধান তার রাজকন্যাকে তার স্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। তখন আলাউদ্দিন খিলজি এমনভাবে জবাব দেন যে তাঁর দরবারে আসা 18টি মঙ্গোলের মাথা হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে যায় এবং মঙ্গোলদের কাছে এই বার্তা পাঠানো হয় যে এটি আলাউদ্দিনের উত্তর।

এর পর মঙ্গোলরা ভারতের দিকে মুখ ফেরানোর সাহস করেনি। এটা সত্য যে সে সময় মঙ্গোলদের চেয়ে বর্বর আর কেউ ছিল না। তারা সমগ্র এশিয়াকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। কিন্তু ভারতে এসে তাদের আলাউদ্দিন খিলজি ও তার সাহসী সেনাপতি জাফরের মুখোমুখি হতে হয়। এরাই ছিলেন সেই সেনাপতি যারা সারাজীবন মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তারা মঙ্গোলদের তাড়িয়ে না দিলে এখানকার ইতিহাস ও ভূগোল অন্যরকম হতো।

01/06/2024

আলহামদুলিল্লাহ ,আমরা বছরের শ্রেষ্ঠ দশদিন পেতে যাচ্ছি; আর তা হলো জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন,ইনশাআল্লাহ।
এবছর জুন ৬ সূর্যাস্ত থেকে ,2024 তারিখে জিলহজ্জ মাস শুরু হবে ইনশাআল্লাহ l

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো যিলহজ্জের প্রথম দশক। রবের কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়।

🍁 : শাইখ ডক্টর সালেহ আল ফাউজান (حفظه الله).
🍁 : শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আস সুলাইমান (حفظه الله).
এর আলোচনা থেকে নিজে জিলহজ মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ তুলে ধরা হলো l

#জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন এর গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহঃ

(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা রাখা।

রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১১৬২ ]

(২) সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা।

(৩) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা।

রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝তোমাদের কেউ জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখলে এবং কুরবানি করার ইচ্ছা করলে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭ ]

(৪) চার ধরনের যিকিরে লেগে থাকা।

রাসুল (ﷺ) বলেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ও তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার ,পড়ো।❞
[ মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ ]

(৫) বেশি বেশি তাকবির তথা আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা।

সাধারণভাবে এই দশ দিন সংক্ষেপে اللّٰهُ أَكْبَر বেশি বেশি পড়ুন। সাথে, নিচের বাক্যগুলোও সাধ্যানুসারে পড়ুন—

اَللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ وَلِلّٰهِ الْحَمْد

অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।

এটি ইবনু মাস‘উদ (রা.) ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের থেকে প্রমাণিত।
[ দারাকুতনি, আস-সুনান: ১৭৫৬; আলবানি, ইরওয়াউল গালিল: ৬৫৪; সনদ সহিহ ]

তবে, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্জের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক (উপরে বর্ণিত তাকবিরটি) পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
[ ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার: ৩/৬১ ]

(৬) চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্জ; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
[ সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬ ]

(৭) এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।❞ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
[ সহীহ বুখারি : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; সুনান আবু দাউদ : ২৪৩৮]

এই দশদিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
[ ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫ ]

🤲 : আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের ইলমে, আমলে বারাকাহ দিন।দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যান দান করুন।আল্লাহ আমাদেরকে প্রিয় বান্দা হিসেবে প্রশান্ত আত্মা নিয়ে তাঁর কাছে ফেরৎ যাওয়ার তৌফিক দান করুন।
আমীন।
সংগৃহিত

27/05/2024

খালিদ_বিন_ওয়ালিদ (রা.) স্ত্রীকে বললেন- ‘
প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হচ্ছে না। তুমি আমার সারাটা শরীর পরীক্ষা করে দেখ, এমন কোনো স্থান কি আমার শরীরে আছে যেখানে শত্রুর তরবারীর আঘাত নেই’?

দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর দিলেন- ‘না। আল্লাহর রাস্তায় আপনি এত বেশি যুদ্ধ করেছেন যে আপনার সারাটা শরীরেই শত্রুর আঘাত আছে’।

খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) তখন দুঃখ নিয়ে বললেন- ‘আল্লাহর কসম, প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেন আমি ময়দানে শত্রুর আঘাতে মারা যাই, তাতে যেন শহীদের মর্যাদা পাই। কিন্তু আফসোস, দেখ আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু না হয়ে আমার মৃত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়! আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চান না’?

স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন রইলেন।
এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি :- ‘আপনার নাম স্বয়ং রাসুল (সা.) রেখেছিলেন সাইফুল্লাহ/আল্লাহর তরবারী (⚔️) এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায় আছে যেটা আল্লাহর তরবারীর মোকাবিলা করতে পারে? তাইতো ময়দানে আপনার মৃত্যু হয়নি কারণ আল্লাহ তার তরবারী মাটিতে লুটিয়ে যেতে দেননি’।
সুবহানাল্লাহ-আল্লাহু আকবার 🏇🏹🏹

Collected

Located at Bashundhara.
13/08/2021

Located at Bashundhara.

18/12/2018
25/04/2013

BACKGROUND OF THE COMPANY
Elegance Builders & Consultants Limited, a member of Elegance Group has started its journey since 2002 to be a part of a glorious future of Bangladesh, owned and led by professionals of considerable experience in the construction industry. We want to give whatever we have in terms of our engineering and managerial skill to the cause of people we owe.
We have already completed some high-rise buildings not to mention about normal buildings including a few landmark buildings in Dhaka City for which we are proud of. We have full capacity to continue the work with vigor and strength in order to lead ourselves toward accomplishing the desired destiny. Our preliminary objective is to achieve high level of confidence among the construction industry assuring high quality workmanship and commitment.
EBCL team has earned an excellent reputation in construction quality and high customer satisfaction. After achieving a good foothold in the up-market, EBCL is now spreading its activities to build apartment projects and also commercial/shopping complexes for high and middle income people assuring the same standard.
EBCL believes that there is no alternative to quality, sincerity and strong commitment to achieve success. As EBCL believes in professionalism, many experienced and energetic technical people are in this team. The company is also associated with many reputed companies at home and abroad.

Leaflet of the company
25/04/2013

Leaflet of the company

Our Working Environment
25/04/2013

Our Working Environment

Company Logo
25/04/2013

Company Logo

Address

423, 1/B, Darul Huda, Dhalibari, Norda/Bashundhara Link Road, Norda, Badda
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elegance Builders & Consultants Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share