25/03/2024
Haval H6 HEV যে বিশেষ বৈশিষ্ট্য সমুহের অধিকারি:
১। সম্পুর্ন হাইব্রিড, অর্থাৎ এর ইলেক্ট্রিক মটর এই গাড়িতে ব্যবহৃত পেট্রল ইঞ্জিনের থেকে বেশি শক্তিশালী। অন্য হাইব্রিড গড়িতে যেখানে পেট্রল ইঞ্জিনই চাকায় সর্বোচ্চ শক্তি সর্বরাহ করে আর মটর ইঞ্জিনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।কিন্তু Haval H6 HEV এর সম্পুর্ন বিপরিত।
২। DHT Transmission (Dedicated/Direct Hybrid Transmission): এই প্রযুক্তি এমনই যে এর ভেতরে DCT transmission এর মত ফিজিক্যাল কোন গিয়ার চাকা বা ক্লাচ প্লেট থাকেনা, এমনকি CVT এর মত বেল্ট এবং টর্ক কনভার্টারও থাকে না। ডুয়াল স্পিড ইলেক্ট্রিক মটর সরাসরি ট্রান্সমিশন সিস্টেমের কাজ সম্পাদন করে ট্রান্সমিশন পরিবর্তনের ঝামেলা ছাড়া। অর্থাৎ ট্রান্সমিশনের পরিচর্যা নেই বললেই চলে। এতে করে DCT এবং CVT এর সুবিধা পাওয়া যায় কিন্তু মেইন্টেনেন্স এর কোনটার মতই নয়।
৩। আউটপুট টর্ক: 1500 সিসি টার্বো ইঞ্জিন আর ১৭৯ কিলোওয়াট ইলেক্ট্রিক মটরের সম্মিলিত মোট টর্ক আউটপুট ৫৩০ নিউটন-মিটার। যা মাত্র ৮.৫ সেকেন্ডে ০ থেকে ১০০ কি:মি:/ঘন্টা গতিতে তুলতে সক্ষম। যেখানে Land Cruiser Prado ২০২৩ মডেলের ২৮০০ সিসি ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ আউটপুট টর্ক ৫০০ নিউটন-মিটার, Mercedes GLE/GLS 450 ২০২৪ এর ৩০০০ সিসি ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ আউটপুট টর্ক ৫০০ নিউটন-মিটার।
৪। ফুয়েল একনমিক ও পরিবেশ বান্ধব: ৩০০০ সিসির গাড়ি যেখানে ৫-৬ কিমি যায় প্রতি লি: তেলে, সেখানে Haval H6 HEV যায় ১৫ থেকে ১৮ কিমি প্রতি লিটারে। তাই এটি একাধারে পরিবেশ বান্ধব ও সাশ্রয়ী।
৫। অন্যান্য: রোটারি গিয়ার সিস্টেম যা মূলত BMW গাড়িতে দেখা যায়, প্যানরমিক সান রুফ, LED হেড এবং টেইল লাইট, ৩৬০ ডিগ্রী ভিউ, পার্কিং সেন্সর , রেইন সেন্সর, এডাপটিভ ক্রুজ কন্ট্রল, অটো পার্কিং এবং রিভার্স ড্রাইভিং, পাওয়ার টেইল গেইট সহ সকল অত্যাধুনিক ফিচার।