IPJ Construction

IPJ Construction বাড়ি নির্মাণ করার কথা ভাবছেন?
বাড়ি নির্মাণ সম্পর্কিত পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।


ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফিরোজ নাহিয়ান
০১৮২৫-৭৬৬০৩৩

10/12/2025

Stone Chips 😴

04/11/2025

কনসিল বীম কি?
স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে। কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম।
---------------------------------------------------------------------
মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না।

কেন কনসিল ছাদ দেওয়া হয়?
১। অনাকাঙ্গিত বীম গভীরতা থাকে না বলে সৌন্দর্য বাড়ে।
২। সাটারিং এবং কাস্টিং এর খরচ কমানো যায়।

সতর্কতাঃ-
১। কনসীল বীম করতে হলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ কনসীল বীম বলে তেমন কিছু নেই। মূলত ফ্লাট স্লাবে যেভাবে কলাম টু কলাম বরাবর স্ট্রীপ ধরে এক্সট্রা Reinforcement দেওয়া হয় এটাকে অনুকরন করেই কনসীল বীম ধারনা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ২০০মি.মি. বা ৭.৮৫ ইঞ্চি এর কম Thickness এর ছাদে এই জিনিস করা কোন মতেই ঠিক না। যথা সম্ভব তা পরিহার করে চলা উচিত।

কনসিল বীম করার কারনে বিল্ডিং এর কি কি ক্ষতি হবেঃ-
১। স্ট্রাকচার কলাম স্ট্রিপ এ দুর্বল হয়।
২৷ ভুমিকম্পে স্যান্ডউইচ হবার আশঙ্কা থাকে।
৩। কনসীল বীমে Reinforcement টোটাল RCC এর ২% এর অধিক হয়ে পড়ে।
৪। কনসিল বীম স্ট্রাকচার Lateral Load নিতে পারে না।
৫। Normal Beam এর থেকে কনসীল বীম ১০% কম Axial Load নিতে পারে।
৬। কনসীল বীমে Vertical Displacement নরমাল বীমের থেকে ১০% বেশী হয় বলে তা তুলনা মূলক ভাবে দুর্বল হয়।
৭। steel ২% এর বেশী হবার কারনে Concrete সব জায়গায় পৌছাতে পারে না। এতে হানিকম্ব তৈরী হয় ।
৮। এমন সমস্যা থাকার পরেও কেনো কনসিল ছাদ /বিম সম্পর্কে কন্ট্রাক্টর সুপারিশ করে??
৯। কাজ সহজ হয় এবং ওয়ার্কার কম লাগে।
১০। সাটারিং বেঁচে যায়।
১১। রুম ভাগ করতে সুবিধা হয় যেহেতু বিম দেখা যাবে না।

সর্বপরি এই বিম স্ট্যন্ডার্ড বিমের মত কার্যকরী হবে না। আমরা অনেকেই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত নই,তাই না বুঝেই এই ধরনের নির্মানে আগ্রহী হই।

08/10/2025

বহুতল ভবনের মাটি পরীক্ষা করার গুণাবলি (সংক্ষিপ্ত বিবরণ):-

1. 🧱 ধারণক্ষমতা (Bearing Capacity):
মাটির কতটা ওজন বহন করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। এটি ভবনের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ।

2. 💧 আর্দ্রতা ও জলধারণ ক্ষমতা (Moisture & Water Table):
মাটির নিচে পানির স্তর ও আর্দ্রতা জানলে ফাউন্ডেশনের গভীরতা নির্ধারণ সহজ হয়।

3. 🪨 ঘনত্ব ও গঠন (Density & Composition):
মাটিতে বালু, কাদা, দোআঁশ বা পাথরের পরিমাণ জানা যায় — যা ফাউন্ডেশন ডিজাইনে প্রভাব ফেলে।

4. ⚖️ সংকোচন ও প্রসারণ ক্ষমতা (Compressibility & Swelling):
মাটি চাপ পেলে কতটা বসে যায় বা ফুলে ওঠে তা জানা প্রয়োজন, যাতে ফাউন্ডেশন ফাটল না ধরে।

5. 🧪 রাসায়নিক গুণ (Chemical Properties):
মাটিতে অ্যাসিড, লবণ বা সালফেট থাকলে তা RCC কাঠামোর ক্ষতি করতে পারে — এজন্য রাসায়নিক বিশ্লেষণ জরুরি।

04/09/2025
দেধারছে সস্তায়, মিষ্টির দোকানের মত ডিজাইন কিনুন:------------------------------------------------------------------------...
28/07/2025

দেধারছে সস্তায়, মিষ্টির দোকানের মত ডিজাইন কিনুন:
---------------------------------------------------------------------------
#খেলাতো সবে শুরু, অনেক আগে থেকেই লিখছি, বাংলাদেশে পরবর্তী দুর্যোগ হবে স্ট্রাকচারাল ইস্যু।

#একটা ভবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে #স্ট্রাকচারাল ডিজাইন অথচ এটা নিয়ে সবচেয়ে অবহেলা। ভুমিকম্প প্রতিরোধী স্ট্রাকচার তৈরি করতে চাইলে 1 থেকে আর্কিটেক্ট আর স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের কোলাবরেশন থাকতে হবে তাহলে ECONOMIC SOLUTION এবং EARTHQUAKE RESISTANT ভবন নির্মাণ হবে।

অন্যদিকে সয়েল টেস্ট করে লেবার দিয়ে #হেইয়ো হেইয়ো, মারাও, চালাও অথচ বলে যে একটা টার্ম আছে এবং সয়েল স্যাম্পল কালেকশন থেকে পুরো প্রসেস প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ারের সম্পৃক্ততা থাকা চাই এটা নিয়ে কোন চিন্তাই নাই, ভাবে এক্সট্রা খরচ কিন্তু উল্টো আসলে যে লাখ/কোটি টাকা লাভবান হবে সে ব্যাপারে ধারণাও নাই অন্যদিকে সয়েল টেস্টের মতো SENSITIVE এবং গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লেখাপড়া না জানা, #লেবার দিয়ে দায়সারা ভাবে করাচ্ছে যাদের বেশিরভাগেরই ল্যাবরেটরি নাই।

সয়েলের বোরিং পয়েন্ট কোথায় হবে সেটা স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ঠিক করে দিবে কিন্তু আমাদের দেশে সেরকম খুব কমই হচ্ছে। আর ক্লায়েন্টও খাচ্ছে অনেক সুন্দর।

আর যাদের বিল্ডিংয়ের ডিজাইন ঠিক আছে তাদেরও এতটা খুশি হওয়ার কিছু নাই কারন পাশের ভবন দুর্বল হলে সেটাও ভেঙ্গে আপনারটারই উপরে পড়বে।

#আমরা ১৭ বছর প্র‍্যাক্টিস করেও কাজ করি সাবধানে, এখনো কিছুটা ভয় কাজ করে আর আপনারা দেধারছে বিল্ডিং, ব্রীজ, স্টিলের বিল্ডিং, যাই জিজ্ঞেস করা হয় সবই ডিজাইন করতে পারেন।

#সয়েল টেস্ট করাবেন ১০ হাজার টাকায় অথচ আমরা ফি চাইলে দৌড়াবেন, শুনতে নেগেটিভ মনে হলেও, এসব #এক্সিডেন্টের দরকার আছে।

সম্প্রতি টাঙ্গাইলে আমাকে ২ টা প্রজেক্ট থেকে বাদ দিয়ে, ১টা প্রজেক্টে সরাসরি লোকাল ইঞ্জিনিয়ারকে দিয়ে ডিজাইন করালো, আমার ডিজাইন নাকি ঠিক নাই, আমি বললাম আসেন মিটিং করি কিন্তু মিটিংয়ে রাজি নন তাই আমিও ওকে বলে বিদায় নিলাম।

ভাবুন বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারকে #রিপ্লেস করে লোকাল ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিজাইন করানো হলো।

এছাড়া শুনতে নেগেটিভ মনে হলেও আপনাদের এরকম এক্সিডেন্টাল শিক্ষার প্রয়োজন আছে কেননা ১০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট করতে পকেটে টাকা থাকে কিন্তু কনসালটেন্টের ফি চাইলে টাকা থাকে না।

যেমন ক্লায়েন্ট, তেমন সস্তা, তেমন টেকনিক....!

  ❤️
04/07/2025

❤️

02/06/2025

কংক্রিটে ভাইব্রেটর (Concrete Vi****or) ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কংক্রিটের ভিতরের ফাঁপা জায়গা (voids), বাতাস এবং honeycomb দূর করে এবং কংক্রিটের ঘনত্ব ও দৃঢ়তা বাড়ায়। ঠিকভাবে ভাইব্রেটর ব্যবহার না করলে কংক্রিট দুর্বল হয়ে যায় এবং ভবিষ্যতে ফাটল, ক্ষয় বা ধসের কারণ হতে পারে।

---

# # # ✅ **Concrete Vi****or ব্যবহারের সঠিক নিয়মাবলী:**

# # # # 1. **সঠিক টাইপের ভাইব্রেটর নির্বাচন:**

* **Internal/Needle Vi****or:** ঢালাই কংক্রিটের মধ্যে ঢুকিয়ে ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে সাধারণ।
* **Form Vi****or:** ফর্মওয়ার্কের বাইরে লাগানো হয়। সাধারণত প্রি-কাস্ট কাজের জন্য।
* **Surface Vi****or:** ফিনিশিং বা রোড স্ল্যাবে ব্যবহৃত হয়।

---

# # # # 2. **ভাইব্রেটর ঢোকানোর নিয়ম:**

* ভাইব্রেটরটি **উলম্বভাবে (vertically)** ঢোকাতে হবে।
* সরাসরি কংক্রিটে নামিয়ে দিতে হবে, নাড়িয়ে বা ঘষে না।
* প্রথমে একবারে নিচ পর্যন্ত ঢুকিয়ে, তারপর ধীরে ধীরে উঠাতে হবে (প্রতি ৫ সেকেন্ডে ১ ফুটের মতো)।

---

# # # # 3. **ভাইব্রেটিং টাইম:**

* সাধারণত প্রতি পয়েন্টে **৫–১৫ সেকেন্ড** বা যতক্ষণ না কংক্রিটের উপর ফাঁপা বুদবুদ উঠে।
* অতিরিক্ত ভাইব্রেশন **segregation** (বালু, সিমেন্ট, কংক্রিট আলাদা হওয়া) ঘটাতে পারে — তাই সময়মতো বন্ধ করতে হবে।

---

# # # # 4. **ভাইব্রেটর ইনসারশনের দূরত্ব:**

* প্রতিটি ইনসারশনের মাঝে ৮–১০ ইঞ্চি দূরত্ব রাখতে হয়।
* ওভারল্যাপ করতে হয় আগের ভাইব্রেশন এরিয়ার সাথে, যেন কোন জায়গা বাদ না পড়ে।

---

# # # # 5. **ভাইব্রেটর ঢোকানোর সময় কাঠামো বিবেচনা:**

* **Beam, Column, Slab**— প্রতিটিতে আলাদা সাবধানতা দরকার।
* ফর্মওয়ার্কের কাছাকাছি বেশি সাবধানে ভাইব্রেট করতে হয় যাতে ফর্ম নষ্ট না হয়।

---

# # # # 6. **ভাইব্রেটর ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা:**

* ভাইব্রেটর চালানোর সময় ভালো গ্রিপ রাখতে হবে।
* বৈদ্যুতিক ভাইব্রেটরের ক্ষেত্রে সঠিক ইনসুলেশন ও গ্রাউন্ডিং থাকতে হবে।
* অপারেটরকে ভালো প্রশিক্ষিত হতে হবে।

---

# # # ⚠️ **ভুলভাবে ভাইব্রেটরের ব্যবহারে কী সমস্যা হয়?**

* **Honeycomb:** বাতাস জমে থাকা
* **Segregation:** ঢালাই আলাদা হয়ে যাওয়া
* **Surface Defect:** ফাটল ও দুর্বল পৃষ্ঠ
* **রডের চারপাশে ঠিকভাবে কংক্রিট না বসা**

01/06/2025

Address

Mohammadpur Housing
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IPJ Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share