10/05/2026
যে সন্তান মাকে ভালোবেসে বড় হয় আর যে মায়ের তার সংগির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে না,
তাকে মরুভূমিতে পানির কষ্টে পড়তে হয়, না হয় পিতার দারা কোরবানি হতে হয়, না হয় মানুষ তাকে ক্রুষে দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে পুর্বের ইতিহাস তাই বলে।
নারিদেরকে আইয়ামে জাহেলিয়াত এর সময় হত্যা করতো মাটিতে পুতে ফেলতে শুনা যায়।
হত্যা না মা ফাতেমা আ: এর পিতার নিকট হতে প্রাপ্ত সম্পদ কেরে নেয়া হয়। মা হাজেরা আ: মরুভূমির ভিতর শিশু ইস্মাইল আ: সব বাবা ভাই সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে।
মেয়েদের পিতা ভাই স্বামীর সম্পদ সম্পর্ক থেকে বঞ্চিত করেন এমনি বেচে থেকে মৃত্যুর মত নিহত হয়ে থাকবে মাটিতে পুতে রাখতে হবে না।
যে মা পিতার সম্পদ এর অংশ হতে বঞ্চিত হয় সে তো জাহান্নামে আছে সে যদি স্বামির সম্পদ হতে বঞ্চিত হয় সে তার সন্তান কে অভাবের কারণে কোরবানি দিতে চাবে কিন্তু পিতা আর স্বামির উপর অসন্তোষের কারনে নিজের সন্তান আর যাতে তার পিতার আর স্বামির মত না হয় এই আক্ষেপের কারনে। পিতা যে মেয়েকে থাকার যায়গা হতে নেমে যেতে বলে যার স্বামি যাকে থাকার যায়গা হতে বনবাস এ দেয় সে রুহ দিয়ে কি করবে? তার ভিতর রুহ থাকুক আর না থাকুক সে তো রুহ নিয়ে জাহান্নামে আছে সেখানে প্রেমহিন মরুভূমি পানি নাই। সেখানে মায়ের মাথার উপর জাহান্নাম আর তার পায়ের নিচে বেহেশত হইতে পারে না।
যে প্রধান বর্তমান একজন নর নারি কে বিয়ে দিয়ে খাওয়ানর সামর্থ্য রাখেনা তার থাকার যায়গা থেকে বের করে দেয় তিনি নাকি অসংখ কিছু দিবে পরবর্তী কালে।
বিয়ে সেক্স একটি মানুষ এর তৈরি সামাজিক চুক্তি ছাড়া আর কিছু নয়।এখানে কেউ কেনে কেউ বিক্রি হয় মানুষের তৈরি টাকায়। আর যে মা মরুভুমিতে সাফা মার ওয়া দৌড়াই সন্তান কে পিপাসীত দেখে সেই প্রধান এর মায়া দয়া শুধু বানি ছাড়া আর কিছু নয়।
ধর্মে একসাথে থাকলেই অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা সাস্থ এর অভাব দেয়ার অক্ষমতা থেকেই অসন্তুষ্টি, অসন্তুষ্টি
থেকেই তারিয়ে বের করে দেয়ার প্রবনতা থেকে
ধর্ম পালন কারিদের মাঝে দেখা যায়।
ভালো বাবা মা ভাই বোন আত্তিয় সজন স্ত্রি সন্তান সন্তুতি যদি থাকতো, তাদের অভাব পুরনের ক্ষমতা যদি থাকতো, তাহলে ইব্রাহীম আ:কে নমরুদ আগুনে নিক্ষেপ করতে পারতো না মা হাজেরা ইসমাইল আ: কে মরুভূমি তে কষ্ট করতে হতো না।
ইউসুফ আ: কে ৭ বতসর বিনা অপরাধ এ জেল খাটতে হতো না ভাই দের দারা কুয়াতে নিক্ষেপ হত না ।
মুসা আ: কে ফেরাউনের রাজপ্রাসাদ এ মানুষ হওয়া ক্ষেটে খাওয়া লাগতো না।
ইসা আ: কে রাজা শাস্তিভোগ এ বাধ্য করতে হত না। মহানবি সাঃ কে তলয়ার ব্যাবহার করা লাগতো না মুসা আ: এর মত লাঠি দিয়ে অলোকিক দেখাইয়েই ধর্ম প্রচার করতেন।
সন্তুষ্টি যদি থাকত আর অভাব যদি না থাকতো আদম আর হাওয়া কে বেহেস্ত হতে বেড় করে দিতো না
ইব্রাহীম কে তার পিতা আগুনে নিক্ষেপ করতো না।ইস্মাইল কে তার মায়ের সাথে সাফা মারওয়া পানির জন্য ছুটা ছুটি করতে হতো না।মুসা কে তার মা বাক্সে করে ভাসিয়ে দিতো না।
ইউসুফ কে কুয়ার ভিতর নিক্ষেপ করতো না জেলে বন্দি হতে হতো না। ইসা কে শুলে চরাইতে পারতো না।
শিশু ইস্মাইল আ: মা হাজেরা মহানবী সা: ও তার বংশ আহলে বায়াত পাপি ছিলোনা যে তাদের মরুভূমির তাপে পানির অভাবে থাকতে হয়েছিল। মরুভূমির তাপে তাদের বিশ্বাস এর কমতি ছিল না কোন অভিযোগ ছিলো না।
আমাদের মোল্লাদের সামান্য গরমে আর টাকা কম এর কারনে ইমানের ঘাটতি হা হুতাস দেখা যায়।
আর যে মা মরুভুমিতে সাফা মার ওয়া দৌড়াই সন্তান কে পিপাসীত দেখে
সেই প্রধান এর মায়া দয়া শুধু বানি ছাড়া আর কিছু নয়।
যে বাবার দারা আগুনে নিক্ষিপ্ত হয় সে তো সন্তান কে কোরবানি ই দিতে যাবে।
যে আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়ে বাবার সাথে বেয়াদবি করে না
সন্তান তো তার বাবার জন্য নিজের জীবন দিতে চাবেই।
মরুভুমিতে মা সন্তান এর জন্য মা ই দৌড়াইতে হয় বাবা যখন সাথ না থাকে।
যে মা পানি দেয়ার সন্তান এর বাবা পায় না
সে সন্তান মায়ের পায়ের নিচে বেহেস্ত পাবে কেমনে পানি তো উপমা শুধু।
সেখানে সে সন্তান এর পায়ের নিচে জমজম তো অন্ধকারে আশার আলো।
আজ পর্যন্ত কোন মা তার মেয়ে কে কোরবানি করতে নিয়ে যায় নি
পিতা যেমন তার পুত্র সন্তান কে কোরবানির জন্য নিয়ে গিয়েছে।
আজ পর্যন্ত কোন মা সন্তান কে কোরবানির জন্য আল্লাহর কাছ থেকে সংবাদ পায় নাই।
আবার যে মা পিতার ভাইয়ের স্বামীর কাছ থেকে সম্পদ থেকে বঞ্চিত হয় সে পুত্র সন্তান এর পিতার সম্পদ পাওয়া দেখে সন্তান কেউ হিংসা করতে পারে। সন্তান কে বিনা কারনে অসন্তুষ্ট রাগান্বিত হতে পারে তার পুর্বে না পাওয়া আফসোস থেকে।
যে মায়ের পায়ের নিচে স্বর্গ, সে মায়ের মাথার উপর যদি নরক থাকে অথবা তার মনে যদি নরক থাকে,মানুষ যাবে কই?????????
সন্তান পিতাকে ওইভাবে চেনে যেভাবে কোন পিতা তার সন্তান কে অসংখ্য বিয়ে দিয়ে সম্পত্তি ঐশ্বর্য সব ইচ্ছা মত দিয়ে যান না যাতে তারা ভোগ করতে পারে। অমানুষিক অমানবিক উদাহরণ তো থাকবেই।
একটি স্ত্রী পাওয়া যাবে না স্বামীর পরিবার পরিজন কে যে সহ্য করে বিয়ের পর দায়িত্ব নিতে চায় কোন স্ত্রী। অবশ্য বাতিক্রম সাধারণ উদাহরণ হবে না।
পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মেয়ে বাবা ভাই আর স্বামীর আর সন্তানের দারা নির্যাতিত যেখানে ভালোবাসা তারা খুজে পায়না।
পৃথিবীতে অনেক পুরুষ তার মা বোন স্ত্রী মেয়ের দারা নির্যাতিত যদি স্বার্থের জন্য কেহ তাদের বঞ্চিত করে।
পৃথিবিতে যত রুহ আদমের ভিতর ফুকে ফুকে দেয়ার দলিল থাকলেও ।
জমি জমার দলিল এ মেয়েরা বাবা ভাই আর স্বামীর সন্তান এর কাছ থেকে সঠিক দলিল কমই পায় ঘরে ঘরে একি অবস্তা মেয়েরা আল্লাহর দেয়া রুহের দলিল পায়লেও জমা জমির দলিল পায় না।আর স্বামীর যদি একাধিক স্ত্রি থাকে তাহলে মেয়েরা স্ত্রী হিসাবে আগে পাবে না কন্যা আগে পাবে এটার নিয়ম লিখা থাকলেও বাস্তবে এর প্রয়োগ পরিলক্ষিত কম ফাক্ট দয়াল রাসুল মহানবি সা: এর স্ত্রী আর মেয়ের ঘটনা ইতিহাস যা বলে।
কাবা আল্লহর ঘর
মসজিদুল আল আকসা আল্লহর ঘর
আল্লাহর ঘর সবাই পছন্দ করে
কেউ দেখেনাই সেই ঘরে আল্লাহ কে থাকতে
কিন্তু সবাই দেখছে ইব্রাহিম আর ইসমাইল কাবা ঘর বানাইতে থাকতে।
সলাইমান আর দাউদ আল আকসা বানাইতে থাকতে।
তারা তাদের ঘর পৃথিবীর মানুষ কে দিয়ে গেসে শুধু কোন এক ধর্মের মানুষ কে দিয়ে যায় নাই।
সেটা দখল করার জন্য নিজের সব কিছু হারিয়ে যুদ্ধ
এক দিকে ইব্রাহিম এর স্ত্রী সারার সন্তান এর বারো গোত্রের গ্রুপ ইস্রাইল ইয়াহুদি।
অপর দিকে ইব্রাহিম এর স্ত্রি হাজেরা সন্তান ইস্মাইল এর বংশ।
যে মা সন্তান কে আল্লাহর রাসুল কে ভালোবাসার জন্য কোরবানি হওয়ার শিক্ষা দেয় আল্লাহর নবি কে জীবনের চেয়ে বেশি ভাল বাসার শিক্ষা দেয় তাদের ই দুনিয়াতে কষ্ট ও মার খাইতে হয়।
ইব্রাহিম আ: স্ত্রি মা সারার গর্ভে জন্ম নেয়া( ইয়াহুদি খ্রিষ্টান) বংশধর দের সাথে ইব্রাহিম আ: স্ত্রি মা হাজেরা আ: এর বংশে জন্ম নেয়া মুসলিম জাতি।
আর যে মায়েরা আল্লাহর রাসুলের প্রতি ঘৃনা ও বিদ্দেশ ছরায় তারাই দুনিয়ার ক্ষমতার অধিকারি।
ধর্ম ব্যাবসায়িক সম্পত্তি নিয়ে যুদ্ধ হয়
মানুষ এর অধিকার নিয়ে কাজ করার কেউ যোগ্য নেতা হয় না
একি আদমের দুই সন্তান হাবিল কাবিল এর ঘটনা একিই এখানে মা তো দুইটা না বাপ মা তো একটাই।
মা সারার রওযা মাযার আছে ইস্রাইল ও ফিলিস্তিন সন্মানিত মহিওসি নারিদের রওযা হয় খুযে দেখো।
মুসলিম নামে মহানবী সা: এর উম্মত রা জানে না মা হাজেরা আ: এর রওযা কোথায়?
এরা মা ফাতেমার রওযা বুল ডযার দিয়ে ভেংগে দেয়।মা হাওয়ার রওযা ভেংগে দেয়।
যারা মায়ের রওযা শ্রদ্ধা সন্মান বিশ্বাস কে শিরক মনে করে তারা জয়ি হবে কিভাবে?
যে মুসলিম জাতি তার পূবপুরুষ দের শ্রদ্ধা করাকে শিরক করা পাপ করা মনে করে ভালোবাসতে পারে না তারা মুসলমান নামের কলংক। যাদের মাধ্যমে তোমার জন্ম তাদের কে তোমরা শ্রদ্ধা সন্মান বিশ্বাস ভালো বাসতে তোমরা পারো না। যারা তোমাদের কে কে জন্ম দেওয়ার জন্য রাসুল সাঃ কে ভালোবেসে জীবন দিলেন তোমরা তাদের স্মৃতি কে ভেঙে গুরিয়া দিলা।এই কি মুসলিম এর চরিত্র হওয়া উচিৎ?
এমন একটা জামানা আইছে আগে মুরুব্বিরা আল্লাহর নামে ছোটদের কোরবানি দিতো শাষন করতো।
কিন্তু এখন ছোট রা আল্লার নামে জজ্জ সাহেব স্কুলের মাডাম দেশের হর্তা কর্তা এমন কি দুইদিন পর বাবা মারেও কোরবানি দিতে আইবে।
মিথ্যা সকল পাপের মা লুকিয়ে চুরি করে প্রেম বিয়ে করে বাদশাহ ই করার চেয়ে, সত্যর ভিক্ষারী অনেক উত্তম।।
ধর্ম চুলায় জলে:
পৃথিবিতে সারাজীবন সব মেয়েরা রান্নাঘর এর আগুনেই জলে শুক্রবার ধর্মস্থান এ মেয়েরা যাইতে পারে না।তাদের ধর্মস্থান হচ্ছে রান্নাঘর এ আগুন।
আর শুক্রবার পুরুষের পাঞ্জাবি পরে মসজিদ এ যাওয়ার নাটকে মেয়েদের চুলার উপরে চিতা জলে সিতার।ধর্ম মানেই পুরুষ করতে পারবে মেয়েরা পালন করতে পারবে না অত্যাচারীত হবে ধার্মিক পুরুষের দারা।নামাজ এ যাওয়ার আগে চলে এক আগুন নামায পরে এসে আরেক আগুন সব রেডি হইছে নাকি?
আর শুক্রবার পুরুষের পাঞ্জাবি পরে মসজিদ এ যাওয়ার নাটকে মেয়েদের চুলার উপরে চিতা জলে সিতার।ধর্ম মানেই পুরুষ করতে পারবে মেয়েরা পালন করতে পারবে না অত্যাচারীত হবে ধার্মিক পুরুষের দারা।নামাজ এ যাওয়ার আগে চলে এক আগুন নামায পরে এসে আরেক আগুন সব রেডি হইছে নাকি?
যে মা তার বাবার ভায়ের এবং স্বামীর কাছ থেকে দয়া ক্ষমা সম্পদ বঞ্চিত হয় সে কিভাবে সন্তান এর কাছে দয়ালু হবে সে সন্তান এর প্রতি এক মুহুর্তের জন্য হলেও নিষ্ঠুর রাগান্বিত হবে।
কোন মায়ের কি এমন সম্পদ পিতা বা স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্তি থাকে তার সন্তানকে ৭০ টি হুর পরি দিবে মদ নেশা করার জন্য দিবে।
না কোন পিতার তার মেয়ে সন্তানকে ৭০ টি গেলমান মদ দেয়ার মত অনেক ধন সম্পদ আছে।
যেখানে পিতা মাতা নিজেরাই তাদের পুর্বপুরুষের নিকট হতে এরকম সুবিধা পায় না তারা তাদের সন্তানকে দিবে কিভাবে।
সন্তান যেভাবে পিতাকে চেনে তার আল্লাহ কে চেনা একই রকম হইলে ৭০ গুন ভালোবাসার লোভ কেন মানুষ কে দেখানো হয় বেহেস্তের কথা বলে।
৭০ গুন বেশী ভালোবাসা ৭০ টা হুরপরী ৭০ এর উপর বিশ্বাসী দের পথ মত আপনি খুজে পেলেও বিপরীত পথ একটি সে অবিশ্বাসী হওয়া।
বাপ রে বিশ্বাস করলে মা রেগে যায় আর মারে বিশ্বাস করলে বাপ রাগ দেখাই এক বিশ্বাস কেমনে ভাগ করি দুই জন রে দেয়া যায়?
সব নবি রাসুল মা এর পেটেই জন্ম নিছে আকাশ থেকে কেউ পরেনি যত বড়ই হোক।
তাদের ভিতর রুহ দিলেও মায়ের বাবার ভ্রুনের সাহায্যে মার পেটের মধ্যে দিয়েই পৃথিবীতে পাঠাই মা ছাড়া জন্ম হয় না।
যখন নবি রাসুলেরা মায়ের পেটে থেকে ভুমিষ্ট হয়েছিল তখন পোশাক আর আর কিতাব নাজিল সহ ভুমিষ্ট হয় নাই।
শুধু জন্মের কারনে নয় সুকর্মের কারনে নবি রাসুল হয়েছিল।
ছাগল গুলাকে পৃথিবিতে পাঠাইয়া আল্লাহ বিদাত করছে
এদের কে বেহেস্ত হুর আর মদের মধ্যে কেন পাঠালোনা এই রাগে এরা সব কিছুতেই বেদাত খুজে পায়।
টাকার জন্য ক্রিকেট খেলা বিদাত না,এই হিপক্রেট গুলো দিমুখি,এরা বেহেস্ত হুর মদ চাওয়া বিদাত না এদের কাছে দুনিয়ার সব বেদাত মেয়ে মানুষ ও বেদাত।
এদের আল্লায় মেয়ে মানুষ ছাড়া ধপাস থিওরি তে মা ছাড়া পৃথিবিতে পাঠাইসে ভুলে। এদের বেহেস্ত যাওয়ার কথা ছিল মা ছাড় খালি হুর পরি আর মদ পাওয়ার কথা ছিল। এগুলো পাই নাই কেন তাই সব বেদাত এদের কাছে।
ইব্রাহিম আ: দুই বোউ
মা সারা এর বংশে ইহুদি দের ১২ গোত্র বনি ইস্রাইল
ইসরা মানে দাস ইল এর দাস সেই ১২ দল ছাড়া সবাই ভুল মনে করে।
মা হাজেরা এর বংশে ইসমাইল আ: মুহাম্মদ সা:
মুসলমান রা মা হাজেরা এর দারা
ইয়াহুদি রাই ইসা আ: কে হত্যা করেছে
এই দুই জাতির যুদ্ধ শুরু থেকেই
ধর্মে মানুষ কে যুদ্ধ ছাড়া আর জংগি ছাড়া আর কি দিতে পেরেছে
এই ইয়াহুদি জংগি না হলে মুসলিম জংগি না হলে খ্রিষ্টান জংগি
কোন ধর্মেই একজন বিশ্বাসী হইছে কোন প্রমান নাই।
ধর্ম মানেই যুদ্ধ কেউ হত্যা করে জিতে ভালবেসে কেউ হত্যা হয় ভালবেসে।
এরা রাসুল স: ছারাই আল্লার বেহেস্ত হুর আর মদ চায় আল্লাহ কেউ চায় না এই জন্য সব বেদাত শুধু হুর মদ বেদাত না ।
এজিদের এর বাচ্চা গুলার মুখে সব সময়
ইনশাল্লাহ/আলহামদুলিল্লাহ/ইন্নিলিল্লাহ/ইয়ারহামকুল্লাহ/মাসাল্লাহ/
সুবাহানাল্লাহ
কিন্তু যখনি
ইয়া রাসুলুল্লাহ
ইয়া হাবিব আল্লাহ
পড়বেন এদের গা জালা পোড়া শুরু হয়ে যায়।
এরা রাসুল কে ভালোবাসায় ও শিরিক আর বেদাতের গন্ধ পায়।
এরা বেহেস্ত হুরপরি মদ চায় আল্লাহ কে ডাকে কিন্তু রাসুল সা: কে ডাকতে চায় না।
আমি বলি মরার সময় তোরা মুহাম্মদূর রাসুল আল্লাহ না পরলে কেম্নে ইমান নিয়ে মরবি মিল্লাতি রাসুল আল্লাহ না পরলে তোর হাশর নাশর তো রাসুলের সাথে হবে না তখন কি করবি? এরাই বীষধর সাপ বেহেস্ত হুর মদ চায় আল্লাহ রাসুল কে চায় না।
আমি বলি মা ছাড়া তোদের বাপের পরিচয় কোথা থেকে পাইলি বাপ কি আকাশ থেকে ফেলছে তোদের।
এরা মা ফাতেমার রওযা বুল ডযার দিয়ে ভেংগে দেয়।মা হাওয়ার রওযা ভেংগে দেয়।
যারা মায়ের রওযা শ্রদ্ধা সন্মান বিশ্বাস কে শিরক মনে করে তারা জয়ি হবে কিভাবে?
ধর্ম এমন একটি বিধান বাবা বিরধিতা করলে আপনি উদাহরণ পাবেন, চাচা বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন, ভাইয়েরা বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন, স্বামী বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন, সন্তান বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন রাজা বাদসাহ বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন,স্ত্রী বিরধিতা করলে উদাহরণ পাবেন।
পিতা যেমন সন্তানের মায়ের উপর রাগ করে আবার সন্তানের উপরে রাগ করে। উনি যেমন উনার স্ত্রী সন্তান কে পরিচালনার জন্য উনার পিতা মাতা শশুর শাশুড়ী সাহায্যে পায় নাই রাগ পেয়ে বড় হয়েছে সেই রাগ তো উনার পরবর্তী সবার উপর দিয়ে যায়। যেই মা আপনার পিতা কে ভালো বাসে সেই পিতার আত্মীয় রা মায়ের শত্রু হয়।ধর্ম এ-র ভিতর পিতার আত্মীয় রা শত্রুর ভুমিকায় দেখা যায় মায়ের আত্মীয় রা অনেক কম শত্রু।মায়ের কষ্ট গুলো কি নবি রাসুলদের বেলায় বেশি মিল পাওয়া যায়।ধর্ম হচ্ছে প্রথম পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক বন্ধন।এ পরিবার এর প্রধান পিতা তিনি ও কোন না কোন মায়ের সন্তান। আর মায়েরা কোন না কোন পিতার সন্তান এবং স্বামীর স্ত্রী অথবা সন্তান এর মা।একটা চেইন সিস্টেম কেউ স্বাধীন নয়।
পৃথিবীতে অনেক পুরুষ তার মা বোন স্ত্রী মেয়ের দারা নির্যাতিত যদি স্বার্থের জন্য কেহ তাদের বঞ্চিত করে।
আমাদের ধন সম্পদ,পিতা মাতা,ভাই বোন, আত্মীয়, সজন,সন্তান, সন্তুতি,নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, কালেমা, কোরআন, ঈদ, আমাদের জন্য ভালো সুপারিশ করবেনা।
আমি রোজ হাশরের ময়দানে নয় এই পৃথিবীতে দেখেছি পিতা মাতা সন্তান সন্তুতি ভাই বোন সবাই চিন্তিত তাদের নিজেদের নিয়ে (আমার কি হবে)।আমি সমাজের সব মানুষকে দেখেছি চিন্তিত আমার কি হবে।আমি পিতা মাতা সন্তান সন্তুতি ভাই বোন সমাজের সব মানুষকে সবাই দুখঃ পাইতে দেখেছি দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হইতে দেখেছি ভীতি সংসস্ত হইতে দেখেছি।
পৃথিবীতে দয়া ক্ষমা ভালোবাসার মানুষ আপনি পাবেন না খুজে। যেই আপনাকে দয়া ক্ষমা ভালোবাসবে সেই ধংস নিঃশেষ হয়ে যাবে। এটা জানার পরে পিতা মাতা স্ত্রী পরিজন সন্তান সন্তুতি আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী কে আপনাকে ভালোবাসবে?তাদের নিজের চেয়ে বেশি আপনাকে ভালোবাসার ক্ষমতা নাই।সবাই চাওয়া পাওয়ার গোলাম। দয়া ক্ষমা ভালোবাসা দেওয়ার মালিক কেহ নয়।
মানুষ জন্ম লাভের পর ভাষা শিখে চোখ দিয়ে পৃথিবীতে দেখে শুনে শেখে মায়ের ভাষা বাবার পরিচয় বাবা চাচা দাদার পারিবারিক পরিচয় নানা নানির পরিচয় সামাজিক পরিচয় বাক্তিগত পরিচয়। শেখে ব্যাক্তিগত ষড়রিপু বিশ্বাস ভালো বাসা পারিবারিক ষড়রিপু বিশ্বাস ভালো বাসা সামাজিক ষড়রিপু বিশ্বাস ভালো বাসা যেগুলো ব্যবহার এ অন্যের উপকার শান্তি হবে কি হবে না।
এই পৃথিবীতে মানুষের কাছ থেকে দেখে শুনে আমরা শিখেছি লোভ শিখেছি হিংসা শিখেছি ক্রোধ দিয়ে জন্মের পরে বড় হয়ে শিখেছি এগুলো আমরা জন্মগত ভাবে নিয়ে আসিনাই তৈরি করি নাই এগুলো সমাজ থেকে সৃষ্টি হিয়েছে এবং আমরা গ্রহন করেছি। এগুলো আমাদের কন্ট্রোল করা লাগবে তাহলে তো সমাজ সৃষ্টির সাথে তৈরি হত না এগুলো ষড়রিপু খারাপ হতে তো সমাজে তৈরি হত না আমরা এগুলোর ভাল ব্যাবহার করতে পারি না। আমরা যারা ষড় রিপুর ভালো ব্যবহার জানি আমাদের মানুষিক কষ্ট বেশি।
প্রতিটি এজিদের বারি এক এক টা দোযখ এরা ও এদের বোউ জাহান্নামের দুইজন ফেরেস্তা এদের ছোবলে এদের বাপ মা ভাই বোন সন্তান সন্তুতি মনে বিষে বিষাক্ত হয়ে উঠে। এরা এই জাহান্নামে থেকে নিজেরাও বের হতে পারে না অন্য কেউ মুক্তি দিতে পারে না।
বেহেস্তের লোভি রা অত্যান্ত ভয়ংকর নির্দয় নিষ্ঠুর শয়তান হয়। বেহেস্তে এদের হুর আর মদ লাগবে। দুনয়ায় সবাইরে তারা অত্যাচার করে বেহেস্তে বাপের পরিচয় মায়ের পরিচয় আল্লাহর পরিচয় ভাই বোন আতিয় সজন এর পরিচয় ইত্যাদি তাদের দরকার নাই শুধু হুর আর মদের নেশায় এরা পৃথিবীতে সবাইকে জাহান্নাম এর চেয়ে বেশি কষ্ট দেয় তারপর ও তাদের বেহেস্তে চায় বেহেস্তের মালিক কে পায়তে চায় না।
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে একটা গাছের পাতাও আমরা নরাতে পারব না।
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে পদ্মা যমুনা নদি দুই ভাগ হবেনা।
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে লাঠি সাপ হয়ে যাবে না।
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে আগুন নিভে যাবে না।
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে বিমান রকেট হবে না
আপনার আমাদের ইমান দিয়ে শুধু জঙ্গি হবে।
এজিদের বাচ্চা দের দিয়ে শুধু মসজিদ আর মসজিদের সভাপতি আর জংগী হবে।
এদের ইমান দিয়ে স্কুল হবেনা হাসপাতাল রাস্তা বিমান পথ ব্রিজ হবেনা।এদের ইমান দিয়ে মসজিদ মাদ্রাসা চার বিয়া বেহেস্তে হুর আর মদ পাওয়ার জংগী হবে। এরা কোন কিছু করতে না পেরে শেষে মসজিদ এ লাফায়ে ঢোকে বোউ এর জায়গা বিক্রি করবে বোউ এর ঘারে বসে থেকে খাবে বউ এর টাকা দিয়ে ছোল পল মানুষ করবে তার পর বাপ মা বোউ বাচ্চা কাউকে ভাল লাগবে না দেখে লাফ দিয়ে মসজিদ এ ঢুকবে যাতে বেহেস্তে হুর আর মদ পাওয়া যায়। এরা মসজিদ মাদ্রাসা বানিয়ে বেহেস্তে হুর মদ পাওয়ার ফাক্টরি জংগি বানাবে।
কিন্তু স্কুল কলেজ হাসপাতাল পরাশোনা ইত্যাদির জন্য কোন দিন কাজ করতে হেল্প করতে এদের দেখবেন না।
তোর মা বা দাদা দাদি নানা নানি বিয়ে করে স্বর্গের মদ আর হুর স্বাধীন ভাবে কেউ পায় নাই।যারা নিজে পাই নাই তাই তারা কিছু দিতে পারবে না যতই আশা করিছ না কেন?
মানুষের পিতা মাতা আত্বিয় স্বজন রা হচ্ছে নরকের জাহান্নামের ফেরেস্তা এরা এদের সন্তান রা প্রেম বিয়ে করলেই অশান্তি অসন্তুষ্ট আর নিশেধ করবে অভাবের কারনে এটা তাদের দোষ না তাদের পূর্বসুরীদের কাছে থেকে এরা যা পাইছে তাই দিবে এরা এর বেশি দিতে পারবে না। এটাই মানুষের সৃষ্টি করা জাহান্নাম এই জন্য এটা থেকে মুক্তি পেয়ে নিষেধ নাই এমন কোন স্বর্গ মানুষ ধর্ম করে পাবার ইচ্ছা করে।
রান্না বান্না কাম কাজ বাদ দিয়ে নামাজ বোরখা তাবিজ পড়ে খা।
আপনার নামাজ রোজা আপনাকে একবেলা একমুঠা খাবার দিবে না যদি কবুল না হয়।তাই নামাজ রোজার গরম না দেখিয়ে রান্নাবান্নার কাজ করে গরম দেখান।
আসেন আমরা দুনিয়ায় সব কাম রান্না বান্না ঘোর দোয়ার রাস্তা ড্রেন পরিস্কার পরি ছন্ন করা বাদ দিয়ে শুধু নামাজ পরি সব কাজ কে বলেন নামায আছে কাজ কাম খাওয়া দাওয়া সব বাদ।
যে পুরা পৃথিবির মালিক সে নির্দিষ্ট কোন যাইগার জন্য সন্তুষ্টি অসন্তুষ্ট হয় না।যিনি মহাবিশ্বের মালিক পৃথিবির সামান্য যায়গার জন্য সন্তুষ্টি অসন্তুষ্ট হয় না। যে মা কে পিতা ভাই স্বামি থেকে বঞ্চিত হয় তার সন্তান কে সে বঞ্চিত করবেই তার পায়ের নিচে বেহেস্ত থাকবে কেমনে।
যে এক বেলা খাবার রান্নার জন্য গু গবর বাশ দিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করে নদি থেকে মাছ ধরে আর শাক কুরিয়ে ধান সিদ্ধ করে ক্ষুদা নিবারন করে তার চেয়ে মহান কে হতে পারে। আবর্জনা কে রত্ন করে যে সেই তো মহান।
আপনাদের দেয়া গু গবর বাশ দিয়ে জ্বলে সে ক্ষেত হয়ে আলো ছড়াই যে সেই হাত ই মহান সর্বশক্তিমান।
ছাগল গুলো গরীব কম টাকায় সরকারি খরচে পরবে পরে আবার বেশি টাকা ছাড়া প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির লেকচারার হবে না বড় বড় মাল্টিনাশলালে চাকরি করবে না শালারা ঘুষ খেয়ে নামাযে যাবে মসজিদ বানাবে হুজুর সাজবে অনেকে দেশের বাহিরে গিয়ে জীবনে আর দেশে আসবে না।
এদের দিয়ে সমাজের উন্নতি হবে না স্কুল কলেজ চিকিৎসা বিজ্ঞান ইঞ্জিন তৈরি বাংলাদেশে ঔষধ তৈরি নতুন কিছু আবিস্কার হবে না।
আল্লাহ নিজেকে বাদে আদম আ: কে সেজদা করতে বলছে।
আবার বলেছে যখন আমি তাকে সুঠাম করব তোমারা সেজদাবনত হয়ও।
আবার পিতা মাতা সহ ১১ ভাই ইউসুফ : কে সেজদার বিধান দিয়েছে।
আল্লাহ সাতবার সালাম দিয়েছেন কোরান এ উল্লেখ আছে।
যার আমিত্ব আছে সে নিজেকেই মানতে বলবে শ্রেষ্ঠ বলবে অন্য কাউকে শ্রেষ্ঠ বানাবে না ক্ষমা করবে না দয়া করুনাও করবে না অভিযোগ, অভিশাপ, ভৎসনা, তিরস্কার, লাঞ্চিত, অপমানিত করবে ।
শয়তানের কোন রওজা নাই তাকে শ্রদ্ধা সম্মান করতে বলা হয় নাই।
আদমে আ: হাওয়া আ: রওজা আছে
মোদিনাতুন্নবি ইব্রাহিম আ: এর বসবাস করা শহর। কোরান এ বর্ণিত ২৩ জন নবির এর মাঝে প্রায় ১৮ জনের স্মৃতি বিজড়িত স্থান হয় জন্ম স্থান মৃত্যু স্থান বসবাস স্থান
ইসরাইল প্যালেস্টাইন হেব্রুন এ ইব্রাহীম আ: এর রওজা। মসজিদুল আকসা আমরা বলি দাউদ তারা বলে ডেবিট আমরা বলি সোলাইমান তারা বলে সলমন তার বানানো মসজিদ।
ইব্রাহিম আলাই সালাম এর ছেলে ইসহাক (আইজাক)আ:(ইয়াকুব আ:এর পিতা তারা বলে জেকোব তার বারটা ছেলে দের কে ইজরায়েল বলে ইজরা মানে দাস এল এর দাস ) ইউসুফ আ:এর পিতা আইয়ুব আ: ইব্রাহিম আলাইহিসসালামের মেয়ের স্বামী।
ইসমাইল আ: ইব্রাহীম আ: আর এক ছেলে মা হাযেরা সহ মক্কায় নির্বাশিত।
তাদের রওজা কোথায় আছে কেউ জানেনা
মা সন্তান রওজা আছে মক্কা শরিফ এ।
মাকামে ইবরাহীম ( আঃ)
এর ওপর দাঁড়িয়ে হযরত ইবরাহিম (আ:)
কাবাঘর পূর্ণ নির্মাণ করেছিলেন।
পাথরের ওপর তার কদম মুবারক রাখলেই সেটা নরম হয়ে যেত এবং হযরতের কদম মুবারক পাথরের ভিতর চার আঙ্গুল পরিমাণ দেবে যেত, যাতে নির্মাণ কাজ আঞ্জাম দানের সময় পা পিছলে না যায়।
এমনকি এটা ইবরাহিম (আ:) আপন ইচ্ছানুযায়ী
উপরে- নিচে, ডানে- বামে নিয়ে গিয়ে নিজ প্রয়োজন অনুসারে কাজ করেছিলেন অবলীলায়।
কাবাঘর নির্মাণ শেষে হযরত ইবরাহিম (আ:)
পাথরটি এ জায়গায় স্থাপন করেন।
( সুবাহানআল্লাহ )
হযরত ইব্রাহীম আঃ এর পিতা তার সন্তান কে নমরুদ এর সাথে অগ্নি পরীক্ষার মধ্যে ফেলেছিল। তারা মুর্তি পুজা করত চাঁদ সুর্যের পুজা করত।হযরত ইব্রাহীম আঃ উনি উনার পিতার আদর্শ এর বিরধিতা কারি ছিল। পিতার বিরোধিতা কারি ছিল না পিতার অবাধ্য ছিল না।আগুনে বসেও সবার সব কষ্ট সয্য করেছে কাওকে আঘাত করে নাই। যেমন পিতা সন্তান তো তেমন ই হবে।হযরত ইসমাইল আঃ তার বাবা কে বলে আপনি আল্লাহর জন্য আমাকে কোরবানি করেন।
পৃথিবীতে একটা সন্তান পাওয়া যাবে? যে যতই বুদ্ধিমান আর বোকা হোক না কেন সে তার পিতাকে বলবে আপনি আমাকে কোরবানি করেন। হযরত ইউসুফ আঃ কে তার সমস্ত ভাই মৃত্যুকূপ এ নিক্ষেপ করেছিল হযরত ইউসুফ আঃ উনার ভাইদের বিরোধিতা করেনাই।
বলেন তো হযরত ইব্রাহিম আঃ মুসলমান ছিলেন কিনা?
উত্তরঃউনি মুসলমান দের বাপ ছিলেন।
মুসলমান দের বাপ মুসলমান জাতির আদিপিতা হযরত ইব্রাহীম আঃ এর রোওযা মোবারক। যার বংশে তাওরাত জবুর ইনজিল কোরান চারটি প্রসিদ্ধ আসমানী কিতাব রাসুল দের কাছে নাযিল হয়েছিল।
নামাজের সেজদাটাও তো আল্লাহ হযরত ইব্রাহিম আঃ এর কদম মোবারকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন।
সরাসরি আল্লাহর আনুগত্য করার কোন সুযোগ নেই। কারণ আল্লাহ প্রকাশ্যে জমিনে নিজে এসে কোন আদেশ নির্দেশ দেননি যে মানুষ সরাসরি আল্লাহর আনুগত্য করবে। যেহেতু আল্লাহর সরাসরি আনুগত্য করার কোন সুযোগ নেই, সেই কারণে আল্লাহ কুরআনে বারবার হুকুম দিয়েছেন যে, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসুল (সাঃ)-এর আনুগত্য করো। এর অর্থ হলো, রাসুল (সাঃ)-এর আনুগত্য করা মানেই আল্লাহর আনুগত্য করা। রাসুল (সাঃ)-এর বিরোধিতা করা মানেই হলো আল্লাহর বিরোধিতা করা। রাসুল (সাঃ)-এর সন্তষ্টি অর্জন করা মানেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। রাসুল (সাঃ)-কে মনেপ্রাণে ভালবাসা মানেই আল্লাহকে মনেপ্রাণে ভালবাসা। রাসুল (সাঃ)-এর কাছে চাওয়া মানেই আল্লাহর কাছে চাওয়া। তেমনিভাবে রাসুল (সাঃ)-এর অসন্তুষ্টি মানেই হলো আল্লাহর অসন্তুষ্টি। যে ব্যক্তির উপর রাসুল (সাঃ) অসন্তুষ্ট, সে ব্যক্তির ইহকাল পরকাল সব কালই বরবাদ।
আল্লাহ কুরআনে আদম (আঃ)-এর সৃষ্টি ও সকল ফেরেশতা কতৃক আদম (আঃ)-কে সেজদাহর ঘটনা কুরআনে একাধিকবার বর্ণনা করেছেন। তেমনি হযরত ইয়াকুব (আঃ) নিজে একজন নবী হয়েও তাঁরই পুত্র হযরত ইউসুফ (আঃ)-কে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সেজদাহ করেছিলেন (সূরা ইউসুফ, আয়াত-১০০)। সেই ঘটনা আল্লাহ কুরআনে বর্ণনা করেছেন, তা কি এমনি এমনিই বর্ণনা করেছেন? কারণ ছাড়া কুরআনের কোন আয়তই যে আল্লাহ নাযিল করেননি তা তিনি নিজেই বলেছেন।
যে কাউকে নিচে নেমে যেতে বলে কাউকে বের করে দেয় এটা তার অক্ষমতা এটা কোন গুন নয়।
যে যত তিরস্কার করে সে কি ততো ক্ষমতাবান?
যে যত পথভ্রষ্ট করে দয়া ক্ষমা করে না এটা বদ গুন।
আপনি মুসলিম দের মক্কায় ইয়াহুদি বদ্ধ খ্রিষ্টান হিন্দু বের করে দেন
আপনি মসজিদুল আকসায় মুসলিম যেতে দিতে চান না এটা সনকির্নতা।
এটা উদারতা নয় আপনি আরবের সর্ন তেল আনারব মুসলিম দের বঞ্চিত করেন এটা এটা ক্ষমতার লোভ এটা মোহানুভবতা নয়।
হাবিল কাবিল কে বের করে দিচ্ছে কাবিল হাবিল কে এটা কি ভালো গুন শেখা হলো
আপনি ইব্রাহিম এর এক বংশ হয়ে ইব্রাহিম এর আরেক বংশ যুগ ধরে বঞ্চিত করছেন এটা কি ভালো গুন হইলো।
এটাতো মহান কোন রঙ হলো না যে রঙ আশ্রয় দেয় না নিরাপত্তা দেয় না ভালবাসে না সেটা কোন রঙ হলো?