Engineers Lube

Engineers Lube Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Engineers Lube, SKS Tower, VIP Road, Mohakhali, Dhaka.

 #ইঞ্জিন_ওয়েল_চেঞ্জের_বিষয়ে_কিছু_সতর্কতাআমাদের দেশের কিছু প্রচলিত নিয়ম আছে যে ১০০০ কিমি তে ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করতে হবে। ক...
26/09/2020

#ইঞ্জিন_ওয়েল_চেঞ্জের_বিষয়ে_কিছু_সতর্কতা
আমাদের দেশের কিছু প্রচলিত নিয়ম আছে যে ১০০০ কিমি তে ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করতে হবে। কিন্তু ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করার ক্ষেত্রে এমন কোন নিয়ম নাই যে ১০০০ কি মি হলে বা ২৫০০ কি মি তে ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করতে হবে। কারন কোন ইঞ্জিন ওয়েল ২০০ কিমিতেও চেঞ্জ করা লাগতে পারে। তাই আপনি নিজেই বুঝবেন আপনার বাইকের ইঞ্জিন ওয়েল কখন বা কত কিমিতে চেঞ্জ করতে হবে। আপনি নির্দিষ্ট কিছু কারনে বাইকের ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করবেন কিন্তু নিম্নের ৪ টি লক্ষন দেখা দিলে ১০০% ওয়েল চেঞ্জ করে ফেলবেন।
১. ইঞ্জিন ওভার হিটিং,,,,
বাইকের ইঞ্জিন ওভার হিট হওয়া বাইকের জন্য অনেক ক্ষতির কারন। তাই যদি ইঞ্জিন ওভার হিট হয় সেই ক্ষেত্রে আমরা সব থেকে আগে ওয়েল ভালো না সেই কথা টা চিন্তা করি। যদিও ইঞ্জিন ওভার হিটের জন্য ইঞ্জিন ওয়েল অনেক টা দ্বায়ী থাকে তারপরও নানা ধরনের কারনে ইঞ্জিন ওভার হতে পারে। তবে আপনাকে আগে বুঝতে হবে সমস্যাটা কি ওয়েলের নাকি ওয়েল ছাড়াও ইঞ্জিন ওভার হিট হওয়ার জন্য আরো সমস্যা আছে বাইকে। ইঞ্জিন ওয়েলের জন্য ওভার হিট এটা বাইকের সবচেয়ে শেষ ধাপ তাই আমরা একটু দেখে নিবো শুরুতে কি কি জিনিস লক্ষ্য করা উচিৎ আমাদের,,, যে সকল বিষয় গুলা আমরা প্রথমে লক্ষ্য করব তা নিম্নরূপ,,,
১. ইয়ার ফিল্টার বেশি পুরানো হলে বা ফিল্টারে ময়লার পরিমান বেশি থাকার কারনে ইঞ্জিন ওভার হিট হতে পারে। অনেক সময় নতুন ফিল্টারের কারনেও ওভার হতে পারে যেমন আপনি নতুন ফিল্টার লাগাইছেন রাইড করেছেন ১০০০ কিমি তবে সেই রাইড টা ছিলে ধুলাযুক্ত এলাকাতে তাই ফিল্টারে ময়লা বেশি হয়ে যেতে পারে আবার আপনি ফিল্টার কিনছেন ২ নাম্বার তাও আপনা ফিল্টার নতুন হওয়া সত্তেও ইঞ্জিন ওভার হিট হতে পারে।
২. বাইকের একটা অন্যতম অংশ চেন,,,, এই চেন যদি অপরিষ্কার থাকে তাহলেও হিটিং ইস্যু আসতে পারে আবার চেনে নিয়মিত লুব না করলেও হিটিং ইস্যু আসতে পারে।
৩. ইঞ্জিনে কাদা, ময়লা বেশি থাকলে ইঞ্জিন হিটিং ইস্যু আসতে পারে।
৪. ভেজাল ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহারের ফলে ইঞ্জিনে বেশি পরিমান ময়লা বা গাদ জমলে হিটিং ইস্যু আসতে পারে।
৫. ওয়েল ফিল্টার চেঞ্জ না করলে বা ২ নাম্বার ওয়েল ফিল্টার ব্যবহার করলেও হিটিং ইস্যু আসতে পারে।
৬. আপনার বাইকের রিকমান্ড গ্রেডের থেকে কম গ্রেডের ওয়েল ব্যবহার করলে বা বেশি গ্রেড ব্যবহার করলে হিটিং ইস্যু আসতে পারে যেমন আপনার বাইকে রিকমন্ডেড গ্রেড ১০/৪০ কিন্তু আপনি ব্যবহার করতেছে ২০/৫০ তবে এই সমস্যা নতুন বাইকে বেশি হয়।
৭. আপনার চালানোর স্টাইলের উপরেও নির্ভর করে ইঞ্জিন ওভার হিটের বিষয়ে যেমন চালানোর দরকার ৩ গিয়ারে আপনি ব্যবহার করতেছেন ৫ গিয়ার।
৮. সাইলেন্সার পাইপ অপরিস্কার থাকলেও ইঞ্জিন হিটিং হতে পারে।
১০. প্রত্যেকটা বাইকে নিদিষ্ট মডেলের স্পার্ক প্লাগ আছে কিন্তু আপনি ব্যবহার করতেছে আপনার মন মত এতেও হিটিং ইস্যু আসতে পারে যদিও আমার স্পার্ক প্লাগ এর বিষয়ে জ্ঞান নাই।
১১. আবহাওয়ার তাপমাত্রা যদি বেশি হয় তাতেও আপনার ইঞ্জিন ওভার হিট হবে।
১২. বাইকের চাকায় হাওয়ার প্রেশার যদি কম হয় তাহলেও হিটিং ইস্যু হবে।
উপরোক্ত কারন গুলা ঠিক থাকার পরেও যদি ইঞ্জিন ওভার হিট হয় তাহলে বুঝে নিবেন আপনার বাইকের ইঞ্জিন ওয়েলে সমস্যা চলে এসেছে ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করা জরুরী তবে ওয়েল খারাপ হওয়ার ১ম কারন ইঞ্জিন ওভার হিট তাই আপনি চাইলে এই দিয়ে সর্বোচ্চ ১০০/২০০ রাইড করা উত্তম। আরো কারন থাকতে পারে হিটিং ইস্যু নিয়ে যদি কোন অভিজ্ঞ ভাই পোষ্টা লক্ষ্য করেন বলে দিবেন।
২. গিয়ার শিফটিং হার্ড,,,,,
যেহেতু বাইকের গিয়ার সিস্টেম ইঞ্জিন ওয়েলের সাথে সম্পৃক্ত তাই গিয়ার শিফটিং অনেক হার্ড মনে হলে সেই ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার না করাই ভালো ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ করবেন তবে অনেক সময় ক্লাস এডজাস্ট এর কারনেও গিয়ার শিফটিং হার্ড হতে পারে বিষয় টি লক্ষ্য রাখবেন।
৩. সাউন্ড চেঞ্জ বা স্মুথ কমে যাওয়া,,,,
যদি মিনারেল ওয়েল ব্যবহার করেন তাহলে শুরুতে সাউন্ড আর স্মুথ ভালো থাকবে ৬০০ কিমি পর থেকে আসতে আসতে সাউন্ড এবং স্মুথ নষ্ট হবে আর যদি সেমি-সিন্থেটিক ওয়েল ব্যবহার করেন মিনিমাম ৩০০/৪০০ কিমি পর থেকে ভালো সাউন্ড এবং স্মুথ পাবেন ১০০০/১২০০ কিমি পর থেকে সাউন্ড ও স্মুথ খারাপ হবে এবং যদি ফুল্লি সিন্থেটিক ওয়েল ব্যবহার করেন মিনিমাম ৩০০/৪০০ কিমি পর থেকে ভালো সাউন্ড এবং স্মুথ পাবেন ১৮০০/২০০০ কিমি পর থেকে সাউন্ড ও স্মুথ নষ্ট হতে থাকবে।
৪.ইঞ্জিন_ওয়েল_কমে_যাওয়া,,,,
আপনার বাইকে যদি ইঞ্জিন ওয়েল কমে যায় সেই ওয়েলটা যত দামী এবং যে কোম্পানির হোক না কেনো ঐ ইঞ্জিন ওয়েল দিয়ে আর বাইক চালাবেন না কারনে এতে আপনার বাইকের ইঞ্জিন সিস হতে পারে,,,ইঞ্জিন ওয়েল কমে গেলে যত তারাতারি পারবেন ওয়েল চেঞ্জ করবেন।
বাইকের ওয়েল ধারন ক্ষমতা ১০০০/১২০০ মিলি তাই আপনার বাইকের সর্বচ্চো সুরুক্ষার জন্য মিনারেল ওয়েল ব্যবহার করলে ৮০০/১০০০ সর্বচ্চো, সেমি সিন্থেটিক ওয়েল ব্যবহার করলে ১২০০/১৫০০ সর্বচ্চো, ফুল্লি সিন্থেটিক ব্যবহার করলে ২০০০/২৫০০ সর্বচ্চো কিমি ব্যবহার করবেন।
যে কোম্পানির ওয়েল আর যত দামী ওয়েল ই হোক না কেনো আর ওয়েল কোম্পানি মার্কেটিং এর জন্য যাই বলুক কিন্তু মনে রাখতে হবে বাইকটা আপনার নিজের সম্পদটা আপনার এর ভালো মন্দ আপনারই দেখতে হবে আর ক্ষতি হলে আপনার হবে কোন কোম্পানির হবে না।
বিঃদ্রঃ আপনার বাইকের সর্বোচ্চ সুরক্ষার জন্য কোন ধরনের ভেজাল ইঞ্জিন ওয়েল বা ২ নাম্বার পার্টস ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন।

24/12/2019

What are the successful people habits we should all be aware of? What do they do differently to make more money, operate efficiently, and live healthier, and happier lives than the general population? In this video, you will find out some shocking habits of successful people that define a new generation of thinkers and doers.

Address

SKS Tower, VIP Road, Mohakhali
Dhaka

Telephone

+8801678749118

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineers Lube posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engineers Lube:

Share