Shan Medical Technology

Shan Medical Technology Hospital & Lab Equipment, Medical Software. Shan Medical Technology is a fast-growing technology-enabled Medical company.

বিশ্বস্ততা এবং উৎসাহের সাথে স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়নে বদ্ধপরিকর দু’জন বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়াস। স্বাস্থ্য সহায়ক যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যারের নির্ভরতায় পাশে আছি আমরা।

Initiative of two BUET Engineers. Your trusted partner for Medical Equipment and Software.

গতকালকে অনেক পেইন নিতে হলো। বিখ্যাত ক্যানন কোম্পানির ডিজিটাল এক্সরে মেশিন (DR/FPD), যার সফটওয়্যার এমনভাবে তৈরি করেছে যাত...
25/05/2026

গতকালকে অনেক পেইন নিতে হলো। বিখ্যাত ক্যানন কোম্পানির ডিজিটাল এক্সরে মেশিন (DR/FPD), যার সফটওয়্যার এমনভাবে তৈরি করেছে যাতে শুধু একটা কোম্পানির প্রিন্টার ব্যবহার করা যায়।

কিন্তু হাসপাতালের মালিকপক্ষের চাহিদা হলো - তারা শুধু আমার এপসন প্রিন্টার রাখবে খরচ কমানোর জন্য।

অনেক জটিল জটিল লজিক দেওয়া DR Software এর ভিতরে আমাদের Epson L8180 Printer এড করতে হলে আমাদের Dicom Software এর ভিতরের কোডিং পাল্টাতে হবে। যেহেতু আমি মেডিকেল ইমেজিং সংক্রান্ত সফটওয়্যার তৈরিতে দক্ষ, সেজন্য ৩ ঘন্টা সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত Epson প্রিন্টার যুক্ত করে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray ফিল্মে রোগীর এক্সরের ছবি প্রিন্ট দিতে পেরেছি। মালিকপক্ষ খুশি, আমরাও খুশী।

আমাদের নিজেদের তৈরি Dicom Software থাকায় লাইসেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না ক্লায়েন্টদেরকে।

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
শান মেডিকেল টেকনোলজি
মিরপুর ১, ঢাকা

টাংগাইল জেলার একটা হাসপাতালে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray Film এর ব্যবহার শুরু হলো আজ। তারা ক্যানন কোম্পানির...
23/05/2026

টাংগাইল জেলার একটা হাসপাতালে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray Film এর ব্যবহার শুরু হলো আজ। তারা ক্যানন কোম্পানির ডিজিটাল এক্সরে মেশিন (DR/FPD) এর সাথে নতুন Epson L8180 Office Printer সেট-আপ করে নিয়েছেন। সব সাইজের এক্সরের ছবি প্রিন্ট দিবেন আমাদের ফিল্মে।

এই দুর্মূল্যের বাজারে প্রায় ৪০% কমদামে ভালোমানের এক্সরে ফিল্ম সরবরাহ করছি আমরা।

আমাদের নিজেদের তৈরি Dicom Software থাকায় লাইসেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। তাছাড়া চীন থেকে আনা বিশেষ কালির জন্য ঝকঝকে প্রিন্ট পাবেন।

আজকে আমাদের কোম্পানির ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো। রংপুর বিভাগে প্রথমবারের মতো সিটি স্ক্যান মেশিনের সাথে সফলভাবে ...
22/05/2026

আজকে আমাদের কোম্পানির ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হলো। রংপুর বিভাগে প্রথমবারের মতো সিটি স্ক্যান মেশিনের সাথে সফলভাবে চালু হলো আমাদের “Inkjet Blue X-Ray Film” প্রজেক্ট। ❤️

এই প্রজেক্টের শুরুটাই ছিল ইন্টারেস্টিং। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর সাহেব নিজে আমার অফিসে এসে প্রায় চার ঘণ্টা বসেছিলেন, আর আমি অনলাইনে বসে কানেকশন সেটআপ দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। তাদের GE Healthcare Revolution ACT মডেলের সাথে কানেকশন দেওয়ার সময় সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছিল হাবভিত্তিক নেটওয়ার্ক সিস্টেম নিয়ে।

পরে আমি সিদ্ধান্ত নিই একটি Extra Mini PC পাঠানোর, যেন Desktop Switch ব্যবহার করে One-to-One Connection সেটআপ দেওয়া যায়। তখন সেখানে আমার নিজস্ব কোনো লোক ছিল না। সেই সময় রংপুরের এক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও সার্ভিসিং ব্যবসায়ী ভাই অনেক বড় সহযোগিতা করেন। গত তিন-চার বছর ধরে উনি আমাকে বিভিন্নভাবে সাপোর্ট দিয়ে আসছেন। উনাকে ফোন দেওয়ার পর তিনি অনসাইটে হেল্প করেন এবং Mini PC এর মাধ্যমে অবশেষে কানেকশন ঠিক হয়ে যায়।

কানেকশন ঠিক হওয়ার পর আমি ঢাকা থেকে Epson L8180 অফিস প্রিন্টার পাঠাই, যেটাতে আমাদের Inkjet Blue X-Ray Film প্রিন্ট হয়। পাশাপাশি আমার অফিসের একজন ছেলেকেও পাঠানো হয় পুরো সেটআপ সম্পন্ন করার জন্য।

টানা কয়েকদিন চেষ্টা, ট্রাবলশুটিং আর কনফিগারেশনের পর অবশেষে আজ সকালে আলহামদুলিল্লাহ পুরো সেটআপ সফলভাবে চালু হয়েছে। 🤍

এই প্রজেক্টটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল। কারণ এখানে শুধু প্রোডাক্ট না — মেডিকেল ইমেজিং, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্কিং এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান — সবকিছু একসাথে কাজে লাগাতে হয়েছে।

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
CEO & Co-Founder
Shan Medical Technology, Dhaka

টাংগাইল জেলার একটা হাসপাতালে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray film এর ব্যবহার শুরু হবে কাল থেকে। তাদের ক্যানন কো...
21/05/2026

টাংগাইল জেলার একটা হাসপাতালে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray film এর ব্যবহার শুরু হবে কাল থেকে। তাদের ক্যানন কোম্পানির ডিজিটাল এক্সরে মেশিনের (DR/FPD) সাথে আমাদের দেওয়া নতুন Epson L8180 Printer সেট-আপ করা হবে ইনশাআল্লাহ।

৩৫-৪০% কম খরচে রোগীর এক্সরের ফিল্ম প্রিন্ট দিতে পারেন হাসপাতাল ও ল্যাব মালিকেরা। আমাদের নিজেদের তৈরি ডাইকম সফটওয়্যার হওয়ায় লাইসেন্স নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকেন তারা।

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
শান মেডিকেল টেকনোলজি

আজকে আমাদের জন্য অনেক খুশির একটা দিন। ❤️আমরা সাধারণত ডিজিটাল X-ray মেশিন, যেমন CR বা DR-এর সাথে Epson Printer কানেক্ট কর...
20/05/2026

আজকে আমাদের জন্য অনেক খুশির একটা দিন। ❤️

আমরা সাধারণত ডিজিটাল X-ray মেশিন, যেমন CR বা DR-এর সাথে Epson Printer কানেক্ট করতাম এবং সেই প্রিন্টারে আমাদের নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray Film প্রিন্ট দিতাম।

কাল থেকে রোগীর X-ray-এর পাশাপাশি বিশ্ববিখ্যাত GE কোম্পানির CT Scan-এর ছবিও প্রিন্ট হবে আমাদের প্রিন্টার দিয়ে, আমাদের ফিল্মের উপরে।

এই সেটআপটা এত সহজ ছিল না। শুরুতে নেটওয়ার্ক এবং কানেকশন নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে। এজন্য আমরা রংপুরে Mini PC পাঠিয়েছিলাম। বিভিন্ন ডিভাইস কানেক্ট করে আমি নিজেও দুই দিন বসে চেষ্টা করেছি পুরো সিস্টেমটা ঠিকভাবে চালু করার জন্য। আমার অফিসে সেদিন সাথে ছিলেন সেই হাসপাতালের পরিচালক।

আলহামদুলিল্লাহ, এখন সবকিছু সুন্দরভাবে কাজ করছে। প্রিন্টার আজ কুরিয়ার করা হবে। কাল আমার ছেলেটা গিয়ে বাকি সেট-আপ করে দিবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, প্রচলিত Thermal Film-এর তুলনায় আমাদের Film-এর খরচ অনেক কম (প্রায় ৪০%) পড়ছে, কিন্তু কোয়ালিটি খুবই ভালো আসে। তাছাড়া উচ্চমানের স্পেশাল কালি আমরা চীন থেকে এনেছি, যেগুলো ছবিকে আরো সুন্দর, ডিটেইলড এবং চকচকে করে তোলে। ❤️

এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অনেক এক্সাইটেড।

আর একটা বিষয় আমার জন্য ব্যক্তিগতভাবে অনেক আনন্দের — এই পুরো সিস্টেমে যেই DICOM Software ব্যবহার হচ্ছে, সেটা আমার নিজের হাতে তৈরি। ❤️

ছোট্ট একটা আইডিয়া থেকে শুরু করে আজকে বড় হাসপাতালের CT Scan Machine-এর সাথে কাজ করছে — এটা সত্যিই অনেক বড় অনুভূতি।

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
সিইও
Shan Medical Technology

নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray Film এখন বাজার পুরো বদলে দিচ্ছে।নওগাঁ জেলার এক ডায়াগনস্টিক মালিক আমাকে অনেকবার ফোন দি...
13/05/2026

নতুন প্রযুক্তির Inkjet Blue X-ray Film এখন বাজার পুরো বদলে দিচ্ছে।

নওগাঁ জেলার এক ডায়াগনস্টিক মালিক আমাকে অনেকবার ফোন দিয়ে বলতেন, “ভাই, আপনার ফিল্মের দাম কমান… আরেকটু কমান…”

কিন্তু কয়েকদিন আগে সকালে উনি টানা চারবার ফোন দিলেন।
এবার দরদাম না, উনার গলায় ছিল টেনশন।

উনি বললেন, “ভাই, অবস্থা ভয়াবহ। অমুক জাপানিজ কোম্পানি হঠাৎ করে প্রতি পিস ফিল্মে ১৬ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে টিকে থাকা এখন অনেক কঠিন।”

যাইহোক, উনার জন্য একটা সেকেন্ড হ্যান্ড Epson L1300 Printer বুকিং ছিল। গত পরশু কুরিয়ারে পাঠানো হয়েছে, আজ সেটআপ হবে।

মজার ব্যাপার কী জানেন?

এই পুরো প্রিন্টারের দাম মাত্র ৩০ হাজার টাকা।
মাদারবোর্ড এনেছি চীন থেকে, আর নতুন হেড বাংলাদেশে লাগানো হয়েছে।

DICOM Software আমার নিজের তৈরি।
স্পেশাল কালি আনি চীন থেকে।

আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো —
কুরিয়ার কোম্পানিগুলোর কারণে যেন প্রিন্টার ভেঙে না যায়, সেজন্য আমরা বিশেষ কাঠের বাক্স তৈরি করেছি।

প্রিন্টার সেই কাঠের বাক্সে করেই ক্লায়েন্টের কাছে পাঠানো হয়।
এরপর ক্লায়েন্ট প্রিন্টার রিসিভ করার পরে বাক্সটা আবার আমাদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দেন।

কারণ আমরা জানি —
একটা ছোট ড্যামেজও একজন হাসপাতাল মালিকের জন্য বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।

আজকে যেসব হাসপাতাল মালিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কম খরচে টিকে থাকতে চান, তারা বাজারের তুলনায় প্রায় ৪০% কম খরচে আমাদের কাছ থেকে প্রিন্টিং সলিউশন নিতে পারবেন।

সবচেয়ে বড় কথা —
কম দাম মানেই খারাপ কোয়ালিটি না।

কোয়ালিটি নিয়ে আমরা বিন্দুমাত্র আপোস করি না।

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
সিইও ও কো-ফাউন্ডার
শান মেডিকেল টেকনোলজি
মিরপুর ১, ঢাকা
01760-892444

উদ্যোক্তা জীবন আসলে শুধু অফিসে বসে ব্যবসা করার নাম না। অনেক সময় সমস্যার সমাধানের জন্য নিজেকেই মাঠে নামতে হয়। 🙂সম্প্রতি ব...
10/05/2026

উদ্যোক্তা জীবন আসলে শুধু অফিসে বসে ব্যবসা করার নাম না। অনেক সময় সমস্যার সমাধানের জন্য নিজেকেই মাঠে নামতে হয়। 🙂

সম্প্রতি বিভিন্ন হাসপাতাল ও ল্যাব এর Digital X-ray / CR মেশিনের সাথে এপসন অফিস প্রিন্টার যুক্ত করতে গিয়ে একটি অদ্ভুত সমস্যা সামনে আসে।

পুরোনো Windows 7 কিংবা পুরোনো configuration-এর Windows 10 ওয়ালা কম্পিউটারে Epson printer দিয়ে আমাদের X-ray film print করার পরে ফিল্মের মধ্যে সাদা সাদা ভাব চলে আসত। অনেকে printer-কে দোষ দিচ্ছিল।
কিন্তু আমি বিভিন্ন জায়গায় troubleshoot করতে গিয়ে বুঝলাম — আসল limitation কম্পিউটারের পুরোনো hardware ও operating system।

এই কারণেই কয়েকদিন আগে নিজেই এলিফ্যান্ট রোডে Mini PC market-এ চলে গেলাম। দোকানে বসে টেস্ট করেছি, দোকানদারের সাথে কথা বলেছি, তারপর Mini PC এনেছি।

আজকে দিনাজপুরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেই মিনি পিসি setup করার পর সাদা সমস্যার সমাধান হয়েছে।
এটা ছিল এক ধরনের বাস্তব technical সমস্যা।

অন্যদিকে কিছু বিখ্যাত Digital X-ray / CR machine company মাঝেমধ্যে তাদের software workflow-এ এমন পরিবর্তন আনে, যাতে customer তাদের নির্দিষ্ট printer এর মধ্যে আটকে থাকে। কখনো compatibility change হয়, কখনো restriction আসে,
ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান অপ্রয়োজনীয় বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে যায়।

এই জায়গাতেই আমার সুবিধা হলো — আমি নিজে একজন engineer এবং software develop করতে জানি।
এই কারণে আমি শুরু থেকেই DICOM film printing software নিজে develop করেছি এবং নিয়মিত update দেই।

ফলে নতুন printer support করা, compatibility ঠিক রাখা কিংবা workflow optimize করা আমার জন্য সহজ হয়।
সবচেয়ে বড় কথা, ক্লায়েন্টরা একটা freedom পায়। 🙂

মাশাআল্লাহ, সম্ভবত এই কারণেই আমার ক্লায়েন্ট সাধারণত হারিয়ে যায় না। বরং দিন দিন আরও বেশি hospital owner ও diagnostic center owner আমার ৪০% কমদামি ফিল্ম ব্যবহার করছেন।

কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ শুধু পণ্য কেনে না —মানুষ নির্ভরতা কেনে, support কেনে, এবং এমন কাউকে চায় যে problem আসলে পাশে দাঁড়াবে। ❤️

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
সিইও ও কো-ফাউন্ডার
শান মেডিকেল টেকনোলজি
01760-892444

05/05/2026

আজকে মনটা বেশ ভালো। অনেকদিনের একটা গলার কাঁটা অবশেষে দূর হলো। কয়েকদিন আগে আমি একটা পোস্ট দিয়েছিলাম—চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে। সেখানে আমরা নতুন Epson L18050 প্রিন্টার পাঠিয়েছিলাম। আমার ছেলেটা গিয়ে সেটআপ করার পর দেখে আমাদের নতুন প্রযুক্তির এক্সরে ফিল্মে ছবি সাদা আসছে। আমরা মোটামুটি বুঝেই নিয়েছিলাম, সমস্যাটা সম্ভবত উইন্ডোজ বা সিস্টেমে, কিন্তু ক্লায়েন্টকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইনি। তাই বললাম, “সমস্যা নাই ভাই, আমরা দেখি।”

পরের দিন ঢাকা থেকে আরেকটা প্রিন্টার পাঠালাম—Epson L1300 সেকেন্ড হ্যান্ড। কিন্তু ওটাতেও একই সমস্যা। তখন ক্লায়েন্টকে বললাম, “ভাই, আমরা ঢাকায় এনে চেক করি। নতুন প্রিন্টারের সমস্যা হওয়ার চান্স খুব কম।”
উনার অনুরোধে পুরনো প্রিন্টারটা ওখানেই রেখে আসলাম, কারণ সেটা না হলে ওনার কয়েকদিনের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেত।

আমরা নতুন প্রিন্টার ঢাকায় এনে অফিসের তিনটা কম্পিউটারে টেস্ট করলাম—সব ঠিক। এরপর নতুন প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করা ফিল্ম কুরিয়ারে পাঠালাম। উনারও পছন্দ হলো। এখান থেকেই শুরু হলো আসল ঝামেলা। উনি প্রিন্টারটা নিতে রাজি না, আবার আমাদের প্রিন্টারও ফেরত দেন না। আমি বললাম, “ভাই, তাহলে আপনি ক্ষতিপূরণ দেন।”
উনি তাতেও রাজি না। এভাবে প্রায় ১৪ দিন চলে গেল—কথা ঘুরানো, তালবাহানা, কিন্তু কোনো সমাধান না।

শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমি একটু কঠোর হলাম। বললাম, “এভাবে চললে আমি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।”
তারপর বিষয়টা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলাম। অনেকেই দেখেছেন, পোস্টটা ভাইরালও হয়েছে। এরপর স্থানীয় এক ছোটভাই ফোন দিয়ে আমাকে বললো, “ভাইয়া, আপনি বলেন, আমরা গিয়ে টাকা উঠায় আনি।”
তবে তার আগেই ওই ব্যক্তি টাকা দিয়ে দেয়।

কিন্তু সমস্যাটা এখানেই শেষ হয়নি। প্রিন্টারটা ঢাকায় পড়ে রইলো। নতুন কাস্টমারদের আমি পুরো ঘটনাটা খুলে বলি—“ভাই, এটা নতুন প্রিন্টার, কিছু ঝামেলা হয়েছিল, কিছু ক্ষতিপূরণও পেয়েছি, আপনি চাইলে অ্যাডজাস্ট করে নিতে পারেন।”
কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই কেউ রাজি হচ্ছিল না।

আজকে দিনাজপুরের এক পুরনো ক্লায়েন্ট, গত তিন বছর ধরে নিয়মিত আমার কাছ থেকে ফিল্ম নেয়, তার একটা নতুন প্রিন্টার দরকার ছিল। আমি তাকে পুরো ঘটনাটা খুলে বললাম। সে একদম শান্তভাবে বললো, “ভাইয়া, আপনি যা বলছেন আমি ১০০% বিশ্বাস করি। টাকা পাঠাচ্ছি, আপনি পাঠায় দেন।”।।
সে ইতিমধ্যে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে আর আমরা প্রিন্টারটা কুরিয়ারে করে দিয়েছি।

এই পুরো ঘটনাটা আবার মনে করিয়ে দিল—ব্যবসায় সবচেয়ে বড় অ্যাসেট প্রোডাক্ট না, দাম না, এমনকি সার্ভিসও না। সবচেয়ে বড় জিনিসটা হলো বিশ্বাসযোগ্যতা। একবার বিক্রি করলে ব্যবসা হয়, কিন্তু বারবার বিক্রি হলে—ব্র্যান্ড তৈরি হয়।

নওগাঁ জেলার একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক অনেকদিন ধরেই বলতেছিল, "ভাই আপনার এক্সরে প্রিন্টিং খরচ কমান!" আমি দাম কমাইনি...
03/05/2026

নওগাঁ জেলার একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক অনেকদিন ধরেই বলতেছিল, "ভাই আপনার এক্সরে প্রিন্টিং খরচ কমান!" আমি দাম কমাইনি, কথাবার্তা চলছিল।

আজকে হুট করে সকালে চারবার ফোন।

বলতেছে, "ভাই ভয়াবহ সমস্যা হয়ে গেছে। একটা জাপানিজ কোম্পানি প্রতি ফিল্মে ১৩ টাকা করে বাড়িয়েছে।"
মাসে যদি তার ৪০০ ফিল্ম লাগে, তাহলে শুধু এইখানেই এক্সট্রা খরচ প্রায় ৫২০০ টাকা।

তারপর সরাসরি বলল, "আপনার সেকেন্ড হ্যান্ড Epson প্রিন্টার আর ফিল্ম দেন, আমি টাকা দিয়ে দিব।"

আমি দাম কমাইনি, কমানোর চিন্তাও করিনি। কারণ আমি জানি রিজিকের মালিক মানুষ না।

সম্প্রতি একটি বিখ্যাত জাপানিজ কোম্পানির এক্সরে ফিল্মের নতুন দামের (ছবিতে) ভিত্তিতে আমরা হিসাব করে দেখলাম—বাস্তব চিত্রটা ...
01/05/2026

সম্প্রতি একটি বিখ্যাত জাপানিজ কোম্পানির এক্সরে ফিল্মের নতুন দামের (ছবিতে) ভিত্তিতে আমরা হিসাব করে দেখলাম—বাস্তব চিত্রটা আসলে কতটা পরিবর্তন হয়েছে।

কিন্তু গল্পটা আজকের না।

২০২২ সালে যখন আমি এই ফিল্ম প্রজেক্টটা শুরু করি, তখন অনেকেই বুঝতেই পারত না আমি কী করতে চাই। নতুন কিছু করতে গেলে যেমন হয়—সন্দেহ, প্রশ্ন, এমনকি নিরুৎসাহও ছিল। শুরুটা সহজ ছিল না, প্রচুর স্ট্রাগল করতে হয়েছে। কিন্তু একটা জিনিস পরিষ্কার ছিল—বাজারে যতই কাঁচামালের সংকট হোক, যতই দাম বাড়ুক, আমি এমন একটা সমাধান বানাতে চাই যেখানে প্রাইসিংয়ে লড়াই করা যাবে।

আমি তখনই ভাবতাম, বড় কোম্পানিগুলো যদি ১০ টাকা দাম বাড়ায়, আমি ৫ টাকা কমিয়েও টিকে থাকতে পারব। কারণ আমার লক্ষ্য ছিল শুধু প্রফিট না, বরং এমন একটা সিস্টেম তৈরি করা যেখানে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বাস্তবভাবে খরচ কমাতে পারবে।

আজকে এসে দেখছি, সেই চিন্তাটাই বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

একটু হিসাব করে দেখুন। একটি সেন্টারে যদি মাসে ১০০০টি ফিল্ম লাগে, যেখানে ১০×১৪ সাইজ ৭০০ পিস এবং ৮×১০ সাইজ ৩০০ পিস, তাহলে থার্মাল বা লেজার ফিল্ম ব্যবহার করলে শুধু ফিল্মেই মাসে খরচ হচ্ছে প্রায় ১,০২,২০০ টাকা।

একই কাজ আমাদের Inkjet Blue Film + Special Ink দিয়ে করলে খরচ দাঁড়ায় মাত্র ৬৪,৫০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে প্রায় ৩৭,৭০০ টাকা সেভ করা সম্ভব। বছরে এই সেভিং দাঁড়ায় প্রায় ৪,৫২,৪০০ টাকা।

এখন যদি প্রিন্টারের দামের দিকটা দেখেন, যেখানে একটি থার্মাল বা লেজার প্রিন্টারের দাম প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা, সেখানে আমাদের নতুন Epson অফিস প্রিন্টার মাত্র ৬৮,০০০ টাকা এবং সেকেন্ড-হ্যান্ড মাত্র ৩০,০০০ টাকায় পাওয়া যায়। অর্থাৎ শুরুতেই প্রায় ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সেভ করা সম্ভব।

সব মিলিয়ে, কম খরচে কাছাকাছি আউটপুট, ক্লিয়ার ও শার্প প্রিন্ট, আর দীর্ঘমেয়াদে বিশাল সেভিং—এটাই এখন বাস্তবতা।

আজকে বাজারে যে দামের পার্থক্য আপনি দেখছেন, সেটা শুধু সংখ্যা না—এটা কয়েক বছরের স্ট্রাগল, ভিশন আর কনসিস্টেন্সির ফল।

আপনি যদি এখনো বেশি খরচ করে থাকেন, তাহলে একবার হিসাবটা নিজে করে দেখুন।

স্মার্ট সেন্টারগুলো ইতিমধ্যেই পরিবর্তন করছে।
আপনি কি এখনো অপেক্ষা করছেন?

ইঞ্জি: শরিয়ত রহমান
সিইও ও কো-ফাউন্ডার
শান মেডিকেল টেকনোলজি
মিরপুর ১, ঢাকা

Address

Jawad Tower, Plot# 74, Block# D, Opposite To Eidgah Math, Zoo Road, Mirpur/1
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shan Medical Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shan Medical Technology:

Share