18/10/2025
একজন ইঞ্জিনিয়ারের চোখে বাস্তবতাঃ-
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন লাগার ৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো আগুন পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হয়নি —
আর এটিই আমাদের বাস্তবতা।
দুঃখের বিষয়, আমরা প্রতিটি দুর্ঘটনা থেকে শোক পাই, কিন্তু খুব কমই শিক্ষা নিই।
একজন Engineer হিসেবে বারবার দেখেছি—
সেফটি প্ল্যান কাগজে থাকে সুন্দরভাবে,
কিন্তু বাস্তব প্রয়োগে সেগুলো প্রায়ই উপেক্ষিত।
▫️ ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেম ইনস্টল করা হয়, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ হয় না।
▫️ ইমার্জেন্সি এক্সিট থাকে, কিন্তু ব্লক করে রাখা হয় মালপত্রে।
▫️ ফায়ার হাইড্রেন্ট বা পাম্প টেস্ট করা হয় না মাসের পর মাস।
▫️ অথরিটি মেইনটেন্যান্সে খরচ কমাতে চায়, কিন্তু ক্ষতি হলে হারায় কোটি টাকা।
আজকের বিমানবন্দর আগুন আমাদের মনে করিয়ে দিল—
ইনফ্রাস্ট্রাকচার যত আধুনিকই হোক, সেফটি ম্যানেজমেন্ট দুর্বল হলে সব ব্যর্থ।
ইঞ্জিনিয়ারিং মানে শুধু কাঠামো নয়, একটি টেকসই নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
আমরা এখনো “ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা” নেয়ার পর্যায়ে আছি,
যেখানে উন্নত বিশ্ব “ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধ” নিয়ে ভাবে।
🔥 আগুন নিভবে, কিন্তু এই মানসিক আগুন—
অবহেলা, দায়সারা ভাব, আর অনিয়ম—
এগুলো না নেভালে প্রতিটি প্রজেক্টই ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে থাকবে।
এজন্য প্রতিটি ভবন ও কারখানাতে ফায়ার সেফটি প্ল্যান বাস্তবায়ন ও সঠিক মেইনটেন্যান্স অপরিহার্য।। ফায়ার সেইফটি সকল ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য টেকম্যাক্স ট্রেড এন্ড ইন্জিনিয়ারিং লিমিটেড হতে পারে আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী।।
টেকম্যাক্স ট্রেড এন্ড ইন্জিনিয়ারিং লিমেটেড
সিএল টাওয়ার, ৭৭২/২, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।।