WebBot Solution

WebBot Solution WebBot Solution is a leading IT company in BD.

As a leading IT Company in BD we provide services like website development & design, website security upgrades & malware removal, domain & hosting buying, Google & Meta Ads, theme plugin buying, SEO, Upwork connect and other related tasks. We provide services like website development & design, website security upgrades & malware removal, domain & hosting buying, Google & Meta Ads, theme plugin buying, SEO, Fiverr & Upwork connect and other related tasks.

04/10/2020

বৈদ্যুতিক ইউনিট নির্নয় করার পদ্ধতি:

সাধারন একটি নমুনা নিচে দেওয়া হল-
১.লাইট = ১৫-২০০w
২.ফ্যান = ৫০-৮০w
৩.টেলিভিশন = ২৫-১৫০w
৪.ডেক্সটপ কম্পিউটার = ৮০-২৫০w
৫.ল্যাপটপ = ২০-৬০w
৭.রেফিজারেটর = ৮০-২০০w
৮.এসি =১০০০-৩০০০w
৯.আয়রন =৫০০-১০০০w
১০.পাম্প মোটর =১/৮-৩ HP
এবার মুল আলোচনায় আসি।
বৈদ্যুতিক এনার্জি বের করার সুত্র হল-
W=V X I X T watt-sec.
এখানে,
w = বৈদ্যুতিক এর্নাজি
v = ভেল্টেজ
I= অ্যামপিয়ার
T = সময়
পাওয়ার P=VI
অথাৎ পাওয়ার ও সময়ের গুনফলই হচ্ছে বৈদ্যুতিক এর্নাজি।
বৈদ্যুতিক এর্নাজির একক হচ্ছে কিলোওয়াট-আওয়ার (Kwh) বা ইউনিট।
তাহলে আমাদের প্রধান কাজ হল
পাওয়ার বের করা
সিঙ্গেল ফেজের ক্ষেত্রে
পাওয়ার P=V*I÷1000 KW
থ্রি ফেজের ক্ষেত্রে
পাওয়ার P=V*I*√3÷1000 KW
তাহলে পাওয়ার বের করার পর সময়
গুন করলে আমরা ইউনিট পেয়ে যাব।

উদাহরন : একটি বাসায় ৩০ওয়াটের
৫ টি লাইট দৈনিক ৮ ঘন্টা, ৬৫ওয়াটের
৩ টি পাখা দৈনিক ১২ ঘন্টা ,৫০ওয়াটের ১টি টেলিভিশন দৈনিক ১০ ঘন্টা ,এবং পানির পাম্প ১/৮ ঐচ মোটর দৈনিক ৩ ঘন্টা করে চলে এবং লাইন ভোল্টেজ ২২০, তাহলে ঐ বাসায় ঐ মাসের বিদুৎ
বিল কত ইউনিট হবে?

সামাধান:
৩০ ওযাট লাইটের জন্য :
W1=30X5X8=1200 wh
৬৫ ওয়াট পাখার জন্য :
W2=65X3X12=2340 wh
৫০ ওয়াট টেলিভিশনের জন্য: W3=50X1X10=500 wh
১/৮ HP মোটরের জন্য : W4=(1/8)X746X3=279.75 wh
কারন, ১ HP=৭৪৬ watt
১ দিনে মোট এর্নাজি খরচ
= W1+ W2+ W3+ W4
=1200 wh+2340 wh+500 wh+279.75 wh
=4319.75 wh
=(4319.75 ÷ 1000)kwh
=4.32 Kwh

৩০ দিনে মোট খরচ হয়
=৩০X৪.৩২ Kwh
=১২৯.৬ Kwh (ইউনিট)
UnitPrice & + Other Charge=Total Cost.

25/09/2020

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উওর:

প্রশ্ন: VCB কাকে বলে??

উওর: VCB অর্থ Vacuum circuit breaker.11kv লাইন অন অফ করার জন্য যে সার্কিট ব্রেকার সাধারণত ব্যবহার করা হয় তাকে ভ্যাকুয়াম সার্কিট বেকার বা VCB বলে .
(অবশ্যই 500 এম্পিয়ার এর উপরে হতে হবে)

প্রশ্নঃ কোন ধরনের সুইচগিয়ারে ACB ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ (LT Switchgear) লো-ভোল্টেজ লাইনে ACB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কত প্রকার এবং কি কি?

উওরঃ সাব-স্টেশন লাইনে মূলত চার প্রকার সার্কিট ব্রেকার ব্যভার করা হয়,
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB

প্রশ্নঃ HT/LT সুইচগিয়ারে কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ HT/LT সুইচগিয়ারে মূলত
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য VCB সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য LBS ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ LBS, VCB, MCCB, MCB, ACB কি?

উওরঃ LBS (Load break switch)
MCB (Miniature circuit breaker)
MCCB (Moulded case circuit breaker)
ACB (AIR Circuit Breaker)
VCB (Vacuum Circuit Breaker)

প্রশ্নঃ বাস-বার কি?

উওরঃ মোটামোটি সবাই জানি বাসবার হচ্ছে এক ধরনের তামা(copper) বা অ্যালুমোনিয়াম(Aluminum) এর তৈরি পরিবাহির পাত বা পরিবাহির বার অথবা পরিবাহির রড। বাসবার একাদিক ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট থেকে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ করে এবং বিতরন করে।

প্রশ্নঃ কিসের উপরের ভিত্তে করে বাসবার সিলেকশন করা হয়?

উওরঃ লাইনের কারেন্টের উপর ভিত্তি করে বাসবার সিলেকশন করা হয়।

প্রশ্নঃ কেন বাসবার সিলেকশনের ক্ষেত্রে কপার নেয়া হয়?

উওরঃ কারন কপারের ইফেসিয়েন্সি অনেক বেশি এজন্য।

প্রশ্নঃ সাব-স্টেশন লাইনে CT & PT কিভাবে কানেকশন করা হয়?

উওরঃ CT সিরিজে কানেকশন দেয়া হয় ও
PT প্যারালালে কানেকশন দেয়া হয়।

প্রশ্নঃ CT কত প্রকার ও কি কি?

উওরঃ কারেন্ট ট্রান্সফরমার ৩ ধরনের,
Wound Current Transformer
Toroidal Current Transformer
Bar-type Current Transformer

প্রশ্নঃ CT 5P 20 30VA রেটিং মানে কি বোঝায়?

উওরঃ5= % of Error
P= Protection Class
20=Multiply by 20 line current
30VA= Barden of circuit breaker

প্রশ্নঃ CT & PT কোন ধরনের ট্রান্সফরমার?

উওরঃ CT & PT হচ্ছে ইন্সট্রোমেন ট্রান্সফরমার।

প্রশ্নঃ CT & PT পার্থক্য কি?

উওরঃ
CT হলো হাই কারেন্ট পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত কারেন্ট থেকে রক্ষা করে।

PT হলো হাই ভোল্টেজ পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোল্টেজ থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ CT & PT তে কোন ধরনের রিলে ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ IDMT Relay, Deferential relay, Directional relay etc..

আল্লাহ হাফেজ.....

25/09/2020

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উওর

প্রশ্ন: কাকে বলে??

উওর: VCB অর্থ Vacuum circuit breaker.11kv লাইন অন অফ করার জন্য যে সার্কিট ব্রেকার সাধারণত ব্যবহার করা হয় তাকে ভ্যাকুয়াম সার্কিট বেকার বা VCB বলে .
(অবশ্যই 500 এম্পিয়ার এর উপরে হতে হবে)

প্রশ্নঃ কোন ধরনের #সুইচগিয়ারে ACB ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ (LT Switchgear) লো-ভোল্টেজ লাইনে ACB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ সার্কিট #ব্রেকার কত প্রকার এবং কি কি?

উওরঃ সাব-স্টেশন লাইনে মূলত চার প্রকার সার্কিট ব্রেকার ব্যভার করা হয়,
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB

প্রশ্নঃ HT/LT #সুইচগিয়ারে কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ HT/LT সুইচগিয়ারে মূলত
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 500 KVA #ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য VCB সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের #সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য LBS ব্যবহার করা হয়।

#প্রশ্নঃ LBS, VCB, MCCB, MCB, ACB কি?

উওরঃ LBS (Load break switch)
MCB (Miniature circuit breaker)
MCCB (Moulded case circuit breaker)
ACB (AIR Circuit Breaker)
VCB (Vacuum Circuit Breaker)

প্রশ্নঃ #বাস-বার কি?

উওরঃ মোটামোটি সবাই জানি বাসবার হচ্ছে এক ধরনের তামা(copper) বা অ্যালুমোনিয়াম(Aluminum) এর তৈরি পরিবাহির পাত বা পরিবাহির বার অথবা পরিবাহির রড। বাসবার একাদিক ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট থেকে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ করে এবং বিতরন করে।

প্রশ্নঃ কিসের উপরের ভিত্তে করে #বাসবার সিলেকশন করা হয়?

উওরঃ লাইনের #কারেন্টের উপর ভিত্তি করে বাসবার সিলেকশন করা হয়।

প্রশ্নঃ কেন #বাসবার সিলেকশনের ক্ষেত্রে কপার নেয়া হয়?

উওরঃ কারন কপারের ইফেসিয়েন্সি অনেক বেশি এজন্য।

প্রশ্নঃ সাব-স্টেশন লাইনে CT & PT কিভাবে #কানেকশন করা হয়?

উওরঃ CT #সিরিজে কানেকশন দেয়া হয় ও
PT #প্যারালালে কানেকশন দেয়া হয়।

প্রশ্নঃ কত প্রকার ও কি কি?

উওরঃ কারেন্ট ট্রান্সফরমার ৩ ধরনের,
Wound Current Transformer
Toroidal Current Transformer
Bar-type Current Transformer

প্রশ্নঃ CT 5P 20 30VA #রেটিং মানে কি বোঝায়?

উওরঃ5= % of Error
P= Protection Class
20=Multiply by 20 line current
30VA= Barden of circuit breaker

প্রশ্নঃ CT & PT কোন ধরনের #ট্রান্সফরমার?

উওরঃ CT & PT হচ্ছে ইন্সট্রোমেন ট্রান্সফরমার।

প্রশ্নঃ CT & PT #পার্থক্য কি?

উওরঃ
CT হলো হাই কারেন্ট পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত কারেন্ট থেকে রক্ষা করে।

PT হলো হাই ভোল্টেজ পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোল্টেজ থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ CT & PT তে কোন ধরনের #রিলে ব্যবহার করা হয়?

উওরঃ IDMT Relay, Deferential relay, Directional relay etc..

19/09/2020

বাসবার Calculation করার নিয়ম।
ধরুন we have , 450 kva transformar.
তাহলে কারেন্ট হবে= I(A) = 1000 × S(kVA) / (√3 × VL-L(V) )
=1000*450/1.732*400=649.519 A
০১) তাহলে , টোটাল আম্পিয়ার + ২৫% এক্সট্রা নিতে হবে।
(649.519 x 1.25)=811.89A . need 812A basbar
Formula: 2A=1mm^
1A= 1/2 mm^
"." 812A= 406mm^ ( বাসবার লাগবে)
বিঃ দঃ এখানে বলে রাখা ভাল ২ হল কপার ডেনসিটি (১.৭~২) পর্যন্ত
১.৭ ধরে করতে পারেন তাহলে এক্সট্রা ২৫% যোগ করতে হবে না
-----------------------
Hight x thickness গুন করে 406mm^ এর কাছাকাছি নিতে হবে
এখন আমরা যদি 80x5=400 এটা নিতে পারি।
-----------------------
বাজারে যে ধরনের বাসবার পাওয়া যায়ঃ
25x5,25x8
30x5,30x8,30x10.
40x5,40x8,40x10.
50x5,50x8,50x10.
60x5,60x8,60x10,60x12.
80x5,80x8,80x10,80x12.
100x8,100x10,100x12.
110x10,110x20 ETC

19/09/2020

যাদের জন্য ভ্যট/মুসক নিবন্ধন বাধ্যতামূলকঃ (অবশ্যই পুরোটা পড়ুন)

মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন ২০১২ অনুসারে সাধারনতঃ

ক) যাদের বার্ষিক বিক্রয় ৫০ লক্ষ টাকার কম, তাদের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।

খ) যাদের বার্ষিক বিক্রয় ৫০ লক্ষ থেকে ৩ কোটি টাকার মধ্যে, তারা টার্নওভার নিবন্ধন নিতে পারবে।

গ) যাদের বার্ষিক বিক্রয় ৩ কোটি টাকার বেশি, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হবে।

তবে, নিন্মলিখিত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়ের পরিমাণ যাইহোক না কেন তাকে বাধ্যতামূলক ভ্যাট নিবন্ধন করতে হবেঃ

১) আমদানি রপ্তানি ব্যবসায় নিয়োজিত সকল ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠান।

২) টেন্ডার / চুক্তি / কার্যাদেশের বিপরিতে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে এমন সকল ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান।

৩) সম্পূরক শুল্ক আরোপযোগ্য পণ্য/ সেবা সরবরাহ/উৎপাদন/আমদানি করে এমন সকল ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান। এবং

৪) সাধারন আদেশ-১৭ অনুসারেঃ
i) ৭৫ ধরনের পণ্য উৎপাদনকারীকে
ii) ৭৯ ধরনের সেবা প্রদানকারীকে
iii) ৭ ধরনের পণ্যের ব্যবসায়ী পর্যায়ের সরবরাহকারিকে
iv) সুপারশপ ও শপিংমলে অবস্থিত সকল ধরনের দোকান সমুহকে, এবং
v) যে সকল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাস্থল সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের অবস্থিত তাদেরকেও বাধ্যতামূলক ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হবে ।

( Courtesy : Mahtab Hossain )

♦বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টরের ইতিকথাঃ🔶আপনি কি জানেন কিভাবে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল বিদ্যুতের যাত্রা? বাংলাদেশের রাজধানী ঢা...
12/09/2020

♦বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টরের ইতিকথাঃ

🔶আপনি কি জানেন কিভাবে বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল বিদ্যুতের যাত্রা? বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, আজকের এই রঙিন ঢাকা আগে কেমন ছিল? আজকে যেভাবে বৈদ্যুতিক বাতির আলোয় চারদিক আলোকিত হয়ে থাকে আগে কি এমনটাই ছিল? অবশ্যই না। কেমন ছিল সে সময়কার ঢাকা?

🔶ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণার পরও প্রায় ৩০০বছর পর্যন্ত ঢাকা বাসীকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল বিদ্যুতের জন্য।নিউইয়র্ক শহরে ১৮৮২ সালে বিদ্যুৎ আসার প্রায় ১৯ বছর পর এবং লন্ডন শহরে বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হওয়ার ১৩ বছর পর ঢাকা শহরে বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হয়। এটি সম্ভব হয়েছিল, তখনকার ঢাকার নবাব খাজা আহসানউল্লাহ্ সার্বিক সহযোগিতার কারণে।আমাদের দেশে বাতি ব্যবহারের কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৬৯ সালে। ঢাকার তৎকালীন সিভিল সার্জন ডঃ হেনরি কাটক্লিফ ঢাকার স্যানিটেশন ও তার উন্নতিকল্পে একটি রিপোর্ট প্রস্তুত করেন যেখানে ঢাকার সড়কবাতির জন্য গ্যাস লাইটের পরিবর্তে কেরোসিন তেলের ব্যবহৃত বাতি স্থাপনের প্রস্তাব করেন তিনি। পরের বছর ১৮৭০ সালে খাজা আব্দুলগনি ঢাকায় একটি গ্যাস লাইটের ফ্যাক্টরি স্থাপন করেন। এর কয়েক বছর পর ১৮৭৭ সালে ঢাকা শহরে ১০০ টি ল্যামপোস্ট স্থাপনের জন্য নাগরিক কমিটি কর্তৃক ৬৫০০ রুপি প্রদান করা হয়; যা দিয়েওয়াইজঘাট থেকে শুরু করে চকবাজার পর্যন্ত প্রাথমিক ভাবে ৬০ টি কেরোসিন বাতির ল্যামপোস্ট স্থাপন করা হয়। ১৮৭৯ সালে টমাস আলভা এডিসন স্বচ্ছ বৈদ্যুতিক বাল্প আবিষ্কার করলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারের খরচ অনেক কমে যায়। ১৮৮৬ সালের দিকে খাজা আব?গনির পুত্র খাজা আহসানউল্লাহ প্রত্যেকটি ঘর বৈদ্যুতিক বাতির আলোকিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। এর স্বীকৃতিস্বরুপ খাজাআব্দুল গনিকে নাইট কমান্ডার অব স্টার উপাধিতে ভূষিত করা হয়।এরপর ১৮৮৮ সালে লর্ড ডাফারিন গ্যাস বাল্ব স্থাপনের উদ্দেশ্যে ঢাকায়আসেন, যা কিনা ইতিমধ্যে ঢাকার নবাব বাহাদুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখে ছিলেন। এ ঘটনার ৩ বছর পর ১৮৯১ সালে ঢাকা মিউনিসিপালকে একটি ক্যাশ মেমো পাঠানো হয় কেরোসিনের বাতি গুলো সরিয়ে গ্যাস লাইট স্থাপনের জন্য, যা মিউনিসিপাল খুব ভালভাবে গ্রহণ করে। কিন্তু কোন কারণে তা সম্ভব না হওয়ায় নবাব বাহাদুর তার প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হন। তারপর ১৮৯৭ সালে তার দুলাভাই নবাব খাজা ইউসুফ জান ঢাকা মিউনিসিপালের চেয়ারম্যান হওয়ায় সে সমস্যা সমাধানের পথ খুলে যায়।বিংশ শতকের প্রথম বছর, ১৯০১ সালে ঢাকা তথা বাংলাদেশে প্রথম বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হয়েছিল। এ লক্ষ্যে খাজা আহসানউল্লাহ ৪,৫০,০০০ রুপি দান করেছিলেন। শুধু অর্থই নয় বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে সার্বিক সহযোগিতার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। ৭ ই ডিসেম্বর, ১৯০১ সালে ঢাকার রাস্তায় প্রথম জ্বলে উঠে বিদ্যুতের বাতি। এই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য " দি ঢাকা ইলেকট্রিক ট্রাস্টিস" নামে পরিষদও গঠন করা হয়েছিল সে সময়। এভাবেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল দেশে বৈদ্যুতিক বাতি প্রচলন।

#১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসকরা চলে যাবার সময় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাটি ছিল একেবারে বিচ্ছিন্ন ধরনের, এ সময় কোন দূরবর্তী ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা ছিল না। কিছু সুনির্দিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হত সে সকল এলাকায় ব্যবহারের জন্য। বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। এছাড়া কিছু শিল্প (চা, চিনি এবং টেক্সটাইল) এবং রেলওয়ে ওয়ার্কশপে নিজস্ব উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হত। অধিকাংশ জেলাগুলিতে শুধুমাত্র রাতের বেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। শুধুমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ঢাকা শহরযেখানে দুটি ১৫০০ কিলোওয়াটের জেনারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ ছিল ৬৬০০ ভোল্টের। পাওয়ার ইউটিলিটি কোম্পানীর কর্তৃক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৭ (সাত) মেগাওয়াট এবং দেশের সর্বমোট উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ২১ মেগাওয়াট।

#১৯৪৮ সালে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতির পরিকল্পনা ও উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ অধিদপ্তর তৈরি করা হয়।

#১৯৫৮ সাল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পানি এবং বিদ্যুৎ সেক্টর নিয়ে গঠিত হয়েছিল “East Pakisthan Water and Power Development Authority ( EPWPDA )”, যা শুধু ওয়াপদা নামেই বেশি পরিচিত ছিল।

১৯৭২ সালের ১মে বিদ্যুৎ সেক্টরকে আলাদা করে গঠিত হয়“ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ( বিউবো )” বা “ Bangladesh Power Development Board (BPDB )” যা PDB নামেই পরিচিত। সেসময় PDB এর generation capacity ছিল মাত্র 200MW । তখন PDB এককভাবে Generation, Transmission এবং Distribution তথা সমগ্র বিদ্যুৎ সেক্টরকে নিয়ন্ত্রণ করত।

১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে গঠন করা হয় “ বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ( বাপবিবো )” বা “ Bangladesh Rural Electrification Board ( BREB )। ২০১৩ সালে এই অধ্যাদেশকে আইনে পরিনত করা হয়।দেশব্যাপী ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহায়তায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

১৯৯০ সালে ঢাকা শহরের Distribution কে আলাদা করে Dhaka Electricity Supply Authority ( DESA ) গঠন করা হয়।
১৯৯৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর জেনারেশন কোম্পানি Rural Power Company Limited ( RPCL ) গঠিত হয় , যা তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের একমাত্র Independent Power Producer ( IPP )। তাছাড়া RPCl ই বাংলাদেশের প্রথম জেনারেশন এনটিটি , যা PDBএর অন্তরভুক্ত নয়।

১৯৯৬ সালে দেশের Transmission Sector কে PDB থেকে আলাদা করে “Power Grid Company of Bangladesh ( PGCB ) Limited। ১৯৯৬ সালে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ দায়িত্ব গ্রহণ করার সময় ২৩০ কিলোভোল্টের ট্রান্সমিশন লাইনের মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৮৩৮ সার্কিট কিলোমিটার এবং ১৩২ কিলোভোল্টের ট্রান্সমিশন লাইনের মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪৭৫৫ সার্কিট কিলোমিটার। ২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর PDB এবং DESA তাদের Transmission রিলেটেড সমস্ত সম্পত্তি PGCB এর কাছে হস্তান্তর করে। এখন পর্যন্ত PGCB দেশের একমাত্র Transmission এনটিটি।
পিজিসিবির অধীনে মোট সঞ্চালন লাইন-১১৬৫০ সার্কিট কিলো মিটার ।বাংলাদেশে বর্তমান সঞ্ছালন ভোল্টেজ-৩৩কেভি,৬৬কেভি,১৩২কেভি,২৩০কেভি,৪০০কেভি। গ্রিড সাব- স্টেশনের সংখা ১২৫ টি ।দেশের প্রথম ৪০০কেভি Transmission লাইন-বহরামপুর ( ভারত ) থেকে ভেরামারা ( বাংলাদেশ )।নির্মাণাধীন ৭৬৫কেভি Transmission লাইন ২ টি যথাক্রমে মাতারবাড়ি ( কক্সবাজার ) থেকে ভুলতা ( ঢাকা ) এবং বরনগড় ( ভারত ) থেকে পার্বতীপুর ( বাংলাদেশ )।বর্তমান দীর্ঘতম লাইন খুলনা থেকে ভেরামারা-৩৫৩ সার্কিট কিলো মিতার।বাংলাদেশের প্রথম আইসোলেটেড গ্রিড হবে-হাতিয়া, নোয়াখালী। বর্তমান মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২২৩২৯ মেগা ওয়াত।ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১৬২৩ মেগাওয়াট।

১৯৯৬ সালের ২৩৩ নভেম্বের Meghnaghat Power Company ( MPC ) Limited নামে নতুন একটি জেনারেশন কোম্পানি গঠিত হয়। ২০০৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী কোম্পানিটি নাম পরিবর্তন করে EGCB নামে যাত্রা শুরু করে।
১৯৯৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর DESA এর কাছ থেকে মিরপুর অঞ্চলের এর দায়িত্ব গ্রহণ করে কার্যক্রম শুরু হয় DESCO এর। ২০০৩ সালের ৯ এপ্রিল হতে গুলশান, উত্তরা এবং টঙ্গির একাংশের Distribution ,DESCO এর দায়িত্বে চলে যায়।

২০০০ সালের ২৮ জুন জেনারেশন কোম্পানি “Ashugonj Power Station Company Limited (APSCL )” গঠিত হয়। ২০০৩ সালের ২২মে পিডিবির আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন APSCL এর কাছে হস্তান্তরের পর একই বছর পহেলা জুন থেকে এই কোম্পানিটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।

২০০২ সালে গঠিত Distribution কোম্পানি “West Zone Power Distribution Company Limited (WZPDCL )” ২০০৩ সালের ১ অক্টোবর PDB এর কাছ থেকে খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ বৃহত্তর ফরিদপুর শহরাঞ্চলের এর দায়িত্ব বুঝে নেয়।

২০০৫ সালের ২৫ অক্টোবর ঢাকা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের এবং নারায়ণগঞ্জের একাংশে Distribution এর উদ্দেশ্যে গঠিত হয় “Dhaka Power Distribution Company ( DPDC ) Limited।২০০৮ সালের ১ জুলাই DESA এর কাছ থেকে সমস্ত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে তারা comemercial operation শুরু করে , আর এর মাধ্যমেই DESA এর বিলিপ্তি ঘটে।

২০০৫ সালের আগস্টে নেসকো ১৯৯৪ সালের পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় এর নাম ছিল নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (সংক্ষেপে নওজোপাডিকো) । নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিঃ (নেসকো সংক্ষিপ্ত নামে বেশি পরিচিত) হল বাংলাদেশের সরকারি মালিকানাধীন একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি। এর সদরদপ্তর রাজশাহীর হেতেমখায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীন। ২০০৯ সালে নেসকো বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য রেগুলেটরি কমিশন থেকে লাইসেন্স পায়। ২০১৬ সালের ১ আগস্ট বিপিডিবির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং ১ অক্টোবর থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ শুরু করে। ২০১৭ সালের অক্টোবরে নাম পরিবর্তন করে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড - নেসকো রাখা হয়।
বর্তমানে এক নজরে নেসকো
সেবা প্রদানকারী এলাকারাজশাহী ও রংপুর বিভাগ
গ্রাহক সংখ্যা 1477886,
বিদ্যুৎ ক্রয় (মাসিক)326.36 মেগা কি. ওয়াট ঘন্টা ,
বিদ্যুৎ বিক্রয় (মাসিক)292.08মেগা কি. ওয়াট ঘন্টা ,
বিলের পরিমাণ (মাসিক)1929 মিলিয়ন টাকা ,
গ্রাহক বৃদ্ধির হার৭.২০%,
বিতরণ লাইনের দৈর্ঘ্য৩৩ কেভি লাইন- 1110.41 কি.মি.,
১১ কেভি লাইন-5925.62কি.মি.
১১/.০৪ কেভি লাইন-5148.14কি.মি.
০.৪ কেভি লাইন-6947.15কি.মি.
বিতরণ লাইনের মোট দৈর্ঘ্য191৩১.৩২কি.মি.৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনের সংখ্যা 63
৩৩/১১ কেভি সাব-স্টেশনের ক্ষমতা1249.38/1599.88এমভিএ
১১/০.৪ কেভি বিতরণ ট্রান্সফর্মারের সংখ্যা৭৫২৬১১/০.৪ কেভি
বিতরণ ট্রান্সফর্মারেরক্ষমতা১২৭৭ এমভিএ

২০০৭ সালের ২৮ অগাস্ট খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলের জেনারেশন সেক্টরকে বেগবান করার জন্য গঠিত হয় “North West Power Generation Company Limited ( NWPGCL ) নামের জেনারেশন কোম্পানি। ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর NWPGCL , comemercial operation শুরু করে।

২০০৯/১০ সালের দিকে যখন চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ ঘাটতি চরমে পৌঁছে তখন দ্রুততম সময়ে সংকট নিরসনের জন্য সরকার বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে Power Purchase Agreement ( PPA ) সাইন করে।এর ফলশ্রুতিতে পরবর্তী কয়েক বছরের মাঝে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক Rental and Quick Rental Power Plant এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর “Coal Power Generation Company of Bangladesh Limited CPGCBL ) গঠিত হয়। এর প্রধান কাজ বর্তমান ও আপকামিং কয়লাভিত্তিক Power Plant নির্মাণ, পরিচালন ও সংরক্ষণ করা।

২০১২সালে নবায়নযোগ্য ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কার্যক্রমের পরিকল্পনা প্রণয়ন, তদারকিকরণ , অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধানসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় সাধনের জন্য “Sustainable and Renewable Energy Development Authority ( SZPDCL )” গঠন করা হয়।।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্তরের কাঠামোঃ- যে কোন দেশের বিদ্যুৎ সেক্টরকে প্রধানত ৩ টি ভাগে ভাগ করা যায়।
• Generation
• Transmission
• Distribution
এই মুহূর্তে আমাদের দেশের প্রধান প্রধান জেনারেশন এনটিটি গুল হচ্ছে-
• Bangladesh Power Development Board ( BPDB ).
• Ashugonj Power Station Company Limited ( APSCL ).
• North West Power Generation Company Limited ( NWGPCL ).
• Electricity Generation Company Limited ( EGCB ).
• Rural Power Company Limited ( RPCL ).
• Coal Power Generation Company of Bangladesh Limited ( CPGCBL ).
• Independent/Small Independent Power Produser ( IPP/SIPP ).
অন্যদিকে নতুন গঠিত ৩ টি জেনারেশন কোম্পানি “Nuclear Power Company of Bnagladesh Limited NPCBL )”, “Bangladesh-India Friednship Power Company ( Pvt. ) Limited” ও “Bangladesh China Power Company ( Pvt. )”।যথাক্রমে রুপ্পুর নির্মাণাধীন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট , রামপাল নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্দুতকেন্দ্র ও পায়রায় তৈরি হতে যাওয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের স্ব-স্ব comemercial operation শুরু করবে।

Transmissiom Sector এর একমাত্র এনটিটি হচ্ছে Power Grid Company of Bangladesh ( PGCB ) Limited ।
অন্যদিকে Distribution এনটিটি গুলো হচ্ছেঃ-
• Bangladesh Power Development Board (BPDB).
• Dhaka Power Distribution Company ( DPDC ) Limited.
• West Zone Power Distribution Company ( WZPDCO ) Limited.
• Bangladesh Rural Electrification Board ( BREB ).
• North West Power Distribution Company ( NESCO ) Limited.
জেনারেশন এনটিটি গুলো তাদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে ন্যাশনাল গ্রিডে তথা পিজিসিবিকে দেয়।বাংলাদেশ ন্যাশনাল গ্রিডের বর্তমান ভোল্টেজ লেভেল ১,৩২,০০০ ভোল্ট, ২,৩০,০০০ ভোল্ট ও ৪,০০,০০০ ভলত।পিজিসিবির কাজ হচ্ছে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো থেকে নেওয়া বিদ্যুৎ তার গ্রিড সাব- স্টেশন গুলোর মাধ্যমে ন্যাশনাল গ্রিডের উচ্চ ভোল্টেজর বিদ্যুতকে অপেক্ষাকৃত কম ভোল্টেজে ( সাধারণত ৩৩,০০০ ভোল্ট ও ১১,০০০ভোল্ট ) কনভার্ট করে Distribution এনটিটিগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া। এবার Distribution এনটিটিগুলো পিজিসিবির গ্রিড সাব- স্টেশন থেকে নেওয়া বিদ্যুতকে Distribution sub-station/Transformer এর মাধ্যমে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত ভোল্টেজ লেভেলে কনভার্ট করে সাপ্লাই দেওয়া। যেমন বাসা বাড়ির ভোল্টেজ লেভেল হচ্ছে ২৩০ ভোল্ট। ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে ভোল্টেজ লেভেল আরও বেশী।
উল্লেখিত সিস্টেমে মাদার অর্গানাইজেশন পিডিবি উৎপাদিত বিদ্যুতের একক ক্রেতা হিসাবে কাজ করে।এরপর ওরা সেই বিদ্যুৎকে Distribution এনটিটির কাছে বিক্রি করে আর Distribution এনটিটি গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে। উৎপাদিত বিদ্যুতকে Power palnt থেকে Distribution এনটিটির কাছে পৌঁছে দেওার জন্য পিজিসিবি হইলিং চার্জ পায়। উল্লেখ্য যে পিডিবি Power palnt থেকে যে দামে বিদ্যুৎ ক্রয় করে, তার থেকে কম দামে Distribution Company গুলোর কাছে বিক্রি করে, যাতে গ্রাহক কম দামে বিদ্যুৎ পায়।আর এই জন্য সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা সাবসিডি বা ভর্তুকি দিচ্ছে।
যে সকল গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেশি তারা অনেক সময় নিজেরাই ছোটখাটো Power palnt স্থাপন করে, এই ধরণের Power palnt কে captive Power palnt বলে।
বিদ্যুৎ সেক্টরের বড় বড় কোম্পানিগুলোর অধিকাংশই রাষ্ট্র মালিকানাধীন। তবে কিছু কিছু কোম্পানির ( PGCB and DESCO ) আংশিক শেয়ার শেয়ারমার্কেটে পর্যাপ্ত ,যা যে কেউ কিনতে পারে।
বিদ্যুৎ সেক্টরের প্রশাসনিক বডি সমূহঃ- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত বিদ্যুৎ বিভাগ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টরের মুল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে। বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন আর কিছু প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ বিভাগকে কারিগরি ও নীতিনির্ধারণ বিষয়ে সহায়তা করে থাকে। এমন ২ টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে-
• পাওয়ার সেলঃ- বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইউলিটি সমূহের পারফরমেন্স মনিটরিং , ট্যারিফ পর্যালোচনা, সংস্কার কার্যক্রম ও বিদ্যুৎ খাতের অন্যান্য কারিগরি বিষয় ও নীতি প্রণয়নে বিদ্যুৎ বিভাগকে সহযোগিতা করে।
• বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরঃ- নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উচ্চ ও মধ্যম ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক সংযোগ অনুমোদন, সুপারভাইজার সনদ ও ঠিকাদারি লাইসেন্স ইস্যু ইত্যাদির দায়িত্বে আছে বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন এই দপ্তর।
অন্যদিকে গুনশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের ও জ্বালানীর ট্যারিফ নির্ধারণের দায়িত্বে আছে Bangladesh Energy Regulatroy Commission ( BERC )।
==================================

বিঃ দ্রঃ এই নোটের অনেকগুলো তথ্যই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া। তথ্যে কোন আপডেট থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল।

পুনশ্চঃ পোস্টটা পড়ে থাকলে হয়ত কিছুটা অনুধাবন করা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টর কেমন গতিতে অগ্রসর হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কত বিশাল আকার ধারন করবে। শুধু উৎপাদন খাতই নয়, সঞ্চালন এবং বিতরণ খাতও আনুপাতিক হারে এক্সপান্ড করবে। এই সুবিশাল খাতকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য অসংখ্য দক্ষ (এবং সৎ) প্রকৌশলীর প্রয়োজন। সুতরাং আপকামিং ইলেক্ট্রিক্যাল এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারগণ, যারা এই সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী... “Stay Focused"
Eye

রেফারেন্সঃ
http://www.powerdivision.gov.bd/
http://www.bpdb.gov.bd/bpdb/Power System Master Plan – 2010
http://www.pgcb.org.bd/PGCB/
http://www.nwpgcl.org.bd/en
http://www.apscl.com/
http://www.sreda.gov.bd/

বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড

10/09/2020

#যারা_চাকরী_করছেন_তাদের_জন্য_এই_পরামর্শ,

৪টি কাজ কখনো করবেন না/করে থাকলে এখনই তওবা করে বদলে নিন নিজেকে-

#কখনো রাগের মাথায় জব ছাড়বেন না, তাতে আল্টিমেট ক্ষতি আপনার হবে।এমন সিচুয়েশন হলে যে কোন একটা অজুহাতে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বেড় হয়ে যান, নিজেকে সময় দিন, নিজের সাথে কথা বলুন, একা থাকুন।পার্কে বা কোন নিরিবিলি যায়গায় বসে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর ভাবুন এই জবের টাকায় আপনি বা আপনার ফ্যামিলি চলে। ইভেন এই বাদাম খাওয়াও চলে।বন্ধু-বান্ধব যতই থাকুক মাস শেষে বেতনের টাকাটা তারা আপনাকে দেবে না। আশা করি আপনার মাথা ঠান্ডা হবে।না হলে খুব তিতা সত্যি একটা কথা বলি? শূন্যস্থান পূরন হয়ে যায় দ্রুত, কারন ভাত ছিটালে কাকের অভাব নেই এই শহরে।

#কখনো অফিসে বসে অফিসের বদনাম করবেন না, সমালোচনা করবেন না। ভাল না লাগলে জব খুজে বর্তমান জব ছেড়ে দিন। মাস গেলে এই অফিস ই কিন্তু আপনাকে বেতন দেয়।তাই নৈতিক ভাবে এই কাজগুলি আপনি করতে পারেন না।

#কখনো মালিকের ইগো হার্ড হয় এমন কিছু করবেন না/বলবেন না। যত বড় পোষ্ট ই আপনার হোক না কেন দিনান্তে আপনি কিন্তু কর্মচারী/কর্মকর্তা। মালিক কিন্তু মালিক ই। তা সে চায়ের দোকানের হোক বা কোন কোম্পানীর। তখন কিন্তু কোন এইচ. আর. পলিসি বা শ্রম আইন মালিক মানবে না।মানতে সে বাধ্য নয়।

#কখনো নিজের সামান্য সুবিধার/লাভের জন্য অন্য কলিগের পিছে লাগবেন না, ক্ষতি করবেন না।মনে রাখবেন আজ যার জন্য আপনি গর্ত খুড়ছেন, কাল তার চাইতেও বড় গর্তে আপনি পরবেন।এটাই প্রকৃতির নিয়ম।

শুভকামনা, ভালবাসা, দোয়া রইল সবার জন্য।

05/09/2020

আপনি জানেন কি এসি কেন বিস্ফোরণ হয়???
এসি যে সকল কারনে বিস্ফোরণ হয় এর তার কিছু কারণ আজ তুলে ধরবো।
1 - এসি নিয়মিত সার্ভিস না করলে ,
2 - এসিতে ময়লা জমে গেলে ,
3 - নিম্ন মানের এসি ব্যবহার করলে,
4 - রুম এর সাইজ অনুযায়ী সঠিক ক্ষমতার এসি না লাগিয়ে ছোট এসি লাগালে,
5 - এসির সমস্যা থাকার পরও এসি চালালে,
6 - গরমের শুরুতে এসি চেক আপ না করে এসি চালু করলে ইত্যাদি।

এসির বিস্ফোরণ এড়াতে যা করতে হবে,,
1 - আপনাকে সচেতন হতে হবে,
2 - এসি গরমের শুরুতে এবং পরবর্তীতে 2 মাস পর এসি সার্ভিসিং করতে হবে, ময়লা খুব বেশি হলে মাস্টার সার্ভিস করে নিতে হবে,
3 - দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার বা টেকনিশিয়ান দিয়ে এসি চেক করতে হবে,
4 - এসিতে গ্যাস কম আছে কি না চেক করতে হবে, কারন গ্যাস কম থাকলে এসি অটো অন অফ হয় না ফলে বেশি সময় ধরে এসি চালু থাকে এবং গরম হয় যার ফলে এসি বিস্ফোরণ হতে পারে ,
5 - এসির পাইপ এর কোথাও ব্লক আছে কি না চেক করে নিতে হবে ,
6 - আউটডোর ইউনিট এ ময়লা থাকলে তা পরিষ্কার করে নিতে হবে ,যাতে করে গরম বাতাস প্রবাহিত হতে পারে,
আপনার সচেতনতাই পারে আপনার পরিবারের সদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।
Collected

04/09/2020

#সাব-স্টেশন
#সাব_স্টেশন (Sub-station):
বৈদ্যুতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় উপকেন্দ্র সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনা যাহা বিভিন্ন প্রকার বৈশিষ্ট্য যেমন ভোল্টেজ, এসি টু ডিসি, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর, প্রভৃতির পরিবর্তনের সাহায্য করে থাকে। এই ধরনের কেন্দ্রকে সাবস্টেশন বল।
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং গ্রাহকের মাঝখানে সাবস্টেশন একটি মাধ্যমিকে স্টেশন যেখানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে একাধিক ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি কে গ্রহণ করে ট্রান্সফরমারের সাহায্যে বিভিন্ন মানের সরবরাহ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়।
সাব স্টেশনের #গুরুত্ব (Importance of Sub-station):
১. ট্রান্সমিশন এ সাব স্টেশনের মধ্যে পাওয়ার হাউজে উৎপাদিত মিডিয়াম ভোল্টেজকে উচ্চ ভোল্টেজে বৃদ্ধি করে দূরে প্রান্তে প্রেরণ করা যায়।
২. সাব ষ্টেশনের মাধ্যমে পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করা যায়।
৩. ফ্রিকোয়েন্সী পরিবর্তন করার জন্য সাবস্টেশনের প্রয়োজন হয়।
৪. এসি কে ডিসি বা ডিসি কে এসি তে পরিবর্তন করার জন্য সাবস্টেশনের প্রয়োজন হয়।
৫. সুইচিং সাবস্টেশনের মাধ্যমে ইনকামিং এবং আউটগোয়িং লাইনে সুইচিং অপারেশনে সম্পূর্ণ করা হয়।
৬. হাই ভোল্টেজ ও লো ভোল্টেজ সুইচ গিয়ার, সার্কিট ব্রেকার, আইসোলেটর, রিলে ইত্যাদি স্থাপনের জন্য সাবস্টেশন প্রয়োজন হয়।
ইনডোর এবং আউটডোর সাবস্টেশনের #উপাদান (Elements of indoor and outdoor Sub-station):
1. Primary breaking devices.
2. Transformer and its secondary switching device.
3. Switchgear lineup.
4. Lighting arrester.
5. Isolator.
6. Instrument transformer.
7. Power Transformer.
8. DC supply unit.
9. Panel board.
10. Control desk.
11. Earthing switch.
12. Relay.
13. Metres and instruments.
14. Transducer and SCADA.
15. Cables and bus ducts
16. Control and communication wire/cables and many more...
সাবস্টেশন স্থাপনে #মূল বিবেচ্য বিষয় (Main consideration of build a Sub-station):
1. Primary voltage.
2. Secondary voltage.
3. Location.
4. Transformer type.
5. Primary breaking device type.
6. Secondary switching device type.
সাবস্টেশনের #প্রকার (kinds of Sub-station):
1. Transmission substation: এই সাবস্টেশন ২ অথবা তার অধিক ট্রান্সমিশন লাইনকে সংযুক্ত করে। এই ধরনের সাবস্টেশন হাই ভোল্টেজ সুইচ ব্যবহার করে লাইনকে সংযুক্ত রাখার জন্য আইসোলেটর থাকে ফল্ট দূরকরন ও মেরামতের জন্য। এই সাবস্টেশন দুইটি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজকে কনভার্ট করার জন্য ট্রান্সফরমার ব্যবিহার করে৷ ভোল্টেজ কন্ট্রোলের জন্য ক্যাপাসিটর, রিয়েক্টর অথবা স্টেটিক VAR ব্যবহার করে, এখানকার ট্রান্সফরমার ফেজ শিফটিং এর মত কাজও করে থাকে।
2. Terminal substation: টার্মিনাল সাবস্টেশন এমন সাবস্টেশন যা পাওয়ার সরবরাহের একেবারে শেষ প্রান্তে অবস্থান করে।
3. Transformer substation: ট্রান্সফরমার সাবস্টেশন এমন একটি বিন্দু যেখানে ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ লেভেলকে স্টেপ ডাউন করা হয়, এরপর এটাকে ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশন লেভেলে নিয়ে যাও হয় একটি ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনে প্রেরনের জন্য। এছাড়া ট্রান্সমিশন সাবস্টেশন থেকে সাব-ট্রান্সমিশন লেভেলের পাওয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে দেওয়া হয়।
4. Distribution Substation: ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশন গ্রাহকের খুব কাছেই অবস্থিত থাকে। ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশন টান্সমিশন পাওয়ার অথবা সাব-ট্রান্সমিশন পাওয়ারকে ডিস্ট্রিবিউশন লেভেলে রূপান্তর করে। যা ইন্ডাস্ট্রিয়াল, কমার্শিয়াল, রেসিডেন্সিয়াল কাস্টমারদের দেওয়া হয়। এবং এদের সেকেন্ডারী আউটপুট নিম্ন লেভেলের গ্রাহকদের বিতরণ করা হয়।
5. Unit substation: ইউনিট সাবস্টেশন একটি এমন সাবস্টেশন যেখানে ইলেক্ট্রিক্যালি এবং মেকামিক্যালি সংযুক্ত এক বা একাধিক ট্রান্সফরমারকে এবং এক বা একাধিক সুইচগিয়ারের সহ অবস্থান করে। সেকেন্ডারী সাবস্টেশন একটি ইউনিট সাবস্টেশন নামে সংজ্ঞায়িত হয় যার ১আউটগোয়িং সর্বোচ্চ ১০০০ ভোল্টেজ।
7. Collector substation. : এটা স্থাপিত থাকে ডিস্ট্রিবিউশন সাইডের বিপরীত দিকে যা সাধারনত টারবাইন কিংবা এরূপ কোনো উৎপাদকের এর ভোল্টেজকে গ্রীডে যোগ করে দেওয়ার জন্য ব্যবহার হয়। এই ধরনের বানিজ্যিক উৎপাদক প্রায় ৩৫কেভি এর মত উৎপাদন করে যা স্টেপ আপ করে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে যোগ করে।
সার্ভিস অনুযায়ী সাবস্টেশন 2 প্রকার (Kinds of Sub-station according to service):
1. Static Substation.
2. Converting Substation.
কার্যের ভিত্তিতে ছয় প্রকার (Kinds of Sub-station according to Work):
1. Primary High voltage substation.
2. Secondary High voltage substation.
3. Industrial substation.
4. Power factor correction substation.
5. Frequency changer substation.
6. Direct current substation.
ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির উপর ভিত্তি করে চার প্রকার (Kinds of Sub-station according to instrument):
1. Transformer substation.
2. Rotary substation.
3. Rectifier substation.
4. Motor generator substation.
★সার্কিট ব্রেকার কি?
#সার্কিট ব্রেকার এমন একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে কানেকশন বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করার কাজ ও করে থাকে।
যখন কোন কারনে সার্কিটে ওভার লোড বা শর্ট সার্কিট দেখা দেয় তখন সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সার্কিট ব্রেকার কাজ করতে পারে নো-লোড কন্ডিশনে, ফুল লোড কন্ডিশন এবং ত্রুটি যুক্ত কন্ডিশনে। আর সার্কিট ব্রেকার সুইচগিয়ার এর একটি অংশ।
★★সার্কিট ব্রেকার সম্বন্ধে বিস্তারিতঃ
★মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার কি?
#এই সার্কিট ব্রেকার টি ব্যাপক হারে ব্যবহার করা হয়। আমাদের বাসা বাড়িতে আমরা এই ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করে থাকি। MCB (এম সি বি) পূর্ণ নাম – Miniature Circuit Breaker (মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার)
★সুইচগিয়ার
মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকারঃ
#মিনিয়েচার শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। মিনিয়েচার সার্কিট ব্রেকার অল্প পরিমাণ কারেন্টে কাজ করে থাকে। আকারের দিক থেকে এই সার্কিটগুলো ছোট হয়ে থাকে।
★এয়ার সার্কিট ব্রেকার কি?
#এয়ার শব্দের বাংলা অর্থ বাতাস। এটি এমন একটি সার্কিট ব্রেকার যা আর্ক (অগ্নি) নির্বাপন এবং অপারেটিং (চালনা) স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলের বাতাসের চাপে করা হয় তাকে এয়ার সার্কিট ব্রেকার বলে।
★ফিউজ কি?
ফিউজ হলো একটি ইলেকট্রিক্যাল নিরাপত্তা প্রদানকারী ডিভাইস। যখন সার্কিটে অতিরিক্ত পরিমাণ কারেন্ট প্রবাহ হয় তখন ফিউজ তার অপারেশন শুরু করে। ফিউজে একটি মেটাল তার বা তারের টুকরো।
★সুইচগিয়ার ফিউজঃ
#যখন সার্কিটে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহ হয় তখন এই মেটাল তার টি গুলে যায় এবং সার্কিট কে রক্ষা করে। ফিউজ অপারেশন শেষ হলে এটিকে পুনরায় খুলে মেটাল তার লাগিয়ে খুব সহজে আবার ব্যবহার করা যায়।
★ফিউজিং কারেন্ট কি?
#আমরা জানি ফিউজের মধ্যে অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজের তার গলে যায়। সর্বনিম্ম যে কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজের তার গলে যায় তাকে ফিউজিং কারেন্ট বলে। এই কারেন্টের মান ফিউজিং এলিমেন্ট কারেন্ট রেটিং এর বেশি হয়।
★ফিউজ এর কাট-অফ কারেন্ট কি?
#শর্ট সার্কিটের ফলে কারেন্টের সর্বোচ্চ যে মানে পৌছার পূর্বে ফিউজ তার গলে যায় তাকে সাধারণত ফিউজের কাট-অফ কারেন্ট বলে।
★কারেন্ট রেটিং অফ ফিউজিং এলিমেন্ট কি?
#ফিউজ তারে যখন অতিরিক্ত পরিমাণ কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন অনেক গরম হয়ে যায়। এই অতিরিক্ত গরম অবস্থায় ফিউজ তার গলে না গিয়ে ম্যাক্সিমাম যে পরিমাণ কারেন্ট বহন করতে পারে তাকে ঐ ফিউজের কারেন্ট রেটিং বলে।
★রীলে কি?
#রীলে একটি প্রতিরক্ষামূলক ডিভাইস যা পাওয়ার সিস্টেমে কোন পূর্বনির্ধারিত বৈদ্যুতিক অবস্থার পরিবর্তনে সাড়া দিয়ে সার্কিটকে ওপেন করে দেয়। সিস্টেমে কোন প্রকার ত্রুটি হওয়া মাত্র রীলে ক্ষতির হাত থেকে পুরো সিস্টেমকে রক্ষা করে।
★বুখলজ রীলে কি?
#ট্রান্সফরমারে সাধারণত বিভিন্ন ত্রুটি থেকে নিরাপত্তা ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটরের মাঝে পাইপে যে রীলে বসানো হয়ে থাকে সেটাই মূলত বুখলজ রীলে।
★সুইচগিয়ার
বুখলজ রীলেঃ
#ওয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রীলে ব্যবহার করা হয়। এই রীলে তখনি কাজ করবে যখন অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে গ্যাসের সৃষ্টি হবে।
★আইসোলেটর কি?
(আইসোলেটর) শব্দের বাংলা অর্থ বিচ্ছিন্ন করা। আইসোলেটর হলো এক প্রকার ম্যানুয়াল মেকানিক্যাল সুইচ যেটি দিয়ে সার্কিটের একটি অংশকে আলাদা করা হয় প্রয়োজন অনুযায়ী।
★সুইচগিয়ার
আইসোলেটরঃ
#বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশনে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমনঃ ট্রান্সফরমারকে নো-লোড বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত অফ-লাইনে অপারেটিং করা হয়।
★আর্ক ও আর্কিং ভোল্টেজ কি?
#ইলেকট্রিক আর্ক হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রিক ডিসচার্জ যা দুটি ইলেক্ট্রোডের মধ্যে সৃষ্টি হয় ও ক্ষুদ্র স্ফুলিঙ্গ দেখা দেয়।
আর্কিং পিরিয়ডে সার্কিট ব্রেকারে কন্টাক্ট দুটির আড়াআড়িতে যে ভোল্টেজ পাওয়া যায় তাকেই মূলত আর্কিং ভোল্টেজ বলে।
★লাইটনিং বা বজ্রপাত কাকে বলে?
#মেঘ এবং আর্থের মধ্যে অথবা মেঘ ও মেঘের মধ্যে অথবা একই মেঘের চার্জ কেন্দ্রের মধ্যে বৈদ্যুতিক ডিসচার্জকে লাইটনিং বা বজ্রপাত বলে।
★লাইটনিং এরেস্টার কি?
#লাইটনিং শব্দের অর্থ বজ্র এবং এরেস্টার শব্দের বাংলা অর্থ যাহা আকর্ষণ করে। লাইটনিং এরেস্টার অর্থ বজ্র কে আকর্ষণ করবে।
Md Faruk ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

লাইটনিং এরেস্টার হলো এক ধরনের প্রোটেকটিভ ডিভাইস যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে সরাসরি আকর্ষন করে।

Address

Azimpur Newmarket
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WebBot Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WebBot Solution:

Share