AR Construction & Engineering

AR Construction & Engineering We provided all kind of structure drawing, architectural drawing, 3D max, Rajuk sheet, City Corporation

With Sekandor Ahmed Rony – I'm on a streak! I've been a top fan for 7 months in a row. 🎉
06/02/2026

With Sekandor Ahmed Rony – I'm on a streak! I've been a top fan for 7 months in a row. 🎉

10/07/2025

আপনার জমি ঝামেলামুক্ত রাখতে নিম্নলিখিত পেপার সংগ্রহে রাখুন।
১। দলিল ও রেকর্ডীয় খতিয়ান সংগ্রহে রাখুন।
২। নামজারী না থাকলে অতিদ্রুত জমির নামজারী সম্পূর্ণ করুন।
৩। জমির খাজনা হালনাগাদ করুন।
৪। পর্চা ও নকশা অনুযায়ী জমি মেপে রাখুন।
৫। জমির সীমানার আইল নির্ধারন করে রাখুন।
৬। আপনার জমি দখলে রাখুন।
৭। ইজমালি ও পৈত্রিক সম্পত্তি হলে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করে রাখুন, প্রয়োজনে বন্টন নামা দলিল করুন, প্রয়োজনে এওয়াজ বদল করুন এবং নামজারী করে রাখুন।
৮। আগত জরিপে উক্ত জমির খাজনা দেওয়া না থাকলে জমি খাস হয়ে যেতে পারে বা মামলায় পড়তে পারেন।
৯। একাধিক দাগে জমি কিন্তু ভোগ-দখল একদাগে এর একটি রেজিষ্ট্রি দলিল প্রয়োজন।
১০। যাদের জমির দলিল/কাগজ পত্র ও খাজনার দাখিলা নেই তারা জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মন-মানসিকতা প্রস্তুত করুন।

প্রি-কাস্ট পাইল (Precast Pile) এর বিস্তারিতঃ----------------------------------------------------------------------প্রি-ক...
22/06/2025

প্রি-কাস্ট পাইল (Precast Pile) এর বিস্তারিতঃ-
---------------------------------------------------------------------
প্রি-কাস্ট পাইল হলো এমন একধরনের কংক্রিট পাইল যা নির্মাণ সাইটের বাইরে (ফ্যাক্টরি বা ওয়ার্কশপে) প্রস্তুত করা হয় এবং পরে তা সাইটে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় গভীরতায় স্থাপন করা হয়। এই পাইলগুলো সাধারণত কাঠামোর ভিত্তি দৃঢ় করার জন্য ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে যেখানে মাটি নরম বা কম ভারবহনক্ষম।

প্রি-কাস্ট পাইলের বৈশিষ্ট্যঃ-
উপাদানঃ-
সাধারণত রিইনফোর্সড কংক্রিট (Reinforced Concrete) দিয়ে তৈরি।
উচ্চমানের সিমেন্ট, বালু, পাথর এবং রড ব্যবহার করা হয়।
আকার ও আকৃতিঃ-
আয়তাকার, বর্গাকার, অথবা বৃত্তাকার।
দৈর্ঘ্য এবং ব্যাস কাঠামোর নকশা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

তৈরি প্রক্রিয়াঃ-

ফ্যাক্টরিতে বা কাস্টিং ইয়ার্ডে তৈরি হয়।
ভ্যাকুয়াম বা কম্প্যাকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মসৃণ ও শক্ত কংক্রিট নিশ্চিত করা হয়।
নির্দিষ্ট সময় ধরে কিউরিং (Curing) করা হয়।

বহন ক্ষমতাঃ-

ভারবহন ক্ষমতা মাটির প্রকৃতি এবং কাঠামোর ওজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

প্রি-কাস্ট পাইলের প্রকারভেদঃ-

সাধারণ প্রি-কাস্ট পাইলঃ-
সাধারণ গাঁথুনির জন্য ব্যবহৃত হয়।
প্রি-টেনশনড পাইল (Pre-tensioned):
এতে পাইল ঢালাইয়ের আগে রডগুলো টেনশন অবস্থায় রাখা হয়, যা পাইলের দৃঢ়তা বাড়ায়।
পোস্ট-টেনশনড পাইল (Post-tensioned):
ঢালাইয়ের পর রডগুলো টেনশন করা হয়।

প্রি-কাস্ট পাইল ব্যবহারের প্রক্রিয়াঃ-

পাইল প্রস্তুত করাঃ-
নির্মাণের জন্য পাইল ডিজাইন অনুযায়ী তৈরি হয়।
সাইটে পরিবহন
প্রি-কাস্ট পাইল সাইটে নিয়ে আসা হয়।
পাইল স্থাপনঃ-
হ্যামারিং (Hammering): পাইল ড্রাইভার মেশিন দিয়ে মাটির গভীরে প্রবেশ করানো হয়।
ভাইব্রেশন: মাটির প্রতিরোধ কমাতে কম্পন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
পাইল কেটে ফেলা (Cutting): প্রয়োজন হলে পাইলের উপরের অংশ কেটে কাঠামোর সাথে সংযুক্ত করা হয়।

প্রি-কাস্ট পাইলের সুবিধাঃ-

উচ্চ গুণগত মানঃ-
ফ্যাক্টরিতে তৈরি হওয়ায় মান নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।
তাত্ক্ষণিক স্থাপন:
সাইটে তৈরি করার প্রয়োজন নেই, যা সময় সাশ্রয় করে।
টেকসই:
প্রি-কাস্ট পাইল দীর্ঘস্থায়ী ও পরিবেশগত ক্ষয় সহ্য করতে পারে।
কম ক্ষতি:
কাস্টিং সাইটে কংক্রিট অপচয় হয় না।

প্রি-কাস্ট পাইলের সীমাবদ্ধতাঃ

পরিবহন সমস্যা:
পাইল সাইটে নিয়ে আসতে পরিবহন খরচ ও জটিলত

চাই ইচ্ছা শক্তি
22/06/2025

চাই ইচ্ছা শক্তি

কন্সীল (conceal) বা ঢেকে রাখা বীম (beam), বিশেষ করে যদি এটি ডেকোরেশনের জন্য ফ্ল্যাট সিলিংয়ের ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলা হয়, তাহলে...
22/06/2025

কন্সীল (conceal) বা ঢেকে রাখা বীম (beam), বিশেষ করে যদি এটি ডেকোরেশনের জন্য ফ্ল্যাট সিলিংয়ের ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলা হয়, তাহলে কিছু সম্ভাব্য ক্ষতি বা সমস্যা হতে পারে। নিচে সেগুলো ব্যাখ্যা করা হলো:

🔴 ১. স্ট্রাকচারাল সমস্যা

লোড-পাথ পরিবর্তন: বীমের ডিজাইন সাধারণত ওপেন অবস্থায় থাকা হিসেবেই করা হয়। এটিকে কন্সীল করলে লোড পাথের পরিবর্তন হতে পারে, যা ভবনের স্ট্রাকচারাল ইন্টেগ্রিটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

কাটাকাটি বা রিসাইজ: অনেক সময় কন্সীল করার জন্য বীমে কাটাকাটি বা চ্যাফার দেওয়া হয়, যা সরাসরি তার শক্তি হ্রাস করে।

🔴 ২. ক্র্যাক বা ফাটল ধরার সম্ভাবনা

কন্সীল বীমের চারপাশে প্লাস্টার বা ফালস সিলিং করা হলে, থার্মাল এক্সপানশন বা কম্প্রেশন-এর জন্য ফাটল ধরতে পারে।

🔴 ৩. মেইনটেনেন্সে সমস্যা

বীমের ফাটল, স্যাঁতসেঁতে, বা অন্য কোনও সমস্যা পরবর্তীতে দেখা দিলে কন্সীল থাকায় তা খুঁজে পাওয়া ও মেরামত করা কঠিন হয়ে যায়।

🔴 ৪. সার্ভিসিং সমস্যা (ইলেকট্রিক, পাইপলাইন ইত্যাদি)

যদি বীম কন্সীল করা হয় এবং সেই এলাকায় বিদ্যুৎ বা পাইপলাইন বসানো হয়, তবে পরবর্তীতে সার্ভিসিং করতে গেলে কাঠামোর ক্ষতি হতে পারে।

🟡 কখন কন্সীল করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ?

নন-লোড বিয়ারিং বীম (যা প্রধান লোড বহন করে না) থাকলে তা কিছু ক্ষেত্রে কন্সীল করা যায়।

ডিজাইন অনুযায়ী করা হলে — অর্থাৎ প্রকৌশলীর সুপারভিশনে যদি আগে থেকেই বীমটি কন্সীল করার জন্য ডিজাইন করা হয়, তবে সমস্যা নাও হতে পারে।

✅ করণীয়:

স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই বীম কন্সীল করবেন না।

যদি ডিজাইনে কন্সীল করার প্রয়োজন থাকে, তা যেন শুরু থেকেই পরিকল্পনায় থাকে।

21/06/2025
সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তর...---------------------------------------------------------------------1.সিঁড়ি কাকে বলে...
01/06/2025

সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তর...
---------------------------------------------------------------------
1.সিঁড়ি কাকে বলে?
উ: ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মাণ করা হয় তাকে সিঁড়ি বা স্টেয়ার বলে।...
2.একটি উত্তম সিঁড়ির কি কি বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন?
১। অবস্থান
২। সিঁড়ির প্রস্থ
৩। ফ্লাইটের দৈর্ঘ্য
৪। সিঁড়ির ঢাল
৫। হেড রুম
৬। নির্মাণ সামগ্রী
৭। ব্যালাস্ট্রেড ও হ্যান্ড রেইল
৮। স্টেপ আকার
৯। ল্যান্ডিং...........................................................
3.ট্রেড এবং রাইজার সংখ্যা নির্ণয়ে পদ্ধতি গুলো কি?
উ: ১.রাইজারের সংখ্যা =প্রতি ফ্লাইটের উচ্চতা/রাইজারের উচ্চতা
২.ট্রেডের সংখ্যা=প্রতি ফ্লাইটের রাইজারের সংখ্যা-১...............................................................
4.১টি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কতটি ধাপ থাকা উচিত?
উ: প্রতি ফ্লাইটে ধাপের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ টি তবে সর্বোচ্চ ১৫ টি এবং সর্বনিম্ন ৩ টির কম হবে না।..............................................................
5. সিঁড়ির অবস্থান কোথায় হওয়া উচিত?
উ: আবাসিক দালানের ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান কেন্দ্রস্থলে এবং পাবলিক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত।..............................................................
6.সিঁড়ির বিভিন্ন অংশগুলোর নাম ।
১.স্টেপ বা ধাপ
২.ট্রেড
৩.রাইজার
৪.ফ্লাইট
৫.নোজিং
৬.ল্যান্ডিং
৭.সফিট
৮. ঢাল
৯.হ্যান্ড রেইল
১০.হেড রুম ইত্যাদি।..............................................................
7.ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজার সাধারণত কত ধরা হয়?
উ:সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করার সময় সিঁড়ির যে সমতলে পা রেখে ওঠানামা করা হয় তাকে ট্রেড বলে।
ধাপের লম্ব অংশ এবং যা ট্রেড কে সাপোর্ট প্রদান করে তাকে রাইজার বলে।
ট্রেড ১০" এবং রাইজার ৬"।

পরিবার শুরু করার শুরুতে প্রয়োজন হয় একটি বাসস্থান।আপনার বিচক্ষন সিদ্ধান্ত ও AR Construction & Engineering  টিম এর পরামর্শ...
21/05/2025

পরিবার শুরু করার শুরুতে প্রয়োজন হয় একটি বাসস্থান।
আপনার বিচক্ষন সিদ্ধান্ত ও AR Construction & Engineering টিম এর পরামর্শে অনুযায়ী যা হতে হবে দূর-ভাবনামুক্ত, নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত, আধুনিক জীবন যাপনের সকল সুবিধা সম্বলিত বাসস্থান।

🔷 আপনি কি বাড়ির প্ল্যান, ড্রইং/ডিজাইন এর কথা ভাবছেন?
🔷 কোনো পরামর্শদাতা খুঁজছেন ?
দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা আছি আপনার পাশে।

♦ আমাদের রয়েছে সু-দক্ষ এবং অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ার।
♦ স্বল্প খরচে স্বল্প সময়ে সঠিক কাজটি আপনাকে উপহার দেওয়া-ই আমাদের মূল লক্ষ্য।

👉 যারা বাড়ি বানাচ্ছেন তাদের অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও অধিক বেতনের কথা ভেবে সাইট ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা কাজ পরিচালনা করেন না আপনাদের জন্য আমাদের বিশেষ প্যাকেজ ।

👉 খন্ডকালীন ভিজিট প্যাকেজ-১ : আপনার যখন দরকার তখনই ভিজিট করাতে পারবেন।

👉 দৈনিক একবার সাইট ভিজিট প্যাকেজ-২: প্রতিদিন সকালে বা বিকালে ভিজিট করা হবে, কাজ এবং সাইটের ওপর ভিত্তি করে।

👉 দৈনিক দুইবার সাইট ভিজিট প্যাকেজ-৩: প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে দুইবার ভিজিট করা হবে, কাজ এবং সাইটের ওপর ভিত্তি করে।

👉 মাসিক সাইট ভিজিট প্যাকেজ-৪: কাজ এবং সাইটের ওপর ভিত্তি করে, প্রতিমাসে মোট ৫ দিন ভিজিট করা হবে।

👉 এস্টিমেটিং এবং কস্টিং প্যাকেজ : আপনি বাজেট করছেন কিন্তু বার বার বাজেটের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হচ্ছে, কারণ আপনি হয়তো সঠিক এস্টিমেট টি পাননি। তাই আমরা আপনাকে দিচ্ছি সঠিক বাজেটের নিশ্চয়তা।

★ সকল প্যাকেজর জন্য নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য।

🔷🔷 আমাদের সেবাসমুহ 🔷🔷

★ রাজউক, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্ল্যান পাশ করানো।
★আর্কিটেকচারাল ড্রইং
★ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
★ ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ড্রইং
★ ইন্টেরিয়র ডিজাইন
★ সয়েল টেস্ট
★ কন্সট্রাকশন
★ সাইট সুপারভিশন / সাইট ভিজিট

যোগাযোগ

📞 ⁨01742-119966

✔️ আপনার বাড়ি বা বাড়ির ড্রইং ডিজাইন এর সকল কাজ করতে চাইলে আমাদের সাথেযোগাযোগ করতে পারেন।আপনি যদি মনে করেন ভাল ডিজাইন ব্য...
19/04/2025

✔️ আপনার বাড়ি বা বাড়ির ড্রইং ডিজাইন এর সকল কাজ করতে চাইলে আমাদের সাথে
যোগাযোগ করতে পারেন।
আপনি যদি মনে করেন ভাল ডিজাইন ব্যয়বহুল, আপনার খারাপ ডিজাইনের ব্যয়গুলি অবিশ্যই লক্ষ্য করা উচিত!!!
তাই স্বপ্নের বাড়ি তৈরির দায়িত্ব দিতে পারেন আমাদের কাছে। গ্রাম বা শহরের বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে আমরা আছি আপনাদের প্রয়োজনে।
Our Services
✔️ Rajuk Approval
✔️ Site Supervision
✔️ Soil Test
✔️ Building Plan
✔️ Architectural Drawing
✔️ 3D View
✔️ Interior Design
✔️ Structural Design
✔️ Electrical Design
✔️ Plumbing Design
✔️ Digital Survey
✔️ Municipal Approval

আপনি চাইলে আমাদের নিজস্ব ডিজাইন পছন্দ করতে পারেন আর আমাদের নিজস্ব ডিজাইনে আছে বিশেষ ছার আমরা দিবো আপনাকে আপনার স্বপ্নের বাড়ী ।
Cell: 01742-119966
Email:[email protected]
Address : Level-2, House-14, Road-14, Block-L, Banasree, Khilgaon, Dhaka-1219.

15/04/2025

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।

Address

Flat No-(C/1). Level #1 Plot 23/10-Khilji Road. Bolck # B. Mirpur Road. Shaymoli. Dhaka
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801755572557

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AR Construction & Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AR Construction & Engineering:

Share