Kamrul Hasan Linkon

Kamrul Hasan Linkon Let’s Build Future.

24/10/2024
22/10/2024

কমন সেন্স।

কাদের খাওয়াচ্ছেন বুঝে খাওয়াবেন ?বিয়েতে মেয়ের বাড়িতে বরযাত্রী নিয়ে গেলাম ২৪৬ জন।মেয়ের বাবা আড়ালে ডেকে বললেন" বাবা,তোমাদের...
24/09/2024

কাদের খাওয়াচ্ছেন বুঝে খাওয়াবেন ?
বিয়েতে মেয়ের বাড়িতে বরযাত্রী নিয়ে গেলাম ২৪৬ জন।মেয়ের বাবা আড়ালে ডেকে বললেন
" বাবা,তোমাদের না ১০০ বরযাত্রী আনার কথা ছিলো? "
বললাম " বাবা আমি পরিবারের ছোট ছেলে।সবার শখ বিয়েতে আসবে।কিকরে না বলি বলুন তো? "
" সে নাহয় ঠিক আছে।আগে থেকে বললে ভালো হতো।এখন ওদেরকে একটু বলে দাও খাবারে সামান্য দেরী হবে।সবার আয়োজন করে একসাথে খেতে দিবো "
" বাবা আপনি টেনশন করবেন না।আমি বলে দিবো "
বিয়েতে আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব কাউকে আনা বাদ রাখিনি।সবাই তো কাছের মানুষ, কাকে রেখে কাকে বাদ দেই!
বিয়ে হয়ে গেলো।বছর ফিরতে স্ত্রীর ডে"লিভা"রি।হসপিটালে আমার রুদ্ধশ্বাস! এ নে"গেটিভ র"ক্তের অভাব।আত্নীয়-স্বজন অনেকের সাথে র"ক্ত মিলে যায়,তারা বাহানা দিয়ে এড়িয়ে গেলো।
রিক্সায় উঠে রওনা হলাম কলেজ গুলোর উদ্দেশ্য।সেখানে র"ক্ত জোগাড় করার সেচ্চাসেবী কমিটির ছেলেমেয়েরা থাকে।ওদের বললে যদি কোনো উপায় হয়!
আমার ছটফটানি দেখে রিক্সাওয়ালা মামা বললো " মামা এতো ঘাবড়াইছেন কেন? কার কি হইছে? "
" র"ক্ত লাগবে।জোগাড় হয়নি, স্ত্রীর ডে"লিভা"রি "
" কি র"ক্ত লাগবো? "
" এ নে"গেটিভ "
" মামা আমার তো এই র"ক্ত। আমার কাছে র"ক্ত নিবেন? "
শেষমেশ রিকশাওয়ালা মামার র"ক্ত দিয়েই স্ত্রীর ডে"লিভা"রি হলো।মাথায় হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবলাম, বিয়েতে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কাদের নিয়ে গিয়ে খাওয়ালাম?কাদের আপন ভাবতাম?এই বিপদের দিনে আমি একা! কেউ নাই।
রিকশাওয়ালা মামার নাম্বার নিয়ে রাখলাম।বাড়িতে ভালোমন্দ রান্না হলে তাকে ডেকে খাওয়াই।সে আপনজন "
গল্প #অনুধাবন

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে গত ৫৩ বছর আপনারা অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ পরিচালনা করেছেন। আর আপনাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে এতদিন পালাক্র...
16/09/2024

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে গত ৫৩ বছর আপনারা অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ পরিচালনা করেছেন। আর আপনাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে এতদিন পালাক্রমে লুটপাট করার পরেও আপনাদের মনের খায়েশ মিটে নাই। এইবার একটু ক্ষান্ত হন। অনভিজ্ঞ লোক না হয় দুইটা বা তিনটা বছর দেশ চালাইলো। আমরা সাধারণ জনগণ মেনে নিলেও আপনারা মেনে নিতে পারছেন না কেন ? আর তোর সইছে না লুটপাট করার জন্য।সাধারণ মানুষের যদি মিনিমাম বুদ্ধি থাকে তাহলে আর লুট করার সুযোগ অভিজ্ঞ কাউকে দিবে না। এতোদিন একদল বলছে বিকল্প কই! বিকল্প পাওয়া গেছে না? আর চাপ নিয়েন আপনাদের বিকল্পও তৈরী হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্।

12/06/2024

Ego is not important, but self respect is important,
So give up ego and raise your self respect.

05/05/2024

একজন ছাত্র তার টিচারকে জিজ্ঞেস করলো,
''ভালবাসা কি?''
শিক্ষক বললো, ''আমি তোমার উত্তর দেব, কিন্তু তার আগে তোমাকে একটি কাজ করতে হবে।
আমাদের স্কুলের সামনে যে ভুট্টার ক্ষেত আছে তুমি সেখানে যাও এবং সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি নিয়ে ফিরে এসো।''

' 'কিন্তু একটা শর্ত আছে, তুমি
সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি খুঁজ়ে নিয়ে আসবে এবং
খুঁজতেখুঁজতে যে ভুট্টাটি পেছনে ফেলে
গেছ
তা আর নিতে পারবে না''
ছাত্রটি মাঠে গেল এবং ভুট্টার
ক্ষেতের
প্রথম সারিতে খোঁজা শুরুকরলো।
সেই
সারিতে একটা বড় ভুট্টা ছিল কিন্তু
সে ভাবলো... হয়তো সামনের
সারিতে
আরো বড়
কোন ভুট্টা তার জন্য অপেক্ষা করছে।
পরে, যখন সে মাঠের অর্ধেকের
বেশি খোঁজা শেষ করলো তখন
বুঝতে পারলো এদিকের ভুট্টাগুলো
ঠিক
অতটা বড় নয় যেটা সে আগেই খুঁজে
পেয়েছিল।
ছাত্রটি বুঝলো যে সবচেয়ে বড়
ভুট্টাটি সে পেছনেই ফেলে
এসেছে
এবং এজন্য
তার অনুশোচনার শেষ থাকলো না।
তাই সে খোঁজা বাদ
দিয়ে খালি হাতে টিচারের
কাছে
ফিরে এল।
টিচার তাকে বললো,''....এটাই
ভালবাসা....তুমি
হয়তো জীবনে কাউকেখুঁজে
পেয়েছো,কিন্তু তবু
আরো ভাল কাউকে পাওয়ার আশায়
যদি
খুঁজতেই
থাকো,এমন একদিন আসবে যেদিন
তুমি উপলব্ধি করবে যে, তোমার জন্য
সবচেয়ে ভাল
মানুষটিকে তুমি পেছনে হারিয়ে
ফেলেছো।
তখন আর তাকে ফিরে পাওয়ার কোন
উপায়
থাকবে না....💔💔💔
এটাই ভালোবাসা ।
অর্থ সম্পদ টাকা-পয়সার সম্মান ভালোবাসা যা পেয়েছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত 🖤

The Reality of Every Man.
29/04/2024

The Reality of Every Man.

11/04/2024

অতীতকে বিদায় জানাতে সাহস লাগে।
আর সেই সাহস দেখাতে পারলেই
জীবন নতুন কিছু উপহার দেয়।

10/04/2024

🌙✨ Eid Mubarak! ** 🌙✨

"May the crescent moon brighten your path toward enlightenment and may Allah bless you with peace and grace. Wishing you a heart filled with love and joy on this Eid.
🌙✨**Eid Mubarak!** 🌙✨"

25/03/2024

জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়।

সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে।

সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা।

জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। এরপর মনে মনে চিন্তা করবেন জীবনের লাভ ক্ষতির হিসাবে এই মৃত মানুষগুলো এই পৃথিবীতে কি করে গেছেন? কাদের রেখে গেছেন? যাদের রেখে গেছেন তারা কি কখনও এই মৃত মানুষগুলোকে স্মরণ করার জন্য কবরস্থানের আশেপাশে আসে?

আমাদের সবার শরীরেই কমবেশী রক্তকণা আছে। একথা চিরসত্য যে আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্তকণা শরীরে খুবই গুরুত্ব বহন করে। অথচ আমাদের শরীর থেকে কোন রক্তকণা বেরিয়ে গেলে সেটির যেমন কোন গুরুত্ব থাকে না তদ্রুপ আমাদের দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে আমাদের শরীরেরও অন্যের কাছে কোন মূল্য থাকে না।

আমাদের জীবনটা বড় বৈচিত্রময়। বেঁচে থাকতে আমরা এর জন্য ওর জন্য কত মায়া দেখাই, কত ভালবাসা দেখাই। এ আমার ছেলে তো সে আমার মেয়ে, এ আমার ভাই তো সে আমার বোন। অথচ মরে গেলে এই মানুষগুলোই সবার আগে তোড়জোড় শুরু করে কিভাবে মৃতকে দাফন করা যায়! কত দ্রুত মৃতকে কবরস্থ করা যায়! সেই চিন্তায় সবাই তটস্থ থাকে।

আমাদের জীবনটা আসলেই সাময়িক। এই সাময়িক জীবনটা মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ-ষাট অথবা বড়জোর সত্তর বছরের সমষ্টি। অথচ এই জীবনে আমরা কখনো মৃত্যুর কথা না ভেবে কিভাবে অঢেল সম্পদ অর্জন করা যায় সেই চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকি।

এই পৃথিবীতে যার অঢেল সম্পদ আছে সে আরো সম্পদ চায়। যার সম্পদ নেই সে সম্পদ নেই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় সময় কাটায়। আমাদের ১০% মানুষ ব্যতীত ৯০% মানুষেরই ধান্ধা ইহকাল আগে এবং পরকাল পরে। সম্পদ আগে এবং ইবাদত পরে।

এজন্য আমরা প্রায় সবাই দিনরাত চেষ্টা করি যে যেভাবে পারি, চুরি করে অথবা ডাকাতি করে অথবা অন্য কোন উপায়ে যাকে তাকে ঠকিয়ে যেভাবে পারি আগে সম্পদ অর্জন করি। এরপর এই অবৈধ সম্পদের অর্থে কয়েকবার হজ করে, মসজিদ মাদরাসায় বড় অংকের টাকা দান করে, গরীব এতিমখানায় খাইয়ে, বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দানখয়রাত করে একেবারে বেহেস্ত কনফার্ম হয়ে যাবে।

রমাদান মাসে সারা পৃথিবীর মানুষ যেখানে ইবাদত মশগুলে সময় পার করে সেখানে বাংলাদেশের অনেকেই কিভাবে একে অন্যকে ঠকানো যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। আমাদের দেশে সবাই মুসল্লি। মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর। কিন্তু ঈমানী শক্তিতে আমাদের মনোবল খুবই দুর্বল।

আমাদের দেশে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, যে সর্বদা নিজেকে ইসলামি ব্যক্তি হিসাবে সবখানে জাহির করে সেও সুযোগ পেলে সাধারণ কিছু টাকা-পয়সার কাছে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলে। এজন্য বলি যে মৃত্যু চিরসত্য সে মৃত্যু নিয়ে আমরা খুব কমই চিন্তা করি।

আমাদের সততা সাধারণ টাকার কাছেই প্রতিনিয়ত হেরফের হয়ে যায়। অথচ মৃত্যুর পর একজন মৃত ব্যক্তির কি হিসাব নিকাশ শুরু হবে সেটি উপলব্ধি করতে পারলে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতাম না, আমরা কিছুতেই অন্যের হক মারার চিন্তা করতাম না, এমনকি আমরা কিছুতেই অন্যের সাথে দুর্ব্যবহারের চিন্তা করতাম না। মহান প্রভু সবাইকে এই বিষয়টি উপলব্ধির সুযোগ দিন।আমিন

সংগৃহীত 💥

Address

Level-04, House-77, Road-19, Sector/11, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamrul Hasan Linkon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kamrul Hasan Linkon:

Share