05/03/2026
সুশীল আপুরা প্রতিবাদে নামছে।
কেন?
কারন একজন অভিনেতার বউ তার স্বামীর পরকিয়া সইতে না পেরে নিজেই স্বার্থপরের মত মাসুম সন্তানের কথা একবার চিন্তা না কইরাই আমি, আমার, আমার থাকলো না,আমারে ঠকাইছে কইরা নিজের জীবন নিজে শেষ করে দিছে।
অথচ বিগত ৭ দিনে এত গুলো শিশু ধ*র্ষন হয়ে খু**ন হলো তা নিয়ে তাদের কোন প্রতিবাদ নাই, বিচার চাওয়ার তোড়জোড় নাই।
আহারে তথাকথিত সুশীল। ধিক্কার তোমাদের সুশীলতায়।
পরকিয়া কারী পুরুষের বিচার চাইতে মাঠে নামতে পারো কিন্তু ধ**র্ষক খু**নী পুরুষ দের বিচার চাওয়ার সময় তোমাদের নাই।
একটা জীবন চলে গেছে—এটা অবশ্যই মর্মান্তিক।
মানসিক ভাঙন, প্রতারণা, পারিবারিক সংকট—এসব বাস্তব।
প্রতিবাদ হোক, আলোচনা হোক—এটা অস্বাভাবিক কিছু না।
কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।
গত সাত দিনে একের পর এক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রক্তাক্ত ছোট্ট দেহ, ভাঙা পরিবার, নিঃস্ব বাবা-মা—
সেই ঘটনাগুলোর জন্য কি একই রকম প্রতিবাদ হয়েছে?
একই রকম সোচ্চারতা?
একই রকম মানবিক উত্তাপ?
কেন ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি জাতীয় আলোচনায় জায়গা পায়,
আর শিশু নির্যাতনের মতো নৃশংস অপরাধ কয়েকদিন পরই চাপা পড়ে যায়?
পরকিয়া অবশ্যই নৈতিক প্রশ্ন তোলে।
কিন্তু ধর্ষণ ও হত্যা—এটা সরাসরি অপরাধ, সমাজের জন্য হুমকি।
একজন প্রতারিত স্ত্রীর জন্য মানবিকতা থাকবে,
কিন্তু ধর্ষিত ও নিহত শিশুর জন্য সেই মানবিকতা দ্বিগুণ হওয়ার কথা না?
আমরা কেমন সমাজ গড়ছি—
যেখানে সেলিব্রিটি ট্র্যাজেডি ট্রেন্ড হয়,
আর শিশুদের রক্ত শুকিয়ে যায় নিরবতার মধ্যে?
প্রতিবাদ যদি করতেই হয়—
তাহলে সেটি হোক ধারাবাহিক।
হোক ন্যায়ের পক্ষে, কেবল আলোচিত মুখের পক্ষে নয়।