28/10/2025
৭০ লক্ষ টাকার চিকিৎসা বিফলে...!!!
বলছিলাম চট্টগ্রামের পাথরঘাটার জিনিয়াস কোচিং হোম-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক পলাশ স্যার-এর কথা।
শিক্ষকতা পেশায় একজন মানুষ নিজের সংসার চালিয়ে, সন্তানদের ভরণপোষণের পর কতটুকু টাকা সঞ্চয় করতে পারেন বলে আপনি মনে করেন? বড়জোর কত?
কিন্তু সৃষ্টিকর্তা তাঁকে দিয়েছেন কোটিপতিদের রোগ - কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার মতো এক ‘লাক্সারিয়াস’ রোগ
উনি এমন এক শিক্ষক ছিলেন, যিনি বিনা বেতনে অনেক শিক্ষা-পিপাসু শিক্ষার্থীকে পড়াতেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের সাহায্য করতেন নিজের অর্থায়নে বই কিনে দিয়ে। সকাল থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত উনি কোচিং করাতেন নিজের বাসায়। লাঞ্চ করতেন বিকেলে, আর ডিনার করতেন রাত একটা নাগাদ। উল্লেখযোগ্য সময় নিতেন শুধু বিকেলের ভাতঘুমের জন্য। বাকি সারাটা সময় পড়ানোর চেয়ারে বসেই কাটাতে হতো ওনার।
এভাবে প্রায় পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় একটানা একই রুটিনে কেটেছে তাঁর জীবন। এমনকি উনি কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানেও অংশ নিতে পারতেন না, কারণ শুক্রবারেও তিনি পড়াতেন। কারণ তাঁর চাকরিজীবী শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে মাসের চার শুক্রবার ব্যতীত অন্য কোন দিনে পড়তে আসার সুযোগ পেতেন না।
খুব অল্প বয়সেই তাঁর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। আর হয়তো এমন অস্বাভাবিক জীবনধারার ফলেই তাঁর মধ্যে বাসা বাঁধে সেই ‘লাক্সারিয়াস কোটিপতিদের’ রোগ - কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার রোগ।
হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া পলাশ স্যার নিজের তিলে তিলে গড়ে তোলা সব সহায়-সম্বল উজাড় করে দিয়েছেন চিকিৎসার পেছনে। যা তিনি তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করেছিলেন। তাঁর ছোট ছেলে এখনো মাটির সাথে কথা বলে, আর বড় ছেলে সদ্য অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছে।
প্রায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এমন মরণঘাতী রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। তাঁর একমাত্র সহায় ছিল তাঁদের পৈতৃক ভিটেটুকু। সেটিও বন্ধক রেখে, স্ত্রীর সমস্ত স্বর্ণ বিক্রি করে, নানান অনুদানসহ ওনার কাছের মানুষজন ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ধার নিয়ে তিনি বিশাল অংকের একটা এমাউন্ট দেশে এবং ইন্ডিয়া'তে চিকিৎসার পিছনে উড়িয়ে দিয়েছেন। যে এমাউন্ট'টা মুখে আটবার মতো না।
এখন অব্দি ওনার মোট খরচ হয়েছে প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা!
যার বেশিরভাগই ঋণ। তিনি যদি দেশে ফিরে এই টাকা পরিশোধ না করতে পারেন, তাহলে তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের হয়তো পাওনাদাররা শান্তিতে থাকতে দেবে না।
কিন্তু সেসব পরিশোধ করার জন্য তো তাঁর প্রাণে বেঁচে থাকতে হবে...
এই সত্তর লক্ষ টাকায় তিনি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করেছেন ঠিকই, কিন্তু চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, কিছু মাইনর অপারেশন এখনই না করলে নতুন কিডনিটিও ধীরে ধীরে কার্যকারিতা হারিয়ে বিকল হয়ে যাবে।
ফলাফলস্বরূপ - সত্তর লক্ষ টাকার চিকিৎসা বিফলে!
শেষে তাঁর পরিবারকে পাওনাদারেরা ছিঁড়ে খাবে।
তাই যদি সম্ভব হয়, আপনার পক্ষে কিছু করার - তবে দয়া করে বিষয়টি বিবেচনায় রাখুন। যতদ্রুত সম্ভব কিছু করার চেষ্টা করুন। ওনার সময় আলোর গতি'তে ছুটছে
১০, ২০, ৫০, ১০০.... যার সামর্থ্য যতটুকু, তাই হোক।
আমাদের সকল দেশ-বিদেশের শুভাকাঙ্ক্ষী, গুরু ভাই-বোনদের অনুরোধ করবো;
আপনি আর্থিকভাবে সাহায্য করতে পারুন বা না পারুন, পোস্টটি অন্তত শেয়ার করুন।
আর আমার অন্যান্য পোস্টে যেমন তুমুলভাবে রিয়্যাক্ট ও কমেন্ট করেন, এখানেও তেমনটাই করুন, কারণ এই পোস্ট দ্রুত না ছড়ালে হয়তো পলাশ স্যার আর সুস্থ হয়ে দেশে ফিরতে পারবেন না। সময় ওনার ঘনিয়ে আসবে......
আর হ্যাঁ
এই হতদরিদ্র পলাশ স্যার সম্পর্কে আমার ছোট দাদাবাবু।
তাঁর ছোট ছোট চার আদরের ধন আমার ভাগ্নে-ভাগ্নি হয়।
অনুদান পাঠানোর যাবতীয় তথ্য ↓
◉ রোগীর স্ত্রীর বিকাশ / নগদ নম্বর - 01881764360 (Bithy)
◉ Bank Account Details
Sonali Bank
Account Name : Polash Acharjee
Account Number : 000000 2081856
Court Hill, Chittagong
বিঃদ্রঃ
অনেকের কাছেই শুনেছি
“এমনভাবে দান করো, যাতে ডান হাতে দান করলে বাম হাতও না জানে।”
কিন্তু আমরা মনে করি, আপনি যদি মাত্র ১০ টাকাও অনুদান দেন, তাতেও সংকোচের কিছু নেই।
কেননা আপনার এক একটি টাকাও এখন ওনার এক সেকেন্ড বেশি নিশ্বাস নেওয়ার সমতূল্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনার দেওয়া অনুদানের স্ক্রিনশট বা ছবি এই পোস্টের কমেন্টে দিন (ইচ্ছে হলে এমাউন্টটি মুছে দিতে পারেন)।
আমাদের বিশ্বাস
আপনার এই ছোট উদ্যোগটা কমেন্টে দেখলে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবে সাহায্যের হাত বাড়াতে,
এবং পোস্টটি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏
゚viralシalシ