15/11/2025
#দৃষ্টিতে_এসেছে_নিউজটি:
দেখো বাঁশখালী অনলাইন ও ফেসবুক থেকে প্রকাশিত একটি নিউজে গন্ডামারা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত একটি মিছিলের ভিডিও সংযুক্ত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
উক্ত নিউজে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সাংগঠনিক বাস্তবতার সাথে অসঙ্গত।
স্পষ্ট করে জানাচ্ছি যে, এটি কোনো ব্যক্তিগত নেতৃত্বে পরিচালিত মিছিল ছিল না।
আমরা সবাই গন্ডামারা ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মরহুম আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর স্মরণসভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সম্মিলিতভাবে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছি (ব্যানারেও সে নামটি লেখা ছিল)।
মিছিলে অগ্রভাগে উপস্থিত ছিলেন—
আমি নিজে—ইঞ্জিনিয়ার শাহ নেওয়াজ
(সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল;
সাবেক সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল;আহ্বায়ক পদপ্রার্থী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদল); গন্ডামারা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক ফরিদুল আলম রানা, বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবু আহমদ, সাবেক যুবনেতা এড. আজিজুল হক, বাঁশখালী উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহমান,
সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রউফ সিকদার,
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ বাদশা,
মোস্তফা সিকদার, যুবনেতা মোহাম্মদ হোসাইন ছিদ্দিকি,
সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ ছলিম উদ্দিন,
মোহাম্মদ মুবিন, গন্ডামারা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু সৈয়দ, যুগ্ম আহ্বায়ক রহুল আমিন,
ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মুজিব, যুবদল নেতা রমিজ উদ্দিন আরও অনেক বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মী।
#সাংগঠনিক_বাস্তবতা_সম্পর্কে_গুরুত্বপূর্ণ_ব্যাখ্যা:
০১. বয়স নয়—সাংগঠনিক অবস্থানই সিনিয়রিটি নির্ধারণ করে:
কেউ বয়সে বড় হলেই সাংগঠনিকভাবে সিনিয়র—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
উদাহরণস্বরূপ:
বিএনপির নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক Mir Helal ভাই,
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব Lion Helaluddin ভাই ও Miskatul Islam Chowdhury Pappa ভাই উনারা বয়সে কারো জুনিয়র হতে পারেন, তবুও তাঁদের সাংগঠনিক অবস্থান সিনিয়র এবং সেই মর্যাদা সবাইকে মানতে হবে যদি কেউ তাঁদের অধীনস্থ ইউনিটে রাজনীতি করেন।
০২. অতীত সাংগঠনিক ভূমিকা ও দায়িত্ব:
আমি সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু ভাই ও আমিরুল ইসলাম খান আলিম ভাই অনুমোদিত কমিটির যুগ্ম আহবায়ক (২০১০–২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।
উক্ত কমিটিতে আমার ও মরহুম শহিদুল ইসলাম (বড় শহিদ) ভাইয়ের সুপারিশে বাঁশখালী উপজেলা ও পৌরসভা থেকে ৩৯ জন ছাত্রনেতা সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন সে সময়ে—যাদের একজন ছিলেন বর্তমান বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবু আহমদ।
সে কমিটির বহু আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক আজ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া মরহুম শফিউল বারী বাবু ভাই ও আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েল ভাই অনুমোদিত কমিটির অধীনে আমি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি(২০১৮-২০২২), যার সভাপতি ছিলেন সাইফুদ্দিন সালাম মিটু ভাই—বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক।
#রাজপথের_আন্দোলন ও ব্যক্তিগত ভূমিকা:
স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময়
বাঁশখালীর রাজপথ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার রাজপথ
এবং চট্টগ্রাম নগরীর রাজপথে একক নেতৃত্বে অসংখ্য মিছিল, মিটিং ও আন্দোলন পরিচালনা করেছি।
ঐসব আন্দোলনের কারণে আমি একাধিকবার রাজপথ থেকে গ্রেফতার হয়েছি, যার সংবাদ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
# নিউজ প্রকাশকারীদের প্রতি গঠনমূলক পরামর্শ:
এই মিছিলে নেতৃত্ব নিয়ে ভ্রান্ত নিউজ প্রকাশ করা হয়েছে - সাংগঠনিক জ্ঞানের ঘাটতি থেকে অথবা
৫ আগস্ট ২০২৪–এর পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে নবাগত বা নতুন হওয়ার কারণে।
#সাংগঠনিক_দায়িত্বশীলতার_জায়গা থেকে আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি:—
ভুল বুঝতে পারলে সেটি সংশোধন করুন, অভিজ্ঞ ও সিনিয়রদের যথাযথ মর্যাদা দিন, এবং আশাকরি ভবিষ্যতে সংবেদনশীল সাংগঠনিক বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করুন।
অন্যথায়—
আপনার নিজস্ব পথে আপনি একাই চলতে পারেন, তাতে কোনো বাধা নেই;
তবে সংগঠন কখনও ব্যক্তিবাদী রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয় না।