TerraLine Survey & Engineering Consultants

TerraLine Survey & Engineering Consultants "Accurate Survey, Smarter Structures". Professional land survey & engineering firm based in Rajshahi. Precision you can build on.

We ensure accurate mapping, smart design, and trusted consultancy. Born to explore and chase your dreams.�

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ◾ভূমি তথ্য ও সেব...
02/07/2025

অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন‍্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবেঃ

◾ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র
১। সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি
২। পূর্ববর্তী দাখিলার কপি
৩। জাতীয় পরিচয়পত্র
৪। একটি স্মার্টফোন/কম্পিটার ও ইন্টারনেট কানেকশন
৫। মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড
৬। জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং

বি:দ্র: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অনলাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।

◾অনলাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ

ধাপ ১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd )

ধাপ ২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি পাবেন)

ধাপ ৩- প্রোফাইল সেটিং করুন (প্রফাইলের তথ‍্যগুলি পুরণ করুন)

ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন

ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন

ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন

ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন

ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন

◾খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন

◾ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে

◾যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ‍্যমে খাজনা দিতে পারবেন

◾খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই।

Land Development Tax Management Project

✅ সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে✅ দলিল-পর্চা সম্পর্কে। ★খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:- ★পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তা...
02/07/2025

✅ সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে✅ দলিল-পর্চা সম্পর্কে।
★খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:- ★
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকা সামান্য এডিট ও বানান সংশোধন করে দেওয়া হলো:

জমি সংক্রান্ত যে কোনো বিষয় জানতে
আমার এই পেইজে যুক্ত থাকতে পারেন।
TerraLine Survey & Engineering Consultants
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম।
২) জে.এল নং: মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা।
৪) খং: খতিয়ান।
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের।
৬) হাল: বর্তমান।
৭) বং: বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
৮) নিং: নিরক্ষর।
৯) গং: আরো অংশীদার আছে।
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম।
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা।
১২) সনাক্তকারী: যিনি বিক্রেতাকে চিনেন।
১৩) এজমালী: যৌথ।
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক।
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল।
১৬) বাস্তু: বসতভিটা।
১৭) বাটোয়ারা: বণ্টন।
১৮) বায়া: বিক্রেতা।
১৯) মং: মোট।
২০) মবলক: মোট।
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়।
২২) হিস্যা: অংশ।
২৩) একুনে: যোগফল।
২৪) জরিপ: পরিমাপ।
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা।
২৬) সিট: নকশার অংশ।
২৬) দাখিলা: খাজনার রশিদ।
২৭) নক্সা: মানচিত্র/ম্যাপ।
২৮) পিং: পিতা।
২৯) জং: স্বামী।
৩০) দাগ নং: জমির নম্বর।
৩১) স্বজ্ঞানে: নিজের বুঝ অনুযায়ী।
৩২) সমূদয়: সব কিছু।
৩৩) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৩৪) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে।
৩৫) বিং: বিস্তারিত।
৩৬) দং: দখলকার।
৩৭) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত।
৩৮) বদল সূত্র: জমি বিনিময়।
৩৯) মৌকুফ: মাফকৃত।
৪০) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা।
৪১) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান।
৪২) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ।
৪৩) অধুনা: বর্তমান।
৪৪) রোক: নগদ।
৪৫) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল।
৪৬) দান সূত্র: দানকৃত সম্পত্তি।
৪৭) দাখিল খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন।
৪৮) তফসিল: সম্পত্তির তালিকা।
৪৯) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমতি।
৫০) খতিয়ান: জমির রেকর্ড।
৫১) জরিপ: ভূমি পরিমাপ।
৫২) এওয়াজ সূত্র: বিনিময়সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া।
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন সম্পত্তি বণ্টন নির্দেশ।
৫৪) নামজারী: মালিকানা হস্তান্তর রেকর্ড।
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা।
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন।
৫৭) আমলনামা: জমি দখল সংক্রান্ত দলিল।
৫৮) আসলি: মূল ভূমি।
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ।
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত।
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র।
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি।
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৬৪) কিত্তা: ভূমি খণ্ড।
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ।
৬৬) কায়েম স্বত্ত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা।
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল।
৬৮) কান্দা: উচ্চ ভূমি।
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ।
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি।
৭১) খিরাজ: খাজনা।
৭২) খসড়া: প্রাথমিক ভূমি রেকর্ড।
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি।
৭৪) গির্ব: বন্ধক।
৭৫) জবর-দখল: জোরপূর্বক দখল।
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব।
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি।
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণাপত্র জারি।
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা।
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়া।
৮১) তফসিল: বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ।
৮২) নামজারী: ভূমি মালিকানা হস্তান্তর।
৮৩) নথি: রেকর্ড।
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৮৫) দখলী স্বত্ত্ব: ভূমি দখলের মালিকানা।
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের জন্য জমি বন্দোবস্ত।
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর।
৮৮) দরবস্ত: সমুদয়/সব কিছু।
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনাদাতা।
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ।
৯১) নাম খারিজ: মালিকানা পৃথককরণ।
৯২) তুদাবন্দী: সীমানা নির্দেশ।
৯৩) তরমিম: সংশোধন।
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির রেকর্ড।
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলি দিয়ে গঠিত চর।
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের লাইন পরিমাপ।
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি।
৯৮) চর: নদীর পলিমাটি জমে গঠিত ভূমি।
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা।
১০০) খাস: সরকারি দখলীয় জমি।
শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে।
#দলিল #জমি

25/06/2025

I got over 50 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

24/06/2025

সম্পত্তি বেদখল হলে বা দখল করার চেষ্টা করলে জরুরি ভিত্তিতে যে আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

সম্পত্তি বেদখল হলে বা দখল করার চেষ্টা করলে জরুরি ভিত্তিতে যে আইনি পদক্ষেপ নেবেন
বাংলাদেশে জমি দখল এখন আর কেবল দেওয়ানি আদালতের দীর্ঘসূত্রতা নির্ভর একটি বিষয় নয়। ২০২৩ সালের “ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন” কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টেছে। জমির প্রকৃত মালিক এখন দ্রুত ও কার্যকর প্রতিকার পেতে পারেন, তাও সরাসরি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেই।
জোরপূর্বক দখল বা উচ্ছেদের শিকার হলে কী করবেন?
আইনের ৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ বৈধ মালিকানাধীন জমি থেকে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে কিংবা দখল করে নেয়, তাহলে আপনি সরাসরি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার নিয়ম:
নির্ধারিত ফরমে (ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী) আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে জমির মালিকানা সম্পর্কিত দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদন নিজে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে দাখিল করা যাবে।

কী করবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট?

অপর পক্ষকে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করবেন।
প্রয়োজন হলে সরেজমিন তদন্ত বা সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারের মাধ্যমে যাচাই করবেন।
যাচাই শেষে যথাযথ আদেশ প্রদান করবেন।
জরুরি হলে কী ব্যবস্থা নেবেন ম্যাজিস্ট্রেট?
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দখলদার উচ্ছেদ করে প্রকৃত মালিককে জমির দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন।
আদেশ অমান্য করলে ওয়ারেন্ট ইস্যু করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য বন্ড নেওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে।
কতদিনে নিষ্পত্তি?
এই ধরনের অভিযোগ ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে আইনে।
তবে, যদি জমি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয় এবং এখনো বণ্টন না হয়, বা দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান থাকে, তাহলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আপনি দেওয়ানী আদালতে বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মোবাইল কোর্টের আবেদন করতে পারেন।

এই আইন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এতদিন জমির দখল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে মানুষকে বছর বছর আদালতের দ্বারে ঘুরতে হতো। এখন এই নতুন আইন বাস্তবায়নের ফলে, সাধারণ মানুষ দ্রুত ন্যায্যতা পাচ্ছে এবং ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

🍁 কীভাবে এক নজরে বুঝবেন জমির কাগজ ঠিক আছে কিনা? 🍁 জমি কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জমির কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা ...
24/06/2025

🍁 কীভাবে এক নজরে বুঝবেন জমির কাগজ ঠিক আছে কিনা? 🍁
জমি কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জমির কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়া। অনেকেই এই জায়গায় ভুল করেন, যার ফলে পরে জমি হারানোর মতো বড় বিপদে পড়েন। তাই আজকের লেখায় জানুন – এক নজরে জমির কাগজ ঠিক আছে কিনা বোঝার ৫টি সহজ উপায়।
১. দলিলে বর্তমান মালিকের নাম আছে কিনা যাচাই করুন

সবার আগে জমির রেজিস্ট্রেশন দলিলে যিনি মালিক দেখানো হয়েছে, তার নাম, ঠিকানা এবং আইডি নম্বর যাচাই করুন।
টিপস: দলিলের শেষে নোটারি বা সাব-রেজিস্ট্রারের সীল ও স্বাক্ষর আছে কিনা দেখুন।
২. খতিয়ান এবং দলিলের তথ্য মিলিয়ে দেখুন

খতিয়ান হচ্ছে জমির রেকর্ড। এটি BS/RS/CS বা City Survey হতে পারে।
যাচাই করুন:

মালিকের নাম

জমির দাগ নম্বর

জমির পরিমাণ

মৌজা নাম
এগুলো যদি দলিলের সাথে মিলে যায়, তাহলে আপনি অনেকটাই নিরাপদ।
৩. নামজারি হয়েছে কিনা দেখে নিন (ই-নামজারি হলে ভালো)

জমির মালিক যদি নামজারি করে থাকেন, তাহলে ভূমি অফিসে বা land.gov.bd ওয়েবসাইটে যাচাই করে দেখে নিন।
নামজারি না থাকলে পরবর্তীতে আপনাকেই সমস্যায় পড়তে হবে।

৪. জমিতে কোনো মামলা আছে কিনা যাচাই করুন

জমি কিনার আগেই যাচাই করুন জমিটি মামলা-মোকদ্দমায় আছে কিনা।
যাচাইয়ের উপায়:

স্থানীয় ভূমি অফিস

অনলাইন (জমির দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর দিয়ে চেক করুন)

৫. দখল ও ব্যবহার নিশ্চিত করুন

জমির মালিক আসলে দখলে আছেন কিনা এবং জমি ব্যবহার করছে কিনা সেটা দেখে বোঝা যায় জমি নিয়ে ঝামেলা আছে কিনা।
প্রতিবেশীদের জিজ্ঞেস করুন:
– এই জমির মালিক কে?
– কেউ কি দাবি করে?
– কোনো বিরোধ আছে?

সংক্ষেপে কাগজ যাচাইয়ের চেকলিস্ট:

রেজিস্টার দলিল

সর্বশেষ খতিয়ান

নামজারি (ই-নামজারি হলে ভালো)

মামলার তথ্য (থানা ও ভূমি অফিসে খোঁজ নিন)

মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী দাগ মিলিয়ে দেখুন

জমির লোকেশন ফিজিক্যালি যাচাই করুন।

✅ জাল দলিল চেনার উপায় কি?জমি কেনার আগে দলিল ঠিক আছে কি-না সেটি নির্ণয় করা প্রাথমিক কাজ। এক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে সাধারণ ধ...
24/06/2025

✅ জাল দলিল চেনার উপায় কি?

জমি কেনার আগে দলিল ঠিক আছে কি-না সেটি নির্ণয় করা প্রাথমিক কাজ। এক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে সাধারণ ধারনা প্রত্যেকের থাকা উচিত।

১) দলিলের প্রথম পাতায় সবার উপরে দুটি নাম্বার থাকে, যার একটি বামে এবং অন্যটি ডান দিকে থাকে। বাম দিকের নাম্বারটি ডান দিকের নাম্বার থেকে বড় হয়; বামদিকে ৪৯৩৮ থাকলে ডানদিকে তার থেকে ছোট সংখ্যা হবে যেমন ৪৮৯৩। বামদিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিলের ক্রমিক নাম্বার এবং ডান দিকের সংখ্যাকে বলা হয় দলিল নাম্বার। বাম দিকের ক্রমিক নাম্বারটি যদি ডান দিকের দলিল নাম্বার থেকে ছোট হয় তাহলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে সন্দেহের অবকাশ থাকে।

২) প্রত্যেক নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প উত্তোলনের সময় স্ট্যাম্পের পিছনে উত্তোলনকারীর নাম এবং তারিখ থাকে। কোন সাফ-কবলা দলিল উক্ত স্ট্যাম্পের উপর লিখিত হলে যদি দেখা যায় যে, স্ট্যাম্প উত্তোলনের তারিখের পূর্বের তারিখে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছে তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলার অবকাশ থাকে।

৩) দলিল দাতার সাক্ষর এবং টিপসই পরীক্ষা করে জালিয়াতি নির্নয় করা যায়। এর জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করতে হয়। আবেদন করা হলে যার হাতের লেখা, টিপসই বা সাক্ষর বলে দাবি করা হচ্ছে তাকে নোটিস দিতে হয়। তারপর, উক্ত ব্যক্তির লেখা, সাক্ষর বা টিপসই নেওয়া হয়। যদি মৃত্যু বা অন্য কোন কারনে লেখক বা স্বাক্ষরকারীকে না পাওয়া যায় তবে তার আগের কোন লেখা, টিপসই বা স্বাক্ষর অন্য দলিল হতে সংগ্রহ করে বিশেষজ্ঞের পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। পরীক্ষার পর দলিলটি জাল কিনা সে সিদ্ধান্তে পোঁছানো যায়।

৪) ১৯৬০ সালের পর থেকে বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে দশমিক পদ্ধতির হিসাব প্রবর্তিত হয়; ১৯৬০ সনের পূর্বের দলিলে যদি দশমিক পদ্ধতিতে জমির হিসাব খাজনার পরিমান উল্লেখ থাকে তবে দলিলটি জাল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।

৫) কোন রেজিষ্ট্রি দলিল নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে তর্কিত রেজিষ্ট্রি দলিলটি সম্পাদনের সময় উক্ত অঞ্চলে সাব-রেজিষ্ট্রার কে ছিলেন তা বাহির করে তার স্বাক্ষর কৃত বিশুদ্ধ অন্য দলিলের সহিত তর্কিত দলিলটির স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখে জাল দলিল সনাক্ত করা যায়।

৬) 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি ১৯৭৬ সনে ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ জারির পর থেকে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার হয়ে থাকে। ১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিলে যদি 'ভূমি উন্নয়ন কর' শব্দটি লিখে তা পরিশোধের কথা বলা হয়ে থাকে তাহলে দলিলটি জাল হিসেবে ধরে নেওয়ার অবকাশ থাকে।

৭) সন্দেহকৃত দলিলে যদি বিভিন্ন দলিল বা খতিয়ানের রেফারেন্স দেওয়া থাকে তাহলে উক্ত দলিল বা খতিয়ান পর্যালোচনার মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের ধারাবাহিক বিবরণ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে তর্কিত দলিলের সহিত বায়া দলিলের মালিকানা হস্তান্তরের বিবরনের সামঞ্জস্য না থাকলে দলিলটি জাল দলিল হিসেবে গন্য করার অবকাশ থাকে।

৮) কোন দলিলের রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে সন্দেহের উদ্বেগ হলে রেকর্ড রুমে তল্লাশীর মাধ্যমে দলিলটি রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে কি হয় নাই তা জানা যায়। তল্লাশীর মাধ্যমে বালাম বহিতে যদি দলিলটির রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে কোন তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে দলিলটি জাল দলিল বলে গন্য করা হবে।

৯) অনকে সময় দেখা যায়, জাল দলিলকারী মূল দলিলটির দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা,দলিলের অন্যান্য বিবরণ ঠিক রেখে শুধুমাত্র দাতা-গ্রহীতার ছবি এবং এন আই ডি নাম্বার পরিবর্তন করে অন্যজনের ছবি সংযুক্ত করে হুবুহু একটি জাল দলিল সৃজন করে। আপনি যখন দলিলটি তল্লাশি দিবেন তখন মুল দাতা-গ্রহীতার নাম, ঠিকানা সবই সঠিক পাবেন এবং দলিলটি যে জাল সেটি সনাক্ত করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে দলিলে সংযুক্ত ব্যক্তিটির ঠিকানা এবং তার ছবিটি সঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।

TerraLine Survey & Engineering Consultants
বিস্তারিত জানতে কল করুন :- 01852-480763

Address

Rajshahi
6201

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TerraLine Survey & Engineering Consultants posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share