SHR Construction Learning

SHR Construction Learning You can gain knowledge and idea about your building and construction..

07/12/2025

Water DO Test

Alkalinity is the water’s capacity to neutralize acid. It’s determined by titration with a standard acid using two indic...
03/11/2025

Alkalinity is the water’s capacity to neutralize acid. It’s determined by titration with a standard acid using two indicators/end-points:
• Phenolphthalein end-point (pH ≈ 8.3) — measures phenolphthalein alkalinity (P) (mainly OH⁻ + CO₃²⁻).
• Methyl orange or bromocresol green–methyl red mixture end-point (pH ≈ 4.5) — measures total alkalinity (T) (HCO₃⁻ + CO₃²⁻ + OH⁻).
Alkalinity is reported as mg/L CaCO₃.

অ্যালকালিনিটি বা ক্ষারত্ব হলো পানির অম্ল (acid) নিরপেক্ষ করার ক্ষমতা। এটি নির্ধারণ করা হয় একটি মানক অ্যাসিড (standard acid) দিয়ে টাইট্রেশন পদ্ধতির মাধ্যমে, যেখানে দুটি নির্দেশক (indicator) বা শেষ বিন্দু (end-point) ব্যবহার করা হয়ঃ
• ফিনলফথালিন এন্ড পয়েন্ট (pH ≈ 8.3) — এটি ফিনলফথালিন অ্যালকালিনিটি (P) নির্দেশ করে, যা মূলত হাইড্রোক্সাইড (OH⁻) এবং কার্বোনেট (CO₃²⁻) আয়নের কারণে হয়।
• মিথাইল অরেঞ্জ বা ব্রোমোক্রেসল গ্রিন–মিথাইল রেড মিশ্রণ এন্ড পয়েন্ট (pH ≈ 4.5) — এটি মোট অ্যালকালিনিটি (T) নির্দেশ করে, যা বাইকার্বোনেট (HCO₃⁻), কার্বোনেট (CO₃²⁻) এবং হাইড্রোক্সাইড (OH⁻) আয়নের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্টি হয়।

📌 টপিক: “বাংলাদেশে যে সকল সিমেন্ট পাওয়া যায়?”🧱 ভূমিকা:  বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সিমেন্ট পাওয়া যায়, যা নির্মাণ কাজের ধরন ...
22/10/2025

📌 টপিক: “বাংলাদেশে যে সকল সিমেন্ট পাওয়া যায়?”

🧱 ভূমিকা:
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সিমেন্ট পাওয়া যায়, যা নির্মাণ কাজের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার হয়। প্রতিটি সিমেন্টের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, গুণমান ও প্রয়োগ ক্ষেত্র রয়েছে।

🔍 মূল বিষয়:

✅ **বাংলাদেশে সাধারণত যে ধরণের সিমেন্ট পাওয়া যায়:**

১. **Ordinary Portland Cement (OPC):**
➤ Standard: BDS EN 197-1:2003, CEM-I 52.5N
➤ Standard: EN 197 Type CEM-I
➤ Standard: ASTM C 150 Type-I
➤ দ্রুত শক্ত হয়
➤ প্রধানত RCC ও স্ট্রাকচারাল কাজে ব্যবহৃত হয়
➤ রাস্তা, ব্রিজ, কলাম ও বিম নির্মাণে আদর্শ
➤ Clinker: ৯৫-১00%
➤ Gypsum: 0-৫%

২. **Portland Composite Cement (PCC):**
➤ Standard: BDS EN 197-1:2003, CEM-II/A-M(S-V-L), 42.5N
➤ Standard: ASTM C 595
➤ ধীরে শক্ত হয়
➤ ফিনিশিং, প্লাস্টার ও সাধারণ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়
➤ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব
➤ Clinker: ৮0-৯৪%
➤ Fly Ash & Slug: ৬-২0%
➤ Gypsum: 0-৫%

৩. **Portland Composite Cement (PCC):**
➤ Standard: BDS EN 197-1:2003, CEM-II/B-M(S-V-L), 42.5N
➤ ধীরে শক্ত হয়
➤ ফিনিশিং, প্লাস্টার ও সাধারণ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়
➤ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব
➤ Clinker: ৬৫-৭৯%
➤ Fly Ash & Slug: ২১-৩৫%
➤ Gypsum: 0-৫%

৪. **Portland Pozzolana Cement (PPC):**
➤ Standard: IS 1489 (Part-1): 2015
➤ Clinker: ৬৫-৭৫%
➤ Fly Ash & Slug: ১৫-৩৫%
➤ Gypsum: 0-৫%

৫. **White Cement:**
➤ ফিনিশিং, ডেকোরেটিভ ও অভ্যন্তরীণ কাজে ব্যবহার হয়
➤ সাধারণ কাঠামোগত কাজে ব্যবহৃত হয় না

✅ **সিমেন্ট বেছে নেওয়ার সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত:**
- নির্মাণ কাজের ধরন (স্ট্রাকচারাল না নন-স্ট্রাকচারাল)
- প্রয়োজন অনুযায়ী OPC না PCC
- পরিবেশগত শর্ত (ভিজা এলাকা, সালফেটযুক্ত মাটি ইত্যাদি)
- সিমেন্টের উৎপাদনের তারিখ ও সংরক্ষণের অবস্থা
- ব্যাগে আর্দ্রতা বা চুন দানা আছে কিনা যাচাই করা

“সিমেন্টের ধরন ঠিক না হলে, ডিজাইন যত ভালোই হোক কাঠামো টিকবে না।”

সঠিক নিয়ম জানুন-ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন...
04/02/2025

সঠিক নিয়ম জানুন-
ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।

১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।

২) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।

৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।

৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।

৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগে, ফলে মিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।

৬) ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।

৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।

৮) কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে (নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।

৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫ (৫” গাথুনির জন্য)

১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।

১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।

১২) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।

১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।

১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।

১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। (একদিনে ৩ ফুট করা উত্তম)

১৬) ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন কিউরিং উপযুক্ত কেননাঃ- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে কংক্রিট ৫০% পর্যন্ত কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ লাভ করে এবং ২৮ দিনের মধ্যে তা ৯০% পর্যন্ত।

ধন্যবাদ।

#গাঁথুনি_করার_সঠিক_নিয়ম।

28/09/2024

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭কেজি।


#সিভিল #বীম #কাজের_ধাপ_সমূহ #একটি_বিল্ডিং_এর_শুরু_থেকে_পর্যন্ত

#শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন ।

ভালো বালু চেনার উপায়:নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালু, নির্মাণ কাজের জন্যে বলতে গেলে বালু ছাড়া কোন কাজ...
25/09/2024

ভালো বালু চেনার উপায়:

নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালু, নির্মাণ কাজের জন্যে বলতে গেলে বালু ছাড়া কোন কাজ করাই সম্ভব নয়। ঢালাই, ইটের গাঁথুনি, প্লাস্টার ইত্যাদি কাজে বহুলভাবে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি মূলত সিলিকা থেকে পাওয়া যায়। সাধারণত সমুদ্র বা নদীর উপকূলে, সমুদ্রের তলায়, নদীয় তলায় বালু পাওয়া যায়। এই বালুকে আমরা তিনভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলো হচ্ছে: পিট বালি, নদীর বালি, সমুদ্রের বালি। পিট বালি সাধারণত ভরাট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সমুদ্রের বালিতে ক্ষতিকর লবণ থাকায় ব্যবহারের অযোগ্য। তাই নির্মাণকাজে মূলত নদীর বালি ব্যবহার করা উচিৎ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই বালির মাঠ পরীক্ষা করতে হবে।

১। নির্মাণ কাজে বালি ব্যবহার করার আগে কোন প্রকার ময়লা, কাদামাটি যেন না থাকে তা বালির মাঠ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাণ কাজের পূর্বে বালি ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে যেন বালির সাথে সংযুক্ত কাদা, ময়লা, আগাছা, ডালপালা, নুড়ি বের হয়ে যায়।

২। খুব সহজে কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষা দ্বারা গুণাগুণ চিহ্নিত করা যেতে পারে। যেমন:

ক) এক হাতের তালুতে বালি নিয়ে অন্য হাত দিয়ে ঘষলে যদি হাতের তালুতে ময়লা লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো নয়।

খ) সামান্য বালি মুখে নিয়ে লবণাক্ততা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৩। একটি কাচের গ্লাসে ১/৪ ভাগ বালি দ্বারা এবং ৩/৪ ভাগ পানি দ্বারা পূর্ণ করে ঝাঁকানোর পর স্থির করলে যদি বালির স্তর একেবারে নিচে থাকে, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো। রঙহীন হলেও ভালো বালি বলে চিহ্নিত হবে।

৪। ৩% কস্টিক সোডা সল্যুশনের সাথে অল্প কিছু বালি যোগ করে একটি বোতলে কিছুক্ষণ ঝাঁকিয়ে ২৪ ঘন্টা ঐ অবস্থায় রেখে দিতে হবে। যদি বোতলে রক্ষিত দ্রব্যের রং পরিবর্তন হয়ে বাদামী হয়, তবে বুঝতে হবে বালিতে রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান।

৫। আমরা সাইটে বালি ট্রাকে করে নিয়ে আসি। অনেক সময় অল্প শিক্ষিত মানুষ এই বালি গ্রহণ করে থাকে। সেই ব্যক্তিকে বোঝাতে হবে যে এক ট্রাক শুকনো বালির চেয়ে এক ট্রাক ভেজা বালির ওজন অনেক বেশি। তাই রাতের বেলা বালি সাইটে আসলে অবশ্যই তা শুকনো/ভেজা তা দেখে নিতে হবে। কারণ সম্পূর্ণ শুকনো বালিতে পানি মেশালে বালির আয়তন বৃদ্ধি পায়। এই বৃদ্ধির ফলে আমরা পরিমাণে কম বালি পাব।

৬। সাইটে পানি দিয়ে পরিশোধনের পর আগে শুকাতে হবে। ভিজা বালি নির্মাণ কাজে ব্যবহার করলে তা স্থায়িত্ব কমিয়ে দেয়।

৭। ল্যাবরেটরিতে বালির দানার গ্রেডিং নিরূপণ করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফলকে Fineness Modulus (FM) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। নির্মাণ কাজের জন্য উপযুক্ত চিকন বালির এফ এম ১.২ থেকে ১.৫ হতে হবে।

ভালো ইট চেনার উপায়:যারা বাড়ি নির্মান করার চিন্তা করেন তারা প্রথমেই ভাবেন ইট নিয়ে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ইট সম্পর্কে আপনাদে...
23/09/2024

ভালো ইট চেনার উপায়:

যারা বাড়ি নির্মান করার চিন্তা করেন তারা প্রথমেই ভাবেন ইট নিয়ে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ইট সম্পর্কে আপনাদের তেমন কোন আইডিইয়া থাকে না। ইট কেনার আগে অবশ্যই আপনাকে ইট সম্পর্কে খুবই ভালো ভাবে জেনে নিতে হবে। তাই আসুন ইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানি-

1) একটি ইট নিয়ে তার গায়ে নখের আঁচড় কাটার চেষ্টা করলে তাতে আঁচড় পড়বে না। যদি আঁচড় পরে তাহলে বুঝতে হবে ইটটি ভালো না।

2) একটি ইটকে অন্য একটি ইট দিয়ে আঘাত করলে যদি ঘাতব শব্দ উৎপন্ন হয়, তাহলে বুঝতে হবে ইটটি ভালো।

3) দুইটি ইটকে টি (T) এর মতো করে ধরে ২ মিটার উঁচু থেকে ফেলে দিলে যদি ভেঙ্গে যায়, তাহলে ইটটি ভালো না আর যদি ভেঙ্গে না যায়, তাহলে ইটটি ভালো।

4) একটি পাত্রে যদি ইটকে ভিজানো হয় এবং তা বুদবুদ সহকারে বেশ পরিমাণ পানি শোষণ করে নেয় এবং পানি ঘোলাটে হয়, তবে এটি ভালো ইট নয়।

5) একটি ইটটে ভেঙ্গে টুকরা করা হলে যদি টুকরা গুলোর রঙ দেখতে একই রকম হয়, তবে এটি ভালো ইট।

6) ইটের ধার ও কোণ গুলো সুক্ষ ও তীক্ষণো হলে বুঝতে হবে এটি ভালো ইট।

7) ইটের পৃষ্ট মসৃন ও সমতল হলে এটি ভালো ইট।

8) ইটের মাপ আদর্শ থাকবে, যেমনঃ (৯.৫" x ৪.৫" x ২.৭৫")

9) ইটের ওজন ৩.৫ কেজির বেশী হবে না।

10) ভালো ইট পানিতে ভেজালে আয়তনে পরিবর্তন হয় না।

ইটের বিবরণ :
আমাদের দেশে সাধারনত ৯.৫" x ৪.৫" x ২.৭৫" সাইজের ইট, যা মিলি মিটারে ( 238 x 114 x 70 ) বাংলা ইট ব্যাবহার হয়ে থাকে, এই মান PWD এর সিডিউল অনুযায়ী। মসলা সহ ১০" x ৫" x ৩" ( 250 x 125 x 76 )

ইটের প্রকারঃ
ইট পাঁচ প্রকার...
১। ১ম শ্রেনীর ইট।
২। ২য় শ্রেনীর ইট।
৩। ৩য় শ্রেনীর ইট।
৪। ঝামা ইট।
৫। পিকেট ইট।

ইটের কাজের পরিমাণ বাহির করার একক পদ্ধতিঃ

প্রতি ১০০ sft জায়গায় ইটের ৫" গাঁথুনিতে ইট লাগে = ৫০০ টি।
প্রতি ১০০ cft ইটের ১০" গাঁথুনিতে ইট লাগে = ১১৫০ টি।
প্রতি ১০০ sft জায়গাতে হেরিং বোন বন্ড করতে ইট লাগে = ৫০০ টি।
প্রতি ১০০ sft জায়গাতে সলিং করতে ইট লাগে = ৩০০ টি।

যারা বাড়ি নির্মান করছেন বা করবেন তাদের জন্য পোস্টটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।

পোস্টটি শেয়ার করে রেখে দেন যেকোন সময় কাজে আসবে।।

Welcome to this page.. You can know about construction related tips and ideas from here.
23/09/2024

Welcome to this page.. You can know about construction related tips and ideas from here.

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHR Construction Learning posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share