Mizrul’s Engineering Intel

Mizrul’s Engineering Intel Across the foundations of progress — fueling innovation, exchanging wisdom, and uplifting future creators. 🏗️💥

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিং...
22/11/2025

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে “বেস আইসোলেশন” ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।

এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?

সহজ কথায়: বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।

আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।

BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

আমদের যেন কখনো শিখতে না হয় দুর্ঘটনা থেকে।
শিখি জাপানের মত উন্নত দেশের প্রযুক্তি থেকে।

22/11/2025

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।
#ভূমিকম্প

ঢাকা মেট্রো রেল আর বিয়ারিং প্যাড নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:❑ এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৬৫ টা দেশে মেট্রো রেল অপারেট করছে, ...
28/10/2025

ঢাকা মেট্রো রেল আর বিয়ারিং প্যাড নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
❑ এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৬৫ টা দেশে মেট্রো রেল অপারেট করছে, যার মধ্যে বাংলাদেশ ৬০ তম দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।
❑ বিয়ারিং প্যাড লাগানো থাকে মেট্রো রেল ব্রিজের কলাম আর পাটাতনের মাঝে। ব্যবহৃত হয় ভারজনিত কম্পন নিউট্রাল করতে বা কম্পন শোষণ করার (কমানোর) জন্য।
❑ মেট্রো রোড থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে মানুষের মৃত্যু, এটা গত ৪০ বছরের মধ্যে পৃথিবীতে এটাই প্রথম।
❑ রাবার বিয়ারিং প্যাড খুব জনপ্রিয় হলেও এই প্যাড ব্যবহার করার জন্য বুয়েট নিষেধ করেছিল। বুয়েটের সাজেশন ছিল পড বা স্ফেরিক্যাল টাইপের প্যাড ব্যবহার করার জন্য।
❑ অনেকেই ভাবছে কমদামী যন্ত্রাংশ ব্যবহার করার কারণে মূলত এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা ঘটেছে মূলত মেট্রো ট্রেনে বেশি লোড নেওয়া, দ্রুতগতিতে মেট্রোরেলের বাঁক নেওয়া ও পর্যাপ্ত মেইনটেন্যান্সের অভাবে।
❑ ইলাস্টোমেরিক বিয়ারিং প্যাড বা রাবার প্যাড জাস্ট কলাম আর পাটাতনের মধ্যে ফিট করে বসানো থাকে। ট্রেনের লোড বেশি হলে এই প্যাড অধিক সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে রাবার প্যাডের স্থানচ্যুতি ঘটে। আবার ট্রেন বেশি গতিতে চললে আনুভূমিক বল বেশি কাজ করে বিধায় প্যাডটি সামনে বা পিছনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে, একসময় পড়ে যায়। ঠিক যেমন টেবিলের কিনারে কোনো বস্তু রাখা হলে একসময় পড়ে যায়।
❑ স্ফেরিক্যাল বা পড প্যাড আলাদা একটি ইস্পাতের বক্সের মধ্যে বসানো থাকে, এরপর ঐ বক্সের সাথে চার বা আটটি নাটবোল্টের সাহায্যে কলামের উপর বসানো থাকে। ইস্পাতের বক্সে থাকায় রাবার সঙ্কুচিত হতে পারে কম বিধায় লোড নিতে পারে বেশি আর স্থানচ্যুতিরও ভয় থাকে না। আবার মেট্রো বেশি গতিতে চললেও নাটবোল্টের সাহায্যে সংযুক্ত থাকায় জিনিসটি অবিকল থাকে। এছাড়াও এই টাইপের প্যাডে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন PTFE বা টেফলন স্লাইডিং অংশ থাকে যা জটিল নড়াচড়াকেও ব্যালান্স করতে পারে।
❑ যে রাবার বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়েছে সেটার ভর অলমোস্ট ১৫০ কেজি যা কয়েকটি স্তরে বিভক্ত থাকে। বিল্ডিং থেকে ইট খুলে পড়ে এর আগে ঢাকার পান্থপথ ও চিটাগংয়ে দুজন মারা গেছে। মহাখালি ফ্লাইওভার থেকে রড খুলে মাথায় পড়ে একজন মারা গেছে। সেখানে এমন ভারী জিনিস পড়ে মৃত্যু ঘটাই স্বাভাবিক। পড প্যাডের ভর রাবার প্যাডের চেয়ে অনেক বেশি হলেও নাটবোল্টের মাধ্যমে যুক্র থাকার কারণে খুলে পড়ার আশঙ্কা নেই বলা যায়।
❑ রাবার প্যাডের লোড ক্ষমতা প্রায় ৪০০ টন আর একই মানের পড বিয়ারিং প্যাডের লোড ক্ষমতা ২০০০ টন অর্থাৎ প্রায় ৫ গুণ। পড বিয়ারিং প্যাড অনেক বেশি ভালো হলেও এটার খরচ আর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি হওয়ায় সম্ভবত রাবার প্যাড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অথবা এটাও হতে পারে টাকা স্যাংশন করেছে পড বিয়ারিং প্যাডের আর ব্যবহার করেছে রাবার প্যাড। বাকি টাকা এখন ভারত বা ইংল্যান্ডে গেছে।
❑ এর আগেও ২০২৪ সালে ফার্মগেটে (খামার বাড়ি মোড়ে) রাবার প্যাড খুলে রাস্তায় পড়েছিল যদিও তখন কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। এমন প্যাড খুলে পড়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি মেট্রো রোডের যেখানে যেখানে বাঁক বেশি। এসব জায়গায় রাবার বিয়ারিং প্যাড বেশ আনস্ট্যাবল থাকে বিধায় নড়ে গিয়ে পড়ে যাওয়ার চান্স বেশি। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ফার্মগেটের দুই পাশ আর ঢাকা ভার্সিটির মধ্যে দুই পাশে প্রায় ১২০ ডিগ্রির মতো বাঁক আছে যেসব খুবই বিপদজনক। এসব জায়গায় রেগুলার চেকাপের মধ্যে না রাখলে এমন দুর্ঘটনা আরও ঘটবে।
*— নির্মাণ ত্রুটি বা ইন্সট্রুমেন্ট চয়েসের চেয়ে আমার মতে এসব প্রজেক্টে বেশি গাফলতি হয়/হচ্ছে মেইনটেন্যান্স সিস্টেমে। এই প্যাড একদিনে সরে গিয়ে পড়ে যায় নি, ধীরে ধীরে এটার স্থানচ্যুতি ঘটছে। সঠিক মেইনটেন্যান্স থাকলে এই ঘটনা রোধ করা সম্ভব ছিল। মেট্রোরেলের ২১ কিলোমিটার রাস্তায় প্রায় ৩ হাজার রাবার বিয়ারিং প্যাড ব্যবহৃত হয়েছে। শুধু ফার্মগেট নয় বরং প্রতিটি স্থানে এসবের উপর নজরদারি আবশ্যক। দুর্ঘটনা ঘটার পরেও যদি কর্তৃপক্ষ সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারে, তাহলে আর কবে? কথায় নয়, জনগণ কাজে প্রমাণ দেখতে চায়।

Layer details of a bituminus road! 🛣️
24/10/2025

Layer details of a bituminus road! 🛣️

🌉Component & Structure of a Bridge🌉🤞Introduction: Bridge is that kind of structure which is used for across the river, c...
05/09/2025

🌉Component & Structure of a Bridge🌉

🤞Introduction: Bridge is that kind of structure which is used for across the river, canal, road or rail-line. Its design and structure depends on load, span and environmental factors. A bridge mainly has two parts are- Superstructure & Substructure. Without these more parts are also important likes Bearings, Expansion Joints, Deck system etc.

💥 Main Components of Bridge:

👉🏽 Superstructure (Upper Part)-
▪️Deck Slab: Platform for Vehicles and peoples movement.
▪️Girders / Beams: Provide support to deck slab and transfer the loads.
▪️Stringers: Small beam work as a connector between Girder and Deck slab.
▪️Bracing System: Maintaining the Girder stability.
▪️Expansion Joint: Controlling the expansion due to thermal changes.

👉🏽 Substructure (Lower Part)-
▪️Piers: Middle column for pier or deck support
▪️Pier Cap: Upper part of pier where girder placed.
▪️Abutment: Supporting structure of bridge both edge.
▪️Wing Walls: Support the approach road.
▪️Foundation: Shallow or Deep (Pile, Oil, Caisson)।

👉🏽 Bearings:
▪️Placed between pier and girder.
▪️Transfer the load and adjusting the movement.
▪️Types: Elastomeric, Pot Bearing, Roller Bearing.

👉🏽 Accessories:
▪️Parapet / Railing: For safety purpose.
▪️Drainage System: For water removes.
▪️Lighting & Signage: For night visibility.

⭐️ Bridge Structural Types:
👉Beam Bridge: Simple General type.
👉Arch Bridge: Historical & Decorative
👉Truss Bridge: Lightweight but high-strength absorb.
👉Suspension Bridge: For long span.
👉Cable-Stayed Bridge: Popular for Highway & Expressway.

🧠 As Memorable:
“A Bridge is not just a structure, It is a symbol of connectivity”

01/09/2025





Modern Construction Material Alert! 💥Material name: Glass Fiber Reinforced Polymer (GFRP)🤞Introduction: GFRP (Glass Fibe...
31/08/2025

Modern Construction Material Alert! 💥

Material name: Glass Fiber Reinforced Polymer (GFRP)

🤞Introduction:
GFRP (Glass Fiber Reinforced Polymer) is that kind of composite material, where glass fibres are using as reinforcement material and polymer matrix are working as binder. It got popularity at modern construction for its lightweight, durability and corrosion resistance.

⭐️ What is GFRP?
GFRP (Glass Fiber Reinforced Polymer) is the composite material by the mixer of Fibre making from Glass Fiber and Polymer ( Generally Epoxy, Polyester or Vinyl Ester Resin). It is used as the replace material of regularly used steel reinforcement where the corrosion problem is mainly highlighted.

⭐️Main Features of GFRP-
Lightweight: It is 4-5 times lighter than steel.

Corrosion Resistance: Useful for nearby ocean, Chemical Plant.

High Tensile Strength: Equal or Higher tensile strength of steel.

Electrical Insulator: Its not a conductor of electricity.

Less Thermal Conductivity: Thermal conductor is low.

⭐️Uses of GFRP:
Concrete Reinforcement: The alternative of Steel Rod (Corrosion Free Rebar).

Bridge & Highway Structure: For Salted-road or Sea-Bridge.

Architecture Design: Curtain Wall, Façade Elements।
Marine Structure: Jetty, Port Structure

⭐️Benefits:
Durable (Corrosion less)
Lightweight, Easy to carry.
Less Maintainable.

⭐️Difficulties:
Initial cost is high.
Ductility low (Has no bending capacity like steel).
Fire Resistance is limited.





31/08/2025


Initial intel Swapping!
Which number is multiple for converting Mpa value to Psi value?
If you guess the correct it will be appreciate by page authority.

Hopefully everyone will do support by exchanging your engineering intel here and do follow, like and share to connect th...
31/08/2025

Hopefully everyone will do support by exchanging your engineering intel here and do follow, like and share to connect this page to others for swapping more and more engineering intel’s to us!




Address

Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mizrul’s Engineering Intel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share