Environmental Chemical & Water Solution.

Environmental Chemical & Water Solution. Environmental Chemical & water Solution.

09/09/2024
১ অক্টোবর থেকে ক্রেতাদেরকে পলিথিনের ব্যাগে কোনো পণ্য দিতে পারবে না বাংলাদেশের সুপারশপগুলো৷ বিকল্প হিসেবে পাট বা কাপড়ের ব...
09/09/2024

১ অক্টোবর থেকে ক্রেতাদেরকে পলিথিনের ব্যাগে কোনো পণ্য দিতে পারবে না বাংলাদেশের সুপারশপগুলো৷ বিকল্প হিসেবে পাট বা কাপড়ের ব্যাগ রাখতে হবে৷ এই সিদ্ধান্ত নিয়ে জানান আপনার মতামত৷👇

পৃথিবীতে যতটুকু পানি সঞ্চিত আছে তার ৯৭ শতাংশ লবণাক্ত পানি আর বাকি ৩ শতাংশ সুপেয় পানি। এই ৩ শতাংশ পানি শুধু ভূগর্ভস্থ নয়।...
01/02/2024

পৃথিবীতে যতটুকু পানি সঞ্চিত আছে তার ৯৭ শতাংশ লবণাক্ত পানি আর বাকি ৩ শতাংশ সুপেয় পানি। এই ৩ শতাংশ পানি শুধু ভূগর্ভস্থ নয়। এই ৩ শতাংশ পানি পৃথিবীতে বিভিন্নরূপে সঞ্চিত আছে। ৬৬ দশমিক ৭ শতাংশ বরফরূপে, ৩০ দশমিক ১ শতাংশ ভূগর্ভস্থে, ০ দশমিক ৩ ভূউপরস্থ মিঠা পানি।

24/09/2023

চিপস খেয়ে প্যাকেটটা কোথায় ফেলেন?
রাস্তায়!!

কোক খেয়ে বোতল কোথায় ফেলেন?
রাস্তায়!!

ঝালমুড়ি খেয়ে ঠোঙ্গা টা কোথায় ফেলেন?
রাস্তায়!!

ময়লা আবর্জনা ঢুকিয়ে ঠোঙ্গাটা কোথায় ফেলেন?
রাস্তায়!!

আর এইসব ময়লা প্লাস্টিকের বোতল সব রাস্তা থেকে কোথায় যায়?
ড্রেন, নালা, নর্দমায়।
এই সব ময়লা আবর্জনা পলিথিন, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল জমাট হয়ে বন্ধ করে রাখে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক গতি। তাই সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে যায় পানি।

এগুলো কি সরকার ফেলে যায়?

জলাবদ্ধতার ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়ে গালাগালি করি সরকার কে, টিটকারি মেরে বলি উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছি,
কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন এর জন্য কিন্তু আমরাই দায়ী।

না,
আমরা কেন নিজেদের দায়ী ভাবব। আমরা তো সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনে ব্যস্ত। আমরা তো সব সময় যে সরকার আসবে থাকে নিয়ে সমালোচনায় ব্যস্ত হয়ে থাকি। কিন্তু দোষ টা কার সেটা দেখি না। কারণ চোখে কালো চশমা পড়ে আছি তাই!!
আমাদের নিজেদের পরিবর্তন দরকার।। নিজে পরিবর্তন হলেই দেশ কিছুটা পরিবর্তন হবে।।।

 যে আমাকে ফেলেছে ছুড়ে, সে গিয়েছে মরেঅথচ আমি বেঁচেই আছি ৪০০ বছর ধরে।প্লাস্টিক এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা উপাদান ভেদে প্র...
17/06/2023



যে আমাকে ফেলেছে ছুড়ে, সে গিয়েছে মরে
অথচ আমি বেঁচেই আছি ৪০০ বছর ধরে।

প্লাস্টিক এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা উপাদান ভেদে প্রায় ৫০০ বছরেও পরিবেশের সাথে মিশে না বরং ক্ষতি করে অবিরাম।

প্লাস্টিক পদার্থটি পরিবেশে পঁচতে অথবা কারখানায় পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করতে প্রচুর সময় লাগে ৷ তাই একে "অপচ্য পদার্থ" বলা হয়।

বর্তমানে লক্ষ্যণীয়, একেবারে ক্ষুদ্রতম প্ল্যাংকটন থেকে শুরু করে অতিকায় সব ধরণের সামুদ্রিক প্রাণীই যে প্লাস্টিক খাচ্ছে তার অনেক প্রমান পাওয়া গিয়েছে। সমূদ্রে সব প্লাস্টিকের ওপরই দ্রুত এক ধরণের মাইক্রোব বা ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র জীবাণুর আস্তরণ পড়ে। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় একে বলা হয় 'প্লাস্টিস্ফেয়ার'। এই পিচ্ছিল জীবন্ত আস্তরণ থেকে যে রাসায়নিক নির্গত হয়, সেটাই আসলে প্লাস্টিককে লোভনীয় খাদ্যে পরিণত করে। যার কারণে প্লাস্টিক থেকে তখন খাদ্যের মতোই গন্ধ বের হয় এবং এর স্বাদও হয় সেরকম। মেছো গন্ধের কারণেই পানির নিচে প্রাণীরা প্লাস্টিকের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

সুতরাং ব্যবহার পরবর্তীতে প্লাস্টিক সামগ্রী একবার যত্রতত্র ছুড়ে ফেললেই তা আমাদের ক্ষতি করবে শত শত বছরেরও বেশী সময় ধরে। এবং এই প্লাস্টিক যখন আমরা পানিতে ফেলছি তা কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে অনেক অবুঝ প্রাণীর।

মনে রাখা উচিৎ যে, প্রকৃতিকে আমরা যা দিব, প্রকৃতি ঠিক তেমনটাই আমাদেরকে ফেরৎ দিবে। প্লাস্টিক সামগ্রীর অসচেতন ব্যবহারে আমরা নিজেরাই নিজেদের এবং সাথে অন্যের ক্ষতি করে চলেছি দিনের পর দিন অবুঝের মত।

আসুন প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন হই, এবং প্লাস্টিক ব্যবহারের পর এটি যত্রতত্র ফেলা থেকে বিরত থাকি।

19/04/2023

#তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারন। যেমন-

১. অপরিকল্পিত নগরায়ন রাজধানী শহর ঢাকা ধীরে ধীরে একটি উষ্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। নগরায়ন প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনার অভাবে এবং অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের ফলে ঢাকার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গাছপালা ও জলাভূমি ধ্বংস করে আমরা রাজধানী ঢাকাকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছি। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঢাকার পরিবেশ, জনজীবন ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা বৃদ্ধিরোধে অপরিকল্পিত নগরায়ন বন্ধ করতে হবে।

২. গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান চালক হল গ্রিনহাউস প্রভাব। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কিছু গ্যাস গ্রিনহাউসের কাঁচের মতো কাজ করে, সূর্যের তাপকে আটকে রাখে এবং এটিকে মহাকাশে ফিরে যাওয়া থেকে বিরত করে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঘটায়।এই গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির মধ্যে অনেকগুলি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে, তবে মানুষের ক্রিয়াকলাপগুলি বায়ুমণ্ডলে তাদের কিছুর ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলছে, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),মিথেন,নাইট্রাস অক্সাইড,ফ্লোরিনেটেড গ্যাস মানব ক্রিয়াকলাপ দ্বারা উত্পাদিত CO2 গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের সবচেয়ে বড় অবদানকারী। মিথেন হল CO2 -এর তুলনায় আরও শক্তিশালী গ্রীনহাউস গ্যাস , কিন্তু বায়ুমণ্ডলীয় জীবনকাল কম। নাইট্রাস অক্সাইড, CO2 এর মতো , একটি দীর্ঘস্থায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস যা কয়েক দশক থেকে শতাব্দীর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে জমা হয়। অ-গ্রিনহাউস গ্যাস দূষণকারী, যেমন কাঁচের মতো অ্যারোসল সহ, বিভিন্ন উষ্ণতা এবং শীতল প্রভাব রয়েছে এবং অন্যান্য সমস্যা যেমন খারাপ বায়ুর গুণমানের সাথেও যুক্ত।

৩. জলবায়ু পরিবর্তনের মূলত মানবকূলই প্রধান কারণ তবে প্রাকৃতিক কারণেও স্বাভাবিকভাবে জলবায়ুতে কিছু পরিবর্তন সাধিত হয়। যেমনঃ পৃথিবীর বিভিন্ন গতিশীল প্রক্রিয়া, সৌর বিকিরণের মাত্রা, পৃথিবীর অক্ষরেখার দিক-পরিবর্তন কিংবা সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর অবস্থান। আধুনিক যুগে প্রবেশের পর মানব সৃষ্ট কলকারখানা, যানবাহন, শীতে ঘর গরম রাখতে তেল, গ্যাস এবং কয়লা পোড়ানো ইত্যাদি কর্মকান্ডের ফলে পূর্বের তুলনায় পৃথিবীর তাপমাত্রা এখন ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গিয়েছে। বর্তমান সময়ে মনুষ্যজনিত গ্রিনহাউজ গ্যাসের ফলে পৃথিবীর উষ্ণায়নকে জলবায়ু পরিবর্তনের একটি অন্যতম কারণ ধরা হয়। যেটি কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধিতে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা বাড়ার কারণে বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সর্বোপরি জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে। বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নির্গমন বাড়ছে। গাছপালা কার্বন ধরে রাখে। ফলে, সেই গাছ যখন কাটা হয় বা পোড়ানো হয়, সঞ্চিত সেই কার্বন বায়ুমণ্ডলে নিঃসরিত হয়। গ্রিন হাউজ গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ উনবিংশ শতকের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। গত দুই দশকে বেড়েছে ১২ শতাংশ।

৪. অপরিকল্পিত শিল্পায়ন/ শিল্পকারখানা তৈরি হচ্ছে পরিবেশগত প্রতিক্রিয়ার কথা না ভেবেই। এ কল-কারখানায় দূষিত ধোয়া বায়ুমন্ডলের সাথে মিশে প্রকৃতিতে বিরুপ আবহাওয়ার সৃষ্টি করছে। ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যার ফলে খুব সহজেই সূর্যের অতি ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব পৃথিবীতে এসে পড়ছে।

৫. সাড়া বিশ্বের অনেক দেশে অতিমাত্রায় গাছ-পালা কর্তনের প্রভাব দেখা দিয়েছে। যা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরুপ। তাছাড়া নদী-নালা ভরাটের মতো কাজও অবাধে চলছে প্রবৃদ্ধি অর্জনের তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে। যা আমাদের বেঁচে থাকার পথ কে আরও কঠিন করে তুলছে।

18/04/2023

Be Care Of Heat Stroke
তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে নীচের সেইফটি ট্রোপিক মেনে চলুন।
মনে রাখবেন আপনার সেইফটি আপনার কাছে। *সেইফটি ফাস্ট *
১. পাতলা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন
২. বাড়ির বাইরে থাকার সময় সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন
৩. শরীরে পানিশূন্যতা এড়াতে অতিরিক্ত পানি ও শরবত পান করতে হবে
৪. স্যালাইন পানিতে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও চিনি শরীর সজীব রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর। দীর্ঘ সময় গরমে থাকলে স্যালাইন পান করুন।
৫. গ্রীষ্মকালীন ফল দিয়ে তৈরি তাজা জুস পান করুন
৬. মাংস এড়িয়ে বেশি করে ফল ও সবজী খান
৭. প্রস্রাবের রঙ খেয়াল করুন। প্রস্রাবের গাঢ় রঙ পানি স্বল্পতার লক্ষণ।
৮. সব সময় ছাতা বা টুপি সাথে রাখুন
৯. ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
১০. চেষ্টা করুন যেন দিনে কম বাইরে যেতে হয়
তাই জেনে নিন হিটস্ট্রোক এর লক্ষন।
১. শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া
২. গরমে অচেতন হয়ে যাওয়
৩. মাথা ঘোরা
৪. তীব্র মাথা ব্যথা
৫. ঘাম কমে যাওয়া
৬. ত্বক গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া
৭. শারীরিক দুর্বলতা ও পেশিতে টান অনুভব করা
৮. বমি হওয়া
৯. হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
১০. শ্বাস কষ্ট
১১. মানসিক বিভ্রম
১২. খিঁচুনি
হিটস্ট্রোকের প্রাথমিক চিকিৎসা
কারো হিটস্ট্রোক হলে বা অচেতন হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে যে কাজগুলো করতে হবে তা হলো:
১. হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে নিয়ে যেতে হবে। রোগীর শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় কাপড় খুলে ফেলতে হবে।
২. রোগীর শরীরে বাতাস করতে হবে। কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে গা মুছে ফেলতে হবে।
৩. শরীরের তাপমাত্রা কমাতে বগল, ঘাড়, পিঠ ও কুচকিতে আইসপ্যাক ব্যবহার করতে হবে।
ধন্যবাদ

আর্থিং কি? কেন করা হয়? পদ্ধতি কি?বিদ্যুৎ থেকে অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য আর্থিং কি এবং ব্যবহারবিধি জানতে হয়। আমাদের বিভিন্ন...
12/11/2022

আর্থিং কি? কেন করা হয়? পদ্ধতি কি?

বিদ্যুৎ থেকে অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য আর্থিং কি এবং ব্যবহারবিধি জানতে হয়। আমাদের বিভিন্ন স্থাপনায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা যেমন হাই ভোল্টেজ বা আর্থ লিকেজের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এগুলো হলে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন টিভি, ফ্রিজ, ফ্যান, লাইনট ইত্যাদি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মূলত এ ধরনের পরিস্থীতিতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং এর ব্যবহারকারীকে সুরক্ষা দিতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির মেটাল বা বহিরাবরণ থেকে কারেন্টকে কোন পরিবাহী দ্বারা মাটিতে প্রেরণ করা হয়। বিদ্যুৎকে মাটিতে প্রেরণের এ প্রক্রিয়াকেই আর্থিং বলে।

ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারগণ আর্থিংকে অনেক সময় গ্রাউন্ডিং বলে থাকেন। কারণ আর্থিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ মাটিতে পাঠানো সম্ভব হয়। কোন কারণে বৈদ্যুতিক সংযোগে লিকেজ কারেন্ট হলে আর্থিং সেই লিকেজ কারেন্টকে কোন প্রকার বিপদ না ঘটিয়ে তারের মাধ্যমে সহজে মাটিতে চলে যেতে সাহায্য করে।

আর্থিং কত প্রকার?
ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে আর্থিং ব্যবস্থা সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন:

সিস্টেম আর্থিং
ইকুইপমেন্ট আর্থিং
সিস্টেম আর্থিং সাধারণত ট্রান্সফরমার ও জেনারেটরের নিউট্রাল পয়েন্টে করা হয়। অপরদিকে আমাদের বাসা-বাড়ির বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি রক্ষা করতে ইকুইপমেন্ট আর্থিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা কি?
বিদ্যুতিক বর্তনীতে কোন প্রকার ত্রুটি হলে আর্থিং লিকেজ কারেন্টকে ত্রুটিপূর্ণ সার্কিট থেকে বিচ্ছিন্ন করে। এতে করে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং ব্যাবহারকারি নিজে বেঁচে যায়। তাই বলা চলে নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবহারে আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

এছাড়াও আর্থিং ভোল্টেজ সিস্টেমের যেকোন অংশ মাটির তুলনায় যেন নির্দিষ্ট থাকে তার ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি সিস্টেমে সমস্যার কারণে যন্ত্রপাতির ভোল্টেজ যেন মাটির তুলনায় বিপজ্জনক পর্যায় না যায় তা নিশ্চিত করার জন্য আর্থিং বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে আর্থিং হাই ভোল্টেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইকুইপমেন্টগুলোকে সুরক্ষিত রাখে।

কখনো কখনো ট্রান্সফরমারের নিউট্রাল হিসাবেও আর্থিং ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া লাইনের শর্ট সার্কিট এবং বজ্রপাতের মত প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা থেকে জানমাল সুরক্ষিত রাখতে আর্থিং ব্যবহার করা হয়। তাই আধুনিক বিদ্যুৎ সংযোগ এবং এর নিরাপদ ব্যবহারের জন্য আর্থিং বা গ্রাউন্ডিং একটি অপরিহার্য অংশ।

নিউট্রাল এবং আর্থিং এর মধ্যে পার্থক্য কি?
আর্থিং সরাসরি মাটির সাথে যুক্ত থাকে। ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাপ আর্থিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি মাটিতে প্রবেশ করে। অপরদিকে নিউট্রাল লাইন মাটিতে নয়, সরাসরি পাওয়ার স্টেশন বা ট্রান্সফরমারে ফেরত যায়।

স্বাভাবিক অবস্থায় নিউট্রালে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় এবং তা অপেক্ষাকৃত ছোট পথ প্রদান করে। পক্ষান্তরে আর্থিং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও এর ব্যবহারকারীকে নিরাপত্তা প্রদান করে। অর্থাৎ বিপজ্জনক পরিস্থিতীতে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দ্রুত মাটিতে প্রেরিত হয়।

তবে অনেকের মাঝেই প্রশ্ন থাকে যে, নিউট্রাল লাইন দিয়ে যদি বৈদ্যুতিক কারেন্ট ফেরৎ যায় তাহলে কারেন্ট শক করে না কেন? এখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করতে হবে; বৈদ্যুতিক শকের মাত্রা নির্ভর করে বৈদ্যুতিক চাপ অর্থাৎ ভোল্টেজের উপর। কিন্তু নিউট্রাল লাইন ভোল্টেজ শূন্য থাকে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আর্থের সাথে গ্রাউন্ডিং করা হয়। তাই এতে কোন বৈদ্যুতিক চাপ না থাকায় আমাদের শক লাগে না।

আর্থিং কোথায় প্রয়োজন হয়?
যে কোন ইলেকট্রিক্যাল ইকুইপমেন্টে (যন্ত্রাংশ)।
ওভারহেড ট্রান্সমিশন লাইনে।
ট্রান্সফরমারের কানেকশন করতে।
জেনারেটরের নিউট্রাল পয়েন্ট হিসাবে।
বাড়ি, অফিস বা ফ্যাক্টরিকে সুরক্ষিত রাখতে।
আর্থিং করার পদ্ধতি
প্রয়োগভেদে আর্থিং করার নিয়ম আলাদা আলাদা হয়। সাধারণত বাড়িতে আর্থিং করা হয় মাটিতে রড ঢুকিয়ে। মেইন ডিস্ট্রিবিউশন প্যানেলের নিউট্রালের সাথে রডের উপরের প্রান্তে তার (Cable) ভালোভাবে যুক্ত করে আর্থিং করা হয়।

সাধারণত বালু যুক্ত মাটি, শুকনো মাটি, পাথরে মাটিতে পাঁচ ফুটের বেশি গর্ত খুঁড়ে সেখানে পানি এবং লবণের মিশ্রণে তৈরি করে দিতে হয়। এরপর ধাতুর প্লেট রেখে এর সাথে আর্থিংয়ের তার যুক্ত করে বাইরে এনে মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ডের নিউট্রালের সাথে কানেক্ট করতে হয়।

সাধারণত চিকন জিআই পাইপ (Galvanized Iron Pipes) দিয়ে আর্থিং করা হয়ে থাকে। যেসব ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতির বাইরের আবরণ ধাতুর তৈরি সেসব যন্ত্রপাতি বডি আর্থিং করতে হয়। সাধারণত বাসা, বাড়ি ও অফিসের জন্য ৫ ওহমের নিচে আর্থ রেজিস্ট্যন্স হলেই চলে। কিন্তু সাব স্টেশনের জন্য ১ ওহমের নিচে থাকা আবশ্যক।

ফেসবুকে শেয়ার করুন
পিন্টারেস্টে পিন করুন
লিংডইনে শেয়ার করুন

Climate change is the changes in the earth’s atmosphere including changes in temperature, wind patterns, and rainfall. N...
12/11/2022

Climate change is the changes in the earth’s atmosphere including changes in temperature, wind patterns, and rainfall. Nowadays, climate change has become a major global concern. There are many causes of climate change. The main cause is the increase of temperature due to the emission of carbon gases intoemitting our atmosphere.

Carbon gases are being emitted in various ways. First of all, modern people are going to be more and more machines emitting hot gases into the atmosphere. Mills and factories, railway engines, buses, cars, etc burn fossil fuels and emit carbon gases.

It is well known that climate change has a very bad effect on our environment. Due to this change, the huge ice caps of the Polar Regions are being melted and the sea levels are being risen up. Besides climate change will reduce crop production and will drastically reduce man’s ability to work.

The worst sufferer of climate change is the low-lying countries in the world that can go underwater due to sea-level rise. Obviously, climate change is a great threat to Bangladesh because Bangladesh is a low-lying country and might one day go underwater due to sea-level rise.

It is true that in today’s world we cannot stop climate change, but certainly, we can minimize the change by taking some steps. We can reduce carbon gas emissions by reducing the use of fossil fuels. We can make people aware of the disastrous effect of climate change and thus inspire them to act properly.

বাংলা অনুবাদ

জলবায়ু পরিবর্তন হল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন যার মধ্যে তাপমাত্রা, বায়ুর ধরণ এবং বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন। বর্তমানে, জলবায়ু পরিবর্তন একটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের অনেক কারণ রয়েছে। আমাদের বায়ুমণ্ডলে কার্বন গ্যাস নির্গমনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

বিভিন্নভাবে কার্বন গ্যাস নির্গত হচ্ছে। প্রথমত, আধুনিক মানুষ আরও বেশি করে মেশিন বায়ুমণ্ডলে গরম গ্যাস নির্গত করতে চলেছে। কল-কারখানা, রেলওয়ে ইঞ্জিন, বাস, গাড়ি ইত্যাদি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ায় এবং কার্বন গ্যাস নির্গত করে।

এটা সর্বজনবিদিত যে জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের পরিবেশের উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। এই পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের বিশাল বরফ গলিত হচ্ছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ফসল উৎপাদন কমে যাবে এবং মানুষের কাজ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পৃথিবীর নিম্নাঞ্চলীয় দেশগুলো যারা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে পানির নিচে চলে যেতে পারে।

স্পষ্টতই, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় হুমকি কারণ বাংলাদেশ একটি নিম্নভূমির দেশ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে একদিন পানির নিচে চলে যেতে পারে। এটা সত্য যে আজকের বিশ্বে আমরা জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে পারি না, তবে অবশ্যই কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিবর্তন কমিয়ে আনতে পারি।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আমরা কার্বন গ্যাস নির্গমন কমাতে পারি। আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পারি এবং এইভাবে তাদের সঠিকভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করতে পারি।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Environmental Chemical & Water Solution. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share