BNS Engineering & Construction

BNS Engineering & Construction প্রকৌশলীরা সমস্যা সমাধান করতে পছন্দ করেন। ❤️

⛔ Note It
01/01/2026

⛔ Note It

26/12/2025

♦️ফাউন্ডেশনের মতো♦️

শরিফুল ইসলাম

আমি যদি বিল্ডিং হই ইট- পাথরে গড়া।
বাবা মা তার ফাউন্ডেশন
কোনো তর্ক ছাড়া।
লোড দিয়েছি সর্বদা, চাপিয়েছি তাদের ঘাড়ে
কলামের মতো সাপোর্ট দিয়ে রেখেছে তা ধরে।

বাহ্যিক চাপে বীমের মতো
বাকতে চেয়েছি যখন
টেনশন জোনের রডের মতো
করেছে উল্টো শাসন।

স্টিরাপের মতো যত্ন করে
রেখেছে বুকে আগলে
শিয়ার ফোর্সের সাধ্য কি আছে?
বাকাবে আমাকে,
বা মা পাশে থাকলে!

কংক্রিট যেমন নিতে পারে চাপ,
সয় আগুনের তাপ
পানি যদি হয় কংক্রিটের মা
সিমেন্ট তাহার বাপ।

হঠাৎ যখন ভয়ংকর বেশে
অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ আসে
দুলিয়ে দেয় জীবন টাকে
ভূমিকম্পের মতো
শিয়ার ওয়াল আর কলাম হয়ে
মোকাবেলা করে বিপদ শত
দাঁড়িয়ে থেকে পাশে।

হরেক রকমের লোড দিচ্ছে প্রেশার
সর্বদা অবিরত
পাই নাকো ভয় কখনোই আমি,
একটা কথা মনে প্রাণে জানি
বাবা মা আছে সাথে আমার,
ফাউন্ডেশনের মতো। 💕

25/06/2025

একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন।

১. গঠন = ৩৫%
২। ইটের কাজ = 6%
৩। কাঠের কাজ = ৫%
৪. মেটাল কাজ = 2%
৫। প্লাম্বিং এবং স্যানিটারি = 6%
৬. বৈদ্যুতিক কাজ = 7%
৭. প্লাস্টারের কাজ = ৪%
৮. সাধারণ ফ্লোরের টাইলসের কাজ = 6%
৯। টয়লেট এবং কিট ওয়াল টাইলস কাজ = 3%
১০। অ্যালুমিনিয়ামের কাজ = ৪%
১১। ইএমই (লিফটের, জেনারেটর, সাবস্টেশন) = 10%
১২. রং এর কাজ = 3%
১৩। অন্যান্য নাগরিক কাজ = 6%
১৪। ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল = 3%
মোট = ১০০%

✪ শক্তি ~ ৩৫%
- ফুটিং এবং কলাম প্যাডেস্টাল = 20%
- গ্রেড বিম, ইউজিডব্লিউআর টপ স্ল্যাব = 5%
- GF কলাম, সিঁড়ি ইত্যাদি = 4%
- 1ম ফ্লোর স্ল্যাব = 9%
- সাধারণ মেঝে কলাম (5x3%) = 15%
- ২য় তলা স্ল্যাব থেকে ছাদ স্ল্যাব (৫x৮) = ৪০%
- ছাদের টপ = ৭%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ ব্রিক ওয়ার্ক ~ 6%
- GF ইটের কাজ = 6%
- ১ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ২য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৩য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৪র্থ তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৫ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
-ছাদের টপ ইটের কাজ = ৪%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ কাঠের কাজ ~ 5%
- দরজার ফ্রেম = 40%
- প্রধান দরজা শাটার = 15%
- পারটেক্স ডোর শাটার = ৩৫%
- বিড়ালের দরজা এবং আনুষাঙ্গিক = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ মেটাল কাজ ~ 2%
- জানালার গ্রিল = ৫৫%
- ভেরান্দা রেলিং = ২০%
- সিঁড়ি রেইলিং = 10%
- প্রধান দরজা, জেন-সাব, সেফটি গ্রিল = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ প্লেম্বিং এবং সেনিটারি কাজ~ 6%
- ইউপিভিসি উল্লম্ব লাইন ডাক্ট থেকে = ২৫%
- জিআই লাইনের কাজ = 30%
- ফিক্সচার এবং ফিটিং = 40%
- নিচ তলা = ৫%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইলেকট্রিক্যাল~ 7%
- স্ল্যাবের ভিতরে আটকে রাখা = ১০%
- ওয়ালে তৈরি করা হচ্ছে আই/সি এমকে বক্স=১৫%
- ক্যাবলিং এর কাজ = 55%
- সুইচ-সকেট = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ প্লাস্টার ~ ৪%
- সিলিং প্লাস্টার = ২০%
- অভ্যন্তরীণ ওয়াল প্লাস্টার = ৫০%
- বাইরের প্লাস্টার/ইটের মুখোমুখি = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ সাধারণ ফ্লোরের টাইলস ~ 6%
- সাধারণ মেঝে এবং ভেরান্দা = 75%
- সিঁড়ি, সাধারণ লবি এবং লিফট প্রাচীর = 20%
- GF লিফট লবি, দেয়াল, অভ্যর্থনা = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ টয়লেট ও কিট ওয়াল টাইলস ~ 3%
- বাথ ওয়াল = ৬০%
- রান্নাঘরের দেয়াল = ২০%
- বাথ ফ্লোর = 9%
- বাথ কাউন্টার টপ = ৪%
- রান্নাঘরের মেঝে = 3%
- কিচেন কাউন্টার টপ =৪%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অ্যালুমিনিয়াম কাজ ~ ৪%
- আউটার ফ্রেমিং- উইন্ডো স্লাইডিং = 40%
- গ্লাস শাটার- জানালা স্লাইডিং = 30%
- ভেরান্দা স্লাইডিং = ২০%
- টয়লেট উচ্চ জানালা = 5%
- কমন এলাকা = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- লিফট = ৫০%
- জেনারেটর = ২৫%
- সাবস্টেশন = ২০%
- PABX, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ইত্যাদি = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ পেইন্টের কাজ ~ 3%
- পুটি পর্যন্ত = 40%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং 1ম কোট = 20%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং ২য় কোট = 15%
- বাইরের রঙ/সিরামিক টাইটস = ২৫%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অন্য পৌর কাজ ~ 6%
- সীমানা প্রাচীর = 30%
- লাইন টেরেসিং/ ছাদ টপ পেভার = 15%
- লোগো, বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য = ৪%
- GF BBC = 14%
- জিএফ পেভমেন্ট এবং ফুটপাথ দেব = ১০%
- লিন্টেল, এফ/ স্ল্যাব, ড্রপ ওয়াল, কাউন্টার ল্যাব = ২০%
- কেবল ট্রে = 1%
- স্যানিটারি ডাক্ট কভার, সিলিং ইত্যাদি = ৪%
- রিসেপশন ডেস্ক, লেটার বক্স = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল ~ 3%
- ডেসা/ডিসকো = ৩৫%
- তিতাস = ২০
- ওয়াসা = 15%
- ইউটিলিটি বিল = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

(সংগৃহীত)

19/06/2025

ভবনের জন্য Soil Test করার সময় Water Table (ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর) কত গভীরে রয়েছে তা বোঝার নির্ভরযোগ্য উপায় হল — টেস্টের সময় লক্ষ করা এবং নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা। নিচে ভবনের জন্য Soil Test চলাকালে Water Table Depth নির্ধারণের ধাপ ও লক্ষণগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:

✅ Soil Test চলাকালীন Water Table Depth জানার ধাপসমূহ:

🔹 1. Borehole Drilling বা Soil Boring করার সময় সরাসরি লক্ষ রাখা:-

* Soil boring করা হয় SPT (Standard Pe*******on Test) সহ।
* boring করার সময় হঠাৎ করে মাটি ভিজে যায় বা পানি উপচে উঠে আসে** — এটাই Water Table।
* সাধারণত boring log এ water encountered at X m লেখা থাকে।

🧪 উদাহরণ:

Soil Layer Log:
0 – 1.5 m : Silty clay, dry
1.5 – 2.5 m : Clayey silt, slightly moist
2.5 – 3.2 m : Silty sand, wet
Ground Water Table observed at 2.9 m

🔹2. Boring Log Sheet দেখুন:

Soil test এর পর consultant বা soil lab আপনাকে একটি Borehole Log Sheet দেয়।

এতে উল্লেখ থাকে:

* কোন গভীরতায় পানির স্তর দেখা গেছে
* কোন স্তরে ভিজে মাটি বা flowing soil পাওয়া গেছে

📋 Log Sheet এ নিচের তথ্য দেখুন:

Water Table Encountered at: 2.80 m below ground level (BGL)
Time of Observation: After 24 hours

🔹3. Piezometer বা Observation Tube বসানো:

* অনেক ক্ষেত্রেই borehole খননের পরে সেখানে একটি PVC বা GI পাইপ বসিয়ে রাখা হয়।
* এই পাইপে 24 ঘণ্টা পর দেখা যায় কত মিটার পর্যন্ত পানি উঠে এসেছে।

📐 Tape দিয়ে মাপুন: টপ থেকে পাইপে কত গভীরে পানি — এটাই Water Table।

🔹 4. রিপোর্টে Water Table Depth স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে:

Soil Test Report বা Geotechnical Report-এ থাকে:

1. Water table depth:- যেমনঃ 2.90 m below ground level.
2. Time of measurement:- boring-এর সাথে সাথে, অথবা 24-ঘণ্টা পর |
3. Soil type at water level:- যেমনঃ silty clay, loose sand.
4. Seasonal fluctuateason অনুযায়ী পার্থক্য কতটা |

📷 চোখে দেখা লক্ষণ:

1. মাটি হঠাৎ নরম হয়ে যায়

2. বোরহোল থেকে পানি উঠতে শুরু করে

3. মাটি খননের সময় পানির শব্দ পাওয়া যায় বা গন্ধ আসে

⚠️ সতর্কতা:

1. Dry Season:- এ Water Table নিচে থাকে,
2. Monsoon/Wet Season:- এ উপরে উঠে আসে।
ভবনের জন্য shallow foundation করতে চাইলে Water Table 2m নিচে থাকা দরকার।

📌 **উপসংহার:

> Soil Test করার সময় SPT বা Borehole Drilling চলাকালীন যখন ভিজে মাটি বা পানি দেখা যায়, তখনই বুঝতে পারবেন Water Table কই। এরপর তা Piezometer দিয়ে নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।

゚viralシfypシ゚viralシalシ

25/03/2025

অনুযায়ী একটি কলামের সর্বনিম্ন সাইজ কত?কয়টি রড ব্যবহার করা হয় এবং কত মিলি?
--------------------------------------------------------------------------

১। কলামের সর্বনিম্ন সাইজ (Minimum Column Size):-
BNBC 2020 এর অধ্যায় ৩.৮.২ (Reinforced Concrete Columns) অনুযায়ী:-

ক) ন্যূনতম পার্শ্বীয় মাত্রা (Least Lateral Dimension):-
কলামের প্রস্থ বা গভীরতা (যেকোনো দিক) ২০০ মিমি (২০ সেমি) এর কম হতে পারবে না।

খ) ব্যতিক্রম: বিশেষ ডিজাইন ও ইঞ্জিনিয়ারের অনুমোদন সাপেক্ষে ১৫০ মিমি পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য (সীমিত ক্ষেত্রে)।

২. রডের সংখ্যা ও মাত্রা (Reinforcement Specifications):-

ক) লংগিচিউডিনাল রড (Longitudinal Bars):-
ন্যূনতম সংখ্যা:-
যেকোনো আয়তক্ষেত্রাকার বা বর্গাকার কলামে ৪টি রড বাধ্যতামূলক (প্রতিটি কোণায় ১টি)।
বৃত্তাকার কলামের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬টি রড।

ন্যূনতম রডের সাইজ:-
BNBC 2020-এর অধ্যায় ৩.৮.২.৩ অনুযায়ী, লংগিচিউডিনাল রডের ব্যাস ১২ মিমি এর কম হওয়া যাবে না।

প্রচলিত প্র্যাকটিস:- সাধারণত ১৬–২০ মিমি রড ব্যবহার করা হয় (লোড ও কলামের উচ্চতা অনুযায়ী)।
রডের শতকরা হার (Minimum Reinforcement Ratio):-

মোট প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ১% থেকে ৬% এর মধ্যে থাকতে হবে।

খ) টাই রড/স্ট্রাপস (Ties/Stirrups):-
ন্যূনতম সাইজ:- টাই রডের ব্যাস ৬ মিমি (১০ মিমি লংগিচিউডিনাল রডের ক্ষেত্রে) বা ৮ মিমি (১২ মিমি বা বড় রডের ক্ষেত্রে)।

স্পেসিং (দূরত্ব):-
কলামের দুই প্রান্তে (Top & Bottom):- ১০০ মিমি (ল্যাপ জোনে)।
মধ্যবর্তী অংশে:- ১৫০ মিমি বা কলামের ক্ষুদ্রতম পার্শ্বীয় মাত্রার ১৬ গুণ (যেটি কম)।

৩। উদাহরণ (গণনা):-
কলাম সাইজ:- ২০ সেমি × ৩০ সেমি (ন্যূনতম ২০ সেমি মান পূরণ করেছে)।
লংগিচিউডিনাল রড:- ৪টি (প্রতিটি কোণায়) ১৬ মিমি ব্যাসের রড।
টাই রড:- ৮ মিমি ব্যাসের, স্পেসিং ১৫০ মিমি (মাঝে) ও ১০০ মিমি (প্রান্তে)।

৪। BNBC 2020-এর রেফারেন্স:-
কলামের ন্যূনতম মাত্রা:- অধ্যায় ৩.৮.২.২ (Minimum Dimensions)
রিইনফোর্সমেন্ট ডিটেইলস:- অধ্যায় ৩.৮.২.৩ (Longitudinal Reinforcement) ও ৩.৮.২.৪ (Transverse Reinforcement)

গুরুত্বপূর্ণ নোট:-
সিসমিক জোন (ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা):- উচ্চ ভূমিকম্প ঝুঁকির এলাকায় রডের সংখ্যা ও স্পেসিং আরও কঠিন হতে পারে।

ফায়ার রেটিং:- অগ্নি নিরাপত্তার জন্য রডের কংক্রিট কভার (Cover) ন্যূনতম ৪

 #একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ারের কলাম সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা দরকার :১.কলাম কি? কত প্রকার ও কি কি?উঃ যে সকল আর.সি সি কাঠামো উল...
19/03/2025

#একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ারের কলাম সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা দরকার :

১.কলাম কি? কত প্রকার ও কি কি?
উঃ যে সকল আর.সি সি কাঠামো উলম্ব লোড বা চাপা লোড বহন করে তাকে কলাম বলে।
কলাম ২ প্রকার। যথা-
I). শর্ট কলাম।
ii).লং কলাম।

#কলাম ঢালাই দেওয়ার পূবে একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যে বিষয়গুলো চেক করতে হবে।এবং ঢালাই দেওয়ার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে :

১। কলামের কিকার সাধারণত৩"-৬" হয়ে থাকে। তবে কলাম সাটার যদি স্টিল হয় সেক্ষেত্রে ৬"-৯" ইঞ্চি ও হতে পারে।
২। ড্রয়িং এবং ডিজাইন অনুযায়ী রডের ডায়া ঠিক আছে কিনা চেক করতে হবে।
৩। ড্রয়িং এবং ডিজাইন অনুযায়ী কলামের রিং স্পেসিং ঠিক আছে কিনা চেক করতে হবে।
৪। কলামের রিং এর হুক ১৩৫° আছে কিনা চেক করতে হবে।
৫। কলামের ল্যাপিং ড্রয়িং ও ডিজাইন অনুযায়ী দিয়েছে কিনা চেক করতে হবে।
৬। কলামের উপরে ও নিচে অর্থাৎ L/4 অংশে ২৫% এবং কলামের মাঝখানে অর্থাৎ L/2 অংশে ৫০% হারে লাপিং দিতে হবে।
৭। কলামের ফর্মওয়ার্ক সেট করার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক তৈলাক্ত করে নিয়েছে কিনা চেক করতে হবে ।
৮। কলামের সল চেক করে নিতে হবে।
৯। কলামের ক্লিয়ার কভার ১.৫" আছে কিনা চেক করতে হবে।
১০। ২৪ নং তার দ্বারা কলামের রিং বাধা আছে কিনা চেক করতে হবে।
১১। কলাম ঢালাই দেওয়ার পূবে প্রাউটিং মেরে নিতে হবে।
১২। কলাম ঢালাই দেওয়ার সময় ভাইব্রেটর ঠিক ভাবে মারতেছে কিনা সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
১৩। ঢালাইয়ের অনুপাত ঠিক আছে কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে।
১৪। কলামের হাইট যদি ৫' এর বেশি হয় তবে ২ বারে ঢালাই সম্পন্ন করতে হবে।
১৫। কলামের সাটার ঢালাইয়ের ৭২ ঘন্টা পরে খুলতে হবে। বিশেষ কোন প্রয়োজন হলে ২৪ ঘন্টা পরে খোলা যেতে পারে।
১৬। কলামের সাটার খুলে কলামে চটের ছালা মুড়িয়ে ২ সপ্তাহ্ কিউরিং করতে হবে। কোন অবস্থায় চটের ছালা সুখাতে দেওয়া যাবে না,ইত্যাদি।


রডের ল্যাপিং ও ওজন নির্ণয় করার সহজ হিসাব সাধারণত বাজারে যেসব রড পাওয়া যার সেগুলোর একটি নির্দিষ্ট Length থাকে। যখন এর বে...
15/02/2025

রডের ল্যাপিং ও ওজন নির্ণয় করার সহজ হিসাব

সাধারণত বাজারে যেসব রড পাওয়া যার সেগুলোর একটি নির্দিষ্ট Length থাকে। যখন এর বেশী Length এর দরকার হয় তখন রডের ল্যাপিং দেয়া হয়। এই ল্যাপিং এর Length এর পরিমান কিছু সূত্র মেনে হয়;



কলাম : 40D; D = রডের ডায়া
শিয়ার ওয়াল : 40D
লিফট কোর ওয়াল : 40D



বীম : 60D
স্ল্যাব : 60D

কলামে ল্যাপিং এর পরিমানঃ
==================
16 মিমি = 40x16 = 640 মিমি 2'-2"
20 মিমি = 40x20 = 800 মিমি 2'-8"
22 মিমি = 40x22 = 880 মিমি 3'-0"
25 মিমি = 40x25 = 1000 মিমি 3'-4"
32 মিমি = 40x32 = 1280 মিমি 4'-3"

বীমের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
16 মিমি = 60x16 = 960 মিমি 3'-2"
২০ মিমি = 60x20 = 1200 মিমি 4'-0"
২২ মিমি = 60x22 = 1330 মিমি 4'-5"
২৫ মিমি = 60x25 = 1500 মিমি 5'-0"

স্ল্যাবের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
10 মিমি = 60x10 = 600 মিমি 2'-0"
12 মিমি = 60x12 = 720 মিমি 2'-5"
তবে বাস্তবে কাজ করার সময় কম বেশী হতে পারে।

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতিঃ
=====================
10 mm = 0.62 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.89 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.58 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.48 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.98 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.85 kg/m = 8 suta

উপরে যে Convert System দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখতে পারেন।

8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet - 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg

এছাড়া এই সুত্রটির মাধ্যমেও রডের ওজন বের করতে পারেন।

#ফুটে : Feet
প্রতি ফুটে ওজন নির্নয়ের জন্য ( রডের ডায়া^2 /532)

#মিটারে : Metar
প্রতি মিটারে ওজন বের করতে হলে ( mm^2/162.2 )

শেয়ার দিয়ে নিজের প্রোফাইলে রাখুন।

#কন্সট্রাকশন_টিপস #রডের_হিসাব #সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন #কলাম_ডিজাইন #ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং

সাবধান 🚫 যে কোন পুরাতন বা নতুন কংক্রিটের স্ট্রাকচার  ভাঙার সময় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর যেসকল বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:১। আগে কলা...
07/02/2025

সাবধান 🚫
যে কোন পুরাতন বা নতুন কংক্রিটের স্ট্রাকচার ভাঙার সময় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর যেসকল বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

১। আগে কলাম ভাঙা যাবে না!!!
২। টপ ফ্লোর থেকে ভেঙে ভেঙে আসতে হবে।
৩। সেপটিক ট্যাংকের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪। গ্যাসের লাইন খেয়াল রেখে ভাঙতে হবে।
৫। Reinforcement গুলো পারলে খুলে আনতে পারেন,ভাল দামে বিক্রি করতে পারবেন।
৬। ভবন যদি বেশি বড় হয় তাহলে ডিনামাইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭। জনতা সরিয়ে রাখতে হবে, বোলডোজারের পরে এঙ্গেল ডোজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
৮।সময় নিয়ে আস্তে ভাংচুর করতে হবে, এতো তাড়াহুড়োর কিছু নাই।
সিভিল ইন্জিনিয়ার হিসাবে পরামর্শ দিলাম 😄

সাইট ইঞ্জিনিয়ারের জন্য গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি তথ্য:১। 36 মিলি এর চাইতে মোটা রডে ল্যাপিং হবে না।২। চেয়ার এর স্পেসিং (এক চেয়ে...
26/01/2025

সাইট ইঞ্জিনিয়ারের জন্য গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি তথ্য:
১। 36 মিলি এর চাইতে মোটা রডে ল্যাপিং হবে না।
২। চেয়ার এর স্পেসিং (এক চেয়ের থেকে আর এক চেয়ার, উভয়দিকে) সর্বোচ্চ এক মিটার।
৩। ডাওয়েল বারের সাইজ সর্বনিম্ন 12 মিলি
৪। চেয়ারের রড 12 মিলি এর নিচে হবে না
৫। লংবার 0.8% এর কম এবং 6% এর বেশি হবে না ক্রস সেকশনের
৬। চারকোনা কলামের রড কমপক্ষে 4 টি এবং সার্কুলার কলামে কম্পক্ষে 6 টি থাকতে হবে
৭। স্ল্যাবের মেইন রড 8 মিলি এর নিচে হবে না। তবে প্লেইন রড 10 মিলি এর নিচে হবে না। ডিস্ট্রিবিউশন রড 8 মিলি এর নিচে হবে না। রড স্লাবের পুরুত্বের আট ভাগের এক ভাগের চেয়ে বড় হবে না। অর্থাৎ স্ল্যাবের থিকনেস 160 মিলি হলে রডের সাইজ 20 মিলি এর বেশি হতে পারবে না
৮। 125 মিলি এর নিচে স্ল্যাব থিকনেস না হওয়াই ভাল
৯। কিউবের সাইজ টলারেন্স +2 মিলি। অর্থাৎ কোন দিকেই সাইজ স্ট্যান্ডার্ড থেকে +2 এর বেশি হতে পারবে না
১০। 1.5 মিটারের বেশি উচ্চতা থেকে কংক্রিট ফেলা যাবে না
১১। ইটের পানি শোষণ ক্ষমতা 15% এর বেশি হতে পারবে না
১২। PH এর মান 6 এর নিচে হতে পারবে না
১৩। ইটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ 3.5 N/mm2 কম হতে পারবে না
১৪। প্রতি মেট্রিক টন রডে 8 কেজা গুণা তার প্রয়োজন
১৫। কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় 100 মিটারের জন্য কমপক্ষে এক সেট সিলিন্ডার টেষ্টের জন্য নিতে হবে।

#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ

#কন্সট্রাকশন_টিপস

প্রিকাস্ট পাইল ও কাস্ট ইন সিটু পাইল কি?এদের সুবিধা - অসুবিধা কি কি?বিস্তারিত -প্রিকাস্ট পাইল (Precast Pile)প্রিকাস্ট পাই...
26/01/2025

প্রিকাস্ট পাইল ও কাস্ট ইন সিটু পাইল কি?
এদের সুবিধা - অসুবিধা কি কি?
বিস্তারিত -
প্রিকাস্ট পাইল (Precast Pile)
প্রিকাস্ট পাইল হলো এমন পাইল যা নির্মাণ সাইটে আনার আগে কারখানায় তৈরি করা হয়। সাধারণত কংক্রিট, স্টিল বা প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট দিয়ে এগুলো তৈরি করা হয়। প্রিকাস্ট পাইলগুলো সাইটে এনে হ্যামার বা হাইড্রোলিক জ্যাকের সাহায্যে মাটির নিচে ড্রাইভ করা হয়।

সুবিধা:
উৎপাদনমান: কারখানায় নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তৈরি হওয়ায় গুণগত মান নিশ্চিত হয়।
দ্রুত ইনস্টলেশন: সাইটে কেবল ইনস্টল করতে হয়, যা সময় সাশ্রয়ী।
মজবুত ও টেকসই: ভালো মানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে এটি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
পরীক্ষার সুযোগ: কারখানায় তৈরি হওয়ার ফলে এটি সহজেই পরীক্ষা করা যায়।
পরিবেশবান্ধব: কাস্ট ইন সিটুর তুলনায় কম নির্মাণ বর্জ্য তৈরি হয়।
অসুবিধা:
পরিবহন খরচ: পাইলগুলো সাইটে আনার জন্য পরিবহন খরচ বেশি হয়।
দৈর্ঘ্যের সীমাবদ্ধতা: দীর্ঘ পাইল পরিবহন করা কঠিন।
ড্রাইভিং ঝুঁকি: ড্রাইভিংয়ের সময় মাটির নিচে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সাইটের বাধা: ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
কাস্ট ইন সিটু পাইল (Cast-in-Situ Pile)
কাস্ট ইন সিটু পাইল এমন পাইল, যা সরাসরি নির্মাণ সাইটে প্রস্তুত করা হয়। এটি মাটিতে ড্রিলিং করার পর কংক্রিট ঢেলে তৈরি করা হয়।

সুবিধা:
পরিবহন প্রয়োজন নেই: নির্মাণ সাইটেই তৈরি হয়, ফলে পরিবহন খরচ নেই।
দৈর্ঘ্যের সীমাবদ্ধতা নেই: প্রয়োজন অনুসারে যে কোনো দৈর্ঘ্যের পাইল তৈরি করা যায়।
ভাইব্রেশন কম: ড্রাইভিং প্রয়োজন হয় না, তাই কম্পনজনিত সমস্যা কম।
জটিল অবস্থায় কার্যকর: নরম মাটিতে বা শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সহজে ইনস্টল করা যায়।
মাটির সাথে খাপ খায়: নির্দিষ্ট মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী ডিজাইন করা যায়।
অসুবিধা:
মান নিয়ন্ত্রণের সমস্যা: সাইটে তৈরি হওয়ায় গুণগত মান ঠিক রাখা কঠিন।
সময় সাপেক্ষ: প্রিকাস্ট পাইলের তুলনায় সময় বেশি লাগে।
কাঠামো দুর্বল হতে পারে: যদি ঢালাই সঠিকভাবে না হয়।
পরিবেশগত প্রভাব: সাইটে কংক্রিট ঢালাইয়ে ধূলা ও শব্দ দূষণ হতে পারে।
জটিলতা: জলাশয় বা নরম মাটিতে ফর্মওয়ার্কের জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়।
মাটির ধরন শক্ত মাটিতে কার্যকর নরম মাটিতে কার্যকর
উভয় পদ্ধতিরই নিজস্ব সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। প্রকল্পের ধরন, সাইটের অবস্থান এবং মাটির ধরন অনুযায়ী পাইল পদ্ধতি নির্বাচন করা হয়।

#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ #ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #পাইলিং

স্লাম্প টেস্ট কি এবং কেন করা হয়? স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত এর বিস্তারিতঃসদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হও...
26/01/2025

স্লাম্প টেস্ট কি এবং কেন করা হয়?

স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত এর বিস্তারিতঃ

সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে সহজে নাড়াচাড়া এবং ফর্মার মধ্যে ঢালাই করা যায়। কংক্রিট মিশ্রণের এই গুনটিকে কার্যোপযোগীতা বলে। মিশ্রণে পানির পরিমাণ বেশি হলে, মিশ্রণ নরম হয়। ফলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই সহজ হয়। আবার পানির পরিমাণ কম হলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। মিশ্রণে পানির পরিমাণ কম বা বেশি করে কার্যোপযোগীতা পরিবর্তন করা যায়। তবে ঢালাইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যোপযোগীতা একই থাকা উচিৎ। এই কার্যোপযোগীতা পরীক্ষা করার জন্য খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো স্ল্যাম টেস্ট। সুতরাং ঢালাই কাজে ব্যবহত কংক্রিট মিশ্রণের কার্যোপযোগীতা যাচাইয়ের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয়, তাকে কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্ট বা নতি পরীক্ষা বলা হয়।

কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্টের জন্য দু'দিকে হাতল যুক্ত লোহার চোঙ বা সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এর উচ্চতা ৩০ সেমি এবং নিচের প্রান্তের ব্যাস ২০ সেমি এবং ক্রমশঃ সরু হয়ে উপরের প্রান্তের ব্যাস হবে ১০ সেমি।

কাঠামোর গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য কংক্রিট মিশ্রণের উপযোগিতা বজায় রাখা হয়। এ জন্য যে কোন স্পেসিফিকেশনে স্ল্যাম্পের মান দেওয়া থাকে। কংক্রিট মিশ্রণে স্ল্যাম্পের মান গুলো মেনে চললে কংক্রিটের মান উন্নত ও পীড়ন বৃদ্ধি পায়। নিম্নে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত কংক্রিটের স্ল্যাম্পের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো।

১) রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট = ২০-৩০ মিমি।
২) আরসিসি স্ল্যাব, বীম ও দেওয়াল = ৫০-১০০ মিমি।
৩) কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা খাড়া মেম্বার = ৭৫-১৫০ মিমি।
৪) পানি রোধী নির্মাণ কাজ = ৭৫-১২০ মিমি।
৫) ভাইব্রেটেড কংক্রিট = ১২-২৫ মিমি।
৬) পুরু কংক্রিট = ২৫-৫০ মিমি।
৭) সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরি কাঠামো = ২৫-৭৫ মিমি।
৮) আরসিসি ভিত্তি দেওয়াল এবং ফুটিং = ৫০-১০০ মিমি।
৯) ব্রিজ ডেক = ২৫-৭৫ মিমি।

BUET, DUETস্লাম্প টেস্ট কি এবং কেন করা হয়?

স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত এর বিস্তারিতঃ

সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে সহজে নাড়াচাড়া এবং ফর্মার মধ্যে ঢালাই করা যায়। কংক্রিট মিশ্রণের এই গুনটিকে কার্যোপযোগীতা বলে। মিশ্রণে পানির পরিমাণ বেশি হলে, মিশ্রণ নরম হয়। ফলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই সহজ হয়। আবার পানির পরিমাণ কম হলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। মিশ্রণে পানির পরিমাণ কম বা বেশি করে কার্যোপযোগীতা পরিবর্তন করা যায়। তবে ঢালাইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যোপযোগীতা একই থাকা উচিৎ। এই কার্যোপযোগীতা পরীক্ষা করার জন্য খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো স্ল্যাম টেস্ট। সুতরাং ঢালাই কাজে ব্যবহত কংক্রিট মিশ্রণের কার্যোপযোগীতা যাচাইয়ের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয়, তাকে কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্ট বা নতি পরীক্ষা বলা হয়।

কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্টের জন্য দু'দিকে হাতল যুক্ত লোহার চোঙ বা সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এর উচ্চতা ৩০ সেমি এবং নিচের প্রান্তের ব্যাস ২০ সেমি এবং ক্রমশঃ সরু হয়ে উপরের প্রান্তের ব্যাস হবে ১০ সেমি।

কাঠামোর গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য কংক্রিট মিশ্রণের উপযোগিতা বজায় রাখা হয়। এ জন্য যে কোন স্পেসিফিকেশনে স্ল্যাম্পের মান দেওয়া থাকে। কংক্রিট মিশ্রণে স্ল্যাম্পের মান গুলো মেনে চললে কংক্রিটের মান উন্নত ও পীড়ন বৃদ্ধি পায়। নিম্নে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত কংক্রিটের স্ল্যাম্পের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো।

১) রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট = ২০-৩০ মিমি।
২) আরসিসি স্ল্যাব, বীম ও দেওয়াল = ৫০-১০০ মিমি।
৩) কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা খাড়া মেম্বার = ৭৫-১৫০ মিমি।
৪) পানি রোধী নির্মাণ কাজ = ৭৫-১২০ মিমি।
৫) ভাইব্রেটেড কংক্রিট = ১২-২৫ মিমি।
৬) পুরু কংক্রিট = ২৫-৫০ মিমি।
৭) সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরি কাঠামো = ২৫-৭৫ মিমি।
৮) আরসিসি ভিত্তি দেওয়াল এবং ফুটিং = ৫০-১০০ মিমি।
৯) ব্রিজ ডেক = ২৫-৭৫ মিমি।
#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ



BUET, DUET

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BNS Engineering & Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share